ভালোবাসার নদীজল

আগাপাশতলা না ভেবে ল্যাম্প পোস্টের অস্পষ্ট মিহি মৃদু আলোয় একটি সেলফি পাল্টে দিতে পারে কালান্তরিতের স্বপ্ন জাল।
রোজনামচায় কত কী জড়ো করি জুড়ে দেই, সিটি বাজাই, ব্যবচ্ছিন্ন মন দুহিতার শব্দহীন নীল উপত্যকায়,
মন হরিণের পটভূমিতে সন্ধ্যা সাজাই, ওড়াই লাল সবুজের পতাকা।
নিশ্চুপ নির্বিকার হিংসা আর ঘৃণার বিদ্বেষ ও বিভেদ ছুঁড়ে ফেলে বায়না ধরা শিশুর হাতে তুলে দেই সোনালী বিস্ময়;
এ আমার দেশ
এ আমার পতাকা,
প্লাবন ভাসা জলসমুদ্রসবুজের এ সুন্দরবন, সিডরেও বুক আগলেছে এ কর্দমাক্ত জনপদ,
বিচূর্ণ করে রাতের সব পাষাণ, সবুজের সূর্য উঠবেই।
মৃত্যু ম’রে যাবে, ভালোবাসার নদীজল নিবিড় জলে পৌঁছুবে।

শুভেচ্ছায় নববর্ষ।

মোট পড়েছেনঃ ৭৬২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩১টি মন্তব্য

  1. এই হোল শুভেচ্ছা বানী! বাহ, কি তার শ্রী!
    সোনেলা আশলেই একটা রাফ খাতা। যার যা ইচ্ছে, লিখে যাচ্ছে।
    আমার মত একজন স্বনামধন্য পাঠকের কথা ভেবে এই লিখিয়ে মানুষটার মনে একটু খেদও আসেনা।

    তরলং ২০১৬!

    1. ইস্‌, পছন্দ হলো না!! সারা বছর করল্লা খেয়েই কাটাতে হবে দেখছি।
      রা…………ফ খ্যাতা তা বুঝতে এত টাইম লাগার কথা না।
      লেখার বহর দেখেই অনুমেয়।
      আপনি বিদগ্ধ কবি! আপনার জন্যই তো লিখি!!

      অবশ্য ই তরলং, আপনি ই শুধু বুঝলেন, অন্যেরা কে যে আপনার মত না, সেটাই ভাবছি।

      1. এখনতো আমি টানাহেঁচড়ায় পরে গেলাম! এই লেখাটা কি আদৌ শুভেচ্ছা বানী! নাকি ভুল বুজলাম! না জেনেশুনেই কি মন্তব্য করে ফেললাম! মুছে ফেলার অপশন থাকলে হয়তো মুছেই দিতাম যাতে সারা বছর যেনো করল্লা না খেতে হয় কারো কারো।
        আপনি একজন গেয়ানি মানুষ। তাই আমদের মত পাঠকের জন্য বিনা মুল্যে গেয়ান বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন যা আমরা ধন্য ভাবেই স্বরন রাখছি।
        যাক, মাঝে মাঝে ছিটাফুটা তরল পন্য গায়ে গতরে লাগলে তেমন কোন ক্ষতি দেখছিনা। অবশ্য অন্যরে আমার মত হলে তো আপনার পথ্য তাহারা ভালো ভাবে সেবন করতে পারবেনা। তার চেয়ে চলুক যে যার মত। যেমন খুশী তেমন আর সাঁজার দরকার কি!

      2. টানা ও টানি ব্যাপারটি মন্দ নয়, হেঁচড়ানোটা একটু ইয়ে মত হয়ে যায়, তা যাউক , আমরা ও লাইনে
        যাচ্ছি না, গায়ে-গতরে পুরোটাই শুভেচ্ছা বানী, তবে অজ্ঞানীদের জন্য বোঝার কিছু র‍য়ে গেছে।
        মুছে দিলেই তো হবে না, সব কী আর মোছা যায় নাকি মুছতে পারি।

        ভাববেন না , আপনার জন্য ও আসিতেছে অচিরেই।
        তরল পন্য অবশ্যই পাওয়া যাবে।

  2. হিংসা আর ঘৃণার বিদ্বেষ ও বিভেদকে ছুঁড়ে ফেলার সাথে সহমত।

    সবুজের সূর্য উঠবেই। উঠতেই হবে।

    “মৃত্যু মরে যাবে, ভালোবাসার নদীজল
    নিবিড় জলে পৌঁছুবে” – বাপ্রে! কী কঠিন কথা।

    শুভ নববর্ষ। -{@

    1. অবশ্যই সূর্য উঠবে, আমরা তার অপেক্ষায়।

      “মৃত্যু মরে যাবে, ভালোবাসার নদীজল
      নিবিড় জলে পৌঁছুবে”
      নকল করছি জীবনানন্দ থেকে, বেশি ভাললাগার লাইন।
      আপনাকেও নব বর্ষের শুভেচ্ছা।
      কবে যে বানান শিখব কে জানে!!

      1. ভাষার বিবর্তন চলছে, চলবে। ভেবে দেখুন তো পিচ্চিবেলার শেখা সব বানান কি একইরকম আছে?
        এন্ড্রয়েড ফোনের এপগুলির মতো নিজেকেও আপডেট দিতে হয় এখন, না দিলে পর হতে হয় আমার মত অচল পয়সা। -:-

  3. প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে সাথে নিয়েই অন্ধকারকে অতিক্রম করে আমাদের সবুজ মনে সোনালী সুর্য উদিত হবেই।

    সুন্দর সুস্থ্য আনন্দময় ২০১৬ এর প্রত্যাশায়
    শুভ নববর্ষ -{@

  4. প্রথম লাইনটাতে আঁটকে গেলাম কিছুক্ষন “ল্যাম্প পোস্টের অস্পষ্ট মিহি মৃদু আলোয় একটি সেলফি পাল্টে দিতে পারে কালান্তরিতের স্বপ্ন জাল”। সেলফি তোলকরা ছবি তুলতে তুলতেও এমন ভেবেছে কিনা জানিনা। আপনার ক্রিয়েটিভ লাইনগুলো একান্তই আপনার। প্রশংসা কি বেশি করে ফেললাম?
    যতকিছু জমা করে রাখি, তার মধ্যে লালসবুজ বেঁচে থাক আমৃত্যু। বায়না ধরা শিশুর হাতে সোনালী বিষ্ময় তুলে দেই, দেখুক পরাজিত হয় সবসময়ই ভালোবাসা, ঘৃনা নয়।
    মৃত্যু মরে যাক, চুলোয় যাক। জন্মের জন্ম হয়, মৃত্যুর মরনের কথা একবারও ভাবিনি 🙂 আপনি সবই পারেন।
    ২০১৫ র ভালোবাসার নদীজল নিয়ে পাড়ি দিন আগামী ২০১৬ বছর। শুভ নববর্ষ জিরাফ ভাউ। -{@

    1. নাহ্‌, প্রশংসা বেশি হয়নি, আপনার ব্যস্ততার জন্য যা করতে পারেন নি তা পরে এসে করে যাবেন।
      আর একটু লাগবে, তা আপনি ও জানেন আমার মতই।
      ভাবছি সেলফি তোলক হব!!
      আগামীর শিশুর জন্য নিরাপদ ভালোবাসাময় পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি,
      মৃত্যু মরে গেলেই জীবন জীবন হয়ে উঠবে।
      আপনার আগামীর স্বপ্ন মনকামনা উজ্জ্বলতায় ভরে যাক এই কামনা করি, ভাইয়া।

      1. না, ব্যস্ততাকে দায়ী করবো না, লেখায় মন্তব্য করার জায়গাতো রাখতে হয়!!
        আধো আলোয় একটি সেলফিও কি করে জাল জুল ছেড়ে, তা আমরা দুএকটা প্রোপিক সোনেলায় দেখিই। 🙂
        লেখাটায় সবুজের প্রতি আপনার তীব্র প্রেম আগের মতই অটুট আছে। একটু একটু করে জড়ো করুন রোজকার ডায়েরীতে। যে মৃত্যু ছাড়া লেখাই আসতোনা, সেই মৃত্যুকে মেরে ফেলতে চাওয়াই প্রমান করছে, ভালোবাসার নদীজলে আকন্ঠ ডুবেই কবি সাগরমুখী হচ্ছে। শুভকামনা আপনার জন্যেও ভাউ।

      2. এ দেখছি মহা সাগর, কিনারাহীন।
        যতই নদীজলে আকণ্ঠ দুবি না কেন মৃত্যুপ্রেম ইটুট, সেটাই একমাত্র সত্য,
        মন্তব্যের জায়গা আছে কি নেই তা জানি না, জায়গা বানিয়ে মন্তব্য লিখতে হবে যে,

  5. এই পতাকা আমার, এই দেশ আমার ,এই সবুজ উপত্যকা আমার |
    এত সুন্দর করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে দিলেন! এ কেবল সোনেলা কবির পক্ষেই সম্ভব | যদিও কঠিন তবুও সুন্দর | লেখার মূল বক্তব্যের সাথেই সুর মিলিয়ে বলি , শুভ নববর্ষ প্রিয় কবি 🙂 (3 -{@

    1. এ উপত্যকা আমার, এ দেশ আমার, পতাকাও।
      সুন্দর কিনা তা আপনারাই ভাবুন, আমি শুধু নিজের অনুভূতিটুকুই জানান দিলাম।
      আপনাকেও জানাচ্ছি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

  6. “প্লাবন ভাসা জলসমুদ্রসবুজের এ সুন্দরবন, সিডরেও বুক আগলেছে এ কর্দমাক্ত জনপদ,
    বিচূর্ণ করে রাতের সব পাষাণ, সবুজের সূর্য উঠবেই।”

    ভেঙ্গে ভেঙ্গে ঠিকই গড়ে ওঠে। ফিনিক্সের মতো।
    মনে হয় কিছু বুঝেছি, পরক্ষণেই মনে হয় ওই গানটির কথা।
    “ও মাষ্টারসাব, আমি নাম-দস্তখত শিখতে চাই।”

    হ্যাপি নিউ ইয়ার। -{@

মন্তব্য করুন