সুন্দরবনের লোকসংস্কৃতি (লৌকিক পীর ও দেব-দেবী)- ৩

বরিজহাটিতে ধোনাই মোনাই নামে দুই ভাই বাস করত। একদা ধোনাই বাদাবনে সাত-ডিঙ্গা নিয়ে মোম-মধু এনে ব্যবসা করার জন্য প্রস্তুত হয়। কিন্তু তার ডিঙ্গার জন্য একটি লোকের অভাব পড়ে। তখন সেই পুঁথিটিঃ “ধোনাই খুঁজিতে লোক, রওনা হইল।। সেই গ্রামে দুখে নামে এক গরিব ছিল। ধোনা মৌলে তাহার বাড়িও পৌছাল।। দুখে বলে ডাকে তারে দরজাতে খাড়া হইল”। [বিস্তারিত সুন্দরবনের লোকসংস্কৃতি (লৌকিক পীর ও দেব-দেবী)- ৩]

সুন্দরবনের লৌকিক পীর-দেবদেবি -২

ভাঙড় শাহর কথা শুনে বনবিবি ভাটির দেশে আসিল। জঙ্গল কাঁপিয়া জঙ্গাল শাহ্ আজান দিল। আজান শুনিয়া দক্ষিণ রায় চঞ্চল হইয়া উঠিল। এবং সে বুঝতে পারল “আসিয়াছে দোছরা সে আর” তখন দক্ষিন রায় তার চেলাদের হুকুম দিল আক্রমণকারীদের হটিয়ে দিতে বলিলঃ ভাগাইয়া দেহ তাকে কোথা হতে এসে হাঁকে। নাহি কি জানে, সীমানা আমার”?। চেলাগন হুকুম তামিল [বিস্তারিত সুন্দরবনের লৌকিক পীর-দেবদেবি -২]

সুন্দরবনের লৌকিক পীর-দেব দেবীরা-১

দক্ষিণ বঙ্গের জেলাসমূহের সঙ্গে সুন্দরবনের কেবল ভৌগলিক সংযোগ নয়, ঐ অঞ্চলের মানুষের ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের নিবিড় সংযোগ রয়েছে। সুন্দর বনের কাঠ-খড়, গোলপাতা, মধু ও নদী নালার মাছ প্রাচীন কাল থেকেই পার্শ্ববর্তী জনগোষ্ঠীর জীবিকা উপায় সরবরাহ করে আসছে। বন থেকে কাঠুরিয়া কাঠ-খড়, বাওয়ালিরা গোলপাতা, মৌয়ালরা মধু, জেলেরা মাছ সংগ্রহ করে থাকে। তারা যখন বনে [বিস্তারিত সুন্দরবনের লৌকিক পীর-দেব দেবীরা-১]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৮) “শেষ পর্যন্ত আমি বললাম, “কেন যাব না, নিশ্চয়ই যাব। হক সাহেবকে অনুরোধ করব মুসলিম লীগে ফিরে আসতে। আমাদের আদর্শ যদি এত হালকা হয় যে, তাঁর কাছে গেলেই আমরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চলে যাব, তাহলে সে পাকিস্তান আন্দোলন আমাদের না করাই উচিৎ। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

শহীদ সাহেব মন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার পরে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠানের দিকে মন দিলেন। যুদ্ধের প্রথম ধাক্কা সামলিয়ে ইংরেজ যুদ্ধের গতি পরিবর্তন করে ফেলল। এই সময় কংগ্রেস ‘ভারত ত্যাগ কর আন্দোলন’ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল। পাকিস্তান আন্দোলনকেও শহীদ সাহেব এবং হাশিম সাহেব জনগণের আন্দোলনে পরিণত করতে পেরেছিলেন। ইংরেজের সাথেও আমাদের লড়তে হবে, এই শিক্ষাও হাশিম সাহেব আমাদের [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৮) “শেষ পর্যন্ত আমি বললাম, “কেন যাব না, নিশ্চয়ই যাব। হক সাহেবকে অনুরোধ করব মুসলিম লীগে ফিরে আসতে। আমাদের আদর্শ যদি এত হালকা হয় যে, তাঁর কাছে গেলেই আমরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চলে যাব, তাহলে সে পাকিস্তান আন্দোলন আমাদের না করাই উচিৎ। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ- ফিরিঙ্গি- পর্তুগিজ -শেষ পর্ব

সুন্দরবনের উপকণ্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ –১  সুন্দরবনের উপকণ্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ – ২ মগ-ফিরিঙ্গীদের কুকীর্তি সম্পর্কে ঐতিহাসিক শিহাবুদ্ধিন তালিশের বর্ণনা থেকে জানা যায় পর্তুগিজদের মতোই মগ জলদস্যুরা জলপথে এসে বাঙলা লুণ্ঠন করত। স্ত্রী পুরুষ, শিশু নির্বিশেষে হিন্দু মুসলমান সকলকেই বন্দি করে তাদের হাতের তালু ছিদ্র করে সরু বেত প্রবেশ করিয়ে এবং একজনের ওপর আরেকজনকে চাপিয়ে জাহাজের পাটাতনের নিচে ফেলে [বিস্তারিত সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ- ফিরিঙ্গি- পর্তুগিজ -শেষ পর্ব]

সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ-ফিরিঙ্গী-পর্তুগিজ -২

সুন্দরবনের উপকণ্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ –১ সেই সময় ভাগীরথীর পশ্চিম তীরবর্তী অঞ্চলে বর্গী তস্করেরা বর্ণনাতীত ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। সলিমুল্লাহ্ তাঁর তারিখ-ই-বঙ্গাল গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যে, ঐ সময় গঙ্গার পশ্চিম তীর থেকে বনেদি পরিবারের অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে আসেন গঙ্গার পূর্ব তীরে বসবাসের জন্য। বিনয় ঘোস লিখেছেনঃ ‘পর্তুগীজ দস্যু বণিক ও গোলাম-ব্যবসায়ীরা ইংরেজ কুঠিয়ালরা, ডাচ ও ফরাসি [বিস্তারিত সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ-ফিরিঙ্গী-পর্তুগিজ -২]

সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ –১

খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে, বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে। এ ছড়ার সংগে বাংলার, বিশেষ করে নিন্ম বঙ্গের মানুষের পরিচয় ঘটেছিল দুঃস্বপ্নের মধ্য দিয়ে। পেছনে ফেলে আসা দুঃসময়ের সেই যুগ, প্লাবনভূমির করুন বাস্তবতায় এতোটাই দুঃখময় হয়েছিল, যে স্পর্শের বাইরে থেকেও তা অনুভব করা যায়। অস্তমিত যুগের সেই দুঃসময়ের কথা -ইতিকথা কেবল বাঙলার [বিস্তারিত সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ –১]

ভালোবাসি তোমায়।

  অভি কই যাস? অফিসে যাই মা। যাওয়ার আগে আমাকে তোর ছোট খালার বাসায় নামিয়ে দিয়ে যা। ওকে তুমি রেডি তো, আমি বাগানে অপেক্ষা করছি, তুমি আসো। মাকে ধানমন্ডি নামিয়ে দিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো অভি, সিডি চালিয়ে দিলো, ওর রবীন্দ্র সংগীত বেশ পছন্দের তাই প্রায় শুনে। গাড়ী ছুটে চলেছে গুলশানের উদ্দেশ্যে, গুলশান দুইয়ে অভির [বিস্তারিত ভালোবাসি তোমায়।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৭) “আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন না কিছু খাব কি না, পথে খেয়েছি কি না। বললেন, “এখন তো রাত তিনটা বাজে, বিছানার কি দরকার হবে? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

এই সময় ফজলুর রহমান সাহেব আমাকে ডাকলেন, তিনি চিফ হুইপ ছিলেন। আমাকে বললেন, “আপনাকে এই বারটার সময় আসাম-বেঙ্গল ট্রেনে রংপুর যেতে হবে। মুসলিম লীগের একজন এমএলএ যিনি ‘খান বাহাদুর’ও ছিলেন তাঁকে নিয়ে আসতে হবে। টেলিগ্রাম করেছি, লোকও পাঠিয়েছি, তবুও আসছেন না, আপনি না গেলে অন্য কেউই আনতে পারবে না। শহীদ সাহেব আপনাকে যেতে বলেছেন। আপনার [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৭) “আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন না কিছু খাব কি না, পথে খেয়েছি কি না। বললেন, “এখন তো রাত তিনটা বাজে, বিছানার কি দরকার হবে? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি

দেশে সুশাসন নাই, ক্ষোভ প্রকাশ করার সুযোগ নাই, প্রতিবাদ কেউ করলেই ধরে নিয়ে যায়, এজন্যই দেশে জঙ্গিবাদ বিস্তার লাভ করছে, এটা যারা বলেন, তাদের সাথে সেরকমভাবে একমত হতে পারিনা আমি। আবার যারা বলেন, সরকারই বিরোধী দলকে দায়ী করার জন্য এসব করছে, তাদের সাথে তো নয়ই। আবার যারা বলেন, জাতীয় ঐক্য চাই এইসময়ে, তারা যে রাষ্ট্রিয় [বিস্তারিত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি]

নানা রঙের দিনগুলি মোর রইলনা।

  সেইসব দিন গুলি আসলে কেউ ভুলতে পারেনা যেমন আমিও ভুলিনি, ঈদের দিন সকালে বড়দের সাথে নামাজে যেতাম, নামাজ শেষে বাসায় এসেই তাড়াহুড়ো করে নতুন জামা কাপড় পড়ার ধুম, আম্মা গায়ে পারফিউম ছড়িয়ে দিতো গায়ে, সারা মুখে পাউডার মেখে দিতো এরপর আম্মা আব্বাকে সালাম করে আম্মার কাছে যথারীতি সেলামি আদায় পূর্বক ছোট খাল্লাম্মার সাথে নানার [বিস্তারিত নানা রঙের দিনগুলি মোর রইলনা।]

কেন?

খুব মন খারাপ হয়ে আছে যেন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি, এতোগুলো নিরীহ মানুষ মেরে ফেললো আর আমরা কিছুই করতে পারলাম না আর ভাবছি সেই জঙ্গিদের কথা যারা এই ঘৃন্য এই কাজগুলো করেছে, ভাবছি কেন আজ তারা এই ঘৃন্য পথ বেছে নিয়েছে যার পরিণতিতে তারা কি পেলো মৃত্যু ছাড়া, তাদের জান্নাতে যাওয়ার যেই উদ্দেশ্য তা কি তারা [বিস্তারিত কেন?]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৬) ” আশ্চর্য হয়ে চেয়ে রইলাম তাঁর দিকে। বৃদ্ধ লোক, সুন্দর চেহারা, লেখাপড়া কিছু জানেন, কেমন করে এই কথা বলতে পারলেন আমাদের কাছে? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

আমি কিছু সংখ্যক ছাত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলাম। খবর যখন রটে গেল লীগ মন্ত্রীত্ব নাই, তখন দেখি টুপি ও পাগড়ি পরা মাড়োয়ারিরা বাজি পোড়াতে শুরু করেছে এবং হৈচৈ করতে আরম্ভ করেছে। সহ্য করতে না পেরে, আরও অনেক কর্মী ছিল, মাড়োয়ারিদের খুব মারপিট করলাম, ওরা ভাগতে শুরু করল। জনাব মোহাম্মদ আলী বাইরে এসে আমাকে ধরে ফেললেন [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৬) ” আশ্চর্য হয়ে চেয়ে রইলাম তাঁর দিকে। বৃদ্ধ লোক, সুন্দর চেহারা, লেখাপড়া কিছু জানেন, কেমন করে এই কথা বলতে পারলেন আমাদের কাছে? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

হবে কি হবেনা।

হবে কি হবেনা জীবনটা যে আর চলেনা ডাল, ভাত যোগারে এ পা তো আর চলেনা বেড়েছে ব্যাংকের মূলধন, বেড়েছে জিডিপি চলেনা শুধু আমাদের জীবনের গাড়ীটি ব্যবসা নেই বাণিজ্য নেই, নেই কোন কারবার পুরোনো বেতনে জীবনটা যে জেরবার দিনদিন বাজারদর আকাশ ছোঁয়া হয়েছে পিঁপড়ের পিঠে চড়ে জনগণও ছুটছে রাজনীতিবিদরা তামাশায় মেতেছে প্রতিদিন জনগণের পিঠে বিষ ফোঁড়া [বিস্তারিত হবে কি হবেনা।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৫) “শহীদ সাহেব সমস্ত কর্মচারীদের হুকুম দিলেন, মাড়োয়ারি ব্যবসায়ীদের আড্ডাখানা বড়বাজার ঘেরাও করতে। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

কলকাতার আহমেদ আলী পার্কে মুসলিম লীগ কাউন্সিল সভা হবে, তখন দুই পক্ষের মোকাবেলা হবে। আমরা হাশিম সাহেবকে জেনারেল সেক্রেটারি করব এবং ম্যানিফেস্টো পাস করাব। অন্য দল হাশিম সাহেবকে সেক্রেটারি হতে দেবে না। নেতাদের মধ্যে অনেকেই শহীদ সাহেবের সমর্থক ছিলেন। তারা শহীদ সাহেবকে সমর্থন করতেন কিন্তু হাশিম সাহেবকে দেখতে পারতেন না। শেষ পর্যন্ত মওলানা আকরাম খাঁ [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৫) “শহীদ সাহেব সমস্ত কর্মচারীদের হুকুম দিলেন, মাড়োয়ারি ব্যবসায়ীদের আড্ডাখানা বড়বাজার ঘেরাও করতে। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]