কি কল্যান ঈশ্বরের! লোভনীয় সুরত পেয়েছে রমনী। লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ছাদ থেকে, চাঁদ থেকে। কামনা হয় আকাশের, পাতালের। সকলেই স্পর্শ করে দেহ; মন নয়। কামনা করে সবাই, বাসনা হয় না কারো। যে জলে তৃষ্ণা মেটায় সবাই তার ক্ষুধা নিবারণে পা বাড়ায়না কেউ। এই বাঁচে, এই মরে, বড্ড খাবি খায় সখিনা। ---------------------0 0-------------------- [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
সিধু এলাকার মেথর নিচু জাত সবাই তাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে রোজগারের টাকা কেও হাতে দেয়না তার গলায় টিনের কৌটা ঝুলানো থাকে সেই কৌটায় ফেলে দেয় পাত্রে টুংটাং পয়সার শব্দে সিধুর মন নেচে উঠে দিন আনে দিন খায় লোকদের জন্য এই শব্দ প্রাণের প্রতিশব্দ নতুন করে বাঁচার ঘণ্টা এতদিন সিধুরা পাড়ার মেথর হিসেবে কাজ করতো কখনো… [বিস্তারিত]
-কেমন আছো আরাফ..? -জ্বী ভাবি ভালো আছি। রন্টি,রনি আসে নাই ভাবি, নাহ্! আমরা রাতেই ফিরবো তাই সাথে আনি নাই। -ওহ্। -ওদের পড়াশোনা আছে রন্টির স্যার রাতে পড়াতে আসবে তাই ওদের মায়ের কাছেই রেখে আসছি। -ওহ্ স্যরি। -আন্টি কেমন আছেন ভাবি.? -মায়ের শরীরটা বেশি ভলো না, ঢাকায় ডাক্তার দেখিয়েছি কাজ হচ্ছে না। বড় ভাইয়েরা অস্টেলিয়া থাকেন… [বিস্তারিত]
মাতাল জ্যোৎস্নার মতো অনন্য সুন্দর যতো, সবই তো তোমার- পেয়েছো যা প্রাপ্তির আখরে। ইচ্ছে গুলো পাখির ডানায় উড়িয়ে, আকাশ দেখো অবারিত সবুজের দিগন্তে। ঘুমঘোর মেঘেরা থাকনা ঘুমে, নাইবা হলো শ্রান্ত ভোর, শীলত পাটির তলে থাকুক কিছু কথা। মৃদুমন্দ বাতাসের উচ্ছ্বাসে স্বপ্নেরা করুক খেলা। যে পদ্মদিঘীর জলে ফোঁটে রক্তকমল সেই জলের গভীরতা ক'জন বোঝে বলো? কালো… [বিস্তারিত]
ছয়. আমাদের হাতে একদম সময় নেই। যা করার অতি দ্রুত করতে হবে। লিটুকে অনেক কষ্টে বুঝিয়ে সুঝিয়ে আমরা নেমে পড়লাম কাজে। বগা ভাই আমাদের প্লান বুঝিয়ে দিলেন। সবারই মন মতে হলো প্লানটা। গভীর রাত । আখরাতে আলো জ্বলছে। আমরা চারমূর্তি এগুচ্ছি আমাদের গন্তব্যের দিকে। ডাকতরা নেশায় বুধ হয়ে মরার মত ঘুমুচ্ছে। কেউ কেউ নাক ষারের… [বিস্তারিত]
আগামীকাল ৯ মার্চ। শফিকের কেসটা ২য় দিনের মত কোর্টে উঠবে। সকাল সকাল উঠে তৈরি হয়ে যেতে হবে।তাই আজ রাত দ্রুত ঘুমিয়ে যাবার চিন্তা করছে ইরা৷ এর মাঝে শফিক অনেকবার ফোন করেছে। কিন্তু সে ধরেনি। এদিকে ওসমানের দেয়া আরও কিছু তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সজীবের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কেসটা সুন্দরভাবে সাজিয়েছে ইরা। নিশ্চই কোর্টে গিয়ে তাকে আর… [বিস্তারিত]
সাম্যবাদী পরমেশ্বর || তিনি সকলের, সকলেরই তিনি যেমন ক্ষুদার্থ বাঘেদের তেমনি- প্রাণভয়ে পালিয়ে ছোটা হরিণের; যেমনি মানুষের তেমনি- নিরীহ প্রাণীদের দুরান্ত কোলাহল মুখর পাখিদের জলে দাপিয়ে বেড়ানো মাছেদেরও। তিনি যেমন হাতিদের তেমনি- হাঙর ও তিমিরদের, জল, স্থল এবং অন্তরীক্ষের সকল প্রাণীদের এমন কী ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রতিটি জীব একইভাবে জীবাণু-ভাইরাসের। তোমরা যেমন- নিজের মঙ্গল আর খাদ্যের জন্য… [বিস্তারিত]
সেই ছোট্ট থেকে একটা সাপকে সব সময় আমার আশে পাশে দেখা যেতো। যেখানে আমি থাকতাম সেখানে সাপটাও থাকতো। এমনকি সাপটা আমার দোলনায় উঠে মাথার কাছে বসে থাকতো। বেশ বড় আর মোটাসোটাও। একদিন তো মা রীতিমতো অজ্ঞান হবার যোগাড়। সাপটা কেনো আমার ছায়া হয়ে থাকতো কেউ জানতো না। (রহস্য) সে যা হোক আমাদের বাড়িতে বট আর… [বিস্তারিত]
এই ঘটনার পর কয়েক দিন নিজেই যেন নিজের কাছে লজ্জিত হয়ে পড়েছিল কাঁদু। কেমন করে সে যেতে পারলো অমন একটা জায়গায়? রুস্তম যায় ঠিক আছে, তাই বলে তাকেও যেতে হবে? ছিঃ! এরপর কয়েকদিন অপরাধীর মতো মুখ করে এড়িয়ে যেতে লাগলো রুস্তমকে। কিন্তু কাজ হয়নি। বন্ধু বলতে একমাত্র রুস্তমই যা পাত্তা দেয় কাঁদুকে। আর সবাই তো… [বিস্তারিত]
নির্বোধ বাঙালি এম আর নিরব সাগর আর কতকাল থাকবো মাগো চুপ্টি করে মুখ। করোনা যে করছে খালি হাজার মায়ের বুক। যে যার মতো চলছে সবাই পরছে রোগে জড়ায়। এক প্রশাসন কিভাবে মা করবে তাতে লড়াই। ধরলে পরে চলছেনা তো কোনো রকম ঘুস। তবু যেন কারোরি মা হচ্ছে না তো হুস। সবাই কেবল হাত পেতে থাকি… [বিস্তারিত]
রাত্রি তিনটে। এদিকে তন্ত্রমন্ত্রে গাঁজার মুগ্ধকরা ঘ্রাণে হঠাৎ করে এক জটাধারী মহাতান্ত্রিকের আগমন। হাতে ত্রিশূল, গলায় নবরত্নের মালা,কাঁধে ঝুলি, গায়ে একখানা লালসালু পরিহিত। রূপেরঘটা ভয়ানক। মনে হয় শ্মশানের অগ্নি ছাই থেকে উঠে আসা। দেখলে যেমন ভয়ে গায়ের লোম খাড়া হয়ে ওঠে। মুখে ক্রীঁ ক্রীঁ ক্রীঁ ফট্ স্বাহা উচ্চারণ করে বিলাস বাবুর মন্দিরের উপবিষ্ট। অন্য তান্ত্রিকরা… [বিস্তারিত]
বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আদেল ও সাঈদ। পড়া-শোনা শেষ করে একটি গ্রামে তারা স্কুলের শিক্ষকতা কর্মে নিয়োজিত। গ্রামটিতে কবর ও মাজার খুব বেশী, মানুষ ওগুলোর তা'যীম করে, নযর-নেওয়াব পেশ করে; উরস করে। স্কুলে যেতে হয় বাসে করে। একদিন বাসের ভিতর আদেল ও সাঈদ পরস্পরিক কথাবার্তায় লিপ্ত। এমন সময় জনৈক বৃদ্ধ বাসে উঠে ভিক্ষা চাইতে লাগলো, গায়ে তার… [বিস্তারিত]
হে সূর্য , তোমার আলোক রশ্মি আমার শুন্য ঘরে আসবে বলে প্রতীক্ষার প্রহর গুনি। কতদিন হয়নি দেখা তোমার মুখ অবরুদ্ধ বাড়ি, পাড়া, মহল্লা, জনপদ আমার পৃথিবীটা আজ অন্ধকার গ্রাস করছে নিয়ত অনিশ্চিত ভবিতব্যে করে যাই কাউন্ট ডাউন এক, দুই থেকে নয় যদি পাশে বসে যায় শুন্য তবে ভারী ভয় হয়। ভারী অচেনা ঠেকে থমকে দাঁড়ানো… [বিস্তারিত]
এখন পিতলের ঘুড়ি ওড়ে সোনালি আকাশে , বসন্তের বৈশাবী কাঁদে দূরন্ত বিরহে বিরহে। অপসংস্কৃতির পেটে খাবি খায় সংস্কৃতির উন্মাদনা। যেন পৌষের সকালে চৈত্রের খরতাপ পুড়িয়ে মারে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। আমি হারিয়ে যাওয়া রং তালাশ করি এই নির্মম সভ্যতার আনাচে কানাচে। কোথাও অস্তিত্ব নেই তার এই মায়াবী বিবর্ণ বাসরে। অতৃপ্তির প্রখরতা কাঁদায় ভীষণ নির্লিপ্ত পরম্পরা বহনের দহনে… [বিস্তারিত]
ওর নাম রহিমা, প্রিয়ার বয়সী গায়ের রং শ্যামলা, হালকা-পাতলা দেহের গঠন, চোখ গুলো যদিও চোখ তারপরও দেখতে ভালোই লাগে। সব সময় হাসি খুশি থাকে মেয়েটা, টাকার অভাবে স্কুলে যেতে পারে নাই। মাত্র ৪ বছর বয়সে ডায়রিয়ায় চিকিৎসার অভাবে মা মারা গিয়েছে, বাবা অন্য স্থানে বিয়ে করেছে। সৎ মা ঘরে আসার পর কিছুদিন আদর যত্ন করতো,… [বিস্তারিত]













