চোখ জুড়ে মেয়েদের স্বর্গ নরক নাকি ছেলেদের মন! হাসির ঝলক যত সব শিশুর কান্নার রাশি রাশি মেঘ বৃদ্ধদের ইচ্ছে করলেই স্বর্গ দেখা যায় বুঝি বায়নার ওযুর হাত শুধুই স্বর্গ অথচ পাপ বুঝে না; কত পাপ হেঁটে যায়- রাস্তায় দিবারাত্রি- অতঃপর দুইচোখে ঈশ্বর নাই মন খোলা উঠনে শুধুই স্বর্গ! ২৮ ভাদ্র ১৪২৯, ১২ সেপ্টেম্বর ’২২
ক্যাটাগরি সাহিত্য
গভীর নিশীথে ঝরে ধড়ফড়ে দু’চোখের জল ডাকলেই ছেঁড়া প্রীতি, হারানো দিনের কথা জানি তোর কাছে শুধুই বেসুরো আজ তাল হারা শকুনের গীতি। কেনেই হবে না বল চিত্তের চাওয়া যে তোর অসীম বৈভব, অথচ ছিলাম পাশে কতো বোকা আমি বাঁধনের বুকে সেচে হা-ভাতের ভীরু কলরব। আঘাত করলি তাই, দ্বিধাহীনে না ভেবেই থাকতেও পারে জেগে ঘর্মাক্ত ও’ [বিস্তারিত হায়াসিন্থ]
সতেজ সরষে ফুল ঢেকে বাঁকা আল, সহ্য করবে শত ফড়িং এর চাল। দোয়েল বাজায়ে শিস গাইবে অহর্নিশ এনেই সে’ হেলে পড়া সোনালী বিকাল। দেখোই না বলে তুমি ‘হাঁটবে কি কাল!’ হলেও শীতের প্রাতে ছাগ তালকানা, কুহেলী ছড়াবে ঘাসে মুক্তোর দানা। গোধূলির লাল রবি আঁকবে বকের ছবি বাঁকা চোখে দূরে ঠেলে হাঁসের কচাল! দেখোই না বলে [বিস্তারিত দেখোই না বলে তুমি!]
ভেবেছ কি?তোমাকে আমি মনে রেখেছি ?এই শহরে কাউকে মনে রাখার কোন কারণ নেই ,কেউ আসবে কেউ যাবে এটাই শহরের নিয়তি ,ভেবেছ কি?এত সহজেই ভালোবাসা পেয়ে যাবে ?ভালোবাসা কি যদি জানতে তবে এভাবে উঁচু পাহাড় হতে পারতে না !কত পথ পাড়ি দিলাম ,কত সমুদ্রের উপর দিয়ে পাহাড় বয়ে গেলাম,যদি তুমি জানতে ‘তবে এভাবে উঁচু পাহাড় হতে [বিস্তারিত যদি আমি আকাশ হতে পারি]
অনুকবিতা- ১ ডেকোনা আর, ডাকলেই কি আর আসবো ফিরে, পথ হারিয়ে দিক গেছি ভুলে। নীড় হারা পাখি মায়ার বাঁধন কেটে উড়ে গেছে কোন সুদূরে, সে কি চাইলেই ফিরতে পারে! ক্লান্ত ডানা এখন ঝরে পড়ে । অনুকবিতা-২ যে টুকু আশায় সূতো রেখেছিলাম বেঁধে আজ দিলাম কেটে , যা উড়ে যা দুর গগনে। ক্লান্ত বিকেলের হেলে [বিস্তারিত বেদনার কাব্য]
পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে দেখেছি মায়ের মুখ কান্না পেলেই আদরে বাবা ভরিয়ে দিতো বুক। আমার হাসি আমার খুশি বাবার চোখের মণি আমাকে বাবা আদর করে ডাকতো মামনি। আমার আবদার, আমার আহ্লাদ মায়ের বকুনি বাবা মাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দিতেন তখনি। স্কুলে যখন ভর্তি হলাম বাবার কোলে বসে স্কুলে যেতাম। জীবনে যত আবদার করেছি সবই বাবা পূর্ণ [বিস্তারিত বাবা]
লম্বা একটা ঘুম একটা ঘুম দিয়েছিলাম,লম্বা একটা ঘুম। জেগেই দেখি মনের মত সাজানো সেই পৃথিবীটাকে, সুন্দর ছিমছাম মায়ায় ভরা শান্তির নীড় গুলো। যেখানে অসুরের কি কাজ কেউ বলতে পারে না, শয়তান বলে কিছু আছে কেউ বিশ্বাসই করে না। জীববৈচিত্রের ঐ অনাবিল আনন্দ ধারায়, আমি ও আমরা বিমুগ্ধ দর্শক। এটাই কি ষড়রিপুর মৃত্যু শেষে, [বিস্তারিত লম্বা একটা ঘুম]
পেটে বিদ্যা নাই, কবিতায় চালাই কলম ঘা দেখলেই, কালির আঁচরে লাগিয়ে যাই মলম বড্ড সচেতন আমি, নিজ গুণে জ্ঞানীও বটে কবি বলে কথা, দু’চারটা ছালাম ও জুটে কারো লেখা পড়ি না, সাহিত্যে নাই পদরাজ লোকে বুঝে আর না বুঝে, লেখায় আছে ঝাঁঝ আমি কবি বটে, জাতে একটু ভাব উদাসী সর্ব প্রাণে জাগাই প্রেম, কালির [বিস্তারিত স্বভাব কবি]
আমার সাথে তোমার আর দেখা হবেনা, তোমার সাথে আমার হবে কালেভদ্রে কবিতার খসড়ায়, চৌরাস্তার মোড়ে ট্রাপিক সিগন্যালে,চোখে চোখ পড়তেই চোখ ফিরিয়ে নেবে। ট্রাফিক ও তড়িঘড়ি করে সিগন্যাল ছেড়ে দিবে। কেননা সে-ও একদিন এ পথের পথিক ছিল বলে! সেও খুব ভালোবেসেছিল কলমিফুলকে? চলকে উঠে ভেসে গেছে যে কালের স্রোতে! ট্রাফিক সাহেব পোড়ে রাস্তার মোড়ে, আমি পুড়ি [বিস্তারিত শব্দ সংকট]
আষাঢ়ে কথা গুলো মুখউজ্জ্বল যদি শ্রাবণ মেঘের ঘনঘটা না হয়! বৃষ্টির পরশে না ভিজাই- তাহলে আষাঢ়ের গল্প বেঁচে না থাকাই ভাল; তবু মৃত আষাঢ়ের দিকে চোখ রাঙাই কারণ এক নাক গন্ধ বিধুর হেমন্ত পাই শীতের রূপ মাধুর্য খেলা গুলো আজও স্পর্শে করে সোনালি দুপুরে সূর্য স্ন্যাত ! সন্ধ্যায় বিরহের একাকীত্ব উঠন; আর জোছনা আঁধারে এতটুকু [বিস্তারিত জীবিত থাক আষাঢ়]
বই রিভিউ বই- না হন্যতে লেখক – মৈত্রেয়ী দেবী ন হন্যতে বাঙালি কথা সাহিত্যিক মৈত্রেয়ী দেবী লিখিত একটি আত্মজীবনী মুলক উপন্যাস। উপন্যাসটি লেখা হয় ১৯৭২ সালে। প্রকাশিত ১৯৭৪ সালে। রোমানিয়ার লেখক লিখিত “লা নুই বাঙালীর” প্রতিক্রিয়া জানাতে মৈত্রেয়ী দেবী এ উপন্যাস লেখায় হাত দেন। মৈত্রেয়ী দেবী ১৯১৪ সালের ০১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। মৈত্রেয়ী [বিস্তারিত মৈত্রেয়ী দেবীর ন হন্যতে]
দু’বন্ধুর একাল সেকাল আমি আর সুকান্ত তখন বন্ধু ছিলাম——– আমি ফেবুতে একটা পোস্ট দিলাম। কিছু আগডুম বাগডুম লিখা, সাথে খালে বিলে ফুটা নাম না জানা এক হলদে ফুলের ছবি । মেসেঞ্জারে মেসেজ এলো—– “Bondhu, The flower seems to be Senna Alata ( candle bush), native to Latin America. Wonder, how did it travel to [বিস্তারিত দু’বন্ধুর একাল সেকাল]
আমাদের দিনগুলো সাদা বকের মতো সাদা হতে হতে শূন্যতায় মিলিয়ে যাচ্ছে। চোখের নীচে জমাট বাঁধা কালো দাগগুলো বুঝিয়ে দিলো যেটুকু হৃদয় তরতাজা ছিলো শকুনের মতো ঠোকরে খাচ্ছে তা- আমাদেরই পোষা বিষন্নতা। বুকের ভেতর প্রেম জমিয়ে রেখে আমরা আজ ভীষণ অসহায়, এতো এতো প্রেম-ঐশ্বর্যের ভেতর আমরা প্রতিদিন নিজেদের হত্যা করে চলেছি রাতের কান্নায়। আমাদের কি [বিস্তারিত আমাদের দিনগুলো।]
একমুঠো সাদা আকাশের জন্মদিন আবেগ অনুভূতি উপলব্ধি ছুঁয়ে যাচ্ছে- রাস্তার মোড়ে কৃষ্ণচূড়া লালে লাল! মিছিলে- মিছিলে সুবাসিত গন্ধ ভাসছে অন্তহীন দেহের ভাজে- ভাজে; অথচ কাপুরুষ ভীতুর দল নোংরা বর্ণমালা গাঁথছে আর গাঁথছে- যত নর্দমার ভাষা, জল মাটি, গাছপালা লতাপাতা বিমুখ; তবু যুগ যুগান্ত ধরে গন্ধবিরল ফুটুক ফুল, জন্মের গুণে। ২০ ভাদ্র ১৪২৯, ০৪সেপ্টেম্বর ’২২
আমি,সময় ও আমার মন, ভাল্লাগে না কিছুই, ভাল্লাগে সবই। কারনে,অকারনেও— এ যেনো সময়ের সাথে মনের এক অদ্ভুত সমীকরণ, মিলে না,মিলানোও যায় না কখনোই। মন যেনো সময়ের কারাগারেই বন্দী, সময় যেনো মনের জানালাতেই খুজে তার মুক্তি। আর আমি—- খুঁজে বেড়াই,ঘুরে বেড়াই, অপেক্ষার প্রহর গুনি, কখন এ দু’য়ের মধ্যে হবে কোনো,”শান্তি চুক্তি”। আমি,সময় ও আমার [বিস্তারিত আবোলতাবোল]