প্রেম কি?একটু চোখাচোখি,লুকোচুরি,তাকে নিয়ে সারাক্ষণ ভাবা,ছোট ছোট লাইনের চিঠিগুলো লুকিয়ে লুকিয়ে পড়া!
রাস্তায় দেখা হলে মস্তিষ্কের নিউরণের ততপরতা বেড়ে যাওয়া!আবার দেখা না হলে,সবকিছু থেকেও কি জানি নাই ,মনে হওয়া!
রাধা রাধা ভাব!কৃষ্ণের বাঁশি শুনলেই হলো।সবকাজ বাদ!তাকে একটু দেখতেই হবে!
প্রেম চলছে চার বছর,পাঁচ বছর!এই মেয়ের যখন অন্যখানে বিয়ে ঠিক হবে,তখন সীতার মতো অগ্নিপরীক্ষায় যেতে হয়।
ছেলেরা হয়ে যায় রাম!ছেলেদের পরীক্ষায় পরতে হবেনা!
এক আল্লাহ্র সৃষ্টি!আমি নারী বলে দুই নিয়ম!সতীত্বের পরীক্ষা দিতে হবে!
তুমি,ছেলে রাম!তোমার সাতখুন মাফ!তুমি হাদীস ঘেটে বলো,”চারটা পর্যন্ত বিয়ে করা যাবে!”
মুখে তিন তালাক বললেই তালাক!
তারপর হিল্লা বিয়ে!
আজব নিয়ম!আজব সংসারে!
একই রক্ত প্রবাহিত !আমার বেশি কথা বলা যাবে না!গলা ছেড়ে কাঁদা যাবেনা!
Frailty thy name of woman!
সুন্দর! ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। নারীকে নারী নয় মানুষরূপে দেখার বোধ জাগ্রত হোক সবার মাঝে।
এটা শুধু ভাবাভবাবিই হয়!প্রয়োগ নাই
কী লিখলেন! মেয়েদের সবকিছুতেই বারণ। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আর আশা করি এভাবেই চলতে থাকবে। এ যুগে কোনো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আসবেন না, না আসবেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। কারণ এখন উনারা এলে তাঁদেরকে বাঁঁচতেই দেবেনা এ সমাজ।
ভালো লিখেছেন।
এখন মানুষ দুটা জিনিস পারে,ধ্বংস করো অথবা নষ্ট করো!
ঠিক বলেছেন।
ছেলেরা মিথ্যে বলেনা কখনো, বলতেই পারেনা! ঘরের বউ কখনো সত্য কি জানতেই পারেনা। হররোজ দেখে যাওয়া রকমফেরে বৈষম্য। সমাধান….. কখনো কি আছে বা পাওয়া যাবে? চারপাশে নিত্য দেখে যাচ্ছি এরকমটা। এখনো বিরাম নেই। ঘর আর বাইরের দুই রুপেই চলছে অবস্থার ঘটনাপ্রবাহ।
সমসাময়িক বলবো না প্রতিনিয়ত চলমান ঘটনা প্রবাহ। ভালো লিখেছেন।শুভ কামনা।
হৈমন্তী থেকে আমি!কেউ এর ব্যতিক্রম নই!
যুগে যুগে নারীরা অবহেলিতই থেকে যায়!! পুরুষ হয়ে ওঠে পৌরুষত্বের সামাজিক মডেল।
লিখুন আপু।
উফ!আমার সত্যিই রোকেয়া হতে ইচ্ছে করে।
হতে সমস্যা কি? নারী জাগরণ চিরকালই অগ্রগন্য।
প্রেমে পড়ার একটা সুখ আছে।
সে প্রেম স্বার্থক না হওয়াই ভালো। প্রচন্ড ভালবাসায় দুঃখ পাওয়া নাকি সুখের। বলেছিলো কেউ একজন।
মেয়েদের পরীক্ষা দিতে হয় কেনো? আর এ পরীক্ষা কিন্তু আমরা মেয়েরাই মেয়েদের কাছে দেই।
চারটা বিয়ে করবে পুরুষ কিন্তু চারটা নারীকেই। আমার ইদানিং কোনো ক্ষোভ নেই চির অহংকারীী পুরুষের উপর। কারণ, তাকে অহংকারী করেছি আমরাই।
লেখায়া কমার পরে একটু স্পেস দিলে আরো চমৎকার হবে লেখা।
শুভ কামনা। বেশ লিখেন আপনি।
আমি এমন কিছু করবো,যেটা মডেল হিসেবে থাকবে,দোয়া করবেন!
ভাল লিখেছেন।সব কিছুই নিয়তি।
চেষ্টা করলাম আরকি!
প্রেমটা আসলে না পাওয়া। অনেক সুন্দর করে লিখেছে প্রেমের উপমায় নারী অধিকার। চমৎকার উপস্থাপনা।
মন্তব্য ভালো লাগলো!
আপনার লেখায় এটা আমার প্রথম মন্তব্য, তাই শুরুতেই স্বাগতম জানাচ্ছি। সুস্বাগতম।
লেখাটি নিয়ে বলতে গেলে আমার কাছে একটু এলোমেলো লেগেছে। শুরুতে প্রেম নিয়ে লিখেছেন, এরপর নারীর প্রসংগ। দুটো ভিন্ন টপিক্সে লিখতে চেয়েছিলেন হয়তো। লিখুন আরো অনেক। সাথেই থাকবেন আশা করি সোনেলার।
চেষ্টা করবো!
ছোট লেখায় ভালো একটি বক্তব্য নিয়ে এলেন,
মানুষের মাঝে একই রক্ত প্রবাহিত হলেও, নারীদের জন্য ভিন্ন নিয়ম চালু আছে সৃষ্টির প্রথম থেকেই।
আরো লিখুন, অন্যের লেখাও পড়ুন, মন্তব্য দিয়ে অন্যদের উৎসাহিত করুণ।
অবশ্যই!
সাম্যহীনতা আমাদের সমাজে এখন নিয়তির মত দাঁড়িয়ে গেছে।
কে কী করে ভাঙবে জানি না।
ঘুরপাক খাচ্ছি!
বাহুডোরে শক্ত পুরুষ কিন্তু মানসিক, নিতিবাক্যে, মানবতায় তত শক্ত নয়। একটি গানের লিঙ্ক দিলাম, অন্যমনে ভাব্বেন না। দেহ তত্বের গান।
https://youtu.be/dnLeoLFfEYg
ভালোমন নিয়ে পড়লে,সব কিছু থেকে শিখা যায়!
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু। শুভেচ্ছা নিরন্তর।
প্রেম হচ্ছে স্বর্গীয়।
একদম!