অভাজন প্রেমিকা (অ-কবিতা)

সেদিন ভোর বিহানে
তোমার কোজাগরী আকাশে,
যে অষ্টমীর চাঁদ আমি এঁকে দিয়েছি।
সে চাঁদের ছোঁয়ায় এতোটুকুও কাঁপেনি,
রক্ত মাংসে গড়া কঠিন হৃৎপিণ্ড তোমার।
এটা জেনে হতচকিয়ে গেলেও অবাক হইনি একটুও!
জানতাম পাথরের তৈরি পাথরমানব,
অথবা লোহার তৈরি কোনো লৌহমানব তুমি।
ছোট্ট একটা চাঁদের এতো উষ্ণতা কই,
যে শিহরিত করবে তোমার তনু মন!
তবুও আশাবাদী এক অভাজন প্রেমিকা আমি,

কোনো একদিন পাথরের বুকেও বইবে প্রেমের স্রোতধারা।

লৌহমানবও উন্মত্ত হয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবে,
আরো একটি ছোট্ট চাঁদের উষ্ণ স্পর্শে রোমাঞ্চিত হবার।

 

 

মোট পড়েছেনঃ ১,২৫৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. আমার তিনটি প্রিয় শব্দ আপনার লেখায় দেখলাম।
    ভোর, বিহান আর কোজাগরী।
    পাথরের বুকে হাতুড়ি চালালে কান্নাকাটি শুরু না হয়,
    একটু খেয়াল রাখতে হবে।

  2. সেদিনের অপেক্ষা সব প্রেমিক প্রেমিকাই কতে, যেদিন পাথরে ফুল ফুটবে। নিজের জন্য অন্যকেউ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবে।

    দারুণ লিখেছেন আপু।

  3. রক্ত মাংসে গড়া কঠিন হৃৎপিণ্ড তোমার।

    সে নবীন কিশোর।
    প্রেমিকা আজও খুঁজে প্রেমিকের ভাবার্থ।
    বেশ লেখনী দিদি।

  4. চমৎকার লেখনী। সাথের ছবিটাও সুন্দর।

    কোনো একদিন পাথরের বুকেও বয়বে প্রেমের স্রোতধারা।- এই লাইনে ‘বইবে প্রেমের স্রোতধারা’ হবার কথা।

  5. ছোট্ট একটা চাঁদের এতো উষ্ণতা কই,
    যে শিহরিত করবে তোমার তনু মন!
    তবুও আশাবাদী এক অভাজন প্রেমিকা আমি,
    ভালোই লিখেন !
    সত্যিই তো অভাজন প্রেমিকা থাকে প্রতিক্ষায়
    যেমনি থাকে ভাগ্যদেবীর আশায়

  6. জানতাম পাথরের তৈরি পাথরমানব,
    অথবা লোহার তৈরি কোনো লৌহমানব তুমি।
    ছোট্ট একটা চাঁদের এতো উষ্ণতা কই,
    যে শিহরিত করবে তোমার তনু মন!
    তবুও আশাবাদী এক অভাজন প্রেমিকা আমি,

    কোনো একদিন পাথরের বুকেও বইবে প্রেমের স্রোতধারা। অসাধারণ হয়েছে।

  7. আমি পড়ে পড়ে শিহরিত!
    নাইন ইলেভেন খ্যাত বেঞ্জামিন বা কেভিন এলট্রো টমাসের মত মৃত প্রেমিকার সমাধীর পাশে ঘর বেঁধে আজীবন কাটাতে ইচ্ছে হয়।

  8. হাতে হাত… চোখে চোখ, অধরে অধর
    বুকের গভীরে শুধু বেজেছিল প্রিয়া
    ঝরা পাতা সুরের ঐ সুর – মর্মর
    কেঁদেছে হৃদয় মম কাঁদেনি’ক হিয়া ।।

    হা হা হা 😀
    আপনার সেই প্রণয়ের অংশীদার হলে এই কবিতার জবাব আমি এভাবেই দিতাম❤️❤️❤️

মন্তব্য করুন