আকাঙ্ক্ষাগুলো ক্রমাগত ঢেউ হয়ে বালিয়াড়িতে জমে প্রবালের প্রাচীর হয়ে, প্রবাল দ্বীপ হয়ে, সমুদ্রফেনা হয়ে, ভেসে আসে হাইড্রারা প্রগাঢ় জোয়ার জলে, তিমিরাও আসে, হয়ত বাঁচতে চায়! মরে বেঁচে যায়। স্বপ্নেরা জলে ভেসে ভেসে আসে, লোনা জলে। অপেক্ষার তটরৌদ্রে ঝিমোয়, চির অতৃপ্ততা নিয়ে, পায় না মদিরার সুবাস, এক রাত্রিব্যথা সয়ে আকাঙ্ক্ষার মায়ামৃগ জড়ায় নিত্যনতুনের জালে,ভয়াবহ অন্ধকার চেয়ে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
মেয়েরা নিজেদের সৃজনশীল বিকাশে কতোটা অবদমিত থাকে শুধুমাত্র সংসারকে টিকিয়ে রাখার জন্য, বাস্তব জীবনে খুব খুব কাছে থেকে একজন মানুষকে না দেখলে নিজেও অনুভব করতে পারতাম না। আমি যখন তাঁর সাথে পরিচিত হই, তখন সে নিতান্তই একজন সাধারন হাউজ ওয়াইফ। দুটো সন্তান মানুষ করা আর সংসার যাপনই তাঁর মূখ্য কাজ। বাসায় শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় পরিজনকে আদর-আপ্যায়নে… [বিস্তারিত]
(১) তাকে প্রথম দেখি শাহবাগেই, অন্য অনেকের মতোই। আমি তখন একটা আউটসোর্সিং ফার্মে কাজ করতাম; আমাদের মাঝে মাঝে নাইট শিফট করতে হতো, যেহেতু আমাদের ক্লায়েন্টগুলো সব ছিলো পশ্চিমা দেশগুলোর। আমি সারারাত, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত কাজ করলাম। তখন আমার হাতে টাকা পয়সা ছিলনা বললেই চলে; আর ঐদিনই আমাদের সেলারী দেওয়ার কথা ছিল;… [বিস্তারিত]
হৈ হল্লায় আর একটি দিন কেটে গেল, রাত্রি সমেত। নিরন্নের শিশুরা যেমন আছে তেমন ই থেকে গেল, গো-হারা শৈত্য প্রবাহে কুকুর সাথী হয়ে, শীত, তোমার মায়াবী অথচ কঠিন চাদরটি নিয়ে একটু এড়িয়ে গেলে পারতে, এ যাত্রার কটা দিন, নেভানো কয়লায় না হয় রাত কাটাতাম, মিট মিটে মিঠে আগুন জ্বালানোর সাধ্য যে আর বাকী রাখোনি। ঐ… [বিস্তারিত]
আম্মাকে সবেমাত্র এন্ডোসকপি করতে ভেতরে নিয়ে গেলো। আমি আম্মাকে রেখে এসে ওয়েটিং রুমে এসে বসে পড়লাম। বসে চুপ করে বই বের করে পড়তে থাকি। দুদিন ধরে ঘুম হচ্ছে না রাতে। হয়ত ক্লান্ত বলেই বইয়ে মন বসে না। ঘরে দুজন বয়স্ক স্বামী-স্ত্রী ঢুকলেন। চোখ বন্ধ করে বসে আছি উনারাও বসে আছেন। হঠাৎ ভদ্রলোক স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন… [বিস্তারিত]
কোন ভাবেই কিছু হবে না জেনো, ক্রান্তির কাল এসে যাবে, পৌঁছানো হবে না দারুচিনির দূর দ্বীপে। আই ফোনের গিজগিজ এ্যাপে, মুহূর্তেই দিগ্বিজয়! পা গুলো মঙ্গলমৃত্তিকা ছুঁই ছুঁই, হরহামেশা বদল হৃদপিণ্ডের! রোবট পাঁজরে কি প্রাণ থাকে? তুমি বরং অপেক্ষায় থাকো বুকে নিয়ে আশার লাশ! কবর বিন্যাসের আঁকিবুঁকি এঁকে এঁকে, পাথর বনে গোলাপের কুঞ্জ! খোয়াবের ঝর্ণায় উদোম… [বিস্তারিত]
হৃদয় আকাশে যে দুঃখের মেঘ তোমায় আঁকড়ে ধরে,তাকে ঝরে পড়তে দাও। বৃষ্টির পরে রোদ আসবেই।কাঙ্খিত সুখের সূর্য কখনোই চির মেঘে ঢাকা থাকে না। তোমার আকাশে ঝলমল করে সে হেসে উঠবেই। যে তোমায় বার বার আঘাত করে, এই আঘাতে ঘাবড়ে যেও না। ভেঙে পোড় না, নিজেকে অথর্ব মনে কোরো না। কারণ সূক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে এই জীবনেই… [বিস্তারিত]
এবার বর্ষায় নদী দেখিনি যৌবনে ঢেউ পলিজলে দুলছে কেউ দূরে মাঝি, জেলের ছেলে, ও পাড়ার কিশোরের দল সাঁতার খেলে রাজহাঁস ভাসে, হাসে পূবের হাওয়া এবার হয়নি যাওয়া। সেই ডুবন্ত মাঠ নৌকোর ঘাট শ্যামলিমা ছায়ায়, থৈ থৈ মায়ায় বটগাছ দাঁড়িয়ে জলান্ত ছাড়িয়ে কিশোরী দুপুরের রোদে ভিজে একধ্যানে কি খুঁজে মন গুঁজে কাজে, জলের গভীরে ঘাসের নুপুর… [বিস্তারিত]
আমাকে বলে, পদ্য লিখে দাও, কয়েক ছত্র, এলেবেলেই তো লেখো, এ আর এমন কী? দু’মিনিটের তো মামলা, এক্ষুনি লেখো, শরমে মরে যাই, আশকারা প্রবণ হলে যা হয় আরকি। আমি বলি,শাবাশ রোসো রোসো, এ দেখি ‘শীঘ্র পতন’ মামলা !! নিকুচি করি ম্লান ম্লেচ্ছ মোহনমুগ্ধতার, এত্ত সোজা? বললেই হল? শানিয়ে দাঁড়িয়ে আছি বুঝি? বলা মাত্রই সেরে ফেলবো… [বিস্তারিত]
বাসার সামনের লনে যখন বুক পরিমান তুষার, ছেলে দু'টিকে নিয়ে খেলছিলাম, ছবি তুলছিলাম।ছেলেদের সাথে খেলার সময়টাতে বরাবরই আমি ওদের মতোই ছোট হয়ে যাই। জাম্প করে তুষারের উপর শুয়ে পড়া, একে অন্যকে হাত ভর্তি সাদা তুলার মত তুষার ছুঁড়ে মারা__ যেন তিন বন্ধুর খেলা ! খেলা শেষে ওদের বাসায় পাঠিয়ে শাবল হাতে পার্কিং স্পেসের দিকে যাই।… [বিস্তারিত]
তোমাকে বলা হয়নি কখনো ছুটন্ত সাদা ঘোড়া আমার খুব প্রিয়। পাহাড় পর্বত ডিঙ্গিয়ে শ্বেতশুভ্র এক ঘোড়া ছুটে চলছে কেশর দুলছে প্রতিটি ছান্দিক পদক্ষেপে, তেজোদ্দীপ্ত মাংসল পেশি কাঁপিয়ে অগভীর নদী পার হচ্ছে, সমুদ্র সৈকতের পানি ঘেঁসে ছুটছে দুদিকে পানি ছিটিয়ে। প্রায়ই স্বপ্ন দেখি এমন। গন্তব্যের খোঁজে ছুটছিল এতদিন, এখন ছুটছে আনন্দে। জীবন চলে যায়, সচরাচর বহমান… [বিস্তারিত]
হুতাশন নেই, হা পিত্যেশ আছে হিলমিল হুলাহুলির হুল্লোড় আছে, গোপনের প্রকাশ নেই। ঝড় নেই মেঘ আছে, জলোমেঘ কেটে যাচ্ছে। ঝমঝম নেই, নেই পূর্বাভাস সকালে সজীব শীতরং আছে; রোদের উষ্ণতা আছে, তাপ নেই প্রবেশের নিষেধ আছে নিষেধের প্রবেশ নেই। ধুপধাপ দুমদাম পথ চলা আছে, ছলাকলা তো আছেই, শব্দ নেই, আচানক ফেটে পড়া নেই মন পুরাণের গহীন… [বিস্তারিত]
ভেজা বালিয়াড়িতে থমকে দাঁড়িয়েছি, হেঁটে যাচ্ছিনা কোন ক্রমাগত উপচে পড়া দিকভ্রান্ত শূন্যতার দিকে, সামনে ঝুলে আছে উন্মুখ বক্ষে সেলাইয়ের ফোঁড়ে-ফোঁড়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহের মত ‘প্রবেশ নিষেধ’ এর বেড়াজাল, নখের ডগায় কত আর বালি তোলা যায়? বড়জোর এক মুঠো বা তার চেয়ে সামান্য একটু বেশি! তার থেকে এই তো অনেক ভাল, চিকচিক সকালের রৌদ্র রঙে হেঁটে হেঁটে… [বিস্তারিত]
লেখাটি আমরা সবাই দেখি, শুনি কিন্তু অনুধাবন করিনা। আইলাম আর খাইলাম ভবে কিছুই করলাম না। মন থাকলে মানুষ কিন্তু আমাদের মন আছে কি? যখন যা দেখি, শুনি, বলি সব কি সততা, মানবিক, অমানবিক, ভালমন্দ বাছ-বিচার, যাচাই-বাছাই, হয় কি? উলঙ্গ হলে মানুষ যেমন লজ্জা পায় অন্যায় করলে যদি পেত তাহলে বিবেক জাগ্রত হত। উলঙ্গ হলে যে… [বিস্তারিত]
আসব আমি মেঘ হয়ে কোন এক রাতে, অপলক মৌনতার চরে কবিতারা স্বপ্ন মেলবে, নিঝুমের নিঝুম রাতে, এই ভেজা বালিয়াড়িতে; এইইই, নটি সমুদ্র, ছেনাল কান্না কেঁদোনা, ফিরে তো আসি তোমারই অলিন্দে, হাতে নিয়ে বিষের পেয়ালা আসব আবারো। নীরবে গড়ান তোমার দু’ফোটা লোনা জলে জলবৃষ্টি দিয়ে যাব, হারিয়ে যাব আবারো এমন করে, জনস্রোতের এই উৎসবে। নীল অঞ্জনের… [বিস্তারিত]







