শিক্ষাগুরু সেলিম স্যার

“সেলিম রেজা, প্রভাষক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ।  নান্দিনা শেখ আনোয়ার হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, নান্দিনা, জামালপুর।”—স্যারের জন্য লেখা। কবিতাটি স্যারের পিতা-মাতার প্রতি উৎসর্গ করলাম। —————————————————————– শিক্ষাগুরু করেন শুরু মানুষ হওয়ার পড়া, সফল যত মানুষ আছে তারই হাতে গড়া। . কষ্ট করে যত্ন নিয়ে শিক্ষা করেন চাষ, ফলে সেথায় সোনার ফসল মিটে মনের আশ। . মোদের যত স্বপ্ন আশা স্যারের [বিস্তারিত শিক্ষাগুরু সেলিম স্যার]

দিস্ চিরকাল আমার মাকে আলো! (গীতিকাব্য)

চন্দ্র রে তোর বদনখানি করিস্ নে আর কালো – দিস্ চিরকাল আমার মাকে আলো! না জানি ঘোর আঁধার আজি গড়ছে কেমন রাতি, মা যে আমার ঘুমিয়ে থাকে নেই ও’ ঘরে বাতি! করলে রে ভয় জেগে একা আপন ভেবে দিস্ তুই দেখা নিদ হারা এই হৃদয় সঁপে বাসবো তোরে ভালো – দিস্ চিরকাল আমার মাকে আলো! [বিস্তারিত দিস্ চিরকাল আমার মাকে আলো! (গীতিকাব্য)]

রঙধনুর ঘোর

কবিতার লাইন কেটে গেছে সেই থেকে, যখন জেনেছি অবশেষে আমার ভেতর এক নিষ্ঠুর প্রস্তরখন্ড বসতি গেঁড়েছে। গদ্য,পদ্য ও ছন্দ নিয়মিত বদলায় দৃশ্যপট, বাহুমূলে কতোবার ফিরে আসে যায় সেই একই রঙধনু, আমি ফিরে দেখি আবিরের স্মৃতিঘেরা প্রণয়! খুব একটা সুখকর নয় তা, জলের ঝিকঝিক প্রতারণা বালিয়াড়িময়। সকালগুলো আসে অমোচনীয় কালোদাগ হাতে, মৃত্যুর মত দেখতে সূর্যটাকে; ইচ্ছে [বিস্তারিত রঙধনুর ঘোর]

রাখালিয়া মন

রাখালিয়া মন ************ আমার বাঁশরী মন নেচে উঠে, সবুজের প্রান্ত ছুঁয়ে— গাঙ পারে আছড়ে পরা, ছলাত ছলাত ঢেউয়ের তালে। আমার তপ্ত মন জুড়িয়ে যায়, বটের ছায়ায় হিমেল হাওয়ায়। আমার উদাস মন হারিয়ে যায়, নীল দরিয়ার অথৈ জলে। আমার একাকী মন ভরে উঠে, ছৈয়া নায়ে নাইওর দেখে। আমার ক্লান্ত মন শান্ত হয়, সুর্য ডুবা সন্ধ্যা দেখে। [বিস্তারিত রাখালিয়া মন]

হাতের রেখায়-পর্ব ১

বাটার দিয়ে পাউরুটি আর এক কাপ ঘন গাঢ় লিকারের দুধ চা দিয়েই শুরু হয় নিধির এক একটা সকাল। প্রতিদিনের মত আজও সকালে  নিধির  চায়ে চুমুক দেয়া মাত্রই কলিংবেলের আওয়াজে দঁড়জা খুলতে নিধি উঠে গেল। ইক্সকিউজ মি ! এটা কি নিধি সরকারের বাসা? নিধিঃ জ্বি,আমি নিধি সরকার বলুন। কুরিয়ার থেকে আপনার নামে একটা চিঠি এসেছে। নিধিঃ [বিস্তারিত হাতের রেখায়-পর্ব ১]

*বহু বছর পর ছন্দহীন ছড়া লেখার চেষ্টা *

পাশের বাড়িতে আগুন লেগেছে আমার তাতে কি! তারা হলো জাহান্নামি আমি জান্নাতি। তারপর তারা মরলো পুড়ে আমি পানি দেই নি আমি পেলাম পিউর জান্নাত আমার সন্তান জঙ্গী আমার ওস্তাদ ছিল বলৎকারী পুটুতে ধরলে ব্যাথা করে আজো আমার আরেক সন্তান দূর্নীতিতে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি সাজো

সিডিউস-শেষ পর্ব

আজকের টপিক,,,,, হোয়াইট বোর্ডে বড় বড় করে লেখা “বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পোশাক।” আলো ক্লাসে গিয়েই পড়ানোর টপিকে চলে গেল। স্টুডেন্টদের বলতে লাগল,জানো আদিম যুগে মানুষ কাপড়ের ব্যবহার জানত না, সেইসময় মানুষ গাছের লতাপাতা দিয়ে লজ্জা নিবারন করত। তারপর ধীরে ধীরে শিল্পবিপ্লব হওয়ার পর এখন আমাদের দেশ  সবক্ষেত্রে এগিয়ে। আজ তোমাদের নানাধরনের পোশাক [বিস্তারিত সিডিউস-শেষ পর্ব]

তোর মতো একটা বন্ধু চাই-৩

মানুষ হতাশ হয় কখন? কষ্ট, যন্ত্রণা এসবই বা কখন আসে? প্রিয় কোথাও গভীর চোট লেগে গেলে। কিংবা মিথ্যেটাকে মিথ্যে জেনেও মেনে নিলে। আমার সেরকম চোট লাগলো। আমার কেবলই মনে হচ্ছিল কেউ চোখের সামনে হঠাৎ করে প্রিয় কিছুতে ধারালো কিছু বসিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলেছে। আমি খুব চেষ্টা করছি ছোটবেলার মতো কাদামাটি দিয়ে সেটার রক্ত বন্ধ করার [বিস্তারিত তোর মতো একটা বন্ধু চাই-৩]

ঠিকানা

পশু জবাই রক্ত জানি সুখের উড়া পায়রা- কালমেঘের আাকাশ জানি কষ্টের ধোয়া আয়না! আইল পাথারে খুঁজে পাই সবুজ ঘ্রাণের মুখ- মাটির বুকে ফুটেছে সব রক্ত জমার সুখ; ভাসায় যত রক্ত জলে মাটির কান্না দুখ! দুর্বঘাসের নিচে মাটির ঠিকানা  ডাকি কত শুনে না। ৩১ ভাদ্র ১৪২৯, ১৫ সেপ্টেম্বর ’২২   

ভাববো না নিরুপমা!

আমি) ভাববো না নিরুপমা! নিন্দার ঘাতে জেগে উঠা ব্যথা শুধু রাখো তুমি জমা! নীরব নিশীথে ক্ষয়ে যাবো আমি হয়ে চাঁন্দের আলো, সত্তা বিলাতে ধুপ শিখা হবো মানুষেরে বেসে ভালো। ঘিরলে ধরার মায়া, গড়বো এ প্রাণ দ্বিধাহীনে এক পাকুড় গাছের কায়া। প্রয়োজনে দিতে চলার এ পথে তুলে যতো দাঁড়ি কমা, না করে নিজেকে ক্ষমা, আমি) ভাববো [বিস্তারিত ভাববো না নিরুপমা!]

প্রথম এবং শেষ চুমু।

  বাজ পাখির মতো চুমু খেয়েছিলো একবার, তড়িৎ গতিতে মিলিয়ে গেলো সে চিহ্ন, এ এমন এক ফুল যেনো — তার সুরভি পৃথিবীতে অমর হয়ে গেলো যার পাপড়ি ছিলো নরোম টকটকে লাল তৃষ্ণার্ত মাঠের মতো দিগন্তের প্রান্তর, আশ্বিনের জল, নোঙর ফেলা জাহাজের বন্দর।   আবার ক্ষনিক দেখা পেলে সে ফুলের ঠোঁটে ঠোঁট ঘষে জেনে নিতাম  মুক্তো [বিস্তারিত প্রথম এবং শেষ চুমু।]

মাতৃ বন্দনা

সদ্য ফোটা সুবাসিত গোলাপ পাপড়ির মোহনীয় কোমলতা পারেনি এ হৃদয় টলাতে! পারেনি ষোড়শির আলতা রাঙা চপল দু’পায়ে আস্থার মায়াবী স্বপন গড়েও সর্বংসহা প্রকৃতি কাছে টানতে! রূপালী জ্যোৎস্নায় নেয়ে নিশুতি নদী স্রোত ও ঊর্মির গলে পালা গানের আসর বসালেও শ্রোতা হইনি! আসেনি কারোর দক্ষ হাতে সামলানো কর্মের ঝলমলে আদর্শের জ্যোতি ক্ষণকাল বাঁধতে! আরব্য রজনীর গল্প সাথী [বিস্তারিত মাতৃ বন্দনা]

তেতুল ধর্ম

আবোল তাবোল   তেতুল ধর্ম ———————————— হাই প্রেশার কিংবা লো প্রেশার, উভয় রুগীই এখন তেতুল খেতে চায়, তেতুল মুন্সি, আলুর মতোই তুমি, আলু যেমন সব তরকারিতেই খাটে, তেতুল তোমায় সব রাজনীতিতেই লাগে।   ওনার সাথে বৈঠক করিলে, তেতুল তুমি দেশদ্রোহী। তিনার সাথে লং-ড্রাইভে গেলে, তেতুল তুমি দেশপ্রেমি।   নিজের মানি বেগে ছবি রেখে, ছবি তোলা [বিস্তারিত তেতুল ধর্ম]

সিডিউস-পর্ব ১

কলেজের বারান্দায় সকালের বৃষ্টির টিপটাপ আওয়াজের দিকে তাঁকিয়ে শব্দকে শুষে নেয়ার অভ্যাস আলোর ছোটবেলা থেকেই। পত্রিকায় আজ পাতায় পাতায় ভড়ে গেছে ঢাকা ভার্সিটির পোশাক নিয়ে আন্দোলনকে ঘিরে নানা ধরনের ট্রল। সেদিকেই চোখ বুলাতে বুলাতেই কখন যে রং চা ঠান্ডা হয়ে পানি হয়ে গেছে সেদিকে খেয়ালই নেই আলোর! “সিডিউস” শব্দটি দেখেই রাগে, ক্ষোভে আলোর মেজাজ আরও [বিস্তারিত সিডিউস-পর্ব ১]

সুইমিংপুল

ফের যদি যাস ওই সুইমিং পুলে, তোকে আমি নিশ্চিত চড়াবোই শুলে।   সুইমিং পুলে শুধু সাঁতারের পানি ! কাপড় ভেজার পরে কমে কিছুখানি? কমে কই! বাড়ে আরও দিন-রাত রোজ। কোত্থেকে বাড়ে তা? রাখিস কি খোঁজ?   পানিতে মেশানো থাকে লবন ইউরিয়া, বাড়ায় সারের গুণ ময়না ও টিয়া । এমনিতে মোটা তুই ডুববার ভয়, আরও মোটা [বিস্তারিত সুইমিংপুল]