মূল লেখায় যান

অদ্ভুতুড়ে ‘ঢাকা-একা’

অলিভারগল্প৮টি মন্তব্য

ঢাকা-একা। কথাটা একটু অন্যরকম মনে হলেও বাস্তবতায় একদম হাতে-নাতে মিলে যায় ঢাকা নামের এই শহরটাতে। এখানে দিনের শুরুতে যেমন হাজার মানুষ একসাথে চড়ে বেড়ায় তেমনি দিন শেষেও এক সাথেই ঝগড়া আর বাগড়া বাগাতে বাগাতে নীড়ে ছুটে চলে। এই যে একসাথে ছোটাছুটি আর বাগড়া দেয়ার উৎসব, তবুও এদের মাঝে থেকে যায় যোজন যোজন দূরত্ব। একসাথে বসে… [বিস্তারিত]

১) আম্মার জন্য কিছু কিনতে যমুনা ফিউচার পার্কে আড়ং এর শোরুমে গিয়েছিলাম। যথারীতি কিশোরী, তরুণী, মধ্যবয়সী নারীদের উপচে পড়া ভিড়। এমনই সেই ভিড় যে সেই ভিড়ের মধ্যে দিয়ে দাড়িয়ে নিজেকে এলিয়েন এলিয়েন বলে মনে হয়। ষ্পিকারে উচ্চ স্বরে বাজছে একটার পর একটা তাহসানের গান। তুমি ছুঁয়ে দিলে মন আমি উড়বো আজীবন... বাংলার রমণীরা ঐতিহাসিক ভাবেই… [বিস্তারিত]

অপূর্ণ এক গল্প

আজিমগল্প, সাহিত্য১৫টি মন্তব্য

মানুষটাকে দেখেছিলাম বছর বেশ কয়েক হয়ে গেল। ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে আমার এক বান্ধবীর বাবার বন্ধু উনি। বান্ধবী ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছে, সাথে তার বাবা। আর বাবার বন্ধু লোকটি এমনিই এসেছিল বন্ধুর সাথে দেখা করতে। শহীদ ওর নাম। বিকেলে আমরা ইউনিভার্সিটি থেকে বাসায় যাব, গেট পর্যন্ত এলেন ওরা এগিয়ে দিতে। আসলে বান্ধবীর বাবার রাজনৈতিক একটা মতাদর্শ আছে,… [বিস্তারিত]

সুখে থাকো প্রিয়া।

ইঞ্জাকবিতা২২টি মন্তব্য

চোখের পানিতে ভিজে ছিলাম আমি গড়িয়ে গিয়েছিলাম জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ফিরে চাওনি একবারেও কই আমি ছায়ার মত ছিলাম আমি নিজের ছায়াকেও অস্বীকার করে ছিলে বুঝিনি তখন নিজেকেও, বুঝতে চাইনিও কারন নিজের চাইতেও বেশী ভালোবেসেছি তোমাকে সব ছেড়ে ছুড়ে এসে ছিলাম তোমার দুয়ারে ফিরিয়ে দিয়েছিলে আমায় অকুল পাথারে কষ্টের পাথর এখনো ভয়ে বেড়ায় স্মৃতি সব হাতড়ে… [বিস্তারিত]

হবে কি হবেনা।

ইঞ্জাএদেশ, কবিতা২৬টি মন্তব্য

হবে কি হবেনা জীবনটা যে আর চলেনা ডাল, ভাত যোগারে এ পা তো আর চলেনা বেড়েছে ব্যাংকের মূলধন, বেড়েছে জিডিপি চলেনা শুধু আমাদের জীবনের গাড়ীটি ব্যবসা নেই বাণিজ্য নেই, নেই কোন কারবার পুরোনো বেতনে জীবনটা যে জেরবার দিনদিন বাজারদর আকাশ ছোঁয়া হয়েছে পিঁপড়ের পিঠে চড়ে জনগণও ছুটছে রাজনীতিবিদরা তামাশায় মেতেছে প্রতিদিন জনগণের পিঠে বিষ ফোঁড়া… [বিস্তারিত]

বাঁশ

ইঞ্জাকবিতা২১টি মন্তব্য

বাঁশে বাঁশে সয়লাব বাঁশেই নাকি বেশি লাভ রাজনীতি নাকি এখন বাঁশনীতি বাঁশেই হয় রীতিনীতি ঘরে বাঁশ, বাইরে বাঁশ সবাইরি এখন হাঁসফাস বেফাঁস কথা কহিলেই খাইতে হবে বাঁশ বাঁশ খেয়ে জনগণ ফেলে যে দীর্ঘশ্বাস কেউ করে বাঁশ চাষ বিকোবে যে বাঁশ রাজনীতির ঢামাঢোলে লাগিবে যে বাঁশ কেউ খুশি বাঁশ দিয়ে কেউ খুশি খেয়ে জনগণের নাভিশ্বাস বাঁশেরই… [বিস্তারিত]

দণ্ড

গোধূলিগল্প২৬টি মন্তব্য

দীপা বেডসুইচটা অন করে দিল। নিলয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “ঘুমোচ্ছেন না কেন? খালি এপাশ ওপাশ করছেন। ঘুমুন তো। নাকি ডরমিকাম (ঘুমের ওষুধ) নিয়ে আসবো?” “কিছু লাগবে না” বলল নিলয়। লাইটটা অফ করে শুয়ে পড়লো দীপা। পিছন থেকেই জড়িয়ে ধরল নিলয়কে। বলল, “টেনশন হচ্ছে?” নিলয় কোন উত্তর দিল না। দীপা আবার বলল, “সব ঠিকমতো হবে” নিলয়… [বিস্তারিত]

লোকটা মানিবব্যাগ খুলে পাঁচটাকা বের করে ছেলেটাকে দিলো। ছেলেটা এতিম। বয়স ও খুব একটা বেশি না। টাকা দিয়ে জিজ্ঞেস করলো নাম কি? -তামিম -বাহ্! সুন্দর নাম। কে রাখছে? - জানি না। সব্বাই এই নামে ডাকে আর আমিও সাঁয় দেই! - ও! তোর মা বাবা কই থাকে? - হেইয়াও জানি না। বুঝ গেয়ান হওনের পর থেইক্যা… [বিস্তারিত]

★★জন্মদিন★★

মামুনগল্প৮টি মন্তব্য

বাইরে পাখির কিচির মিচির। প্রতিদিন এই সময়েই ঘুম ভাঙ্গে সাদেকের। আলো-অন্ধকার এক সাথে হাত ধরাধরি করে চলে মনে হয় এ সময়টাতে। আলো আঁধারকে বাড়ি পৌঁছে দিতে যায়। সাদেকের এমন-ই মনে হয় প্রতিদিন। বউটা এলোমেলো হয়ে নিচে কাঁথার ওপরে শুয়ে আছে। পাশে একমাত্র ছেলে। সে ও মায়ের সাথে কুন্ডলি পাকিয়ে রয়েছে। দু’জনের দিকে তাকিয়ে কেমন মায়ায়… [বিস্তারিত]

★★পলাতক চাঁদ★★

মামুনগল্প১২টি মন্তব্য

বাইরে বৃষ্টি। বেশ আগেই সন্ধ্যা নেমেছে, বৃষ্টিস্নাত ঝাপসা কাচের ওপারের দ্রুত সরে যাওয়া দোকানগুলির আলো, বাসের জানালার পাশে বসে থাকা কণার কাছে, ছবির মত মনে হয়। আজকাল কত কিছু-ই তো মনে হয়! জানালা দিয়ে দমকা বাতাসের এক আউলা ঘূর্ণি, বুকে করে সুগন্ধি বয়ে নিয়ে আসে। এক পলকে বিবশ মন ধীরে ধীরে আরো প্রগলভ হয়ে উঠে।… [বিস্তারিত]

বৃষ্টি পতনের জলে পদ্ম

নীলাঞ্জনা নীলাগল্প২৪টি মন্তব্য

অসময়ের বৃষ্টিতে পুরোটা শহর ডুবে গেছে। এর মধ্যেই যতো ধরণের বিপদ এসে ঘাড়ে চাপে। সূচি তিনদিন ধরে আলু সেদ্ধ আর ডাল এই খেয়েই আছে, ভাইটাও খুব ভালো আবদার কম । যা দেয়া যায় তাতেই চুপচাপ গিলে নেয়। প্রস্তর খেয়ে ঠিক দুপুরে একটু শুয়ে নেয়। ও শুতে যাবার পরে উটকো ঝামেলার সৃষ্টি শুরু হলো, বিকেলে দরোজায়… [বিস্তারিত]

তবুও যদি ভাল থাকি চেষ্টা করি একটু ভালবাসা পেতে যা যা সবিনয় বন্ধ ঘরে অন্ধকারে ছায়া ধরি খানিকটা বৃষ্টি হলেই ভেজার অভিনয়। তবুও সকাল সন্ধ্যা আসে ঝড়ো হাওয়ায় হার মেনে নেই, উঠে দাঁড়াই আবার লড়ি একটুখানি সুরই যে ঢের চাওয়া পাওয়ায় হাল বেঁধে দেই ভুলে গিয়ে- ভাঙাতরী, তীরের খুঁজে ফিরে আসি ভিড়ের ভিতর একা যখন… [বিস্তারিত]

★★তার ফিরে যাওয়া★★

মামুনগল্প৮টি মন্তব্য

অফিসার্স ক্লাবটির পশ্চিম পাশে লন টেনিস খেলার গ্রাউন্ডটি পুরোটা নেট দিয়ে ঘেরা। নেটের ওপাশে গাছপালা কেমন জঙ্গলের মত হয়ে আছে। বেশীরভাগই কাঁঠাল গাছ। লন টেনিস মাঠ আর জঙ্গলটির মাঝ দিয়ে পায়ে চলা পথটি কিছুদূর গিয়ে ডানে বেঁকে গেছে। এরপর সোজা হয়ে বিরাট দীঘিটার পাশ দিয়ে পুরনো কলা ভবনের দিকে গিয়ে অন্য পথগুলোর সাথে মিশেছে। আমাদেরকে… [বিস্তারিত]

অদ্ভুতুড়ে ভালোবাসা

অলিভারগল্প৯টি মন্তব্য

এক পাখির দম্পতিদের একজন ছিল অন্ধ। অন্য পাখিটা নিজের পাশাপাশি অন্ধ পাখিটার দেখাশোনা করত। তার খাবার জোগাড় করা, বাসা তৈরি করা, নষ্ট বাসা পুনরায় ঠিকঠাক করা। এই সবই করত চোখে দেখা পাখিটা। অন্ধ পাখিটা শুধু তার অনুগ্রহেই বেঁচে থাকত। আর অবসরে দুজন মিলে খোলা আকাশে উড়ে বেড়াত। সেখানেও অন্ধ পাখিটাকে তার সাথী পাখিটা সহায়তা করত।… [বিস্তারিত]

ও জননী তোর তরে মোর কলম কেন বিষাদ লেখে অশ্রুভেজা মলিন বদন অবাক চোখে চেয়ে দেখে কেউ করে না তোর তরে মা সযতনে আপন ভেবে তবুও তুই হাসিস মা রে দুঃখ শত বক্ষে চেপে যতই থাকি দূরে তোরই চরণতলে ঠেকাই মাথা শত কষ্টে গ্লানি ভুলেও অঙ্গে মা তোর আঁচল পাতা কেন তবে কষ্ট তোরই ভোর… [বিস্তারিত]