বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৬) ” আজও একুশ বৎসর পরে লিখতে বসে তাজের রুপকে আমি ভুলি নাই, আর ভুলতেও পারব না।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

সূর্য অস্তাচলগামী, আমরাও তাজমহলের দরজায় হাজির। অনেকক্ষণ থাকব, রাত দশটা পর্যন্ত দরজা খোলা থাকে, তারপর দারোয়ান সাহেবরা এসে ঘন্টা দিয়ে জানিয়ে দিবে সময় হয়ে গেছে। তাজকে ত্যাগ করতে হবে, রাতের জন্য। আমরা বসে পড়লাম, একটা জায়গা বেছে নিয়ে কয়েকজন নামাজ পড়তে গেলেন। আজানের ধ্বনি কানে এসেছে। পাকিস্তান হওয়ার পরও আজান হয় কি না জানি না। [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৬) ” আজও একুশ বৎসর পরে লিখতে বসে তাজের রুপকে আমি ভুলি নাই, আর ভুলতেও পারব না।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৫) “তাজকে ভালভাবে দেখতে হলে আসতে হবে সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যাবার সময়, চাঁদ যখন হেসে উঠবে তখন।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম এই তাজ। আমাদের নিজেদের মধ্যে তাজ দেখা নিয়ে অনেক আলোচনা হল। দুনিয়ার বহু দেশ থেকে বহু লোক শুধু তাজ দেখার জন্য ভারতবর্ষে আসত। তাজমহলের কথা জানে না, এমন মানুষ দুনিয়ায় খুব বিরল। আমাদের দেরি আর সইছে না। মনে হচ্ছে ট্রেন খুব আস্তে আস্তে চলছে, কারন তাজ দেখার উদগ্র আগ্রহ আমাদের পেয়ে [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৫) “তাজকে ভালভাবে দেখতে হলে আসতে হবে সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যাবার সময়, চাঁদ যখন হেসে উঠবে তখন।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৪) ” পানির দেশের মানুষ আমরা, পানিকে বড় ভালবাসি। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

খাজাবাবার দরগার পাশে বসে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান হচ্ছে। যদিও বুঝতাম না ভালো করে, তবুও মনে হত আরও শুনি। আমরা দরগাহ জিয়ারত করলাম, বাইরে এসে গানের আসরে বসলাম। অনেকক্ষণ গান শুনলাম, যাকে আমরা ‘কাওয়ালী’ বলি। কিছু কিছু টাকা আমরা সকলেই কাওয়ালকে দিলাম। ইচ্ছা হয় না উঠে আসি। তবুও আসতে হবে। আমরা তারাগড় পাহাড়ে যাব, সেখানে কয়েকটি [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৪) ” পানির দেশের মানুষ আমরা, পানিকে বড় ভালবাসি। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

আমাদের কন্যারা ভয়হীন পরিবেশে বেড়ে উঠুক, তেমন নিরাপদ পরিবেশ চাই।

আপডেট (১১:৫০) স্থান পরিবর্তন : রবীন্দ্র সরোবর। (জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অনুমতি মেলেনি) এ বছরের শুরু থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত গত ৯ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৩২৫টি শিশু। ভাবা যায়??? অধিকাংশ ধর্ষিত শিশুর বয়সই ৫-১২ এর মধ্যে। নানা কৌশলে এদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। ৫-১২ বছরের শিশুদের ধর্ষণ করা হচ্ছে চকলেট, খেলনা বা কোনো শৌখিন জিনিস [বিস্তারিত আমাদের কন্যারা ভয়হীন পরিবেশে বেড়ে উঠুক, তেমন নিরাপদ পরিবেশ চাই।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৩) “পরে বুঝতে পারলাম, এরাই খাদেম। আজমীর শরীফের খাদেমদের যথেষ্ট ভদ্রতাবোধ আছে দেখলাম, তারা কিছুই চেয়ে নেয় না। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

যাহোক, আমি ও আরও কয়েকজন সহকর্মী শহীদ সাহেবের শরণাপন্ন হলাম এবং ছাত্রদের অসুবিধার কথা বললাম। শহীদ সাহেব বললেন, “কেন, একজন তো টাকা নিয়ে গেছে, এদের ভাড়া দেবার কথা বলে। তোমার সাথে আলোচনা করে টাকা দিতে বলেছি।” বললাম, “জানি না তো স্যার, সে তো চলে গিয়েছে।” শহীদ সাহেব রাগ করলেন। তিনি ছাত্র নন, তার নাম আজ [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪৩) “পরে বুঝতে পারলাম, এরাই খাদেম। আজমীর শরীফের খাদেমদের যথেষ্ট ভদ্রতাবোধ আছে দেখলাম, তারা কিছুই চেয়ে নেয় না। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪২) “যখন উর্দু স্লোগান উঠত, আমরাও তখন বাংলা স্লোগান শুরু করতাম।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

দিল্লি যখন পৌঁছালাম তখন দেখা গেল, যেখানে আমরা পৌঁছাব সেখানে বিকালে পৌঁছালাম। আট ঘন্টা দেরি হয়েছে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কনভেনশন বন্ধ করে রেখেছেন আমাদের জন্য। সকাল নয়টায় শুরু হবার কথা ছিল, আমাদের ট্রেন থেকে সোজা সভাস্থলে নিয়ে যাওয়া হল। দিল্লির লীগ কর্মীরা আমাদের মালপত্রের ভার নিলেন। আমরা বাংলায় স্লোগান দিতে দিতে সভায় উপস্থিত হলাম। সমস্ত [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪২) “যখন উর্দু স্লোগান উঠত, আমরাও তখন বাংলা স্লোগান শুরু করতাম।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪১) “আপনাকে দেখার জন্য কত দূর দূর থেকে এরা এসেছে! আর আমরা এক মিনিটের জন্য ট্রেন না থামালে কত বড় অন্যায় হবে।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

কলকাতার কোন মহল্লায় সভা হলে জহির উর্দু ও আমি বাংলায় বক্তৃতা করতাম। নূরুদ্দিন, জহিরুদ্দিন, নূরুল আলম, শরফুদ্দিন, কিউ. জে. আজমিরী, আনোয়ার হোসেন (এখন ইস্টার্ন ফেডারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানির বড় কর্মকর্তা), শামসুল হক সাহেব, খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও অনেক লীগ কর্মীর মধ্যে মুর্শিদাবাদের কাজী আবু নাছের, আমার মামা শেখ জাফর সাদেক আরও অনেকে পূর্ব থেকেই প্রস্তুত হয়েছিলেন, [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪১) “আপনাকে দেখার জন্য কত দূর দূর থেকে এরা এসেছে! আর আমরা এক মিনিটের জন্য ট্রেন না থামালে কত বড় অন্যায় হবে।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -শেষ পর্ব।

রাসায়নিক কোনো প্রকার দ্রব্য এই জৈব চুনে থাকে না বরং স্বাস্থ্যের জন্য এই চুন উপকার। তবুও কালের বিবর্তনে এই চুন শিল্প আজ ধ্বংসের মুখে। এই চুন শিল্পে জড়িত ‘চুনে’বা ‘জুগিরা’ আজ তারা তাদের বাপ দাদার আমলের পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এখানে আমার প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও সমাজতত্ত্ববিদ ‘ইবনে খলুদিনে্র একটি উক্তি মনে পড়ছে। [বিস্তারিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -শেষ পর্ব।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪০) “ছাত্ররা দুষ্টামি করে বগির সামনে লিখে দিল, ‘শেখ মুজিবর ও পার্টির জন্য রিজার্ভড’; এ লেখার উদ্দেশ্য হল, আর কেউ এই ট্রেনে যেন না ওঠে। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

হঠাৎ খবর আসল, জিন্নাহ সাহেব ৭, ৮, ৯ এপ্রিল দিল্লিতে সমস্ত ভারতবর্ষের মুসলিম লীগপন্থী কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের কনভেনশন ডেকেছেন। বিগত নির্বাচনে বাংলাদেশ ও মুসলিম সংখ্যালঘু প্রদেশগুলিতে মুসলিম লীগ একচেটিয়াভাবে জয়লাভ করেছে। তবে অধিকাংশ মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত পাঞ্জাব, সিন্ধু ও সীমান্ত প্রদেশে মুসলিম লীগ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে পারে নাই। তাই শুধুমাত্র বাংলাদেশে জনাব হোসেন [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৪০) “ছাত্ররা দুষ্টামি করে বগির সামনে লিখে দিল, ‘শেখ মুজিবর ও পার্টির জন্য রিজার্ভড’; এ লেখার উদ্দেশ্য হল, আর কেউ এই ট্রেনে যেন না ওঠে। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -২

* যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম, মহেশখালীর পানখিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম * * পান খেয়ে ঠোঁট লাল করিলাম, বন্ধুর দেখা পাইলাম না * পান নিয়ে এমন অনেক গান আমরা শুনেছি। এই আমার ও আপনাদের খসড়া ভাইয়া আপুর আড্ডার সময় পান ছাড়া চলেই না। যাই হোক, মূল কথায় আসি। দক্ষিন ও দক্ষিন এশিয়ায় পান একটি জনপ্রিয় [বিস্তারিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -২]

সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -১

পৃথিবীর বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। এর আয়তন প্রায় ২৫০০বর্গ কিলোমিটার। ১৯৪৭সালে দেশভাগের সময় এ আয়তনের দুই তৃতীয়াংশ পড়েছে বাংলাদেশের ভু-খণ্ডে আর  এক অংশের মালিক ভারত। ১৯৪৭সালে বৃটিশ শাসন থেকে মুক্তি পাবার সময় বৃটিশ পার্লামেন্টের অধীনে ” সিরিল র‌্যাডক্লিফ ” নামের এই কর্মচারী মাত্র পাঁচ সপ্তাহের এক নোটিশে গোটা ভারত বর্ষকে কেটে দু ভাগ করে দেয়। [বিস্তারিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -১]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৩৯) “দু’একদিন আমরা রিপন স্ট্রিটে মিল্লাত অফিসে এসে চেয়ারেই শুয়ে পড়তাম।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

যুদ্ধের সময় বৃটিশ গভর্নমেন্টের পক্ষ থেকে মিস্টার চার্চিল ভারতে ক্রিপস মিশন পাঠিয়ে ছিলেন, কিন্তু কোন ফল হয় নাই। যুদ্ধের পরে যখন মিস্টার ক্লিমেন্ট এটলি লেবার পার্টির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী হন তখন তিনি ১৯৪৬ সালের ১৫ই মার্চ তারিখে ক্যাবিনেট মিশন পাঠাবার কথা ঘোষণা করলেন; তাতে তিনজন মন্ত্রী থাকবেন, তাঁরা ভারতবর্ষে এসে বিভিন্ন দলের সাথে পরামর্শ করে [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৩৯) “দু’একদিন আমরা রিপন স্ট্রিটে মিল্লাত অফিসে এসে চেয়ারেই শুয়ে পড়তাম।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৩৮) ” অন্ধ কুসংস্কার ও অলৌকিক বিশ্বাসও বাঙালির দুঃখের আর একটা কারণ।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

অনেক সময় দেখা গেছে, একজন অশিক্ষিত লোক লম্বা কাপড়, সুন্দর চেহারা, ভাল দাড়ি, সামান্য আরবি ফার্সি বলতে পারে, বাংলাদেশে এসে পীর হয়ে গেছে। বাঙালি হাজার হাজার টাকা তাকে দিয়েছে একটু দোয়া পাওয়ার লোভে। ভাল করে খবর নিয়ে দেখলে দেখা যাবে এ লোকটা কলকাতার কোন ফলের দোকানের কর্মচারী অথবা ডাকাতি বা খুনের মামলার আসামি। অন্ধ কুসংস্কার [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৩৮) ” অন্ধ কুসংস্কার ও অলৌকিক বিশ্বাসও বাঙালির দুঃখের আর একটা কারণ।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

নারী ফুটবলারদের সাফল্য, জামায়াত-জঙ্গীবাদ এবং উত্তরণের সাংস্কৃতিক লড়াই

একটা জাতির সামগ্রিক পরিচয় নির্ধারিত হয় সংস্কৃতি দ্বারা। মানুষ পৃথিবীর একমাত্র সংস্কৃতিবান প্রানী এবং সংস্কৃতি হচ্ছে তার টিকে থাকার কৌশল। এই কৌশলগুলো ভৌগোলিক, সামাজিক, জৈবিকসহ নানা বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে। এই বৈশিষ্ট্য গুলো যেহেতু জাতি বা অঞ্চল ভেদে ভিন্ন হয় সেহেতু জাতি বা অঞ্চল ভেদে আমরা বিভিন্ন সংস্কৃতির পার্থক্য দেখতে পাই। সংস্কৃতির এই উপাদানগুলোর কিছু [বিস্তারিত নারী ফুটবলারদের সাফল্য, জামায়াত-জঙ্গীবাদ এবং উত্তরণের সাংস্কৃতিক লড়াই]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৩৭) “উদারতা দরকার, কিন্তু নীচ অন্তঃকরণের ব্যক্তিদের সাথে উদারতা দেখালে ভবিষ্যতে ভালর থেকে মন্দই বেশি হয়।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

শেষ পর্যন্ত আমিও হাশিম সাহেবকে বলেছিলাম, সালাম সাহেবকে নমিনেশন দিতে। সেজন্যে আমার উপর রাগ করেছিলেন তিনি। শহীদ সাহেব রিপোর্ট দিলেন, সালাম সাহেবই সকলের চেয়ে জনপ্রিয়। তিনি সালাম সাহেবকে নমিনেশন দিতে প্রস্তাব করেছিলেন। লাল মিয়া ও হাশিম সাহেব বেঁকে বসলেন। এই সময় কিছু টাকা পয়সার ছড়াছড়ি হচ্ছিল। আমি খবর পেতাম, যদিও চোখে দেখি নাই। শেষ পর্যন্ত [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৩৭) “উদারতা দরকার, কিন্তু নীচ অন্তঃকরণের ব্যক্তিদের সাথে উদারতা দেখালে ভবিষ্যতে ভালর থেকে মন্দই বেশি হয়।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]