জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন দলীয় ব্যক্তি নন, তিনি সার্বজনীন। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি ছোট্টছোট্ট প্যারা আকারে ধারাবাহিকভাবে (আপাতত ধারাবাহিক দেয়ার কথাই চিন্তা করেছি) ব্লগে তুলে ধরার যে সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছি, আমি মনে করি অল্প করে প্যারা আকারে তুলে ধরলে অনেকেই তা পড়বে। বইটি পড়তে গিয়ে আমার উপলব্দি হয়েছে, এ বইটা যতো বেশি… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
আগাপাশতলা না ভেবে ল্যাম্প পোস্টের অস্পষ্ট মিহি মৃদু আলোয় একটি সেলফি পাল্টে দিতে পারে কালান্তরিতের স্বপ্ন জাল। রোজনামচায় কত কী জড়ো করি জুড়ে দেই, সিটি বাজাই, ব্যবচ্ছিন্ন মন দুহিতার শব্দহীন নীল উপত্যকায়, মন হরিণের পটভূমিতে সন্ধ্যা সাজাই, ওড়াই লাল সবুজের পতাকা। নিশ্চুপ নির্বিকার হিংসা আর ঘৃণার বিদ্বেষ ও বিভেদ ছুঁড়ে ফেলে বায়না ধরা শিশুর হাতে… [বিস্তারিত]
লিখতে পারছিনা কিছুই বেশ কিছুদিন যাবত। কি লিখবো, কিভাবে লিখবো, কতটুকু লিখব বা লিখব না, শুরুটা কিভাবে করব এবং শেষ কী! এসব ভাবতে ভাবতেই চলে যায় সময়। লেখারা থমকে দাঁড়িয়ে আছে যে একটি বিশাল আবেগের সমুদ্রকে সামনে নিয়ে। আমি ও.হেনরী নই। তিনি হলে কত আগেই লিখে ফেলতেন নতুন এক ডেলা আর জিমের উপাখ্যান। সৃষ্টি হতো… [বিস্তারিত]
:( আলনার মতো পরিপাটি জীবন জ্যামিতিক চিত্রের মতো গুছিয়ে রাখা পাশে ওয়ার্ডবোর্ড প্রথম ড্রয়ারে রহস্য দ্বিতীয়টিতে প্রলোভন, তৃতীয়টিতে হাতছানি সব শেষেরটিতে ছিন্ন-ভিন্ন মন। সেই একই কক্ষে সেগুণ কাঠের আলমিরা এলোমেলো, অবিন্যস্ত। ওখানে সাজানো কেবল টুকরো টুকরো দীর্ঘ নি:শ্বাস। -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ -{@ (3 একটু উষ্ণতার জন্যে রোদ্দুর ছুঁতে চেয়েছিলাম সম্পূর্ণ মনের… [বিস্তারিত]
তাল তাল নীরব নিরবধি স্তব্ধতায়ও হওয়া-হওয়ি হয়, প্রজাপতির ডানায় তোলে রং ঝড়, সুঘ্রাণ ফুল ফোটে নিভৃত-গভীরের গোলাপ বনে, বাতাস কাপে ভ্রমর গুঞ্জনে; থমকে যায় আততায়ী সময়, পিছু হটে অবশ্যমান্য ভঙ্গীতে। ক্রোশ ক্রোশ জগদ্দল ঠেলে বিনীত চোখহাসি স্পর্শে সহিষ্ণু আলোয় হেমন্ত রাত্রির প্রথম প্রহরে অশৃঙ্খল আনন্দ তরঙ্গে, আনন্দ পেরুলেও জেগেই থাকা, সূর্যি মামার দেশে ভোর আসবে,… [বিস্তারিত]
শমশেরনগর যেতে হবে। বাসার খবর নিতে হবে। বাপির কিছু কাজ ব্যাঙ্কে, সেসবও করতে হবে। তবে শমশেরনগরের নাম শুনলে একশ আটটা প্রজাপতি পাখনা মেলে মনের ঘরে। আমার কিশোরী-তরুণীবেলা ওখানে থেমে আছে। যাক সব ঠিক হলো। বড়ো মামার বড়ো ছেলে প্রীতম বললো, "দিদিভাই একা যেওনা। আমি যাবো তোমার সাথে।" হাসলাম, কিচ্ছু বললাম না। পরের দিন ভোরের বাস… [বিস্তারিত]
ছেঁড়া কাপড় পরা ,পেরেক বের হয়ে থাকা পিঁড়িতে বসা খুকখুক করে কাসি দেওয়া রুগ্ন মা আমার! তুই আমাকে ভুলতেই পারিস না? প্ল্যাটফর্মে কলার ছালের পাশে শুয়ে শুকনো পাউরুটি চোখের জলের সংগে ভিজিয়ে মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে খাইয়ে দিতিস ! আলুসিদ্ধ ডাল দিয়ে ভাত খাওয়াতে খাওয়াতে রাজপুত্তুরের গল্প শোনাতিস! লোকের বাড়িতে কাজ সারাদিন করে সন্ধ্যাবেলা বাড়ি… [বিস্তারিত]
মহারানী, ছাইরঙা কুয়াশার ভেতর হিরন্ময়ের আহ্লাদীতে স্ফটিকের মতো জ্বলজ্বল করে ওঠে শিশির। অমন মুহূর্ত দিতে চেয়েছিলাম তোকে। চাইলেই যে সব দিতে পারিনা আমি। এভাবে লিখে নয়, মুখোমুখি বসে বলার কতো ইচ্ছে, পারি কোথায়! নাহ আমায় দিয়ে কিছুই হয়ে ওঠেনা। দিন যায় যতো, ততোই পিছিয়ে পড়ছি। সীমানা ভেঙ্গে যে বন্ধুতার জন্ম হয়েছিলো, বাস্তবের রঙ-রূপ কতো বদলে… [বিস্তারিত]
আজ তার জন্মদিন। মহা আকাইম্মা ব্যস্ততাতেও কিছু লিখতে বসেছি। যদিও বুঝতে পারছিনা কি লিখবো তাকে নিয়ে। পাক্কা ৩৫ মিনিট ধরে বসে থাকার পরেও একটা লাইন লিখতে পারছিনা। তাকে নিয়ে আসলে আমার কিছু লেখারও নেই, বেশিরভাগ সময় শুধু ঝগড়া করেই গেছে আমাদের। (এতো ঝগড়া মানুষ করতে পারে! আমার মতো শান্তশিষ্ট মানুষের সাথে কেউ ঝগড়া করে কি… [বিস্তারিত]
উজিয়ে ওঠা জ্যোৎস্নার কলরবে, বসন্ততরঙা সোনা বিকেলে, পাতা ঝরার বিজন সন্ধ্যাতে, দগ্ধ মরুতে বা বিঘত রোদের ঝলকানি ও গুমরে ওঠা পাঁজর যন্ত্রণাতে, উত্তাল সমুদ্র ছেনে সুউচ্চ পাহাড় বেষ্টনে দুষ্ট-মিষ্টের ফুলঝুরি একই সাথে। সুবুদ্ধি কুবুদ্ধির সংগ্রহে, গ্রহণ-বর্জনে ও বিতরণে আপনাপন আপনাবদান বিছিয়ে রেখেছি পথের প্রান্তরে; পরীয় পরিবৃত্তে কোন এক জোনাকি দুপুরে, জ্বল জ্বলে জলজ্যোৎস্নায় হিম হিম… [বিস্তারিত]
এক দুপুরে আমি দ্রুত পায়ে হেঁটে যাচ্ছি ছেলের স্কুলের দিকে। ছুটি হয়ে গেলে, আমায় না দেখলে ছোট্ট মানুষটির মন খারাপ হবে। আমার যে আগেভাগে স্কুল গেটে অধির আগ্রহে দাঁড়িয়ে থাকবার কথা। স্কুল গেটে গিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি। একে একে অন্য শিশুদের সাথে রিয়াসাত বেরিয়ে আসে। জড়িয়ে ধরে। আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে হাঁটছিলাম। ঠিক সেই সময়ে ফোন… [বিস্তারিত]
জীবনের পরতে পরতে কতোকিছু ঘটে গেলো এবং যাচ্ছে। ভালো-মন্দে, রাগ-অভিমানে, জোড়ে-বেজোড়ে, ভালোবাসা-অবহেলায় একটা জীবন চলতেই থাকে, চলতেই থাকে। ভোরের কুয়াশার ভেতর দিয়ে যখন ছুটি ব্যস্ততার জীবনে, ওরই মধ্যে কতো কতো কথা হয়ে যায় প্রিয়জনদের সাথে। জানা হয়ে যায় কেমন কাটছে সময়। ভালোই লাগে এমন জীবন। কেন এতো কথা? আসলে এ মাসটা আমার খুব প্রিয় একটি… [বিস্তারিত]
এক জন মানুষের পূরো জীবনে সময়োপযোগী হাজারো শব্দের ব্যাবহার হয়ে থাকে এক একটা- ভিন্ন ধরনের ভিন্ন শব্দ। ঐ সব শব্দের কিছুটা আনন্দ পূর্ন, কিছুটা হৃদয় বিদারক আবার এমন কিছু শব্দও আছে যার দ্বারা কোন এক জন মানুষ খুজে পেতে পারে তার জীবনে খুবই আনন্দপূর্ণ দিন গুলো কিংবা এমনও হতে পারে যা কিনা তার জীবনে করুন… [বিস্তারিত]
কোনো এক শতাব্দীর প্রাক্কালে জমে থাকা বরফের নীচে চাপা পড়ে র'বে রেখে আসা এই সব বিকেল-সন্ধ্যা-রাত-ভোর। ছুটির দিনের হিম হিম হাওয়ার ভেতর গলিয়ে, সমস্ত বাধা উপড়ে ফেলে সামাজিক দ্বিধার প্রাচীর ভেঙ্গে সামনে এসে দাঁড়াবে এমনই এক নির্ভীক সন্ধ্যা অসুস্থ সময়ের ভেতর থেকে মাথা গলিয়ে আরেক নতূনের জন্ম হবে হঠাৎ একদিন সোনালী রোদের ডানায় ভর করে… [বিস্তারিত]
বিরহী সকাল ঘুমোয় এবার পাশ ফিরে ফিরে, শিলা পাহাড়ের ওপাশে। বিপন্ন কুয়াশারা ছুঁয়ে যায় এবেলা ওবেলায় অবেলায় ও, ওপারে সাঁওতালী সুরের উথাল পাথাল ঢেউ; টলটলে গ্লাসে ভাসা সূর্যের সোনালী উষ্ণতা আমাকে ভরকে দেয় হে আমার নিঃসঙ্গতা আমাকে জড়িয়ে নাও। দীর্ণ কর খাঁজ কেটে কেটে, ঝুঁকে পড়ে ঘরে যেন আর না ফিরি সবুজের গন্ধ শুঁকে শুঁকে,… [বিস্তারিত]







