কুয়াশা-বর্ণলিপির ভাঁজে

 

ঘুটে-ঘুটে অন্ধকার বর্ণলিপির ভাঁজ খুলে
উঠে এসেছে বালক-সকাল, ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা কুয়াশার
প্রীতি-আহবানে;

ভেসে যাওয়া গাঢ় ফেনার মত গায়ে গা-ঘেঁসে
লঞ্চ যাত্রীরা নেমে যাচ্ছে আবছায়া আলোতে
যে যার দূর গন্তব্যে;

মাঝি-বিহীন ট্রলার গুলো গলাগলি করে
ভিড় করে আছে ঘাটে, অপেক্ষা অজানা গন্তব্যের,
ট্রলার-শরীরে প্রতি লোমকূপে জমে আছে
ফোঁটা ফোঁটা ঠাণ্ডা জল, অবিরত কুয়াশায়।

জোড়া কপোত কপোতী হাল্কা থেকে গভীর খুনসুটিতে
খুব-ই ব্যস্ত, একটু আড়াল মত জায়গা জুড়ে;

খেলনা-ক্যামেরা চোখ পাকিয়ে বসে আছে,
ঝুলে থাকা কুয়াশা থেকে যদি খানিকটা খেয়ে ফেলা যায়
স্মৃতির উত্তেজনা সমেত, সুন্দর অক্ষম নিষ্ফলতায়।

দিগন্তের গা-ঘেঁষে রক্ত-স্থিরতায়
উপুড় হয়ে শুয়ে/লেপ্টে থাকা সূর্যি-মামা দেখে,
কুয়াশা পালিয়ে গেল নিমিষে!

ছবি……নিজ।

মোট পড়েছেনঃ ৭৫৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. আগে যখন লঞ্চে বাড়িতে যেতাম তখনকার দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠলো। এতো সুন্দর করে বললেন। ধন্যবাদ ভাইয়া ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইলো

  2. অন্ধকার বর্ণলিপি
    এই অন্ধকার বর্ণলিপি কী ভাইজান?

    পথিক,পথিকের গন্তব্য, গন্তব্যের বাহনের স্থবিরতা ইত্যাদি কী কন বুঝছি না ভাইজান।

    1. অন্ধকারের রূপ বলতে পারেন বা অন্ধকার আসলে অন্ধকার না,
      সেখানে ও থাকে অনেক কিছু………………
      “পথিক,পথিকের গন্তব্য, গন্তব্যের বাহনের স্থবিরতা”
      এ গুলো তো আমার লেখায় নেই!! কৈ পাইলেন! অন্ধকারের বর্ণমালায় এসব ছিল নাকি!

  3. খেলনা-ক্যামেরা চোখ পাকিয়ে বসে আছে,
    ঝুলে থাকা কুয়াশা থেকে যদি খানিকটা খেয়ে ফেলা যায়
    স্মৃতির উত্তেজনা সমেত, সুন্দর অক্ষম নিষ্ফলতায়।

    ………….জটিল লেখছেন ভাই, কালোগুলোও সাদায় রূপান্তরিত হতে খুব একটা সময় নিবে না মনে হয় 😀

  4. “জোড়া কপোত কপোতী হাল্কা থেকে গভীর খুনসুটিতে
    খুব-ই ব্যস্ত, একটু আড়াল মত জায়গা জুড়ে;”

    ভোর সকালে ব্যস্ত জুটি
    কবি মোদের দেয় যে উকিঁ
    নিয়ে শুধু একটু ঝুঁকি।
    ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

  5. জোড়া কপোত কপোতী হাল্কা থেকে গভীর খুনসুটিতে
    খুব-ই ব্যস্ত, একটু আড়াল মত জায়গা জুড়ে;”

    দাদা পড়ে মুগ্ধ হলাম,
    আপনারজন্য অজস্র শুভ কামনা🌹🌹

  6. আহারে, আমার শিশু সকালডারে মাইরা ফেলছেরে মাইরা ফেলছে। আর হেইডা ডাইক্কা ফেলতে কপোত কপোতিরে টাইন্না আনছে ভেইন্না কালে।
    নোটঃ এই লেখা আপনার হতেই পারেনা।

    1. আচ্ছা সক্কাল বেলা কপোত-কপোতি প্রবল হতে পারবে না, এমন কথা কী কোথাও লেখা আছে!!!
      খাইছেরে! ছুড়ির দুদিকেই ধার! কই যামু!তুলা তুলা লেখা লিখেও নিস্তার নেই!!
      নোটঃ ইহা অবশ্যই আপনার লেখা, আমি শুধু টাইপো করে তুলে দিয়েছি মাত্র!

      1. জী না, কোথাও লেখা নাই। তবে সকালটা উপভোগের মাঝে তাহারা একটু সামলে থাকতে পারতেন।

        একজন লেখক তার ভালো লাগার জন্যই লেখেন। তবে কারা তার লেখা পড়ছেন, মাঝে মাঝে তাও ভাবতে হয়। আপনি এখন তা ভাবছেন বলেই মনে করতে ইচ্ছে হয়। আর আমিতো আছিই আমার নাম ব্যবহারের জন্য।

      2. লেখা-জোখায় কে আর কাকে সামলায়
        সময় অসময়ে!
        যাউক, এতদিনে কুল পাচ্ছি মনে লয়!

        তা আম্নেরা লইয়া ল্যাহাডা যদি এট্টু দেইখ্যা দেতেন! হে হে!!

মন্তব্য করুন