সহযাত্রী

সহযাত্রী অনেক দিন পর আমার শরীরের রক্তকনা গুলো হিম শীতল হয়ে জমাট বাধলো । মানুষের জীবনে বাস্তবতা যে কি গুরুত্ববহন করে তা আজ জানাতে পারলাম । সময়ের সাথে স্বপ্নগুলো চোখের পলকে কিভাবে মিশে যায় । আমি যেন তার রাজসাক্ষী । ** মনটা অনেক খারাপ । কিন্তু সব সময়ের মত না । অল্প সময়ে একজনের মানুষের [বিস্তারিত সহযাত্রী]

এক নজরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর বুকে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ এই যুদ্ধের সূচনা ঘটে, যখন পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী রাতের অন্ধকারে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পঁচিশে মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ঢাকায় অজস্র সাধারণ [বিস্তারিত এক নজরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]

আমরা প্রত্যকেই কারোনা কারো চাকর, সুতরাং বড়াই করার কিছু নেই

কিছুকাল আগে এক রাতে এয়ারপোর্ট থেকে রিকশায় করে বাসায় ফিরছিলাম।বাসার কাছে রিকশা থেকে নামার সময় পাশের বাসার এক আংকেলের চিৎকার শুনতে পেলাম। -“তোর কি আমার স্টাটাস সম্পর্কে জানা আছে?তুই কার মুখের উপর কথা বলছিস ধারণা আছে?ব্যাটা দুইটাকার দারোয়ান।তোর সাহস দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছি।এতবড় বাড়ি আর এতকিছু কি তোর বাপের টাকায় করেছি?” -“স্যার আমিতো ……” -“চুপ [বিস্তারিত আমরা প্রত্যকেই কারোনা কারো চাকর, সুতরাং বড়াই করার কিছু নেই]

শর্টকার্ট রেসিপিঃ দুধ চিতই (ব্যাচেলর ছেলেদের জন্য)

ব্যাচেলরদের হা-পিত্যেশের দিন শেষ। আজ আমি শিখিয়ে দিবো মায়ের থেকে, বউয়ের থেকে দূরে থেকেও কিভাবে আপনি শীতের পিঠা অল্প সময়ে,অল্প খরচে বানাবেন নিজহাতে। আসুন আজ শিখি দুধ চিতই বানানো। এক্কেবার বারে কম খরচে, কম ঝামেলায়, কম সময়ে ! কেনাকাটা পর্বঃ >>>পিঠার দোকানে চলে যান সোজা। ৪টা চিতই পিঠা কিনে নিন মাত্র ২০টাকা খরচা করে। ওই [বিস্তারিত শর্টকার্ট রেসিপিঃ দুধ চিতই (ব্যাচেলর ছেলেদের জন্য)]

যদি যাই চলে

মন ভেঙে গেলে, দীপ নিভে এলে, ক্ষতি কি? দেখে নিও তুমি, রোজ রাতে আমি- জ্বেলে যাবো আলো ঠিকই। অভিমান হলে, চোখে জল এলে, ক্ষতি কি? এনে দিবো হাসি, তারা রাশিরাশি- মাঝরাতে সেই আমি। কথা না হলে, দূরে সরে গেলে, ক্ষতি কি? দেখা হবে ঠিকই, হবে আঁকিবুঁকি- ডাগর চোখে তোমারই। উড়োচিঠি না এলে, পিছুটান না পেলে, [বিস্তারিত যদি যাই চলে]

দগ্ধ মানবতা

হে মানবতা, তোমার জন্য এনেছি জ্বলন্ত এক মানব কাবাব, মানবিক বিবেকহীন মানবতার ধ্বজা ধরে চলছে যে নপুংসুকের দল, তাদের জন্যও। গৃহহীন স্বপ্ন দেখে যে গৃহপালিত পশুরা তাদের জন্যও গরম এ কাবাব, হালুয়া রুটি খেয়ে যারা কথাবন্ধু সাজে প্রথম পাবে তারা। মানবতা, তুমি পাবে কিয়দাংশ,কারণ এত এত সুশীলের উদর পূর্তি আর গৃহপালিত কিংবা কথাবন্ধুদের ভুরিভোজের পরেই [বিস্তারিত দগ্ধ মানবতা]

শিশু সাহিত্যঃ শেয়াল পন্ডিতের পাণ্ডিত্য।

শেয়াল মামা পন্ডিত বলিয়াই স্বীকৃত। বনে জঙ্গলে মাথা উঁচু করিয়াই চলেন তিনি। কিন্তু ফাঁদে পড়িয়া সদ্য খোয়া যাওয়া লেজটি নিয়ে বিশেষ দুশ্চিন্তায় পড়িয়াছেন তিনি। বহুপূর্বে তাহার পরদাদারও একই অবস্থা হইয়াছিলো। সে যাত্রায় বনের প্রাণীরা শেয়াল জাতির পান্ডিত্যে একটা কলঙ্কের দাগ আঁকিয়া দিয়াছিলো। তাহার পরদাদা প্রাণীকুলে ব্যাপক ক্ষোভ এবং সমালোচনার মুখে পড়িয়াছিলেন বনের আর সকলের লেজ [বিস্তারিত শিশু সাহিত্যঃ শেয়াল পন্ডিতের পাণ্ডিত্য।]

যে ভালোবাসা ভোলায় মোরে

আমার মা।পৃথিবীর সব সাধারন মায়েদের একজন।যার স্নেহ আর ভালোবাসায় বড় হয়ে উঠেছি আমরা দুই ভাই বোন। বাবার শাসনের বিপরীতে এক স্নেহময়ী জননী আমাদের মা। টানাপোড়েন আর অভাবের সংসারে তার ভালবাসার চেয়ে অধিক বিলাসী আর কিছুই ছিলো না আমাদের। তার চীরকালিন হাসির মাঝে যে ব্যাথা লুকিয়ে ছিল তা ছোট বয়স থেকেই বুঝতে পেরেছিলাম আমরা দুই ভাই-বোন।তাই [বিস্তারিত যে ভালোবাসা ভোলায় মোরে]

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একজন সংখ্যালঘুর খোলা চিঠি

প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা নিবেন। আমি জানিনা এ চিঠি আপনি পড়বেন কিনা। হয়তো আপনার অজান্তেই এই চিঠিখানি ডিজিটাল প্রযুক্তির আড়ালেই রয়ে যাবে চীরকাল। অত্যন্ত দুঃখ-ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আপনাকে লিখতে বসেছি একজন সংখ্যালঘু(শব্দটি পীড়াদায়ক হলেও মেনে নিয়েছি) হিসেবে। এদেশে জন্মগ্রহণ করা হয়তো আমাদের জন্য আজন্মের পাপ। তাইতো স্বাধীন দেশে আর সকলের মতো গর্ব করে স্বাধীনতার [বিস্তারিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একজন সংখ্যালঘুর খোলা চিঠি]

আমি, তোমাদের প্রিয় বাংলাদেশ

  আমাকে চিনতে পেরেছো? আমি স্বাধীনতার সীল মারা এক দেশ। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে রঞ্জিত- মা-বোনের কলঙ্কের আঁচড় লাগা বুক; হাজারো স্বপ্ন খচিত- অতৃপ্ত বাসনার এক দেশ। আমার নাম বাংলাদেশ; হীনতা আর দম্ভে ভরা ষোল কোটি মানুষের- প্রিয় বাংলাদেশ।আমাকে নিয়েই খেলছো তোমরা- প্রতিহিংসার খেলা; আমার মাঝেই দেখছি আবার সাম্প্রদায়িকতার মেলা ! তবুও চলছি খুড়িয়ে জন্ম [বিস্তারিত আমি, তোমাদের প্রিয় বাংলাদেশ]

পথশিশুদের মাঝে Ruins of Poverty গ্রুপের শীতবস্ত্র বিতরণ সফলভাবে সম্পন্ন

Ruins of Poverty একদল স্বপ্নবাজ তরুণের স্বপ্নের নাম। এটি একটি ফেসবুক গ্রুপ। ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে গ্রুপটি। শুরুর বছর থেকেই কাজ করে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জন্য, শিশুদের জন্য। এক নজরে এই গ্রুপের কার্যক্রম সমূহঃ ২০১১= পথশিশুদের সাথে একটি বিকেল। ২০১১= হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ। ২০১১= নির্যাতিতা বিথী রাণীকে সাহায্য প্রদান। ২০১২= হতদরিদ্র খোদেজা বিবি [বিস্তারিত পথশিশুদের মাঝে Ruins of Poverty গ্রুপের শীতবস্ত্র বিতরণ সফলভাবে সম্পন্ন]

বিদায় তোকে দুঃখী তেরো, চৌদ্দ তোমায় স্বাগত জানাই

তোমার পোষাকে লেখা ছিলো, ‘মেইড বাই ব্লাড। ‘হাজার কন্ঠের আর্তনাদে কেঁপেছে আকাশ,কেঁদেছে বাতাস ! ফেলানীরা ঝুলে থাকে মানবতার কাঁটাতারের বেড়ায় বিদায় তোকে দুঃখী তেরো,চৌদ্দ তোমায় স্বাগত জানাই। পথে পথে জ্বলেছে মটর,কাবাব হয়েছে শ্রমিক পুড়েছে বাংলা, কেঁদেছে সন্তানহারা মা, গণতন্ত্রকে বলেছি না, রক্তের হলিতে গণতন্ত্র বাচাই ! বিদায় তোকে দুঃখী তেরো,চৌদ্দ তোমায় স্বাগত জানাই। স্বাধীন দেশে [বিস্তারিত বিদায় তোকে দুঃখী তেরো, চৌদ্দ তোমায় স্বাগত জানাই]

জীবনের চোরাগলি(পর্ব ২)

(২) মায়ের উপর অভিমানে জ্যাক কিছুতেই কোন কাজে মন দিতে পারছে না। ওর ভাবনায় শুধু মায়ের অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র ক্ষোভ জমে আছে। আনমনে টিভি চ্যানেলগুলো ঘুরাতে লাগলো। হঠাৎ BBC News এর একটি সংবাদে চোখ আটকে গেলো। “Cyclone XFiles destroy poor Bangladesh !!!” জ্যাকের ছোট হৃদয় ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাচ্ছে মানুষের এতো কষ্ট দেখে। বাকরুদ্ধ [বিস্তারিত জীবনের চোরাগলি(পর্ব ২)]

পথশিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদানঃ সাহায্য পাঠানোর শেষ তারিখ ২৬ ডিসেম্বর

প্রতিবছর জানুয়ারীর শুরুতে আমরা শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকি Ruins of Poverty গ্রুপের ব্যানারে। এবার দেশের সার্বিক দিক বিবেচনা করে ঢাকার বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা বাদ দিয়ে ঢাকায় পথশিশুদের মাঝে শীতের কাপড় বিতরণ করবো। আমাদের আহবানে সাড়া দিয়ে ইতোমধ্যে কয়েকজন অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করেছেন। আশা করছি আগামী ২৬ ডিসেম্বরের মাঝে অনেকেই আমাদের এই মানবিক কার্যক্রমের [বিস্তারিত পথশিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদানঃ সাহায্য পাঠানোর শেষ তারিখ ২৬ ডিসেম্বর]

জীবনের চোরাগলি (পর্ব-১)

(১) মিসেস জেনিফার একজন প্রকোশলী। মিসিগান রাজ্যের প্রভাবশালী এবং নামকরা প্রকোশলীদের একজন। তার প্রথম স্বামী স্টিফেন একজন মহাকাশ গবেষক।এই দম্পত্তির ছাড়াছাড়ি হয়েছে বেশ কয়েক বছর হলো। দ্বিতীয়বার ঘর বেঁধেছেন নিজেরই একজন সিনিয়র কলিগের সাথে।নাম গঞ্জালেস ফিফার। যিনি কিনা সিনিয়র তড়িৎ প্রকোশলীদের মধ্যে একাধারে একজন গবেষক এবং কয়েকটি গবেষণাগারের প্রধান সমন্বায়ক। প্রথম ঘরের সন্তান জ্যাককে নিজের [বিস্তারিত জীবনের চোরাগলি (পর্ব-১)]