প্রতিশ্রুতি_১

  সেদিন রাত্রির প্রথম প্রহরে রাস্তার পাশে সুসজ্জিত ল্যাম্পপোস্টের নিচে- নিয়ন বাতির আবছা আলোয় দাঁড়িয়ে, আকাশ-বাতাসকে সাক্ষী রেখে কথা দিলে; কখনো কোনো অবস্থাতেই ভুলবে না তুমি আমাকে।। যে হাত ধরেছো তুমি জীবনের পড়ন্ত বেলায় – সে হাত ছাড়বে না কভু – কথা দিয়েছিলে; তোমার হৃদয় সিংহাসনে আমার জন্য যে আসন গড়েছ তুমি – কাউকে বসতে [বিস্তারিত প্রতিশ্রুতি_১]

অভাজন প্রেমিকা (অ-কবিতা)

সেদিন ভোর বিহানে তোমার কোজাগরী আকাশে, যে অষ্টমীর চাঁদ আমি এঁকে দিয়েছি। সে চাঁদের ছোঁয়ায় এতোটুকুও কাঁপেনি, রক্ত মাংসে গড়া কঠিন হৃৎপিণ্ড তোমার। এটা জেনে হতচকিয়ে গেলেও অবাক হইনি একটুও! জানতাম পাথরের তৈরি পাথরমানব, অথবা লোহার তৈরি কোনো লৌহমানব তুমি। ছোট্ট একটা চাঁদের এতো উষ্ণতা কই, যে শিহরিত করবে তোমার তনু মন! তবুও আশাবাদী এক অভাজন প্রেমিকা [বিস্তারিত অভাজন প্রেমিকা (অ-কবিতা)]

অনুপমার অব্যক্ত প্রেমের গল্প

অনুপমার অব্যক্ত প্রেমের গল্প কে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে, কে? পিছনের অবয়ব দেখে মনে হচ্ছে ,সে আমার কত যুগের চেনা। যেনো কতো শত বছর ধরে জানি তাকে । কে, কে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে অমন পাশটি ফিরে একবারও ঘুরছে না, তাকে দেখবো কি করে? নাহ এ তো দেখছি ফিরছেই না। যাই আমি না হয় সামনে গিয়ে দেখি, [বিস্তারিত অনুপমার অব্যক্ত প্রেমের গল্প]

অনু গল্প (ভোলা যায় কি প্রথম প্রেম?)

হঠাৎ এক যুগ আগের স্মৃতির করিডোরে এসে দাঁড়িয়েছে পুষ্প। এখনো বাদলের জন্য পুষ্পের বুকের বাম অলিন্দে চিনচিন ব্যথা অনুভূত হয়। নিঃশব্দে চুপিসারে হুহু করে কেঁদে ওঠে মন। মনে পড়ে যায় ফেলে আসা বিষণ্ণ অতীত। যে অতীত কখনো সুখের স্মৃতি হয়ে আবার কখনো বিরহ হয়ে ধরা দেয় পুষ্পের কাছে। এক যুগের ও বেশি সময় হয়ে গেছে [বিস্তারিত অনু গল্প (ভোলা যায় কি প্রথম প্রেম?)]

পাঁচশ টাকায় এক কাপ চা (শেষ বিকেলের প্রণয়_খণ্ডাংশ)

মোহনাঃ ঐ আছিস? কি করিস? অর্ণবঃ হুম। ভাবছি। পাঁচশ টাকার এক কাপ চা নিয়ে ভাবছি। মোহনাঃ কি রে গাঞ্জা টাঞ্জা খেয়েছিস নাকি? কি ভাট বকছিস? পাঁচশ টাকা এক কাপ চায়ের দাম? তা কোথায় তৈরি হয় এমন চা? অর্ণবঃ ঐ হারামী আগে শুনবি তো নাকি? না শুনেই বকবক করছিস। রাত প্রায় ১২টা। শহর থেকে অনেকটা দূরে [বিস্তারিত পাঁচশ টাকায় এক কাপ চা (শেষ বিকেলের প্রণয়_খণ্ডাংশ)]

কথা বলা কোলবালিশ (শেষ বিকেলের প্রণয়-খণ্ডাংশ)

মোহনাঃ  হুম আছি। এই অর্ণব আমাকে ডাইভিং শিখাবি ? অর্ণবঃ স্বপ্নে গিয়ে শিখাবো নাকি ডাইভিং? মোহনাঃ আরে শোন না, আমাকে ডাইভিং শিখিয়ে ড্রাইভারের চাকরিটা দিস। বেশি বেতন দিতে হবে না। চলার মতো হলেই হবে। অর্ণবঃ আমি তো কোন টাকা পয়সায় দিতে পারবো না। ফ্রীতে চাকরি করলে আইসা পর। মোহনাঃ আচ্ছা কোন টাকা পয়সা দিতে হবে [বিস্তারিত কথা বলা কোলবালিশ (শেষ বিকেলের প্রণয়-খণ্ডাংশ)]

শেষ বিকেলের প্রণয়( অনিন্দ্য কে লেখা মোহনার চিঠি)

প্রিয় অনিন্দ্য, জানি না তুমি কেমন আছো? তবে আমি যে ভালো নেই সে তুমি অবশ্যই জানো। কেমন আছি কেমন আছো তা নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই আমার। যা হোক যে কারণে তোমাকে লিখতে বসা, সেটা নিয়েই বরং শুরু করি কথা। আমি জানি এই মুহূর্তে তুমি আমাকে প্রচণ্ড ঘৃণা করো, ঘৃণা করার মতো যথেষ্ট কারণ আছে। [বিস্তারিত শেষ বিকেলের প্রণয়( অনিন্দ্য কে লেখা মোহনার চিঠি)]

শেষ বিকেলের প্রণয়(শেষের কিছু অংশ)

গল্প লিখে চলেছি গল্প। একজন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জীবন সায়াহ্নের অন্ধকারে এসে ক্ষণিক আলো পাওয়া ও সেই আলোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাওয়া তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই শিরোনাম ‘শেষ বিকেলের প্রণয়’ নাম দিয়েছি। ইচ্ছে ছিলো  শেষ বিকেলের রোদ্দুর হবে আমার উপন্যাসের শিরোনাম । কিন্তু আমার আগেই কেউ এ শিরোনামে গল্প গুচ্ছ লিখেছেন। তাই নামটি পরিবর্তন করতে হলো সব [বিস্তারিত শেষ বিকেলের প্রণয়(শেষের কিছু অংশ)]

উপহার ও শুভেচ্ছা বার্তা

তোমায় নিয়ে লিখতে গিয়ে কতকিছুই যাই ভুলে কোনটা রেখে কোনটা লিখি- ভাবছি কেবল হাই তুলে, কাজল কালো দুই নয়নের আলোয় ঘোচে অন্ধকার রাঙিয়ে দিলে জীবন আমার, হোক না শ্যামল রং তোমার।। হাসিমাখা মুখে যখন বললে আমায় বন্ধু হে – ভাবছি হাজার যোগ্য কি তার দেবো জবাব এই ভবে, কিছু স্মৃতি থাকনা জমা মনের গহীন বন্দরে [বিস্তারিত উপহার ও শুভেচ্ছা বার্তা]

কী দিয়া তোমায় সম্বোধন করিবো

বিঃদ্রঃ হয়তো তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি।প্রথম এমন লিখেছি।সাধু ভাষা, চলতি ভাষা, বিভিন্ন ভাষার সংমিশ্রন এসেছে,,, প্লিজ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এটা জাস্ট মজা করার জন্য লিখেছি।     প্রিয়,,,,,, কি দিয়ে তোমাকে সম্বোধন করিবো অনেক ভাবিয়া তাহা স্থির করিতে পারিলুম না বলিয়াই বাধ্য হইয়া প্রিয়তে এসে থেমে গেলুম।বোধ করি ভালো কাটিতেছে তোমায় সময় গুলি,নতুন মানুষ তোমায় ভালো [বিস্তারিত কী দিয়া তোমায় সম্বোধন করিবো]

অনুশোচনা

ভালোবাসার পলকাহীন ঘোড়ায় চেপে, ঠিকই এসে পৌঁছালে আমার দ্বারে। বললে ভালোবেসেছিলে, এখনোও বাসো। ভালোবাসতে তুমি অথচ সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া- বালিকার অবুঝ মনের ভালোলাগা, ভালোবাসা, দু’পায়ে দলিয়ে চলে গেলে দূরে বহু দূরে। একবারের জন্যও পিছু ফিরে দেখলে না। নিরুপায় আমি শুধু চেয়ে থেকেছি, অশ্রু ঝরিয়ে কদর্মাক্ত করিনি তোমার যাবার পথ। আজ আবার ফিরে এলে ভালোবাসার- [বিস্তারিত অনুশোচনা]

প্রিয় শুভ্রনীল

প্রিয় শুভ্রনীল, আশ্বিনের এই শেষ বিকেলে খুব করে মনে পড়ছে তোমায়।মনে পড়ছে তোমার সাথে কাটানো প্রত্যেকটি বিকেলের কথা।অনেক দূরে থেকেও আমরা থেকেছি একে অপরের খুব কাছে।স্পর্শে বাইরে থেকেও থেকেছি একে অপরের শরীরে লেপ্টে।থেকেছি নিঃশ্বাসের খুব কাছে। অনুভবে তোমার নিঃশ্বাস আমার নিঃশ্বাসের সাথে মিলে মিশে-আমাদের শিহরিত করেছে প্রতিদিন। ২৪৩ কিমি দূরত্ব যেনো দমে রাখতে পারেনি-আমাদের ছুঁয়ে [বিস্তারিত প্রিয় শুভ্রনীল]

অসমাপ্ত প্রেম

একবার মনে হলো ফিরে যাই তোমার ঐ বন্ধ দরজার এপার থাকে পেছন ফিরতেই থমকে গেলাম আমি নাহ আর চলতে পারছি না। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ক্লান্ত শ্রান্ত অবসন্ন দেহকে সামনে এগিয়ে নেবার ক্ষমতা নেই আমার আবার পিছন ফিরে তোমার দরজায় অাঘাত করবো এমন সাহসও যে পাচ্ছিনে। অনেক কষ্টে বন্ধ দরজায় আঘাত করে তোমার দোর খোলার অপেক্ষায় [বিস্তারিত অসমাপ্ত প্রেম]

শেষ বিকেলের রোদ্দুর_৫

অর্ণবঃ তুই করে না বললে মজা লাগে না। বন্ধুত্ব জমে না। মোহনাঃ আচ্ছা, আপনি চাইলে বলতে পারেন। সমস্যা নেই। অর্ণবঃ আবার বলেন,,,, বলেন না বল। আমি একা কেনো বলবো? তুইও বলবি মোহনাঃ ওরে বাপ্রে,,,আমি বলবো না। ছি ছি! অর্ণবঃ  তাহলে আমিও বলবো না। মোহনাঃ আমি আপনাকে তুই বলবো! অর্ণবঃ অবশ্যই। মোহনাঃ  এটা কি করে হয়? [বিস্তারিত শেষ বিকেলের রোদ্দুর_৫]

শেষ বিকেলের রোদ্দুর_৪

প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে। ওকে একবার দেখতে ইচ্ছে করছে, কথা বলতে ইচ্ছে করছে।মনে হচ্ছে সব বাঁধন ভেঙে চুরে এক দৌঁড়ে ছুটে গিয়ে আঁছড়ে পড়ি তার বুকের। জাপটে ধরে জিজ্ঞেস করি, কি করে রয়েছো দূরে? কি করে পারছো কথা না বলে থাকতে? এতো নিষ্ঠুর হলে কি করে? একবারও মনে পড়ে না আমাকে! এই কি সেই যে আমায় [বিস্তারিত শেষ বিকেলের রোদ্দুর_৪]