১| চিমটি কেটে দেখো! এখনো মরিনি…. নিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছে বুকের করোটিতে আমার সকল সাফল্যের রোজনামচা। উনুনের হাড়িতে টগবগে ভাত আর ডালের উপচে পরা শৃঙ্খলতা আটকে দেই যখন তখন! আগুন আঁচে সেঁকে নেই দুচোখের ভেজা নুনের জল। নির্লিপ্ত ঠোঁটে আলগা রং ঠেসে দিয়ে সঙ সেজে দাঁড়াই ঘরের বাস্তকোনের আয়নার সামনে; ঐ তো ও ঠোঁটে হাসি লেগে [বিস্তারিত পঞ্চ প্রপঞ্চ]
ক্যাটাগরি বিবিধ
সুনীল আকাশ এখন আর আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকে না। শুভ্র মেঘের চাহনি এখন আর আমায় পেঁজো তুলোর ভেলায় ভাসায় না। টিনের চালে বৃষ্টির রিনিঝিনি নূপুরের ছন্দ এখন আর আমায় আবেগ তাড়িত করে না। শুষ্ক মাটির বুকে প্রথম স্পর্শ করা জলের সোঁদা গন্ধ এখন আর আমায় বিমোহিত করে না। হঠাৎ সামনে পাওয়া লাল ফড়িংয়ের দর্শন এখন [বিস্তারিত আঙুলের ডগায় এখন আর নেই শব্দের নাচন]
নিঃসঙ্গ দাঁড়কাক দখিনা জানালার গড়াদে প্রায়শই আসে, ডাকে শুকনো মরমরে কর্কস বেসূরো তাল,লয়, সুরে। বড্ড মায়া হয়, কি চায় সে? আমার কেঁপে ওঠা চোখের পাতায় তার প্রশয় আভাস বলে হয়তো আমার মতো দুঃখী সেও। অত:পর তাকে বসতে দিই, খেতে দিই, মনের জানালাও দিই খুলে। বেশ এবেলা ওবেলা তার আনাগোনায়, আমার শুস্ক উঠোনময় যেন আনন্দ [বিস্তারিত বোহেমিয়ান]
কত ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড গেলো চলে! আমার আর হুঁশ ফেরে কিসে! অন্ধকার আর অন্ধকার হবে কবে! নাকি সেও সেই মিথ্যে প্রহসনে দাঁত কেলানি হাসি দিয়ে যাচ্ছে বলে- এই দ্যাখ…আলো জ্বলা তীব্র আঁধারেই আমার জীবন বাঁচছে কেমন হেসে খেলে!” সয়না যেন এমন তরো কিপ্টপমিতে রাত্রি দিন সমানতালে পার হতে দিতে! একফোঁটা ঘুমের তরে হাড় হাড্ডির কচর [বিস্তারিত হাবিজাবি]
চেয়েছিলাম আমার জীবনের প্রথম প্রেমিক পুরুষ তুমিই হবে প্রেমিক পুরুষ! অথচ তুমি হলে এক তৃষ্ণার্ত যাযাবর, দিকভ্রষ্ট, স্বার্থপর প্রেমিক, যে কিনা হাজার নদীতে নোঙ্গর ফেলে মিথ্যে আর নিছক আলোর সন্ধানে হাতড়িয়ে মরে, সাতার কাঁটে অস্বচ্ছ পানিতে পদ্মে ভাসা কাকভেঁজা জল ফড়িং এর ন্যায়! এভাবেই কেটে যায় তোমার সময় তবুও মেলে না আলোকিত অলিন্দ। এভাবেই অবিরাম [বিস্তারিত অজানা গন্তব্য ( সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]
অস্বস্তিগুলো কেমন চারপাশ ঘিরে থাকে, পাছে তোমার সাথে দেখা হয়ে যায়। জানি, তোমার কিছুই হবে না, শুধু আমার টিনের কৌটো খুঁলে বসবে তার পুরোনো বাক্স পেটরাদের। যেখানে রাখা ভালোবাসা নামক অজস্র অবহেলা। চাই আর কখনোই দেখা না হোক তোমার সাথে! কারণ এই বেশ আছি তোমাকে ছাড়া, আমাকে একা করতে চেয়েছিলে সেই আমি একা নই মোটেও। [বিস্তারিত এই বেশ আছি]
ইচ্ছে করে, স্বপ্ন গুলো উড়িয়ে দেই পাখির ডানায় টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পরুক সবুজের প্রান্তরে কিছু লেপ্টে থাকবে আকাশের নীলে কিছু গিয়ে আছড়ে পড়বে দুরন্ত নদীর বুকে কিছু স্বপ্ন তপ্ত হয়ে ফুটতে থাকবে আগ্নেয়গিরির লাভায় প্রবল আক্রোশে কিছু স্বপ্ন নেমে যাবে পাহাড়ি ঢলে। গুটিকয়েক স্বপ্ন টুপটাপ খসে পড়বে পাখির পালকের মতো, বাতাসে ভেসে যাওয়া কদমের [বিস্তারিত স্বপ্ন প্রসবণ]
আমার এই অন্তর্গূঢ়ে বিপুল আবেগ প্রকাশের সামর্থ্য আছে, নাকি নেই! সঙ্কীর্ণ পরিসরেই তার প্রকাশ পেয়ে থেমে গেছে, নাকি থেমে যেতে হয়! আত্মসঙ্কোচ নাকি আত্মবিলুপ্তি ঘটেছে সে কথা এখনও স্পষ্ট হয়নি,, নির্ধারিত এক চিলতে আকাশের বাইরে দৃষ্টিকে প্রসারিত করে বিপুলতর সন্ধানে প্রবেশ করতেই নেই যেনো, নাকি আছে! দোদুল্যমান জীবনে আশা আকাঙ্খারা রুদ্ধ, বন্দী, কয়েদি। অন্ধকারে হাতড়ে [বিস্তারিত দোদুল্যমান আবেগ(সোনেলা ম্যাগাজিন -২০২২)]
আমাদের ফেলে আসা যত তিক্ততা, রাগ-অভিমান, আক্রোশ ছিল সবটা তুমি চাপা দিয়ে কেমন পালিয়ে বাঁচতে চেয়েছো। অথচ, তুমিই বলেছিলে একদিন সব হবে আমাদের। বলেছিলে দেখো, আমাদের সম্পর্কের একটা নাম হবে। আমি কিচ্ছুটি ভুলে যাইনি। তোমার দেওয়া প্রতিশ্রুতি, আমাদের একটা ছোট্ট ঘর, ছোট্ট একটা সংসার, আকাশসম পরিমাণ স্বপ্ন কিচ্ছু না! আমাদের রং-চটা দোতলা বাড়িতে [বিস্তারিত অনুতাপ মুছে যায় (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]
সময়ের সাথে হেঁটেছি/হাঁটছি যোজন যোজন, যোজনে যোজনে, নকশা করা পঙ্ক্তি মালার শব্দ ভজনে; এতো প্রেত/ডাইনি সাধনা, দৃশ্যমান অদৃশ্যতায়! ক্ষণে ক্ষণে রেশমি চুম্বন, ক্ষণে ক্ষণে হাড় চুরমার, ঘাড় মটকে রক্ত চোষা; জড়বুদ্ধির কড় কড়ে তরুণ শব্দ প্রেমিক, ধ্রুপদী শব্দ-দুহিতার ভাব গাম্ভীর্য অবচেতনের গভীরে, চক্কর খাওয়া চাঁদ জ্যোৎস্নায় নিষিদ্ধ ফলের আহ্বানে! অনুপস্থিত এখন, নিজেকে নিয়ে ছদ্মবেশী [বিস্তারিত ঈর্ষা-হীন জোড়া চোখ]
গত মাসের প্রথম সপ্তাহে সোনেলা থেকে ঘোষণা আসলো। মাসের সেরা ব্লগার নির্বাচিত করা হবে। নিঃসন্দেহে এটি একটি চমৎকার উদ্যোগ। ব্লগে বেশ ভালই ঝিমুনি চলছিল। যাক কড়া চায়ে ঝিমুনি কাটলো। আপাতত ঘুম ঘুম ভাব বিদায় নিয়েছে। সোনেলার পাতায় সতেজতার ঘ্রাণ পাওয়া যাচ্ছে। মন বলে উঠলো দেখ পারিস কিনা। মনের কথা অগ্রাহ্য করার সাধ্য কার। ভাবলাম প্রথম [বিস্তারিত কড়া চায়ে ঝিমুনি কাটলো]
খুউব করে ভেবে রেখেছিলাম আর তোমাকে ভালোবাসবো না। অথচ দেখ আজও মন খারাপের সন্ধ্যাটা কোথা থেকে হুড়মুড় করে আমার বারান্দায় দাঁড়িয়ে। ভেবে রেখেছিলাম একটু সময় পেলে খুউব ভালোবাসবো নিজেকে, যে মনকে তুমি ফেলে চলে গেছ অবেলায়, অবহেলায়। তাকে সময় দেবো; বুঝতেই দেবো না সে তোমাকে ছাড়া ভীষণ একা। মধ্যরাতের কুহককে আর মোটেও পাত্তা [বিস্তারিত ভীষণ প্রয়োজন]
নিজস্ব সত্ত্বার খোলস ভেঙে উছলিত আবেগের কাছেও হেরে যায় মার্জিত বুদ্ধি সকল। উপলব্ধি হয়, নিজ আত্মার মাঝে যে প্রাণস্পন্দন স্পস্টত তা আত্মসচেতন নয়,, মন ও মস্তিষ্ক এ দুয়ের মাঝে সাম্য কোথাও নেই যেনো, জীবন পরিণামের সহজ সরল পথে মন ছন্দহারায় কেনো যে! ভাটির জল উজান বওয়ার তপস্যায় মরে,, কোথায় যেনো বেসুর বাজে,, আধি-ব্যাধির বেদনাবিধুর তালে। [বিস্তারিত মন]
পরিপূর্ণ স্বপ্ন গুলো জলের ভেলায় ভাসে আলো চোখে আঁধার তুমি থাকো কত্ত দূরে, রং উল্লাসের তীব্র চাওয়া দুচোখ মেতে আছে! জীবন দশায় নিঃসঙ্গ এক পাখি ঘুমহীন দুটি চোখে শব্দ নিঃসঙ্গতায় হাসে; গভীর কালো আকাশের গায়ে-জল বিছানা পেতে, হারানো সেই শব্দ গুলো শিশির জলে ভাসে, অ-ঘুমন্ত হৃদয় -মন- গোপন আস্তানা খুঁজে ; স্বপ্ন স্হায়ী- নিরন্তন বিষন্নতার [বিস্তারিত জীবন দশা]
একটুখানি ধ্বনিত প্রতিধ্বনি শুনতে পাই, পদশব্দ, করতালি, পাখিদের ডানা-ঝাপটানো, শিশিরের টুপটাপ কুয়াশা সত্যের কাছে আজ সব-ই বিস্মৃতির মত, আলপথের বাঁকে বাঁকে। শুরু দিনের ক্রম আলোফোটার মত ভাবনাগুলো বেড়ে ওঠে শিরায় শিরায় স্নায়ু স্নায়ুতে, কিছু-না-কিছু লিখতে চায়, বলতে-ও চায়। এখানে-ও কুয়াশার আড়াল, অ-অনুমোদন যোগ্যতায়; ঐক্যমত্য হয়-না হয়-নি উৎকর্ষতার শর্তে, হৃদয়ের আলোকিত উচ্চারণে, ব্যর্থ বিশুদ্ধতার আড়ালে। [বিস্তারিত কবিতার ফুলদানি]