প্রায় রাতেই ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখে মেয়েকে ক্লাশের বইয়ের সামনে বসে থাকতে দেখে বাবা ছুটি দিয়ে দেন, ঃযা, আজ অনেক রাত হয়ে গেছে, আগামীকাল দেখবো। ক্লাশে বাসন্তী বেশ মোটা রকম একটা বই নিয়ে এসেছে। শরৎ রচনাবলী'র মোটা বইগুলোর মতো। সেরকমই কোনো বই হবে হয়তো! জানতে চাইতেই, নিষেধ করলো ধরতে। কৌতুহল বেড়ে গেলো।প্রায়শই ভাগাভাগি করে গল্পের… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
— সবুজ মাঠ, যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ ঘাস আর ঘন নীল আকাশ। হেঁটে চলেছি সঙ্গী সাথী নিয়ে। হঠাৎ সব উধাও হলো। ধু ধু মরুভূমিতে একা হয়ে গেছি। ধবধবে সাদা এক ঘোড়া ছুটে আসছে আমার দিকে। খুব কাছে চলে এসেছে, হাওয়ায় উড়ছে রুপোলী কেশর। ভয় পাচ্ছি না। ধরার জন্যে হাত বাড়াতেই সাদা ঘোড়া হয়ে গেলো… [বিস্তারিত]
আজ আমাদের সমাজে এই সাইকোলজিক্যাল খেলাটা বেশি চলছে। আমাদের সামনেই হচ্ছে । যাদের দেখার চোখ আছে তারা দেখছি , যাদের চোখ নেই তারা এই খেলাকেই জীবনের আসল অর্থ মনে করে ছুটে চলেছে। আজকের সমাজের প্রতিটা মানুষই অন্যকে তার নিজের দিকে মটিভেট করতে চায়। নিজের ধ্যান ধারণাকে অন্যের মাথায় ঢূকিয়ে দিতে চায় । যেটাকে আমরা শুদ্ধ… [বিস্তারিত]
ক্ষুদিত এক মূক পক্ষী তোমাকে দেখার অপেক্ষায় ঠায় বসে রয় রাতের সকল প্রহর, দিনের প্রতিটা প্রহর, দিবা রাত্রির এই অষ্টপ্রহর ক্ষুদিত মূক মন সে সব আকুলতায় কবিতার শব্দ খোঁজে চোখের অতলস্পর্শে প্রগাঢ় অন্ধকারে তোমার মুখটি কখনো চেনা কখনো বড় অচেনা স্পষ্ট দেখি আবার দেখি না। এ মূক পক্ষী আমার মূঢ়াধমজন তাকে দেখার আকুলতা তাই হয়না… [বিস্তারিত]
বাতাসের মত্ত-প্রবলতায় নিমজ্জিত উদ্বেগ চার পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যায়, নিরায়ন হরণের টিকটিক শব্দে; অজস্র প্রহরী সমভিব্যাহারে সামনে এসে দাঁড়ায় রোদ-ঋতুর হু হু বাতাস গর্জনের সিদ্ধ-স্বভাবে সোঁদা-মাটি গন্ধে। মরুর মত খাঁখাঁ রোদ্দুরে, বেদুঈনের শুভ্র উদাসীনতায় নমনীয় বক্রতায় পাশ কাটাতে চায়, পারঙ্গম-ক্ষিপ্রতায়; মৌ-গন্ধি বাতাস নীরব চাহনি হেনে ঝাপটে ধরে সবাক-অবাক দ্বিধাগ্রস্ততায়, স্বপ্নের চিমটিতে জেগে ওঠে প্রণয়-হৃদয়, নিঃশ্বাসের লোনা-জল… [বিস্তারিত]
এই আধো রাত্রি কেটে যাক ভরে যাক বিষ-পেয়ালা অটুট হেমলক ছড়িয়ে পড়ুক ধীর স্থিরতায়, ধীরে ধীরে; আমি নতজানু হবো ঈশ্বর-পল্লীতে নীরব নিবিড় সান্নিধ্য-আনন্দ-খোঁজে, হে ঘুমহীন বিধাতা, চির ঘুমের বিধাতা, আমি জেগে আছি, জেগেই থাকি বিধাতার আকুল আহ্বানে, বিধাতার অহোরাত্রি নিবিড় আলিঙ্গনে, অনন্তের তৃষ্ণায়। [বিস্তারিত]
যান্ত্রিক অত্যাচারে ছিঁড়ে যাওয়া অনুভূতির তন্ত্রীগুলো অপেক্ষায় থাকে পৃথিবীতে নেমে আসা সন্ধ্যার ছায়ার। সন্ধ্যার ছায়া প্রসারিত হয়, সম্মুখ সুদৃশ্য বাগান সন্ধ্যার স্নিগ্ধ আলোয় সেজে ওঠে শিশিরে ভিজতে থাকে নানান আকারের ছায়াতরু সতেজতায় সেজে ওঠে গুল্মের সবুজ গালিচা। আমার রাতের সকল প্রহরে তোমাকে দেখার এক আকুলতা আছে। রাত্রির কিছু প্রহর কেটে যায় পলকহীন। এ বারান্দর প্রতিটা… [বিস্তারিত]
আমি আমার গ্রামে গিয়েছিলাম। গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। সে নদীর ধার দিয়ে শেষ বিকেলে হাঁটতে হাঁটতে পশ্চিমদিকে এগুলেই সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত দেখা যায়। একদিন আমি নদীর পাশ দিয়ে হাঁটতে বেরিয়েছি। হঠাৎ করে দেখলাম একটা ছেলে বড়শি দিয়ে নদীতে মাছ ধরছে। ছেলেটার বয়স ১২/১৩ বছর হবে। আমি তার পাশে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ তার মাছ ধরা… [বিস্তারিত]
বই পড়ার জন্য, প্রধান গ্রণ্থাগারিক অফিসার নারায়ন সাহা রায়ের টেবিল দেখিয়ে দিয়েছেন তাপস'দা। ="নিশ্চিন্তে এখানেই বসে বই পড়, অন্য কোথাও বসা লাগবেনা। এখানে হরেক মানুষ আসে। কেউ তোদের ডিস্ট্রাব করবেনা। ননারায়ন সাহা রায়ের পেছনে বেশ বড় একটা জানালা। বই পড়ার মাঝে মাঝেই চোখ চলে যায় জানালা পার হয়ে ওপারের খালে'র দিকে। নৌকা বাঁধা ঘাটে। মাছ… [বিস্তারিত]
* ডেট * ডেট * ডেট ইংরেজীতে বলা তিনটি শব্দ একই রকম শোনালেও অর্থ ভিন্ন। প্রথমটি তারিখ , ২য়টি খেজুর, ৩য়টি প্রিয়জনের সাথে কাটানো বিশেষ দিনক্ষণ কে বোঝানো হয় । আবার তিনটির সাথে সম্পর্কও বেশ নিবিড় । তারিখ যা চিরকালীন, খেজুর যার মিষ্টত্ব থাকে বহুদিন, আর প্রিয়জনের সাথে কাটানো দিনক্ষণ যা কখনো মুছে যাওয়ার নয়।… [বিস্তারিত]
সামনে খালাতো বোনের পরীক্ষা। সে উপলক্ষে আজ খালার বাসায় গিয়েছিলাম। বোনকে বললাম আয় তোর একটা ছবি তুলে রাখি স্মৃতি হিসেবে। দিনে দিনে আরো বড় হয়ে উঠবি তখন তোর ছোটবেলার ছবি কই পাব? একথা শুনে ক্লাস ওয়ানে পড়া পিচ্চি খালাতো ভাই বলে উঠলো - আপু , তোমরা ছবি তুলে ফেসবুকে দাও। এখন ফেসবুকে ছবি না দিলে… [বিস্তারিত]
গাছের পাতা ছিঁড়ে রান্না বাটি খেলা দিনগুলো পার করে, হঠাৎই একদিন মনে করিয়ে দ্যায়, পাড়া প্রতিবেশী বা আত্মীয় স্বজন ----মাইয়া বড় হইয়া গ্যাছে, এহন আর বাইরে, মাঠে, বাগানে খেলতে দিওনা "। বাসার সামনের মাঠ কিংবা একটু দুরে সহকারি পুলিশ সুপারের অফিস মাঠ, কোনোটাতে আর পাড়ার মেয়েরা দল বেঁধে গোল্লাছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, ছি-বুড়ি,কানামাছি খেলতে আসেনা। গার্লস… [বিস্তারিত]
আমাদের সময় ডিজে হাইস্কুলে দুপুরের টিফিন খাবার দেয়া হত। সে টিফিনের জন্য দিতে হত দুটাকা। টিফিনের মেনু ছিলু বর্ণিল যেমন- ঘি মাখা একমগ মুড়ি, কোনদিন ডিম, কোনদিন পাউরুটি কলা। টিফিনের দায়িত্বে ছিলেন শ্রদ্ধেয় প্রয়া্ত কোরবান আলী স্যার। কোন কোন দিন বলত এ হনুমান বালতিটা ধর, সেদিন হয়ত বাড়তি টিফিন জুড়তো কপালে। ৮৯ ব্যাচের ছাত্রদের পিকনিকের… [বিস্তারিত]
জীবন ঘোর চরকি ঘোরা ভেলকিবাজি। ভোরের শিশির কণা কচুর পাতার জল জীবন সেথা। শিউলি ফুল গন্ধে জীবন সেথা আনন্দে পারবি ভাব্বি। হ্রদয় ফোটে ফাল্গুনে যুগল স্রোত আকর্ষণে ভ্রমর হুলে প্রেম ফুটবে। মৃত্যু থাকে যদি হই না ফালে হয়ে যায় সুচেও। [বিস্তারিত]
সকাল-সূর্য লুকিয়েছে মেঘের আড়ালে, অনেকক্ষণ, দূর গ্রহের মত, অনুপস্থিত আলোজ্বলা-ক্রিস্টাল-দৃষ্টি, ফেলে রেখেছে ফেরারি বাতাস; চাঁদ-জ্যোৎস্না নিখুঁত ভাবে জ্বেলে দিয়েছে সবটুকু আলো, লজ্জা লুকিয়ে, উপচে পড়া উন্মুক্ত পূর্ণ পান-পাত্র দিয়েছে ঠেলে সম্মুখে, গড়িয়ে যাচ্ছে ফোটায় ফোটায় জালায়তনে। শরীরী রেখায় স্পষ্ট নয় বিন্দু মাত্র, নয় কণ্ঠের সজ্জা-রেখায়, দূরত্বের বনানী বিস্ময় ঘোরে স্তব্ধতার মানচিত্র আঁকে। নির্ঘুম স্বপ্ন-রাত দীর্ঘ… [বিস্তারিত]








