ইচ্ছে-ডুবির আদরে

বিদায়ী উষ্ণতা...
বিদায়ী উষ্ণতা…

ছুঁয়ে দিতে গিয়েই উত্তালতায় ডুবে যাচ্ছে আনন্দাদি
চুমুক দেয়ার মতোই চুমুর স্বাদ
কে নেয় ওই বিষ ঠোঁটের স্পর্শ?
তবুও খুঁড়ে খুঁড়ে বালুর তল থেকে তার জল-ডুবুরী হবার ইচ্ছেটাকে
রোদের ডানায় ওড়াতে যাওয়া দেখে ভয় নিয়ে পালিয়ে যাওয়া নিজের থেকেই নিজের।
হারিয়ে যাবার তাড়নায় বিষাদাক্রান্ত সাপের বিষ পান করতে করতে বুঝে গেছি
সেই একাই আমি;
কেউ ফিরে আসেনি ডুবে গেছে যে আমায়।
দীর্ঘ পথে ছায়ার সাথে ছায়াও থাকেনা। থাকে কি?
অশরিরী ভালোবাসায় টুপটাপ বৃষ্টিতে ভিঁজতে ভিঁজতে টুংটাং কাঁপুনির ছন্দে নুপূর মত্ত কেন থাকে,
কিংবা,
কেনই বা জমে থাকা নি:শ্বাস ঘন অন্ধকার পাড়ি দিয়েই চলছে?
সহজ উত্তরও অনেক সময় দেয়া কঠিন হয়ে যায়।
গুটিকয়েক প্রশ্নের কারণেই জীবনের হিসেব-নিকেশ সব পালটে যায়—
তবু স্বস্তি আসে। তবুও প্রেম আসে।

হে স্বস্তি পথ দেখাতে এসেছোই যখন,
উত্তাপ নয় উষ্ণতায় জড়াও।

হ্যামিল্টন, কানাডা
২৩ অক্টোবর, ২০১৫ ইং।

(লেখাটিকে ভদ্রস্থ করার চেষ্টা করা হলো আজ ১ ডিসেম্বর, ২০১৫ ইং।)

মোট পড়েছেনঃ ৮৩১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

  1. গুটিকয়েক প্রশ্নের কারণেই জীবনের হিসেব-নিকেশ সব পালটে যায়—
    তবু স্বস্তি আসে। তবুও প্রেম আসে। — এমন কথা ভাবায় মানুষকে।

    1. সেই! জীবন থেমে থাকেনা। কারুর জন্যে না। প্রকৃতি শূণ্যস্থান যেমন পূরণ করে, তেমনি মানুষের হৃদয়ের অনুরণনও কারো না কারো জন্য হয়। হতে থাকে।
      এতো প্রেম চারিদিকে, স্বস্তি তো থাকবেই। 🙂

  2. দিদি দুয়েকদিন আগে কানাডায় একটা উৎসব হয়েছে। কি যেন নাম, ভুলে গেছি। তবে উৎসবটা প্রতি বছর হয় ডিসেম্বর মাসের শুরুতে। জানতে চাই সেই সম্পর্কে। ইন্টারনেট থেকে নয় তোমার কাছ থেকে।

    1. তাই নাকি ভাইয়া? আসলে আমি জানিনা। আসলে এতো ব্যস্ত থাকি। আর এখানে হ্যামিল্টনে কোনো উৎসব হয়েছে কিনা উহু না তো! হয়তো অন্য কোনো শহরে। অটোয়াতে নয়তো!?

  3. //দীর্ঘ পথে ছায়ার সাথে ছায়াও থাকেনা।//

    মুগ্ধতা!!

    শুভকামনা জানবেন। অনিঃশেষ।

    //কেউ ফিরে আসেনি ডুবে গেছে যে আমায়।//

    ভালো থাকবেন। অনেক। সবসময়।

      1. মন্তব্য আসলে অসম্পূর্ণ!

        এই দুটো পঙক্তিতে বিশেষ ভালো লাগা।

        পুরো লেখায় ভালো লাগার কথা বলা হয়নি।

        বলা হয়নি সুন্দর উপস্থাপনের কথা।

        এবং ছবি। ছবির প্রতি মুগ্ধতা থাকছেই।

        আর শিরোনামের কথা উল্লেখ না করাটা উচিত হয়নি একদম।

        সুতরাং আবার ফিরলাম। কথাগুলো বলতে।

        শুভকামনা। শুভকামনা পুনরায়।

  4. কেউ ফিরে আসেনি ডুবে গেছে যে আমায়——–অদ্ভূত লাইনটা। কি করে এলো মাথায়?
    পুরো লেখাটা থেকেই এই লাইন ছেঁকে এনেছি। বাকিটা আর নজরে আসছেনা। দারুন।

  5. সহজ করে প্রশ্ন করতে পারা, সহজে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারা, সেই সাথে সহজে উত্তর গ্রহণ করতে পারা এই সবকটিই খুব জরুরী। আমাদের শিখতে হবে। সহজ কে মানতে হবে। ভাল লিখেছ আপু -{@

      1. ছুঁয়ে দিতে গিয়েই উত্তালতায় ডুবে যাচ্ছে আনন্দাদি
        চুমুক দেয়ার মতোই চুমুর স্বাদ
        কে নেয় ওই বিষ ঠোঁটের স্পর্শ!
        তবুও খুঁড়ে খুঁড়ে বালুর তল থেকে,তার জল-ডুবুরী হবার ইচ্ছেটাকে
        রোদের ডানায় ওড়াতে যাওয়া দেখে, ভয় নিয়ে পালিয়ে যাওয়া নিজের থেকেই নিজে।
        হারিয়ে যাবার তাড়নায় বিষাদাক্রান্ত সাপের বিষ পান করতে-করতে বুঝে গেছি,
        সে আর কেউ না; একান্তই আমি।
        কেউ ফিরে আসেনি ডুবে গেছে যে আমায়
        তলের ঠাঁই আর নিজের মাঝে পার্থক্য আর রইল কই?
        জল জানে না জলের অঙ্ক; হিসেব কষে সময়ের ভাগ্যে।
        দীর্ঘ পথে ছায়ার সাথে ছায়াও থাকে না। থাকে কি!
        অশরিরী ভালোবাসায় টুপটাপ বৃষ্টিতে ভিজতে-ভিজতে, টুংটাং কাঁপুনির ছন্দে নুপূর মত্ত কেন থাকে?
        কিংবা
        কেনই বা জমে থাকা ঘন নি:শ্বাস অন্ধকার পাড়ি দিয়ে চলছে?
        সহজ উত্তরও অনেক সময় দেয়া কঠিন হয়ে যায়।
        গুটিকয়েক প্রশ্নের কারণেই জীবনের হিসেব-নিকেশ সব পাল্টে যায়-
        তবু স্বস্তি আসে, তবুও প্রেম আসে-প্রেমবাঁচে।
        হে স্বস্তি পথ দেখাতে এসেছো-ই যখন,
        উত্তাপ নয়; উষ্ণতায় জড়াও
        কোমল হোক ক্ষণিকের পথ।

        (যদিও কাজটা আমার মোটেও ভালো হয়নি। কিন্তু কি করবো পড়তে গিয়ে প্রাণ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। ক্ষমা করবেন দিভাই)

    1. না-বোঝার কথা তো না! একই আমি, একই লেখনী। সেই আমি-তুমি। প্রেম ছাড়া যার লেখায় আর কিছু থাকেনা।

      অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে। -{@

মন্তব্য করুন