ভালোবাসা,শ্রদ্ধা,স্বপ্ন ভঙ হলে মানুষ কি করে?এই প্রশ্ন নিজেকেই শুধু করেছি।কেন মানুষ কষ্ট পায় বা দেয়?সম্পর্ক কেন হয়?পারস্পরিক ভাললাগা,ভালবাসা কি?যা দেয় তা কতোটুকু পায়?একটা সময় এই ধরো বৈবাহিক সম্পর্কের শুরুটা যদি কষ্টের,ত্যাগের হয় তা কি সারাজীবন বয়ে বেড়াও? হ্যাঁ বেড়াতে হয়। তারপরও মানুষ ভালবাসে,বেঁচে থাকে,সন্তান ধারন করে।সেই স্বামিরুপি মানুষটার মাঝে প্রেমিক পুরুষ খুঁজতে খুঁজতে একসময় ক্লান্ত… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
অল্প কিছুদিনের হাঁটাহাঁটি এই আমার সোনেলা, তবে প্রাপ্তির ভার অনেক। সাদা মনের মানুষেরা নতুনদের অল্পতেই কত আপন করে নেয়, অবাক হওয়াটাতো অন্যায় নয়। সবচাইতে ভালো লাগে অনেক ভালো লিখিয়েরা নতুনদের যেভাবে উৎসাহ দেন। ভুল শুধরে দিয়ে আগে বাড়াতে সাহায্য করেন যা অনেক সময় প্রকাশেও আসেনা। এযেনো ওনাদের পন, লিখতে তোমায় হবেই হবে। এই লেখালিখির মাঝে… [বিস্তারিত]
কিয়ৎকাল পূর্বের ঘটনা বয়ানে যাচ্ছি। চা খাচ্ছি, খোর না কিন্তু, ফোন দেব কিনা ভাবছি, দু’টো নম্বর চোখে রাখছি, আজ ছ’মাস, প্রথমটিতে দিলাম ফোন, অবারিত ছিল যে টি, বন্ধ। ধন্দে পড়লাম, কথা হয়েছিল ছ’বছর আগে সর্বশেষ, কত্ত কিছু পাল্টায়, নস্যি তার কাছে ফোন নম্বর। তব্ধা খেলাম, শেষ করে ঝিম মারা বুকে ফুঁ দিয়ে অন্যটায় দিলাম ফোন,… [বিস্তারিত]
'সোনেলা' আমার অনলাইন সময়ে সাহিত্য+আড্ডার জন্য প্রিয় জায়গা। নিজের একাকীত্বের সময়টুকু এই সোনেলার সাথে কাটিয়েছি বেশ ক'টা মাস। ঘুরে ফিরে নানান পোস্টে বারেবারে বলেছি কেন ও কি করে এই সোনেলায় সবার মাঝে সময় কাটানো তাই নতুন করে কিছুই বলছি না। তবে ইদানীং সোনেলায় আমার পদচারণা সীমিত হয়ে এসেছে বেশ কিছু কারণে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে… [বিস্তারিত]
যেদিন বৃষ্টি আসবে, আত্মাহুতি দেবে আগুণের কান্নারা। কঠিন এবং রূক্ষ্ম এ পৃথিবীতে, আবার একদিন সবুজ হয়ে সেজে উঠবে অরণ্য ধুয়ে যাবে সব ধুলো-ময়লা। আকাশ-সমুদ্রের হিরন্ময় হৃদয়ের ভেতর জ্বলতে থাকা আগুণের ফুলকিরা আর পোড়াবে না নিশ্চুপ-নীরব হয়ে যাওয়া একাকী রাত্রির শহর। যেদিন বৃষ্টি আসবে নিশ্চিন্তে বয়ে যাবে হাওয়া, আর, প্রতিবাদহীন একটি নাগরিক মিছিলে হবে আনন্দ-উল্লাস "সব… [বিস্তারিত]
স্বাতীর মত জ্বলে আছ দূর আকাশে জ্বলজ্বল করে, সজল সলজ গ্রহান্তরে, নেই অভিযোগ অভিমান অভিযান। লেপ্টে আছে কাঙ্খা ও স্বপ্ন হৃদস্পন্দনের নীরব কোলাহলে স্তব্ধতার মত গোপনাশ্রমের নিভৃত পাতাল রাজ্যে; শূন্য পথের গভীর শিহরণে, নিষ্প্রাণ সপ্রাণে চুইয়ে পড়া গড়িয়ে যাওয়া এক স্বেচ্ছা পালক। পোষ না মানা পাথর প্রাণ, ডানা মেলা বেদুইন প্রাণ তপ্ত বালুতে মুখ লুকায়… [বিস্তারিত]
হলের ৬ বছরের সময়কালে তাঁর সাথে কত যে স্মৃতি! প্রকৃত বন্ধু হওয়ার সুবাদে যা যা করা যায় সেসবের আর বিস্তারিততে গেলাম না। বন্ধুত্বের প্রকাশটা প্রায় সবারই এক, হৃদয়ে হৃদয়ে গিট্টু বাঁধার কাহিনীতে ভিন্নতা নেই। মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত এডভোকেট তিনি, প্র্যাকটিস করেন হাইকোর্টে। গলায় গলি হলে যা হয়,অনেক না না করেও ভূড়ি ভোজের আমন্ত্রন রক্ষা করতেই হলো।… [বিস্তারিত]
ঝক্ঝকে সন্ধ্যার শীতল জ্যোৎস্নায় বা বিকেলের সোনা রোদে হাতছানি দেয় ঐ কাছ-দিগন্ত, বলে মরে যেতে, ম্যারাথন ভালোবাসায়। বর্ষ শেষের চিকেন উৎসব অনেক তো হলো, উঁচু-নিচুর দরদিয়া যাতনা, নিভৃতের পথে হাঁটা, হেঁটেই পার হওয়া, এক ঝুড়ি প্রশ্ন মাথায়। থমকে দাঁড়াই সশব্দে পাতা মাড়ানোয়, ভাবছি ছুঁড়ে দেব কিনা প্রশ্নবাণ!! নাকি বানপ্রস্থে গমন প্রত্যাগমন। এই তো বেশ, মেকি… [বিস্তারিত]
"জন এফ কেনেডি" এয়ারপোর্ট। গিয়েছিলাম বন্ধুর বাবা-মা'কে বিদায় জানাতে। দু'মাস বেড়ানো শেষে তাঁরা ফিরে যাচ্ছেন দেশে। প্রিয়জনদের বিদায় জানিয়ে যাত্রীরা সিকিউরিটি চেকিং এরিয়ার দিকে যাচ্ছে একে একে। সমস্যা বাঁধলো বৃদ্ধা এক যাত্রীকে নিয়ে। ৬/৭ বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে কিছুতেই দাদু'র কোল থেকে নামানো যাচ্ছিলো না। গলা জড়িয়ে প্যচিয়ে ধরে আছে। কাঁদছে। ও দা- দু যেওনা ...… [বিস্তারিত]
অহর্নিশ, জীবনে যে কয়টি সময় খুব প্রিয় আমার, সে তোমাকে নিয়েই। আমি জানি বিক্ষোভ আর আন্দোলন ছাড়া তোমার কাছে আর কিছুই মুখ্য নয়। এই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা সমাজ কাঠামোর বদল করতে গিয়ে কতোকিছুই যে উৎসর্গ করেছো, তারপরেও পিছিয়ে পড়োনি। তোমার কাছে ভালোবাসা বলে কোনো শব্দ নেই, আবেগের সাথে বিশাল বিতৃষ্ণা। অথচ সামাজিক দায়িত্ত্ব ঠিকই… [বিস্তারিত]
বিগত বছর আর নতুন বছর নিয়ে "সোনেলা"য় একটি লেখা দেয়ার কথা ছিল। "সোনেলা ব্লগ" আমার ভালোবাসার জায়গা। সকালে উঠেই লিখে দিবো, ভেবেছি। বছরের শেষ দিন। ভোরে ঘুম থেকে উঠেই দেখি ভাই, বোন দু'জনের মেসেজ___"রুমি মারা গেছে" ! পাড়ায় যে ২/৪ টি বাসায় যাতায়াতের অনুমতি ছিল আমাদের, রুমিদের বাসা তার একটি। ও বাসার সবাই আমাদের ভীষণ… [বিস্তারিত]
ঝুলছি ঝুলছি, ঝুলেই আছি, ঝুলেই যাচ্ছি। ঝুলে থেকে নাচছি, নাচতেই হবে যে, ঘরানার ঠিকঠাক না ভেবেই। ঝানু ওস্তাদের কাছে নাড়া বেঁধে বা না বেঁধে। ইচ্ছেকাতর অপূর্ণতায় সোনায় সোহাগা বাড়াবে মুঠো মুঠো। পিঁপড়েদের কাছে নিয়ম শিখে পিল পিল পিছু নেয়া, মিষ্টিমুখের উল্লাসে, ঝুলে পড়া চোয়ালে নাচিয়ের হাতছানি, রাগের অনুরাগ, ভালোবাসার খু্নসুড়ি। ঝুল বারান্দায় নাচানাচি। শেষ অব্দি… [বিস্তারিত]
'আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল' এর সাথে মূলতঃ সংশ্লিষ্ট এমন কিছু তরুন তরুনী ও তাদের সহযোগীরা গতবছর থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের আনন্দ দিতে অন্যান্য উন্নত দেশের শিশু ক্যান্সার রোগীদের জন্যে "Make a Wish" ধাঁচের "ইচ্ছাপূরন" নামের একটি প্লাটফর্ম গড়ে তুলেছে। ছোট্টছোট্ট বাচ্চা শিশুরা, যারা পৃথিবীটাকে ঠিকমতো দেখার আগেই মরনব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দুর্ভাগ্য কবলিত হয়ে পড়েছে!… [বিস্তারিত]
প্রতি বছরের শেষ দিনে কিছু না কিছু লিখি। আমার একাকীত্ত্বে সঙ্গ দেয় এই লেখা। লিখতে গিয়ে স্মৃতিগুলো কাৎড়ায় অসহায়ভাবে। মনে পড়ে যায় সেই স্কুল জীবন। প্রতি ৩১ ডিসেম্বর রাতে আর্ট পেপারে লিখে রাখা HAPPY NEW YEAR. তখন একমাত্র চ্যানেল বিটিভি। সেখানে কিছুই হতো না থার্টি ফার্ষ্ট নিয়ে। আরেকটি চ্যানেল ছিলো দূরদর্শন। এন্টেনা ঘোরাতে ঘোরাতে কতো… [বিস্তারিত]
১)স্কুল জীবন প্রেমঃ অনেকেই দেখি খুব বেশি আবেগি হয়ে পড়ে যার ফলে পড়াশোনাটাই নষ্ট হয়ে যায়। মনে মনে ছেলেরা মাদার টেরেসার জায়গায় মাধুরী দিব্যা ভারতী আর মেয়েরা রবীন্দ্রনাথের জায়গায় সলমন আমির নাগার্জুন হৃত্বিক রোশনের পূজো করে থাকেন। স্কুলে গেলেই মনে হত ওটা একটা রোমান্টিক প্রেম নিবেদনের ক্ষেত্র। কিছু কিছু বান্ধবী কে দেখতাম ক্লাশ টিচারদের করায়ত্তে… [বিস্তারিত]








