অন্তিম চাওয়া

  তোমার আগে যদি যাই মরে, একগুচ্ছ দোলনচাঁপা রেখো- মোর সমাধির পরে। জীবনাত্মা যে ঘ্রাণ পারেনি নিতে, মরণাত্মা সে ঘ্রাণ নেবে শুষে। দোলনচাঁপার তীব্র ঘ্রাণে; গা গুলাবে, মাথা ঘুরাবে ভেবে শুষ্ক ঘ্রাণহীন দোলনচাঁপা নিও না কিনে, শুভ্র সতেজ দোলন চাঁপা তুমি নিও বেছে। জানি তো! অনেক দূরের পথ পেরিয়ে পাঁচশ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রা শেষে, আসতে [বিস্তারিত অন্তিম চাওয়া]

কী এমন ব্যতিক্রম আছে তোমার?

  যারা আমায় কাঁদিয়েছিল, তারা সবাই কেঁদেছিল একদিন। যারা আমায় ছেড়ে গিয়েছিল, তারা সবাই ফিরে এসেছিল- ফিরি পেতে চেয়েছিল আমায়! কিন্তু আমি সমরেশ মজুমদারের- সেই বয়ে আসা নদী, ছেড়ে যাওয়া ঘাটে যাকে আর- কেউ কখনো ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি। তবে তুমি! তোমার বেলায় এর ব্যতিক্রম কেন? কেন শত সহস্র উপেক্ষার পরেও- বার বার তোমাতেই ফিরে [বিস্তারিত কী এমন ব্যতিক্রম আছে তোমার?]

বিবর্ণ জীবনের আল্পনা

  নিতান্তই অনন্যোপায় হয়ে, মেনে নিতে হলো অপ্রত্যাশিত এই বিরহ। অনাকাঙ্ক্ষিত এই বিরহী সময়কে, সঙ্গে নিয়ে/ সঙ্গী করে দু’চোখের ক্যানভাসে- এঁকে দিলাম স্বপ্নীল সুখের আল্পনা। বড্ড ফ্যাকাসে হয়েছে সে আল্পনা। তাই দেখে নিরূপায় হয়ে বেরিয়ে পড়লাম পথে, পথে পথে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন রঙ নিলাম চেয়ে। তুষার থেকে সাদা কৃষ্ণচূড়া থেকে লাল নীলাকাশ থেকে নীল আবলুস [বিস্তারিত বিবর্ণ জীবনের আল্পনা]

আমি সেই কবিতাটি হবো

প্রলয়ের রাত শেষে; আবার আসবে শিউলি ঝরা ভোর। উন্মুক্ত মাটির বক্ষে পড়ে থাকা, শুভ্র-লাল শিউলি ফুল কুড়িয়ে কোনো এক- ষোড়শী বালিকা ভরাবে তার অঞ্চল।   প্রেমার্ঘ্য সম্পদের মতো; অতি সন্তর্পণে বুকের পরে আগলে রাখবে শিউলি ভরা সেই অঞ্চলখানি। খুব যতনে আলতো করে মালা গেঁথে, পরম মমতায় জড়িয়ে রাখবে- মেঘ কালো দীঘল চুলের খোঁপা।   শিউলি [বিস্তারিত আমি সেই কবিতাটি হবো]

কবিতার সাথে রাত্রিযাপন

  সেদিন ছিল রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর। আকাশের গা-য়ে চাঁদ ছিল কিনা জানি না, তবে আমার ঘরে ছিল পূর্ণ যৌবন দীপ্ত চাঁদ! সেই চাঁদের উজ্জ্বল ঝলমলে দ্যুতির- ঝলকানিতে সম্মোহিত করেছিল আমায়। কবিতার শান্ত চক্ষে ছিল আমার চক্ষু, কবিতার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ছিল আমার দৃষ্টি, কবিতার শক্ত কাঁধে ছিল আমার উতপ্ত নিঃশ্বাস, কবিতার উষ্ণ অধরে ছিল আমার অধর, [বিস্তারিত কবিতার সাথে রাত্রিযাপন]

এক রাত্রি

প্রিয় ঝিনুক, সেদিন সমস্ত শরীর মন জুড়ে ক্লান্তি নেমেছিল, অনুভূতি গুলো হয়েছিল নিস্তেজ। সেদিন সারাদিনই খুব করে মনে পড়েছিল তোমাকে। মনে পড়েছিল রবি ঠাকুরের ছোট গল্পের নায়িকা সুরবালার কথা। সুরবালার জীবনের গল্পের সাথে আমার জীবনের গল্পের কি দুর্দান্ত মিল!সুরবালার মতো আমিও পেয়েছিলাম ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে কাটানো স্মরণীয় এক রাত্রি। হ্যাঁ এক রাত্রিই। এক রাত্রিই পেয়েছিলাম [বিস্তারিত এক রাত্রি]

বন্দী প্রাণপাখি

  প্রিয় নীলাকাশ, একটা বলয়ে আবদ্ধ আমার উড়ন্ত দুরন্ত চপলা চঞ্চলা প্রাণপাখি ছটফটিয়ে মরছে দিবানিশি। বন্দী প্রাণপাখিটি ভয়ানক নৈঃশব্দ্যিক চিৎকারে গুমরে গুমরে কাঁদছে প্রতিনিয়ত আর প্রতীক্ষা করছে। এই নৈঃশব্দ্যিক কান্নার আওয়াজ একদিন কারো কর্ণ গহ্বরে পৌঁছে যাবে। সেদিন কেউ বদ্ধ বলয়ের বেষ্টনী ঠিকই ভেঙ্গে ফেলবে। মুক্ত করবে আমার প্রাণপাখিকে। মুক্ত করবে প্রাণপাখির সীমাহীন ইচ্ছে গুলোকে। [বিস্তারিত বন্দী প্রাণপাখি]

তুমিও ভালো থেকো

প্রিয় বাদল, কিছু প্রিয় মুহূর্ত মস্তিষ্কে গেঁথে নিয়ে একটু একটু করে বেঁচে থাকার নামই যদি হয় ভালো থাকা, তবে আমি খুব ভালো আছি। এতোটা ভালো কেউ থাকতে পারে কিনা জানি না! কিছু প্রিয় স্মৃতি হৃদয় ফ্রেমে বন্দী করে, প্রতিনিয়ত তা রোমন্থন করে একটু একটু করে ভালো থাকার নামই যদি হয় সুখে থাকা, তবে আমি খুব [বিস্তারিত তুমিও ভালো থেকো]

মামার জীবনে অমাবস্যা_(প্রথম পর্ব)

সম্পর্কে তিনি আমার মামা হোন। আমার মায়ের কাজিন। একদিন হঠাৎ করেই মামার মাথায় ভুত চাপলো। মামা (তুকতাক)তন্ত্রমন্ত্র শিখবেন। যেই ভাবনা সেই কাজ। মামা যথারীতি কোনো এক তান্ত্রিকের  কাছ থেকে তালিম নিতে শুরু করলেন। বেশ কিছুদিন শেখার পর এবার মামার এপ্লাই করার পালা। সেদিন ছিল অমাবস্যার রাত। চারিদিকে অমানিশার ঘোর অন্ধকার। এমন ঘুটঘুটে অন্ধকার রাতে কবরে [বিস্তারিত মামার জীবনে অমাবস্যা_(প্রথম পর্ব)]

মালাই কেক রেসিপি

মালাই কেক রেসিপি   উপকরণ ১। তিনটা মুরগির ডিম (চাইলে হাঁসের ডিমও ব্যবহার করতে পারেন) ২। এক কাপ ময়দা ৩। এক চা চামুচ বেকিং পাউডার ৪। এক লিটার তরল দুধ ৫। একটা কনডেন্ডস্ মিল্ক ৬। একফোঁটা ভ্যানিলা এসেন্স ৭। আধা কাপ চিনি   প্রস্তুত প্রণালী প্রথমে ডিম ভেঙে কুসুম আলাদা করে নিয়ে সাদা অংশ ইলেকট্রিক [বিস্তারিত মালাই কেক রেসিপি]

মানবী মূর্তি

  একদিন স্থবির হয়ে যাবে স্বপ্ন, অকেজো হয়ে যাবে অনুভুতি, রক্ত মাটির নরম কোমল হৃদয় একটু একটু করে জ্বলে পুড়ে- হয়ে যাবে কংক্রিটের মতো শক্ত। সেদিন আর কোনো বিষাদ- ছুঁতে পারবে না আমার কংক্রিট হৃদয়। আর কোনো কষ্টানুভূতি- ভিজাতে পারবে না আমার  আঁঁখি পল্লব। সমস্ত হতাশার ঊর্ব্ধে থাকবে আমার মন। স্বপ্নহীন অনুভূতিহীন জীবন্ত চলমান- এক [বিস্তারিত মানবী মূর্তি]

প্রথম শুভেচ্ছা বার্তার অপেক্ষা

  এ আমার আজন্ম লালিত অপেক্ষা, এ আমার আজন্ম প্রত্যাশিত অপেক্ষা, এ আমার শত সহস্র বছরের অপেক্ষা। সারা বছর সারা যুগ নাইবা মনে রাখুক, বিশেষ দিনগুলোতে অন্তত মনে রাখুক, ঘড়ি ধরে ঠিক ঠিক বারোটায় উইশ করুক, প্রথম শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশেষ দিন গুলো- আরো আরো বিশেষ করে তুলুক। বিশেষ দিনে প্রিয়জনের প্রথম শুভেচ্ছা বার্তা এসে- আনন্দ [বিস্তারিত প্রথম শুভেচ্ছা বার্তার অপেক্ষা]

পাঁউরুটির দুধ পুলি রেসিপি

রাজকুমারী শুধু এক বলে আম্মু কিছু খেতে ইচ্ছে করছে। রাজকুমারীর আম্মু শুধু শুনে নেন় কী খেতে ইচ্ছে করছে। মিষ্টি না ঝাল? রাজকুমারী যেমন বলেন তেমনই খাবার বানিয়ে দেন রাজকুমারীর আম্মু। হ্যাঁ আমার রাজকন্যার রসনা তৃপ্তি নিবারণ করি ঘরের তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত সুস্বাদু কোনো না কোনো খাবার দিয়ে। চেষ্টা করি যাতে বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার না খেতে হয়। [বিস্তারিত পাঁউরুটির দুধ পুলি রেসিপি]

একটুখানি ইচ্ছে পোষণ

  তুমি কি আমার ভোর হবে, শুনসান নিরব শান্ত ভোর? রাত্রি জাগা নির্ঘুম জ্বালাময়ী- দু’চোখে ঠোঁট ছুঁয়ে সু-শীতল করবে, এনে দেবে শান্তির ঘুম? তুমি কি আমার দুপুর হবে, তপ্ত খাঁ খাঁ উদাসী অলস দুপুর? মন কেমন নিয়ে জানালার গ্রিলে হাত রাখা- খেয়ালি আমিকে আচমকা জড়িয়ে ধরবে, অধরে অধর রেখে প্রাণবন্ত করবে? তুমি কি আমার বিকেল [বিস্তারিত একটুখানি ইচ্ছে পোষণ]

কথোপকথন (সময়ই সবটা ঠিক করে দেবে)

-কি হলো, ঘুম আসছে না? আকস্মিক অনাকাঙ্ক্ষিত চিরচেনা প্রিয় কন্ঠস্বর কর্ণ ভেদ করে মস্তিষ্কে পৌঁছে যেতে চমকে উঠলাম আমি। বললাম- তুমি! এভাবে কেউ হুটহাট কথা বলে? -ভয় পেয়েছো? তা পেয়েছি বৈকি। জানোই তো দুর্বল হার্ট, একটুতেই হার্টবিট বেড়ে যায়‌। -হুম। তা কী অতো ভাবছিলে? আমি এলাম, পাশে দাঁড়ালাম আর তুমি টেরই পেলে না। কোথায় হারিয়ে [বিস্তারিত কথোপকথন (সময়ই সবটা ঠিক করে দেবে)]