দীপা বেডসুইচটা অন করে দিল। নিলয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “ঘুমোচ্ছেন না কেন? খালি এপাশ ওপাশ করছেন। ঘুমুন তো। নাকি ডরমিকাম (ঘুমের ওষুধ) নিয়ে আসবো?” “কিছু লাগবে না” বলল নিলয়। লাইটটা অফ করে শুয়ে পড়লো দীপা। পিছন থেকেই জড়িয়ে ধরল নিলয়কে। বলল, “টেনশন হচ্ছে?” নিলয় কোন উত্তর দিল না। দীপা আবার বলল, “সব ঠিকমতো হবে” নিলয়… [বিস্তারিত]
গোধূলি
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ৪ মাস ২৭ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২৭টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৮২৮টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৪৬৩টি
অহনা বাসর ঘরে ঢুকে দেখল, খুব সুন্দর করে সাজানো। এখন ১টা বাজে। বিছানায় বসে পড়ল। অনেক ক্লান্ত লাগছে ওর। মিনিটপাঁচেক বাদেই দরজার শব্দ শুনতে পেল। রাজ্যকে ঢুকতে দেখে দৌড়ে রুমের সাথের অ্যাটাচড বাথরুমে ঢুকল। বাথরুমে ঢুকে বসে রইল। ভীষণ ভয় পাচ্ছে। অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ নাকি এমন হয়। ‘স্বামী’ নামক প্রাণীটা বাসর রাতেই হামলে পড়ে। অহনা যত… [বিস্তারিত]
“হ্যালো” “হ্যালো, কি করছো?” “কি আবার? ডিউটি। তুমি কি করছো?” “হ্যালো, নাহিদ, রাখছি। পেশেন্ট আসছে” “আচ্ছা” ফোনটা বুকপকেটে রেখে নাহিদ নিজেই বলল, “তুমিও ডিউটিতে” কিছুক্ষণবাদেই ফোন বেজে উঠল। নীলা আবার ফোন করেছে। নাহিদ বলল, “তোমার পেশেন্ট গেছে?” “হুম” “কেন এসেছিল?” “এমনিই। বেশির ভাগ সময় আসে হুদাই। এজন্য কখন যে রোগীর অবস্থা সিরিয়াস আর কখন সিরিয়াস… [বিস্তারিত]
লোকটা আবারো গায়েব। মহুয়ার জীবনটা হয়ত এভাবেই কেটে যাবে। ভবঘুরে মানুষদের ভালবাসতে নেই। কারণ ভবঘুরেরা সহজে কাউকে ভালবাসে না। আর যদিও বা ভালবাসে, তাদের ভালবাসাও তাদের মত ভবঘুরে স্বভাবের। মহুয়ার বিষণ্ণ লাগে ভীষণ। মহুয়ার ফোন বেজে উঠল। ওপাশ থেকে একজন বলল, “হ্যালো, মহুয়া” “হ্যালো” “আমি লাবণী” “ও। অনেক দিন পর। কেমন আছিস?” “ভালো। তুই?” “ভালো”… [বিস্তারিত]
“Mirror Mirror on the wall, Who is the fairest of them all?” শুনতে পেল আরশী। পাশের বাসার পিচ্চি মেয়েটা টিভিরুমে এসেছে। বসে “Snow White” দেখছে সে। আরশী খাতা দেখছে। স্কুলে জয়েন করেছে দু’তিন বছর। শিশুদের সংসর্গই ভালো লাগে ওর। টার্ম ড্রয়িং পরীক্ষার বিষয় ছিল “সুন্দর দিন”। এক এক জন এক একরকম ছবি একেছে। একজন এঁকেছে… [বিস্তারিত]
নাস্তা না করেই পুলিশ কমিশনার কামরুল সাহেব বের হয়ে পড়লেন। শিশির বলল, “পিকলু হত্যার কেস নিয়ে ঝামেলায় আছে আব্বু” তুষার বলল, “হুম” শিশির বলল, “তোমাদের কি মনে হয় এই কেস সম্পর্কে?” বৃষ্টি বলল, “কি মনে হবে আবার? He got what he deserved.” “He deserved to die?” বলে বিস্ময়ের দৃষ্টিতে তাকালো তুষার। তারপর বলল, “যদি লোকটা… [বিস্তারিত]
নাহিদ প্রচণ্ড ক্লান্ত। ঢাকার সবগুলো হাসপাতাল, নার্সিং হোম, ক্লিনিক চষে ফেলেছে, ঢাকার বাইরে খোঁজ নিচ্ছে। তাও মিলছেনা। নাহিদ নীলাকে সবসময় বলতো, রাস্তায় চলার সময় ফোনে কথা না বলতে। নীলা বলতো, “সবার ফোন না ধরে থাকতে পারি। তোমার ফোন কি নাধরে থাকতে পারি? বলো।” “কেন? রাগ হলে তো ধরার কথা ভুলেই যাও।” “রাগ না, অভিমান।” “অভিমান?”… [বিস্তারিত]
বছরখানেক আগে একটা মিশরীয় মুভি দেখেছিলাম। ১লা বৈশাখের ঘটনার জন্য মুভিটির কথা মনে পড়ল আবার। মিশরীয় মুভিটির নাম 678 (film) ( Les Femmes du Bus 678 নামেও পরিচিত)। মুভিটি আমার পছন্দের মুভিগুলোর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিল। The Association for Human rights and Social Justiceএর Mahmoud Hanfy Mahmoud মুভিটিকে নিষিদ্ধ করার অনুরোধ করেছিল (জানি না, আন্তর্জাতিক… [বিস্তারিত]
‘ “হ্যালো, হুম, আব্বা, আমি একমাস পরেই আসবো। একটা ভেকেশন আছে তখন। ওকে। খোদা হাফেজ” ফোনটা কেটেই পাশে তাকিয়ে দেখে ক্লার্ক বসে আছে। ওর দিকেই তাকিয়ে আছে। আগে কখনো কথা হয় নি ক্লার্কের সাথে। খুবই অমিশুক ছেলে। তবে জিনিয়াস হিসেবে পরিচিত। মোটা কাচের চশমার পেছনে নীল চোখদুটো জলজল করছে। গায়ের রঙটা ফর্সা হলেও চেহারায় অস্ট্রেলিয়ান… [বিস্তারিত]
“A Moment To Remember” ২০০৪ সালের অন্যতম হিট রোম্যান্টিক কোরিয়ান মুভি। “Eraser In My Head”নামেও পরিচিত এই মুভিটি। আমার কোরিয়ান মুভি দেখার শুরু করার অন্যতম কারণও বলা যেতে পারে এই মুভিটিকে। এই মুভিটি আমাকে কোরিয়ান মুভি জগতে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছিল। এই মুভিতে অভিনয় করেছেন Son Ye-Jin ও Jung Woo Sung। দুজনের অভিনয় দেখেই মুগ্ধ হয়ে… [বিস্তারিত]
মহুয়ার বিয়ে হয়েছে তিনমাস। লোকটি যে বিয়ের পরদিন সকালেই গায়েব হয়েছে, আর আসে নি। মহুয়ার ব্যস্ত জীবন কেটেই যায়, থেমে নেই কিছুই। শুধু যখন ঘরে ফেরে তখন ভীষণ শুন্যতাবোধ করে। প্রতিদিনই ভাবে আজ হয়ত আসবে, কিন্তু আসে না মহুয়ার বদ জামাই। মহুয়া ঘরে ফিরে দেখে টিভিরুমের সোফায় পাশের বাসার পিচ্চিদুটো বসে আছে। পিচ্চিদুটো প্রায়ই আসে… [বিস্তারিত]
হাঁটতে শেখার পর সন্তান যখন মায়ের হাত ধরে হাঁটে, তখন তার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পদক্ষেপের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে মায়ের গতি মন্থর হয়ে আসে। ধীরে ধীরে শিশু বড় হয়, হাঁটার গতি বাড়ে,কিন্তু মায়ের গতি যে ধীর হয়ে গেছিল মাঝে, তা আর দ্রুত হয় না। মায়ের সাথে হাঁটতে গিয়ে বিরক্ত হই। মা বলে,"অপু, একটু ধীরে হাঁট না,… [বিস্তারিত]
মহুয়া গল্প লিখতে ভালবাসে। আগে গল্পের নায়কগুলোকে তৈরি করতে অনেক ভাবতে হত, এখন আর হয় না। মহুয়ার সব গল্পের নায়িকা সে নিজে, আগেও ছিল। কিন্তু নায়করা এখন আর টম ক্রুজ, লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও, হিউ জ্যাকম্যানের কোন চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না। সব বদলে গেছে, বদলে গেছে মহুয়া, মহুয়ার গল্প ও মহুয়ার মন। দিনটি ছিল ভর্তির… [বিস্তারিত]
ঝুম করে বৃষ্টি পড়ছে। রাজ্য ঘুমাচ্ছে। এই একটা ছুটির দিনে সারাদিন বিছানাতেই পড়ে থাকে রাজ্য। অহনা বারান্দায় চেয়ারে বসে বৃষ্টি দেখছে। বৃষ্টির ছাট এসে এসে মুখে লাগছে। সেলফোন বেজে উঠলো অহনার। অহনা ফোন ধরে বলল, “হ্যালো” ওপাশ থেকে বলল, “হ্যালো। কেমন আছিস, অহো?” “ভালো। তুই?” “ভালো” “আজ তোর শ্যুটিং নেই?” “তুই কি কোন খোঁজই রাখিসা… [বিস্তারিত]
গাইনোকোলোজিস্ট মিসেস সাবরিনার কেস নিয়ে হুলস্থুল পড়ে গেল। সাংবাদিকেরা মিসেস সাবরিনাকে হেডলাইন বানিয়ে খবর ছাপাচ্ছে। কিছু কিছু পেপারের হেডলাইনও সেইই হচ্ছে, যেমন 'কন্যাশিশুহন্তারক ডঃ সাবরিনা', 'ডাইনি সাবরিনা', 'জল্লাদিনী না ডাক্তার?' ইত্যাদি ইত্যাদি। এক প্রাইভেট ক্লিনিকে দিনের পর দিন মেয়েশিশুর অ্যাবরশন করে আসছেন। একজন নারী হয়ে কিভাবে এ কাজ করছেন তা সমাজের প্রশ্ন, ব্লগারদের প্রশ্ন, মানুষের… [বিস্তারিত]

