মানুষ হবার পথ খুলে দিই

সেদিন দাঁড়িয়ে আছি চৌরাস্তার মোড়ে। তের চৌদ্দ বছর বয়সের একটি ছেলে হেঁটে আসছে। লিকলিকে চেহারা, মলিন মুখ, চোখ ছলছল। ডেকে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে তোমার? এই সময় এমন মন খারাপ করে কোত্থেকে এলে? আর যাচ্ছোই বা কোথায়? কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার বুঝতে বাকি রইল না যে তার উপর চাপিয়ে দেওয়া বইয়ের বোঝা বহন করতে বেশ কষ্ট [বিস্তারিত মানুষ হবার পথ খুলে দিই]

মা-আমি, শূন্যে শূন্যে এক

সবাইকে রমজান মোবারক🌹🌹🌹🌹 ভাজা- পোড়া মোবারক ও বলা যায়। বেশি করে ভাজা- পোড়া খান, আর সাথে এসিডের ওষুধ রাখুন! আমি যদিও ভীষণ গেয়ো। সামান্য ডাল, ভর্তা আর ডিমভাজি, ভাত হলেই চলে। কারও কারও আবার চলে না, আর তাই মেইনটেন করতে গিয়ে গাদা গাদা ভাজা- ভূজি রাঁধতে রাঁধুনীদের জীবন পানি। এসব না খেলেও আবার অসামাজিক হতে [বিস্তারিত মা-আমি, শূন্যে শূন্যে এক]

বৃত্তের মাঝে আটকে থাকা সময়

কতো সুন্দর নীলাকাশ ডানা মেলে উড়ে যায় বলাকা, সূর্য কখন যেন হারিয়ে যায় মেঘ রোদ্দুর লুকোচুরি খেলায়। রাতের আঁধারে জেগে থাকে চাঁদ নক্ষত্র দেয় পাহারা এসব কিছুই পড়ে না চোখে পড়বেই বা কি করে! দৃষ্টি আজও আটকে আছে শিকল বাঁধা চরণে। বৃত্তের মাঝে বন্দী জীবন বাহিরের আলো চোখে পড়ে না, দাসত্বের গুহায় সমর্পিত সময় পরিধির [বিস্তারিত বৃত্তের মাঝে আটকে থাকা সময়]

দর্শনেও পাপী!

রুপ কারিগর ওগো মাওলা, সাজায়েছো রুপ দিয়া, আমি মানুষ দেখিয়া মানুষ পাপী-তাপি? চোখ দিলা দেইখা নয়ন জুড়াইতে সঙ্গে দিলা পাপী গুনাহাকার হইতে বিধি ও বিধি একেমন নিরানন্দ অঙ্গার সৌন্দর্য্য মনোরঞ্জন এ? চক্ষু জুইড়া দেখি যখন পাপী বইলা তাড়াও তখন মানুষ পাপী হোক, হোক গুনাহাকার এই কি তোমার চাওয়া খোদা। চাক্ষুস যদি পাপী রুপ দিয়া সৃষ্টি [বিস্তারিত দর্শনেও পাপী!]

কেউ চিনি না কাউকে

একটা  বিশাল বিলবোর্ডে আপনার চোখ আটকে গেলো। আপনি বুঝতে পারছেন না,,, ওখানে চোখ আটকে যাবার মত এমন কি আছে বিলবোর্ডটাতে! তবু আপনি চেয়েই আছেন বিলবোর্ডেের দিকে,,, আমি আপনার পাশ অতিক্রম করার কালে,,,,ট্যারা চোখে,বাঁকা ঠোটে মনে মনে একটা বিশেষণের সদ্যজাত নাম আপনার উদ্দেশ্যে উগড়ে দিয়ে, আপনার পাশ থেকে হেঁটে দূরে সরে গেলাম। কিছুদূর গিয়ে আমি ঠিকই [বিস্তারিত কেউ চিনি না কাউকে]

হায়! স্বাধীনতা

রক্ত শক্তি ভক্তি দেশ তারই হয় অস্থি। স্বাধীন দেশ রক্তের বলিদানে। দাদা-বাবা ভাই-বোন স্বাধীন দেশটা আসল মন। আজ যারা স্বাধীন শৃঙ্খল দেশের উন্নয়নে আমুল পরিবর্তন, তবুও ভরেনা মন বাটপারিতে চ্যাম্পিয়ন! আজ গেছো ভুলে নিজ অস্তিত্ব তাই দুর্নীতিতে অভ্যস্ত! গৃহস্থের মুখে দিতে চুনকালি নিজেই নিজের মান হারালি! ধর্ম-ধর্মে বুক চাপালি ধর্ম তারই অস্তিত্ব খালি। কর পুজা, [বিস্তারিত হায়! স্বাধীনতা]

কেন এ ছুটে চলা

যখন ছোট ছিলাম। মনে হতো কিছুদূর গেলেই আকাশ ছোঁয়া যাবে। সামনে গিয়ে হাত বাড়ালেই ধরা যাবে। যতোই এগিয়ে যেতাম আকাশ ততো দূরে চলে যেতো। বুঝতে পারতাম না আকাশের বিশালতা। না বুঝেই আকাশ ছুঁতে চাইতাম। মনে হতো এইতো আরো কিছুটা গেলেই ছোঁয়া যাবে। নাহ আকাশ ছোঁয়া হয় নি। আকাশ ছোঁয়া যায় না। আকাশ ছোঁয়া না গেলেও, [বিস্তারিত কেন এ ছুটে চলা]

স্বপ্ন

জন্ম , জন্ম হলেই হইনা কর্ম কর্ম করেই হতে হই সর্বচ্চ। রাজনীতিবিদ, মাঠে নামলেই হইনা রাজনীতিবিদ জনতার সেবক হইয়েই হতে হই দীক্ষিত। কর্মগুণ, কর্মেই পূজিত জনতা কর্মেই দিগম্বর নিন্দা। ইতিহাস, কথা কই ইতিহাসের পাতা ইতিহাসবিদের স্বাক্ষরতা। হইচই, যতই একেওপরকে গলাবাজী সত্য প্রকাশে নির্ভিক সত্যবাদী। বংগবন্ধু , রক্তই মুক্তি রক্তই শক্তি রক্তই দুর্বার যুদ্ধ মুক্তি আন্দোলনে [বিস্তারিত স্বপ্ন]

লেখক বলছি

হঠাৎ ধুলো ঝড় শুরু হলো। তারপর ভীষণ বাজ পড়া আওয়াজ!! কিছু মুহুর্ত বাদেই তুমুল বৃষ্টি। চোখে ধুলো ঢুকে পরেছে। চোখ রগড়াতে রগড়াতে গা বাঁচাতে কাছেই বড় এক ছাউনি তলে গিয়ে আশ্রয় নিলাম। মেঝেতে লাল গালিচা পাতা। একটা উঁচু মঞ্চও আছে। মঞ্চের  বাঁ দিকের ব্যানারটা চোখে পড়েনি। খোলা  কোঁকড়া চুল, দুই ভ্রুর মাঝখানে ছোট্ট একটা কালো [বিস্তারিত লেখক বলছি]

কথোপকথন (পূর্ণাঙ্গ)

— জেগে আছো? —–হম। —ঘুমাও নি কেন? —-ঘুম আসছে না। —কেন? —-আমার চোখ থেকে কে যেন ঘুমটা কেড়ে নিয়েছে! –ওহ। কে সে? —— যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম, যাকে নিয়ে প্রেমের এক উপাখ্যান রচনা করতাম। —– এত ভালোবাসো তাকে? —– হয়তো বাসি। —– তাকে তো পাবে না এ জীবনে। —– ভালোবাসাটা যেদিন মনের মধ্যে গেঁথে গেলো, [বিস্তারিত কথোপকথন (পূর্ণাঙ্গ)]

সব কথা যায় না বলা

জীবনে কিছু কথা থাকে কখনো হয় না বলতে কথার শোধ হয় না কথাতে, না বলা কথা গুলো অতি সযতনে রেখে দিতে হয়, হৃদয়ের অন্তকঠুরিতে। সব কথা বলিতে গেলে হয় মন কষাকষি যারা তোমায় দিয়েছিল কথার তীর্যক বান তাঁরা আজ সাধু সেজে হবে মহীয়ান। যাহা গেছে অতলে হারিয়ে রেখে দাও তারে অতীত গুহার আঁধারে তুমি নিরবে [বিস্তারিত সব কথা যায় না বলা]

কথোপকথোন ২

কথোপকথন-২   —প্রায় তো ভোর হয়ে এলো। এবার একটু ঘুমাও। —- নাহ। ঘুৃম আসছে না। আমার এই একাকি জীবনে ঘুমটাই ছিলো। সেও আস্তে আস্তে আমার সাথে বিট্রে করা শুরু করেছে। —– শরীর তো খারাপ করবে। —— করবে না। সয়ে গেছে। —— সারা জীবন কি এভাবেই থাকবে। —– জীবন তো চলেই গেলো দেখতে দেখতে। আর ত [বিস্তারিত কথোপকথোন ২]

কথোপকথোন ১

—–জেগে আছো? —–হম। —ঘুমাও নি কেন? —-ঘুম আসছে না। —কেন? —-আমার চোখ থেকে কে যেন ঘুমটা কেড়ে নিয়েছে? —- ওহ। কে সে? —— যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম, যাকে নিয়ে প্রেমের এক উপাখ্যান রচনা করতাম। —– এত ভালোবাসো তাকে? —– হয়তো বাসি। —– তাকে তো পাবে না এ জীবনে। —– ভালোবাসাটা যেদিন মনের মধ্যে গেঁথে গেলো, [বিস্তারিত কথোপকথোন ১]

পাহাড়ি অন্তর

  আঙুলের ফাঁক গলে ছিনিমিনি জীবনের তাড়িয়ে দেয়া সময়ের সার সংক্ষেপগুলো পায়ের ছায়া-ছাপ খোঁজে, শুকনো পাতা মাড়ানোর শব্দ এড়িয়ে, ধরা-ছোঁয়ার কাছ-দূরত্বে দাঁড়িয়ে উঁকিঝুঁকি দেয়; নিয়মে গড়া নিয়ম মেনে/ভেঙ্গে নিজেকে নিজের নৃতত্ত্বের কথা বলতে চায়, টুঁটি-চাপা খুশি খুশি ভাব বিহ্বলে, এমন আলোকিত/আলোচিত বক্তৃতা মঞ্চ মন্দ নয় মোটেই; এলাম (ঝেরে-কেশে) ব্যাকুল-ব্যস্ত অন্তরের পাহাড়ি মেয়ের মত কথার ঝাঁপি [বিস্তারিত পাহাড়ি অন্তর]

তোমার শহরে

যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিলে- একা তুই,একাই ভুগবি ভীষন! বহুদিন সে ভয়ে কুকরে ছিলাম, তোমার শহরে ঢুকবো না এও ছিলো প্রতিজ্ঞায়। আজ বহুবছর পর তোমার শহরে আমি, কত্তো মানুষ, আমি কেবল তুমি ছাড়া কাঁপা কাঁপা বুকে সেই কলাভবনে, টিএসসিতে, বইমেলায়।   স্মৃতিরা বড়ই মধুর, তুমিও শুধুই আমার, আজ একা হাঁটতে গিয়েই বুঝলাম। যেন ছুঁয়ে দিলাম নতুন [বিস্তারিত তোমার শহরে]