ক্যাটাগরি বিবিধ

প্রিয় সোনারা, একটি নির্মল, আনন্দময়, কলকাকলি মুখরিত ব্লগের প্রত্যয় নিয়ে সোনেলা ব্লগের যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রায় পাঁচ বছরের ব্লগ জগতে পরিভ্রমণ আমাদের কাছে আনন্দ বেদনার কাব্য হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আছে। যদিও প্রতিবন্ধকতাময় পরিভ্রমন, তবুও আমাদের সাথে ভ্রমণ সঙ্গী হয়েছেন আপনাদের মত আন্তরিক কিছু মানুষ যারা এক একজন খাঁটি সোনা হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আছেন সোনেলার কাছে। [ বিস্তারিত ]
৫ম পর্ব (সত্য ঘটনা অবলম্বনে): আরে, রশি যতো টানি ততো চলে আসতেছে কেন? তাহলে কি জাহাজ থেকে ওরা রশি ছেড়ে দিয়েছে? হঠাৎ আমার বুকের ভেতরটা ছোৎ কেরে উঠলো! আমি চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলাম। মনে হলো এই প্রথম বারের মত আমি কিছুটা হলেও ভয় পেলাম। এখন কি হবে? আমি এমন অবস্থানে আছি জাহাজের কাউকে দেখতেও পাচ্ছি [ বিস্তারিত ]

আমার ঘাসবুক সমগ্র।

রিতু জাহান ৬ এপ্রিল ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ০৮:২৭:১৪অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৪ মন্তব্য
আমার ঘাসবুক। না, আজ আর কোনো অধিকারে মন কাঁদে না। এ এক একার অধিকার চাইতে চাইতে, আজ সে সত্যিই জড়ো। এ জড়ো তাই নড়ে না চড়ে না, কোনো অধিকারের অনুভূতি তাকে আর নাড়া দিয়ে ওঠে না। আজ এ অধিকার না চাওয়াতে, না দেওয়াতে ভেবো না অন্য কোথাও এ জড়ের প্রাণ সেজেছে। কতোটা আঘাতে একটা প্রাণ [ বিস্তারিত ]

চিঠি পর্ব – ১

আর্বনীল ৬ এপ্রিল ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ০১:০৪:১৭অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৪ মন্তব্য
অনেক দিন পর সোনেলায়... পুরোনো কিছু স্মৃতি শেয়ার করছি আজ... নন্দিনীকে লেখা শুভঙ্করের প্রথম চিঠি - নন্দিনী, চিঠির শুরুতেই নিও একগুচ্ছ বেলী ফুলের শুভ্র শুভেচ্ছা। জানোই তো এই ফুলটা আমার খুব পছন্দের। আর সেটা যদি হয় তোমার খোঁপায় পচানো বাসী ফুল! তাহলে সেদিন আর কিচ্ছু চাইনা আমার। তোমার শ্যাম্পু করা চুলের গন্ধ আর বেলীর ফুলের [ বিস্তারিত ]

স্পনটেনিয়াস

নীলাঞ্জনা নীলা ৬ এপ্রিল ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ১০:০৮:০৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ৩৬ মন্তব্য
[caption id="attachment_52927" align="aligncenter" width="333"] ?????????????......[/caption] তুই, যাকে আমি কোনো এককালে ভালোবেসেছিলাম। উদ্দেশ্যহীনভাবে ভালোবেসেই যাচ্ছিলাম। বিষণ্ণ ছায়া ভেবে কখনোবা ক্যামেলিয়া ফুল। কখনো দেখেছিস ক্যামেলিয়া ফুল দেখতে কেমন? প্রেমহীন আলোর ভেতরে আমি খুঁজে যাচ্ছিলাম নীল আগুণ। যেখানে রোজ নিজেকে জ্বালাতে আর পোড়াতে রেখে দিতাম শুকনো কাঠের মতো। জানিস কয়লা যখন আগুণে পোড়ে সে কাঁদে? শুধু তার নাম [ বিস্তারিত ]
কবিতা দ্রোহের স্বর (ম্যাগাজিন) আমি তো ধ্রুপদী আকাশ দেখে গুটিয়ে রাখা পা বাড়ানোর পথে। শামুক শামুক চিৎকার শুনে কচ্ছপ গতির মানবিক আমি বুনে, আবারো গুটিয়ে ফেলেছি। শামুক শামুক! আমি তো হিমেল হাওয়া দেখে পোড়ানো একটুকরো মাংস নিয়ে। ছাই ছাই চিৎকার শুনে আদ্র ন্যাংটো ঝরা-পাতার মত, তলিয়ে গিয়েছি আমি। ছাই ছাই! মোমের আলো জ্বালাতে গিয়ে চৈত্রের [ বিস্তারিত ]
ডায়রী হাতে অতীত নষ্টালিজায় কিছুক্ষণ ফিরে গেলেন বিউটি।ভাগ্যের কি নির্মম খেলা কতকাল পর আবারো স্মৃতির সমুদ্রে ঢিল পড়ল মনে বিরহের ঢেউ জাগল।ডায়রীর কয়েকটি পৃষ্টা উল্টাতেই বাথ রুম থেকে বেরিয়ে এলেন মবিন চৌধুরী।তড়িগড়ি করে হাতের ডায়রীটি খাটের উপর ফেলে নিজের কাপড় গুছানোর কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়লেন।তোঁয়ালে দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে ডয়রীটি হাতে নিয়ে মবিন বিউটিকে লক্ষ্য [ বিস্তারিত ]

বিশ্বাসে বেশ্যালয়

হৃদয়ের স্পন্দন ৫ এপ্রিল ২০১৭, বুধবার, ০১:৪৬:১২অপরাহ্ন বিবিধ মন্তব্য নাই
পর্বঃ ৫ সীতা রায়ের শরীর টা ভালোনা, অদ্ভুত এক কাজ করতে হয় তাকে। এই কাজটা অবশ্য তার পছন্দ হয়েছে। কাজ তেমন কিছুনা। শুধু দিনে ৪ বার থানা ঝাড়ু দেয়া। ময়লা খুব একটা হয়না, তবু তাকে ৪ বার ই ঝাড়ু দিতে হয়। নুয়ে কাজ করতে কষ্ট হয়, সারাজীবন শুয়ে কাজ করা মানুষটার ঝাড়ু দেয়ার কথা মনে [ বিস্তারিত ]

বিষন্ন পথে

রিতু জাহান ৫ এপ্রিল ২০১৭, বুধবার, ০৮:১৬:৩৫পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২০ মন্তব্য
কি এক বিষন্ন ছায়া এসে ভর করায়, সাঁজের আলোয়, সোনালী এক দিপ্ত মাখব বলে, বেরিয়ে পড়লাম দিগন্ত ছুতে, মেঠোপথ চিরে রেল লাইনের ঐ পথ ধরে তপ্ত রোদের সে বিষন্ন ছায়া ছেড়ে। সাঁজের বেলা গেলো মোর, সন্ধ্যা এলো। জোনাকীর বেশে এলে আলোর মিছিল নিয়ে ঝিঁঝিঁপোকা ডেকে সাড়া দিল, পাহারায় আছি। মধুর সে সন্ধ্যাও এখন ফুরিয়ে এলো [ বিস্তারিত ]

লাল জীপের ডায়েরী//

তেলাপোকা রোমেন ৪ এপ্রিল ২০১৭, মঙ্গলবার, ১১:৪৯:২১অপরাহ্ন বিবিধ ৬ মন্তব্য
হঠাৎ একদিন খেয়াল করি আমি (অন্য কেউ কিনা জানিনা) বর্তমান আমি দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছি। অতীত যা ছিল সব আমার গতজন্ম। বর্তমান আমি আমার পুনর্জন্ম। গতজন্মের আমিকে কল্পনা করলে দেখা যাচ্ছে লাজুক, বিনম্র, মনোযোগী আমাকে। একগাদা বই ভরতি স্কুলব্যাগ। শাদা ইউনিফর্মের বুকপকেট ভিজে যাচ্ছে বলপয়েন্টের কালিতে, অথচ মন পড়ে আছে তোমার আয়নায়। তখন ইচ্ছে [ বিস্তারিত ]
৪র্থ পর্ব (সত্য ঘটনা অবলম্বনে); সেখানে (কুতুবদিয়ায়) এক জায়গায় দাঁড়িয়ে কয়েকটা গ্রামের একূল-ওকূল সব দেখা যাচ্ছিলো। কারণ কোন গাছপালা বা বাড়ি ঘরের সজীব উপস্থিতি সেখানে ছিলো না। বড় বড় গাছ যেগুলো ছিল তাও যেন এসিড দিয়ে গোসল করেছে। দ্বীপ কুতুবদিয়া যেন পুড়া ভিটার মত তামাটে হয়ে গেছে। গাছের অনেক উঁচুতে হয়ত দেখা যাচ্ছে কারো ছিড়া [ বিস্তারিত ]
মাঝে মাঝেই মনে প্রশ্ন জাগে, আমি কি বাঙ্গালী? কেন নয়? আমি বাংলায় কথা বলি, তাই আমি বাঙ্গালী। আমি মাছ, মাংস, আলু, পটল, শাক-সব্জি, বিরিয়ানী, পোলাও সব সারাবছর ধরে খাই। অবশ্যই আমি বাঙ্গালী। ছোটবেলায় চৈত্রের শেষে গ্রামে বেড়াতে গেলে চাচাদের সাথে বাজারে হালখাতার দাওয়াতে যেতাম। রাতে আম্মা আর চাচীরা মিলে কত ধরণের পিঠা বানাতেন। এবাড়ি ওবাড়ি [ বিস্তারিত ]

লাল জীপের ডায়েরী/

তেলাপোকা রোমেন ৪ এপ্রিল ২০১৭, মঙ্গলবার, ০১:২৭:২১পূর্বাহ্ন বিবিধ ৬ মন্তব্য
এখানে, এই দুর মফস্বলে এই রাস্তার পাশে একের পর এক ধুম্রশলাকায় ডুবে যাচ্ছি। পেয়ালায় এগিয়ে দিচ্ছি নতজানু চুম্বন। এখানে আমি থাকবোনা। হয়ত একটা দোচালা ঘরে ভালোবাসা ভালোবাসা খেলা করবে, উঠোনজুড়ে ছড়ায়ে থাকবে তারা থেকে খসে পড়া চুন। হয়তবা মেট্রোর জ্যামে কেউ জীবনানন্দ পড়বে। অথবা ভয়ানক কোন জেনোসাইডের পর কোন এক নেক্রোপলিস ইতিহাসে জায়গা করে নেবে। [ বিস্তারিত ]

এসো হে বৈশাখ

ইঞ্জা ৩ এপ্রিল ২০১৭, সোমবার, ১০:০৩:৫৬অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ২০ মন্তব্য
অলস দুপুর, সূর্যের প্রকট তাপে ঘেমে নেয়ে একাকার শরীর বাতাসটাও বিদঘুটে, আরামের ছোঁয়াও দেয়না পাশের ছাদে দুই শালিক খুটে খুটে খায় আপন মনে যেন গরমে তাদের কিছু আসে যায়না হতাস মনে পায়রার দল ঘুটুর ঘুটুর করে ফন্দী  আঁটে এক সাথে উড়ে গিয়ে শালিকদের আসে পাশেই যেয়ে বসে শ্রান্ত মনে আমি জানালার গ্রিল ধরে তাকিয়ে থাকি [ বিস্তারিত ]
গল্প পড়লে টান টান উত্তেজনা ফ্রি…. ৩য় পর্ব (সত্য ঘটনা অবলম্বনে) # আমার শরীর তখন উত্তেজনায় কাঁপছে। তারপর উনাকে বললাম- দয়া করে আমার কাপড় ও ঘড়ি আপনি রাখবেন। এই বলে কেবিন থেকে বের হয়ে গেলাম। তখন আমার পুরো শরীর উদোম, পরনে একটা লুঙ্গি। খালি গায়ে দেখে কয়েকজন যাত্রী এসে আমাকে ঘিরে ধরলো। একজন বলল- উনি [ বিস্তারিত ]

আর্কাইভ