কাব্যে কবিতালাপ(!) কবিতারা বাস করে বোকা-স্বর্গে, নাগর দোলায় চেপে/চড়ে দোল খায় দোল দেয়; মুখে/বুকে রক্ত তুলে সাদা কাগজে সৌন্দর্য-ফোটে, বিশ্বাস করি কবিতা-নামে কিছু নেই ছিল-ও-না কোন কালে; খুশি মনের নিজ-স্টাইলে শুধুই একাকীর বিশ্বাসী-পথে হেঁটে যাওয়া; কবিতার আত্মহত্যা বা কবিতায় মরে যাওয়া নিছক কল্প-বিলাসী শিল্প স্বাধীনতা; চুমু/চড় খাওয়া গালে হাত চেপে ভারী দুষ্টতায় কবিতা শুধুই হাসে,… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
অন্তঃসত্ত্বা কাঠবেড়ালীর বুকফাটা আর্তনাদে ঘুম ভাঙ্গে রাত্রির। শুকনো পাতায় টুপটুপ শব্দে ছিটকে পড়ে দু-ফোঁটা প্রসবের জল। নব রক্তের গন্ধে নেশাক্ত ফণা তুলে চকচকে শঙ্খনীল। অনাহুত কোলাহলে, ডালে লতায় ঝুলে বিষণ্ন বাঁদরের অজানায় আত্ম-প্রস্থান। হটাৎ থেমে যায় লাল পিঁপড়ের রেল, যেন চেইন টেনে ধরেছে কেউ- চারপাশে কাঁচা রক্তের গন্ধ। ঝর্নার জলে বুকের পশম ডুবিয়ে, সঙ্গীর তৃষ্ণার্ত… [বিস্তারিত]
শূন্যতা অভিমুখী হয়ে ভাবতে বসি উন্মুখ মৃত্যু-দূত গোটা যাত্রাপথ আগলে দাঁড়িয়ে আছে; অনন্ত মৃত্যু-ক্ষুধা নিয়ে বিষ্যুদ-শুক্র-শনি বা দিন-রাত্রি কিছুই জানতে চাইছে না; লাশ চাই লাশ চাই, অগুনতি, আরও লাশ চাই, পাৎলুনহীন করোনা ছায়া-শরীরে ঘুরে বেড়ায় ছুঁড়ে দেয় মৃত্যু-ল্যাসো অলক্ষ্যে; ক্রমশ মনে থাকা ক্রুদ্ধতা লুকিয়ে, কেঁদেকেটে দিয়ে দেই সান্ধ্য-বক্তৃতা; মূক আমি, দশা-বিচারে, নিবিড়ের হতভম্বতায় দয়ালু প্রস্তাব-বিবরণী… [বিস্তারিত]
প্রহর শেষ - সেদিন ছিল চৈত্র মাস.... তেমার চোখে দেখেই ছিলাম আমার সর্বনাশ!! চৈত্র শুরু শুকনো রোদ... আমার চেখে একেঁছিলাম তোমার স্বপ্ন বারমাস , তবে তুমি চলে গেছ কাঁদিয়ে... কালবৈশাখী ঝর দুটি চোখে ঢেলে! তুমি আনন্দ পেয়েছ বেশ....রং লাগিয়ে নয়নে মিথ্যে অভিমানে অতৃপ্ত দিনগুলো আমায় দিয়ে সত্যি তুমি বড় নিঠুর.. বিদায় নিয়েই তো তুমি পাও… [বিস্তারিত]
আমরা অনেক বিষয়ে লিখি, ব্লগিং করি। কিন্তু যখন সমসাময়িক বিষয়ে লিখি তখন আসলে কি চিন্তা করি- আমাদের লেখাটি প্রাসঙ্গিক কিনা বা বস্তুনিষ্ঠ বিষয়ে সঠিক তথ্য আমরা আসলে জানি কিনা যা পাঠকদের জানানো প্রয়োজন? কারন সমসাময়িক বিষয়ের লেখা একটি ব্লগকে যেমন সচল রাখে তেমনি পাঠকের মনে সেই লেখার লেখক সম্পর্কে একপ্রকার স্বচ্ছ ভাবনারও জন্ম দেয়। সঠিক… [বিস্তারিত]
মা..... নিজ ভাবনা থেকে--পর্ব ২// নজর লাগে কেমন করে বা নজর লাগলে কি ক্ষতি হয় জানার আগ্রহের চেয়ে, নজর ফিরিয়ে নেই বিনাবাক্যব্যয়ে। সন্তানের মঙ্গল কামনায়। আঙুল ছুঁয়ে থাকি, পায়ের দিকে তাকাই, লেপ্টানো ঘনকালো চুলগুলোর তাকিয়ে থাকি, পিট পিট করা চোখদুটোর কাঁপন দেখে অসম্ভব রকম অনুভূতির প্রকাশে ঠোঁটের কোনে হাসি ঝুলিয়ে মহান স্রষ্টার দরবারে কৃতজ্ঞতা জানাই।… [বিস্তারিত]
আমার প্রিয়তম প্রেমিকার নাম সোনেলা। তার নিটোল প্রেমে মুগ্ধ হয়ে আমি বারবার ফিরে আসি তার মমতার আঁচলে। তার শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে খুঁজে ফিরি প্রিয় সহযাত্রীদের প্রসবিত সন্তান। আমি মুগ্ধ হই, আমি প্রাণবন্ত হই। কেননা আমি জানি প্রতিটি জনক-জননীই চায় তার সন্তানকে শ্রেষ্ঠ হিসাবে গড়ে তুলতে। তবুও আমাদের শত ভুলচুক থেকে যায়। মনের অজান্তে কিংবা অসর্কতায়… [বিস্তারিত]
সেদিন সজলের জন্য মেয়ে দেখতে যাচ্ছি- দুজনের গায়ে মাসীমা (সজলের মা) এর কিনে দেয়া পাঞ্জাবি, দুজনের চোখে গেল বছর দুর্গা পূঁজায় কল্পনা (সজলের বোন) এর গিফট, রোদ চশমা। মামা বলেছিলেন, বারোটার মধ্যে মেয়ে বাড়ি পৌঁছাতে। দুপুরের নিমত্রন, খেতেই হবে। সবকিছু গোছানোর জন্য মামা ভোর সকালে মেয়ে বাড়ি চলে যাবেন। আমি আর সজল সময় মতো উপস্থিত… [বিস্তারিত]
আজকের মতো সব কাজ শেষ করে বিছানায় যখন এলো, রাত প্রায় দেড়টা বাজে। মোবাইলটা হাতে নিয়ে ঢুকলো ফেসবুকে। ক্রল করে নিউজফিডটা দেখছে/ পড়ছে। দেখার মতো কিছুই নেই। একই জিনিস নিয়ে সবাই মেতে আছে। কেউ পক্ষে, কেউ বিপক্ষে লিখে পোস্ট দিয়েছে। বিরক্ত লাগছে এসব দেখে। ঘুম আসছেনা, মেসেঞ্জারে সবুজ বাতিটা জ্বলজ্বল করছে! কি করছে সে এতো… [বিস্তারিত]
অতঃপর সবুজাভ আলোর পথ ধরলাম। তার আগে ঘুরে বেড়িয়েছি শূন্য সাঁকোটার ওপারে। দেখেছি তখন অন্ধকার মাঠে আলোর বিরহ। বহুদিন শুধু রাত ছিল তখন। লক্ষ জোনাকি গুহার আঁধারে ঘুমিয়ে পড়েছিল আলোটুকু ঢেকে। আমরা থমকে গিয়েছিলাম যে যার বয়সে। ফুটে থাকা হাসনাহেনা সুবাসবিহীন, সময়ের ব্যবধানে হারিয়ে গিয়েছিল জোনাকি গুহাটিও। আলোবিরহী মাঠে অসহায় তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজেদের ভাগ্যকেই… [বিস্তারিত]
ন্যায্যতার কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমুতে ইচ্ছে করছে না, আজ আর, সুখ-মৌমাছি, স্বপ্নের মৌ-মৌ মৌচাক! নাহ্, সব পানসে, বীর-দর্পে খেলে যাচ্ছে/খেলে দিচ্ছে করোনা! যতই ভাবি/বলি করোনা তোমার খাওয়া নেই, কে শোনে কার কথা, পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্ত শুধুই আর্তের মরণ চিৎকার, রুদ্ধশ্বাসে। (তাচ্ছিল্যের ক্রুর হাসি, করোনা-মুখে) দাম্ভিক/দর্পি রুজভেল্ট থেকেও আজ কান্না ভেসে আসছে রাজাধিরাজ… [বিস্তারিত]
হয়তো এ শহরে খানিকক্ষণ পর বৃষ্টি নামবে! মন্দির,মসজিদ থেকে ধ্বনিত হবে পবিত্রতার বাণী। ঘরবন্ধি মানুষ কিছুটা অনুপ্রাণিত হবে। বহুপ্রতীক্ষার পর শহরের গায়ে আস্তরণ পড়া ধূলিকণা মিশে যাবে বৃষ্টিজলের মর্মপলব্ধিতে। চৈত্রদগ্ধ আর বসন্তের যৌবনে দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুশোকে কাতর গোটা পৃথিবীর মানুষ। যে মৃত্যুপথ সম্মুখীন হয়ে আছে তার পূর্বা সম্পর্কিত কোন তথ্য ছিল না। কেবল মৃত্যুর মিছিল… [বিস্তারিত]
আবদ্ধতার দিনগুলোতে জেগে উঠেছে অবাধ্য বাসনারা, ধুকপুক হৃৎপিণ্ড খানিতে ছলকে উঠছে নিরন্তর ব্যকুলতা, কাঁদামাটির নাজুক দেহ ক্রমাগত প্রণয়ে, পুড়ে-পুড়ে হলো পোড়ামাটির আবক্ষ! কামনার অনলে, বাস্পীত হয়েছে রসায়নের প্রতি বিন্দু; জোড়ালো আবেদনে ভস্মীভূত ছাই উড়ছে রঙীন হয়ে.. হায়! নিদারুন চৈত্র-প্রহর, নির্জন সম্মোহন কন্ঠে তৃষ্ণা, আরও কুন্ঠিত আণত নয়ন. ধ্বিকি ধ্বিকি জ্বলে উঠে নৈশব্দ-দহন। প্রিয়মুখ-প্রিয়তম, দুরন্ত এই… [বিস্তারিত]
এইযে! 😎 জ্বী, আপনাকেই বলছি। খেয়াল কইরা, ঘরে থাকতে থাকতে শরীর কিন্তু বসে যাচ্ছে। কাজেই হাত-পা নাড়াচাড়া করুন। বাইরে যেহেতু বের হতে পারছেন না, মানে হওয়া উচিত না, কাজেই হাঁটাহাঁটিও তো তেমন হচ্ছে না, তাই না? জরা কিন্তু গিলে খাবে, হুম। শরীরও যে একটা মেশিন। মেশিন চালু রাখতে হবে তো। চালু রাখলে ভালো থাকে, নইলে… [বিস্তারিত]
(আমার)মাথার বুদ্বুদেরা সারাক্ষণ ঘুরপাক খায় ঘুরপাক খায়, আত্মবিশ্বাসের ঝনঝন রোদ্দুরে, এ-কথা ও-কথা ভেবে-ভেবে, এ-দিকে ও-দিকে তাকায়; উড়তে থাকা উজ্জ্বল-রোদ ভেসে বেড়ায় রঙ-বেরঙে। নির্লিপ্ত আলসেমির লাল-চোখে ভাবতে-বসি স্তম্ভিত হওয়ার মত আতঙ্ক-ভাবনা কতটা জরুরী? আর জরুরী যদি হবেই, কেন-ই বা তা জরুরী! তাড়াহুড়োর জীবনী-শক্তি কী এতই প্রবল সামান্য ফুঁৎকারে উড়িয়ে দেবে বস্তা-বস্তা আলস্য? জোরে-জোরে জোর-করা হাসিটি না-হয়… [বিস্তারিত]










