আজ আমার শুটিং জীবনে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবো খুব ভয় ভয় করছে বুকটা দুরু দুরু করছে মা আমার সাথে শুটিং স্পট এ এসেছেন বাবা তার বন্ধুর সাথে বাহিরে কথা বলছেন তার এই বন্ধু জ্যোতি আঙ্কেল হচ্ছে আমার সিনেমার সহকারী পরিচালক বাবা অনেক কষ্ট করে তার বন্ধুকে ধরে আমার সিনেমায় চান্স করে দিয়েছে পরিচালক অভিনেতা সবাই… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
ডেস্কটপ কম্পিউটারে বুঁদ হয়ে ক্লায়েন্টের কাজ করছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে। ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় জানান দিলো পেছনে তাকাতে। আমার পেছনে থাই এর গ্লাস দেয়া জানালা। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ওটা খুলে দেই। আবার বিকেলের আগেই বন্ধ করে দেই। এখনো দুপুর। তাই লাগাইনি। মন বলছে জানালার কাছেই তাকাতে হবে। মনের কথায় পাত্তা না দিয়ে কাজ করা যাচ্ছে না। উজ্জ্বল… [বিস্তারিত]
এই লোকটা বলে কি! আমি বাড়ি থেকে বের হয়েছি ১:৪৫ মি.। রাস্তায় এতো সময় পার হলো এখনও বলে ১:৪৫মি. -আপনার কী মাথা খারাপ হয়েছে। আমি বাসা থেকে বের হয়েছি ১:৪৫ মি.। সে অনেক ক্ষণ আগে আর আপনি বলছেন কেবল... -আপা আমি ঠিকই বলছি। আপনি একবার ঘড়ি দেখে নেন। আমি নিজের হাত ঘড়ির দিকে তাকিয়ে থমকে… [বিস্তারিত]
চার. সন্ধ্যা হয়ে গেছে। আকাশে তারা আছে । তবে চাদেঁর দেখা নেই। আবছা অন্ধকার আর আলোর খেলা চারপাশে। আমরা আছি গ্রাম থেকে অনেক দুরে জঙ্গলের ভিতরে অভিশপ্ত ভুতুরে মাঠে। কুকুরের তারা খেয়ে দিশে হারা হয়ে কখন যে আমরা ভুতুরে মাঠে এসে পড়েছি বলতে পারব না। এ জঙ্গল আর মাঠ নিয়ে অনেক কল্পকাহিনী প্রচলিত আছে আমাদের… [বিস্তারিত]
চৈত্রের খর তাপে চারিদিকে কাঠফাটে ফাগুলের হাওয়া দোলে আগুনের বাহুডোরে চারিদিকে তপ্ত মন শুধু উষ্ণ দখিনা হওয়াতেও অগ্নির বর্ম চারিদিকে উৎপাত গ্রীষ্মের অনুপাত বৈশাখী ঝড় এলো সব কিছু উড়ে নিলো গ্রীষ্মের প্রখরতা চৈত্রের আগমতা চারিদিকে তপ্ত মন তৃষ্ণার্থ গ্রীষ্মের দাবদাহ চৈত্রে সূচনায়ও আমপাকা গরমে কাঁঠালের স্মরণে চারিদিকে তপ্ত মন অনুতপ্ত কবে হবে শৈত মন শুধু… [বিস্তারিত]
কী এমন মহাকান্ড রামলোচন? আজ্ঞে কর্তা মশাই কান্ডটা আপনার নাকের ডগায়! এ কী বলছো রামলোচন? আজ্ঞে কর্তা মশাই নাকে একবার হাত দিয়ে দেখুন। ফলাফল পাঁচমিনিটের মধ্যে। আরে কী সব বকবক করছো রামলোচন। কী হয়েছে সেটা বলার হলে বলো। তোমার সবসময় ন্যাকামো আমার পছন্দ নয়। এছাড়া আমি কি তোমার দাদাঠাকুর? আজ্ঞে না কর্তা মশাই। আপনি কেন… [বিস্তারিত]
আজ বিকেলে কাঁদু রোজকার মতই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। মা বলেছিল একটু গুড় আনিস তো ফেরার সময়, কাল পাকোন পিঠা বানাবো। বলেছিল বটে, হাতে একটা টাকাও দেয়নি। চারজন প্রাইমারীর বাচ্চাকে বাড়িতে গিয়ে পড়িয়ে যা পায়, সবটাই প্রায় দিয়ে দেয় মা'কে। নিজের বিড়ির খরচ সামলে কিছু কি থাকে পকেটে? গুড় কোত্থেকে কিনবে? বিভিন্ন জায়গায় চাকরির দরখাস্ত করতেও… [বিস্তারিত]
বিধাতার কারুকাজ দেখ দিয়ে দৃষ্টি, যুগে যুগে কি যাদুতে সাজিয়েছে সৃষ্টি। অপরূপ প্রকৃতির মায়াময় বংশ, প্রতিদিন তোমরা করছ তা ধ্বংস। প্রকৃতিও পারে ঠিক নিতে তার প্রতিশোধ, তোমরাই পার নাকো করতে তা প্রতিরোধ। অদৃশ্য করোনা সে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র, বাছে না মুসলিম, বৈশ্য বা শুদ্র। দর্প চুর্ণ করে, দূর করে ভেদাভেদ, লাশের মিছিল আনে, টানে মহাবিচ্ছেদ। আবারও প্রমাণ… [বিস্তারিত]
২:১৫ মি. লাস্ট ট্রেন। কোনোভাবেই ট্রেনটা মিস করা যাবে না। এই শেষ ট্রেন মিস করলে আজ আর যাওয়ায় হবে না। কিন্তু আমাকে যে আজই যেতে হবে। রাত আনুমানিক ১:৪৫ মি.। হাতে আর মাত্র আধাঘণ্টা সময় আছে। এবার না বের হলে সত্যি সত্যিই ট্রেনটা আমাকে না নিয়েই বেড়িয়ে যাবে। তড়িঘড়ি ব্যাগটা হাতে নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম। ঘুটঘুটে… [বিস্তারিত]
তুমি আসবে বলে শাড়ি পড়েছি, কপালে পড়েছি সিঁদুর রাঙা টিপ। দু'চোখ মেখেছি কাজল কালিতে, খোঁপায় গুঁজেছি একগুচ্ছ শ্বেত শুভ্র ফুল। দু'হাতে পড়েছি কয়েক গুচ্ছ রেশমী কাঁচের চুড়ি। অধরের পাপড়ি সেজেছে মিষ্টি অধরঞ্জনীতে। আলতারাঙ্গা নগ্ন পায়ে জড়িয়েছি রূপালী মঞ্জীরদল। তুমি আসবে বলে নীলাম্বর সেজেছে মেঘের গুচ্ছে- তোমাকে আমাকে ভেজাবে বৃষ্টির শীতল পরশে। চৈতালি থমকে গেছে দিগন্তের… [বিস্তারিত]
প্রিয় ব্লগবাসী, বাসায় তো আমরা অনেকেই শখের বসে অনেক কিছুই প্রতিপালন করি। সে কুকুর, বিড়াল, পাখি, কবুতর ইত্যাদি যাই হোক না কেন। তবে আমার ক্ষেত্রে পুরো চিত্রটাই ভিন্ন। যাই হোক সে ভিন্নতাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। ঘটনা ১ (স্কুল লাইফ): বহুকাল আগে বানর দেখিয়া মনের ভিতরে ফুড়ুৎ কইরা শখ জাগলো যে একটা বানর… [বিস্তারিত]
এক. পুরোনো জমিদার বাড়ীর আমগাছ তলায় আড্ডা দিচ্ছিলাম আমরা কয়েকজন। আমরা বলতে আমি লিটু আর পল্টু। আমাদের এই আড্ডা সবসময়ে বসে। স্কুলে যাবার আগে এই জায়গায় আমরা কিছুক্ষন সময়কাটাই। আমাদের এই আড্ডার লিডার হলেন বগা ভাই। লিকলিকে চেহারা আর হাড্ডিসার শরিরের জন্য তাকে নববর্ষের খেতাবি নাম দেয়া হয় বগা। এই নামের মাঝে তার আসল নাম… [বিস্তারিত]
একটা মেয়েকে সবাই পুড়াতে নিয়ে যাচ্ছে স্বামীহারা নারীর কষ্ট কেও বুঝছেনা সবাই আছে মৃত্যু উৎসবের আনন্দে স্বামীহারা মেয়েটা কি স্বামীর মৃত্যুর জন্য দুঃখ করবে নাকি নিজের জ্বলন্ত মৃত্যুর জন্য আতঙ্কিত হবে বুঝতে পারছেনা স্বামীকে এত ভালোবাসতো স্বামীর দীর্ঘআয়ুর জন্য সিঁথিতে সিঁদুর লম্বা করে টানতো সেই স্বামী আজ নেই তার তিন কূলে কেও নেই সেই দুঃখ… [বিস্তারিত]
জেলখানায় বসে আছে। চেহারাটা বিভৎস। চোখের মধ্যে চোখ ঢুকে গেছে। আর চেহারার মধ্যে শরীর। যে শরীরের প্রত্যেক অংশেই রোগের ভরাডুবি। এক পলক পড়লেই যে কেউ গালি দেবে। গাঁজাখোর। পুরোদস্তুর গাঁজাখোর। যার নেশার পেশায় ডুবে ডুবে কলিজা অবধি পুড়ে ছারখার। একদম কাচুমাচু অবস্থা। চুলগুলো এলোমেলো অগোছালো। ঠোঁট দুটো কালচে বর্ণ। ছাইপাঁশ পোড়া ঠোঁটের নীলাভ মাংসপেশি। গাল… [বিস্তারিত]
আজ ঘোর মহা অমাবস্যা! বিলাস বাবু একজন তান্ত্রিক কালী মায়ের উপাসক। বাড়িতে আজ কালীপূজার আয়োজন করেছেন। বিলাস বাবু একজন সদাচারী ব্রাক্ষণ। কালীপূজা, দূর্গাপূজা,সরস্বতীপূজা আর যাজনিক করে সংসার পরিচালনা করেন। পরিবারে সস্ত্রীক ও ছেলেমেয়ে নিয়ে মোট চারজনের সংসার। বড় ছেলে বিনু পাড়ার ছোটখাটো টুলের পন্ডিত। বিলাস বাবুর গিন্নী ললিতা রাণী ঘরের কাজকম্ম নিয়ে সারাদিন ক্লান্ত। এমনিতেই… [বিস্তারিত]










