যাকাত সম্পর্কে আমার মত গুনাহগার মানুষ (আল্লাহ্ আমার গুনাহ মাফ করুন, আমীন) বেশি না বলাটাই যুক্তিযুক্ত কারন এই বিষয়ে আমি খুব কম বুঝি বিধায় আমি বিশিষ্ট আলেমদের মতামত নিয়েই করতে আগ্রহী কিন্তু কাকে দেবো কেন দেবো, কিভাবে দেবো তার একটি আমার নিজস্ব মতামত আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই আর এই মতামতের সাথে কারো যদি [বিস্তারিত যাকাত কাকে দেবেন, কেন দেবেন?]
ক্যাটাগরি এদেশ
১৯৪৭ সাল পর্যন্ত আর কোন ইলেকশন এরা করে নাই। মুসলিম লীগ দুই দলে ভাগ হয়ে গেল, একদল পরিচিত হত শহীদ সাহেব ও হাশিম সাহেবের দল বলে, আরেক দল পরিচিত হত খাজা নাজিমুদ্দীন সাহেব ও মওলানা আকরম খাঁ সাহেবের দল বলে। আমরা মওলানা আকরম খাঁ সাহেবকে সকলেই শ্রদ্ধা ও ভক্তি করতাম। তাঁর বিরুদ্ধে আমাদের কিছুই বলার [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৪) “আমরাও কলকাতা অফিসের হোলটাইম ওয়ার্কার হয়ে যাই। যদিও হোস্টেলে আমার রুম থাকত, তবু আমরা প্রায়ই লীগ অফিসে কাটাতাম।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]
চট্টগ্রামে টেলিগ্রাম করলাম কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগের প্রতিনিধি পাঠাতে। লোক পাঠালাম সমস্ত জেলায়। নূরুদ্দিন, একরাম, শরফুদ্দিন, খন্দকার নূরুল আলম, আমি ও আমার সহকর্মীরা রাতদিন কাজ করতে আরম্ভ করলাম। আমাদের অর্থের খুব অভাব, কারণ হাশিম সাহেবের টাকাপয়সা ছিল না। শহীদ সাহেব আমাদের সামান্য সাহায্য করেছিলেন। আমরা নিজেরা চাঁদা তুললাম এবং দলবল নিয়ে কুষ্টিয়া পৌঁছালাম। কিউ. যে. আজমিরী ও [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২৩) ” আমরা ইচ্ছে করলে আর একটা প্রতিষ্ঠান করতে পারতাম। প্রায় সমস্ত জেলায়ই আমাদের সমর্থক ছিল। তা করব না ঠিক করলাম। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]
আনোয়ার সাহেবের দল হাশিম সাহেবকে দেখতে পারতেন না। কিন্তু শহীদ সাহেবের ভক্ত। ছিলেন। শহীদ সাহেব অবস্থা বুঝে আমাদের দুই দলের নেত্রিব্রিন্দকে ডাকলেন একটা মিটমাট করাবার জন্য। শেষ পর্যন্ত মিটমাট হয় নাই। এই সময় শহীদ সাহেবের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। তিনি আনোয়ার সাহেবকে একটা পদ দিতে বলেন, আমি বললাম কখনোই হতে পারে না। সে প্রতিষ্ঠানের [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২২) ” আমি বললাম, “If I am nobody, then why you have invited me? You have no right to insult me. I will prove that I am somebody. Thank you Sir. I will never come to again. ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]
কোনোমতে হাওড়া পৌঁছালাম, এখন উপায় কি? পরামর্শ করে ঠিক হল, মাখন টিকিট নিয়ে সকলের মালপত্র নিয়ে বের হয়ে যাবে। মালপত্র কোথাও রেখে তিনখানা প্লাটফর্ম টিকিট নিয়ে আবারও ঢুকবে। আমরা একসাথে বের হয়ে যাব। গাড়ি থামার সাথেসাথে মাখন নেমে গেল, আমরা দুইজন ময়লা জামাকাপড় পরে আছি। দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না যে আমরা দিল্লি থেকে আসতে [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২১) ” তিনি আমাকে পদের লোভও দেখালেন। আমি বললাম, আমার পদের দরকার নাই, তবে সবার সাথে আলোচনা করা দরকার। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান]
খুব সম্ভবত তখন ৪র্থ শ্রেনীতে পড়ি। পড়াশুনায় অনেক ফাকিবাজ হয়ে গেছিলাম। সারাদিন বাইরেই কাটাতাম। স্কুল থেকে বাসাই ফেরার পরেই দুপুরের খাবার খেয়ে ঐ যে,বাসা থেকে বের হতাম আর ফিরতাম আব্বু অফীস থেকে ফেরার আগে। আম্মুতো মারতোনা তাই আম্মুকে ভয় পাইতামনা। তবে আব্বু আমার জন্য জমের মতন ছিলো। আব্বু যতক্ষন বাসায় ততক্ষন আমার মত লক্ষী ছেলে [বিস্তারিত আসুননা… একটু আলোর পথে চলি।]
বালিকা, তুমি আমার নও! আমি যে বৃষ্টি পছন্দ করি, ভিজতে ভালবাসি। কিন্তু তুমি… তুমি তো আমার সামনে আসো সাজগোছ করে। বৃষ্টিতে ভিজতে গেলে যে সাজ আর থাকবে না। আমি বলেছিলাম তোমায় প্রাকৃতিক হতে। অথচ ততোই তুমি কৃত্রিম হয়েছো! হয়েছো আমার বিপরীত! খোলা চুলে বাতাস ছুয়ে দিয়ে যে ঘ্রাণ আমায় তোমার কাছে টেনে আনার কথা ছিল, [বিস্তারিত বালিকা, তুমি আমার নও!]
শরীর আমার খারাপ হয়ে পড়ে। দিনেরবেলায় ভীষণ গরম, রাতে ঠাণ্ডা। সকালে আর বিছানা থেকে উঠতে পারি নাই। বুকে, পেটে আর সমস্ত শরীরে বেদনা। দুই তিন দিন পায়খানা হয় নাই। অসহ্য যন্ত্রণা আমার শরীরে। দুপুর পর্যন্ত না খেয়ে শুয়েই রইলাম। মাখন আমার কাছেই বসে আছে। ডাক্তার ডাকতে হবে, কাউকেই চিনি জানি না। একজন সেচ্ছাসেবককে বলা হল, [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২০) “তিনজনে পরামর্শ করে ঠিক করলাম, একখানা টিকিট করব এবং কোনো ‘সার্ভেন্ট’ ক্লাসে উঠে পড়ব। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান]
যান্ত্রীক জীবনটা আর ভাল্লাগেনা, প্রতিদিনের সাধারন রুটিনটায় হয়ে গেছে যন্ত্রনাদায়ক। আম্মুর ডাকাডাকিতেই ঘুম ভাংগে, প্রথম ক্লাস ৮টায়, তাই যেভাবে হোক ৭টার ভিতর উঠে ফ্রেশহয়ে রেডি হতে হয়। আম্মু ঘুম থেকে না ডাকলে সেদিন আমার উঠা হয় ১২ টায়। সেখানে ৭ টায় উঠা মানে আমার জন্য যে কি তা শুধু আমিই যানি। ইদানীং তো অভ্যাস হয়ে [বিস্তারিত সিটি বাস]
\|/ \|/ \|/ \|/ \|/ (y) (y) (y) (y) (y) (y) (y) (y) (y) (y) আমরা বদলে গেছি হয়তো সময়ের পরিবেশে কতটা তা আমরা জানি এই বদল সুখের তবে অতটা গর্বের নয় জানি এটা মেনে নেওয়া এতটা সুখকর নয়, দেশ প্রেম অনেক টা আমাদের বেড়েছে কিন্ত ততটা নয় যা অনেক টা ধরে রাখা ইমান এর [বিস্তারিত বদলে যাওয়া দেশ প্রেম]
এই সময় আবুল হাশিম সাহেব মুসলিম লীগ কর্মীদের মধ্যে একটা নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করেন এবং নতুনভাবে যুক্তিতর্ক দিয়ে বোঝাতে চেষ্টা করতেন যে পাকিস্তান দাবি হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, হিন্দু মুসলমানদের মিলানোর জন্য এবং দুই ভাই যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সুখে বাস করতে পারে তারই জন্য। তিনি আমাদের কিছু সংখ্যক কর্মীকে বেছে নিয়েছিলেন, তাদের নিয়ে রাতে আলোচনা সভা করতেন [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৯) ” হাশিম সাহেব বলতেন, মুসলিম লীগকে প্রতিক্রিয়াশীলদের হাত থেকে উদ্ধার করতে হবে। গ্রাম থেকে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। উপরের তলার প্রতিষ্ঠান করলে চলবে না। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান]
বেড়েছে, বাড়ছে, বাড়বেঃ সব কিছুর মূল্যের এই অবস্তা, চাল ডাল, লবন, মরিচ, পিয়াজ রসুন, চিনি, মশল্লা, শাক, সবজি কিনা? জ্বালানি তেল, খাওয়ার তেল, সিএনজি, বিদ্যুত, রেলের, গাড়ীরর ভাড়া, পানি, ঘর ভাড়া সব সব বাড়ছে। লাগামহীন ভাবে সব বেড়েই চলেছে, দেশ ডিজিটাল হচ্ছে সাথে সব কিছুর দামই ডিজিটালই বাড়ছে কিন্তু আয়? না আয় বাড়ছেনা, যদিও সরকার [বিস্তারিত দামে ঘাম।]
ওহাবি আন্দোলন কি করে শুরু করেছিল হাজার হাজার বাঙালি মুজাহিদররা? বাংলাদেশ থেকে সমস্ত ভারতবর্ষ পায়ে হেঁটে সীমান্ত প্রদেশে যেয়ে জেহাদে শরিক হয়েছিল। তিতুমীরের জেহাদ, হাজী শরীয়তুল্লাহর ফারায়জি আন্দোলন সম্বন্ধে আলোচনা করেই আমি পাকিস্তান আন্দোলনের ইতিহাস বলতাম। ভীষণভাবে হিন্দু বেনিয়া ও জমিদারদের আক্রমণ করতাম। এর কারণও যথেষ্ট ছিল। একসাথে পড়ালেখা করতাম, একসাথে বল খেলতাম, একসাথে বেড়াতাম, [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৮) ” তাহলে তিক্ততা এত বাড়ত না।” ——শেখ মুজিবুর রহমান]
তুমি ফিরে এসো বিবর্ণ-গোধূলীর শেষে, আজ আমার শরীরে লাশের গন্ধ অস্থিমজ্জায় বাসা বেঁধেছে মৃত্যু। আমি আর তোমার আকাশ চাইবো না। তুমি ফিরে এসো শ্রাবণের বৃষ্টিভেজা রাতের প্রহর শেষে, আমি আর তোমার ভালবাসা চাইবো না। আমার একাঙ্গী প্রেম আয়ুহীন ফড়িং-এর মত আত্মাহুতি দিয়েছে অনেক কাল আগে। তুবুও তোমার অপেক্ষায়, তুমি ফিরে এসো _____________________________________________________________________________ “তুমি ফিরে এসো” [বিস্তারিত “তুমি ফিরে এসো”]
একদিনের কথা মনে আছে, আব্বা ও আমি রাত দুইটা পর্যন্ত রাজনীতির আলোচনা করি। আব্বা আমার আলোচনা শুনে খুশি হলেন। শুধু বললেন, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক সাহেবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ না করতে। একদিন আমার মা’ও আমাকে বলছিলেন, “বাবা যাহাই কর, হক সাহেবের বিরুদ্ধে বলিও না।” শেরে বাংলা মিছামিছিই ’শেরে বাংলা’ হন নাই। বাংলার [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৭) ” একদিন আমার মা’ও আমাকে বলছিলেন, “বাবা যাহাই কর, হক সাহেবের বিরুদ্ধে বলিও না।” শেরে বাংলা মিছামিছিই ’শেরে বাংলা’ হন নাই। ——শেখ মুজিবুর রহমান।]