মাধবীলতা – প্রথম অংশ

পূর্ব বাংলার মানুষের ভাগ্যাকাশে দুর্যোগের কালোমেঘ জমাট বাঁধছে ক্রমশঃ। সারা পূর্ববাংলায় কেমন ভয়ঙ্কর থমথমে অবস্থা। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী অত্যাচার নির্যাতনের মাধ্যমে বাঙালিদের স্বাধীকারের স্বপ্নকে ধূলোয় মিশিয়ে দিতে বেছে নিয়েছে অত্যাচার নির্যাতনের পথ। সত্তরের নির্বাচনে বাঙালিদের নেতা শেখ সাহেবের আওয়ামী লীগ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগড়িষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানি শাসকেরা শেখ সাহেবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে নানা ছলচাতুরী ও [বিস্তারিত মাধবীলতা – প্রথম অংশ]

মুসাফির

আমি পেশাদার গল্পকার নই। মন ভালো থাকলে মাঝে মাঝে গল্প লিখি। নিয়মিত লিখি না বলেই হয়তো অনেকে আমার গল্পগুলোকে বাস্তব মনে করেন। কিছুদিন আগে একটা ছোটোখাটো রহস্য গল্প লিখলাম, মোটরসাইকেল এ্যাক্সিডেন্ট করেছি -এরকম একটা অংশ ছিল। এরপর কয়েকদিন ধরে পরিচিতদের ফোন আসতে লাগল- এখন কেমন আছি, সুস্থ হয়েছি কিনা! বাসায় ফিরতে পৌনে দশটা বেজে গেল। [বিস্তারিত মুসাফির]

প্রায়শ্চিত্ত

  গতকালও বৈশাখের কাঠফাটা গরমে আবহাওয়াটা  অসহ্য রকমের গুমোট হয়েছিল। কিছুক্ষন আগে একপশলা বৃষ্টি হয়েছোট। এখন থেমে গেলেও আকাশটা স্লেটের মত কালো হয়ে আছে। বাতাসে হিমেল আমেজ। এখানে বসে পাহাড় শ্রেণীর অনেকদুর দেখা যায় । বৃষ্টি ঝেড়ে ফেলা, পেজা তুলার মত হালকা সফেদ রঙা সাদা মেঘগুলি ভাসছে, ঠিক  তার নিচে সবুজে ছাওয়া পাহাড়ী বন। বনের [বিস্তারিত প্রায়শ্চিত্ত]

আত্মহত্যার প্রভাবন

  কথায় মানুষ খুব দ্রুত প্রভাবিত হয়, তবে সবার কথায় না। কিছু কিছু মানুষ আজীবন শুধু বলেই যায়, তাদের কথা কেউ বিশেষ কর্ণপাত পর্যন্ত করে না। কিন্তু এই কিছু মানুষের বাইরে আরও অল্প কিছু মানুষ থাকে, যাদের দীর্ঘশ্বাসও মানুষের মনে বিশেষ অর্থ জাগিয়ে তোলে। ঠিক কী কারণে কিংবা কেন এমনটা হয় তার সঠিক কোন ব্যাখ্যা [বিস্তারিত আত্মহত্যার প্রভাবন]

অনুবাদ গল্পঃ বিস্ময়কর সাত

  ছোট্ট এক গ্রামের ৯ বছর বয়সী এক মেয়ে ‘অ্যানা’। গ্রামের এক স্কুল থেকেই সে ৪র্থ শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করেছে। এরপর আরও উন্নত শিক্ষার জন্যে শহুরে ভালো স্কুল গুলির ৫ম শ্রেণীতে ভর্তি হবার আবেদন করল, আর তার ভালো ফলাফল এবং মেধার ভিত্তিতে শহরের এক নামকরা স্কুলে সে ভর্তি হবার সুযোগও পেয়ে গেলো। নতুন [বিস্তারিত অনুবাদ গল্পঃ বিস্ময়কর সাত]

মর্জিনা বিবি

রাত আনুমানিক বারোটা। খালেদার চোখে ঘুম নেই। মনটা ছট ফট করছে। ইচ্ছে হল বাইরে বের হতে। রুম হতে বারান্দায় আসতেই দেখে কাজের মহিলা মর্জিনা বিবি বারান্দায় বসে আছে। তার চোখে পানি। খালেদা মর্জিনা বিবির দিকে এগিয়ে গেল। – আচ্ছা দিদি আপনি এখনও ঘুমান্নি! মর্জিনা বিবি চোখের পানি আঁচল দিয়ে মুছে বললো, ঘুম আইতেছে না তাই [বিস্তারিত মর্জিনা বিবি]

ওমিক্রনের কথাঃ হস্তাক্ষর (শর্ট ফিকশন)

  বেশ অনেক সময় ধরে চেষ্টা করছি মানুষের মত লিখার জন্যে, কিন্তু হচ্ছে না। মানুষের এই ব্যাপারটি একদম অন্যরকম, ঠিক যেমন তাদের স্বভাবের মত। এক একজন মানুষের স্বভাব যেমন এক এক রকম হতো, ঠিক তাদের হাতের লেখা গুলিও এক এক রকমের। যদিও অনেকের সাথে অনেকের স্বভাব আর হাতের লেখার মিল পাওয়া যেতো, তবুও সূক্ষ্ম একটা [বিস্তারিত ওমিক্রনের কথাঃ হস্তাক্ষর (শর্ট ফিকশন)]

কল্প-গল্পঃ কানেকশন

  আমি জানি এটা সম্ভব নয়, কিন্তু ব্যাপারটা ঘটছে। আমি এখানে বসেই তার অস্তিত্ব অনুভব করতে পারছি। যা আদৌ সম্ভব নয়, ঠিক সেটা যখন আপনার সাথেই ঘটতে থাকে, তখন ঠিক কেমন অনুভব হয় তা এমন একটা পরিস্থিতিতে না পড়লে কেউ বুঝতে পারবে না। আর এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েও সেই অনুভূতির ধারণা দেওয়াও আমার পক্ষে প্রায় [বিস্তারিত কল্প-গল্পঃ কানেকশন]

গল্প: প্রতিশোধ

১২ বছর পর দিয়াখালিতে এল ইমু। ঢাকায় বসেই মজিদ মেম্বারের সমস্ত ডিটেইলস জেনেছে ও। কখন মজিদ বাজারে আসে কখন ফিরে যায়, কোন দোকানে চা খায়, আসা যাওয়ার সময় সাথে কারা থাকে ইত্যাদি সব জানে ইমু। সবার ছবিও সংগ্রহ করেছে ও। দুপুরের পর দিয়ে গাড়ি থেকে দিয়াখালি নেমে এক হোটেলে গরুর মাংস দিয়ে ভাত খেয়েছে। তারপর [বিস্তারিত গল্প: প্রতিশোধ]

অনুবাদ গল্পঃ আনন্দ আর দুঃখবোধ

  চমৎকার এক বাগান বাড়ির মালিক ছিলেন এক লোক। রুচি আর সাধ্যের সংমিশ্রণে তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন তার সাধের বাড়িটিকে। শুধুমাত্র চমৎকার উপমা দিলে হয়তো বাড়িটির প্রশংসায় ভাটা পড়বে, তাই বাড়িটির সৌন্দর্যের সম্মানার্থে একে অপূর্ব আলয় বলা যেতে পারে। গ্রামের অনেকেই ঐ বাগান বাড়িটি মালিকানায় পাবার জন্যে বেশ আগ্রহী ছিল। শুধু যে ঐ গ্রামের লোকেরাই [বিস্তারিত অনুবাদ গল্পঃ আনন্দ আর দুঃখবোধ]

উদভ্রান্ত আগন্তুক

  মন খারাপ হলে কিংবা খুব বেশি পরিমাণে একাকীত্ব বোধ জেগে উঠলে আমি প্রায় এখানে আসি। এখানে বলতে এই পার্কটাতে। শহরের এই দালান কোঠার মাঝে অল্প কিছু জায়গা ঘের দিয়ে তৈরি হয়েছে এই শহুরে পার্ক। শহুরে জীবন থেকে কিছুটা সময় ধার নিয়ে আমার মত কিছু মানুষ চলে আসে এখানে তাদের দুরন্ত আর ছটফটে মনটাকে শান্ত [বিস্তারিত উদভ্রান্ত আগন্তুক]

অদ্ভুতুড়ে ‘ঢাকা-একা’

  ঢাকা-একা। কথাটা একটু অন্যরকম মনে হলেও বাস্তবতায় একদম হাতে-নাতে মিলে যায় ঢাকা নামের এই শহরটাতে। এখানে দিনের শুরুতে যেমন হাজার মানুষ একসাথে চড়ে বেড়ায় তেমনি দিন শেষেও এক সাথেই ঝগড়া আর বাগড়া বাগাতে বাগাতে নীড়ে ছুটে চলে। এই যে একসাথে ছোটাছুটি আর বাগড়া দেয়ার উৎসব, তবুও এদের মাঝে থেকে যায় যোজন যোজন দূরত্ব। একসাথে [বিস্তারিত অদ্ভুতুড়ে ‘ঢাকা-একা’]

অদ্ভুতুড়ে ভালোবাসা

  এক পাখির দম্পতিদের একজন ছিল অন্ধ। অন্য পাখিটা নিজের পাশাপাশি অন্ধ পাখিটার দেখাশোনা করত। তার খাবার জোগাড় করা, বাসা তৈরি করা, নষ্ট বাসা পুনরায় ঠিকঠাক করা। এই সবই করত চোখে দেখা পাখিটা। অন্ধ পাখিটা শুধু তার অনুগ্রহেই বেঁচে থাকত। আর অবসরে দুজন মিলে খোলা আকাশে উড়ে বেড়াত। সেখানেও অন্ধ পাখিটাকে তার সাথী পাখিটা

রহস্য ( পর্ব – ২ )

“জয়! জয় ওঠ বাবা.. সেই দুপুরে ঘুমিয়েছিস, এখনতো সন্ধা হয়ে গেলো। তাড়াতাড়ি ওঠ। মগরীবের আজান দিচ্ছে। নামাজটা পড়ে নে।” জয় মুখ তুলে মায়ের দিকে তাকালো,, “মা আরেকটু ঘুমোতে দাও, একটু পরে উঠে নামায পড়ে নেব।” ‘আরে নামাজের সময় থাকবেনা। অফিস ছুটি বলে কি এভাবে পড়ে পড়ে ঘুমাবি? উঠে নামাজটা পড়ে নে, আমি চা বানিয়ে আনছি, [বিস্তারিত রহস্য ( পর্ব – ২ )]

অমীমাংসিত

আজ বেশ কিছু দিন আমি একটা অন্ধকার ঘরে বন্দী আছি। ঠিক কত দিন আমার তা জানা নেই। ঘরটাকে অন্ধকার বলছি কারন এই ঘরে আলো আসার জন্য কোন জানালা নেই। ঘরের বাতাস গুমোট ও নয়। এবং এ ঘর টা যথেষ্ট ঠান্ডা। এ ঘরে একটা মাত্র দরজা আছে সেটা গলে কোন আলো আসে না কোন ভাবেই। এই [বিস্তারিত অমীমাংসিত]