উপহার ও শুভেচ্ছা বার্তা

তোমায় নিয়ে লিখতে গিয়ে কতকিছুই যাই ভুলে
কোনটা রেখে কোনটা লিখি- ভাবছি কেবল হাই তুলে,
কাজল কালো দুই নয়নের আলোয় ঘোচে অন্ধকার
রাঙিয়ে দিলে জীবন আমার, হোক না শ্যামল রং তোমার।।

হাসিমাখা মুখে যখন বললে আমায় বন্ধু হে –
ভাবছি হাজার যোগ্য কি তার দেবো জবাব এই ভবে,
কিছু স্মৃতি থাকনা জমা মনের গহীন বন্দরে
তোমার স্মৃতির পরশ যে আজ মাখছি কেবল অন্তরে ।।

শেষের বেলায় আসলে তুমি শুরু করার শুনতে গান
বিদায় ঘন্টা বাজছে দূরে আজকে কেবল কাঁদছে প্রাণ
কেনই এলে গোধূলির এই “শেষ বিকেলের রোদ্দুরে”
যেতেই হবে সব ছেড়ে আজ সময় বলে যায় সুরে ।।

জন্মদিনে তোমায় দেবো এমন কি আর উপহার –
মূল্য দিয়ে যায় কি কেনা ভালোবাসার অধিকার,
অমূল্য সেই প্রেমের তরে আজকে আমি করবো দান-
অস্ত রবির মৃদু আলোয় আমার এ জরাজীর্ণ প্রাণ ।।

অনন্য অর্ণব
উত্তরা ঢাকা

সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ উপহার তুমি আমার জীবনে প্রিয় বন্ধু

উপহার পেতে সবারই ভালো লাগে। লাগারই কথা, কেনোনা  উপহারে ভালোবাসা মিশানো থাকে। মানুষ তার বিশেষ মানুষদের জন্য উপহার পাঠায় হোক তা ভাই,বোন বন্ধু, প্রিয়তমা, বউ সর্বোপরি প্রিয়জন আপনজন‌। তাই উপহারে ভালোবাসা মিশে থাকবে এ আর নতুন কি? আমারও ভালোলাগে কাউকে উপহার দিতে। আমি উপহার দিতে কার্পণ্য করি না কখনো। কারো জন্য কিছু করতে পারলে, কাউকে কিছু দিতে পারলে আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু কারো থেকে কিছু নিতে কেনো জানি আমার আত্মসম্মানে লাগে, নিজেকে খুব ছোট মনে হয়। কেউ আমার জন্য কিছু করলে আমার খুব অস্বস্তি হয়, খারাপ লাগে।

অর্ণব আমার বন্ধু। সম্প্রতি আমাদের পরিচয় প্লাস খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়েছে। আমাদের বন্ধুত্ব আমাকে ছাপিয়ে আমার পরিবারে এসে পৌঁছে গেছে। তিতলী আর শফিকের সাথেও দারুণ বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। ও শুধু বন্ধু নয় আমার পরিবারের একজন হয়ে উঠেছে।

যখন জানলাম হাজার ব্যস্ততা মধ্যেও আমার বিশেষ দিন মনে রেখে আমার জন্য উপহার কিনেছে তখন আমি তাকে না করতে পারিনি। বলতে পারিনি পাঠাস না ওগুলো আমি পছন্দ করি না বা আমার নিজেকে ছোট মনে হয়।আমার আত্মসম্মানে লাগে। প্রায় সকাল ৬/৭ থেকে রাত  ১২ পর্যন্ত ব্যস্ত থাকে ও। রাত ১২টায় বাসায় ফিরে রাত ৩ পর্যন্ত বসে বসে প্যাকেট করেছে উপহার গুলো শুনে মেজাজ প্রচন্ড খারাপ হয়েছিলো। রেগে গিয়ে উল্লুক, বান্দর, হারামী, শয়তান ঐ মুহূর্তে যা যা মুখে এসেছে বলে নিজেকে ক্ষান্ত করেছি।
(পরে অবশ্য খুব খারাপ লেগেছিলো। আবার হাসিও পেয়েছিলো এমন ছেলেমানুষি দেখে)

এই প্রথম কারো থেকে কিছু নিতে আমার খারাপ লাগেনি। আত্মসম্মানে লাগেনি। মনে হয়েছে এ শুধু উপহার নয় এক বন্ধুর প্রতি অন্য বন্ধুর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা। বন্ধুত্ব পবিত্র সম্পর্ক। এ এমন এক সম্পর্ক এখানে একজন অন্যজনের জন্য শুভকামনা ও মঙ্গল চাওয়া ছাড়া আর কিছুই চাওয়ার নেই, পাওয়ার নেই।
জয় হোক বন্ধুত্বের, জয় হোক ভালোবাসার।

হুমায়ূন স্যারের কোনো বই পড়িনি শুনে বলেছিলো তুই কি রে! ওর প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ। তাই তাঁর লেখা বই গুলো পাঠিয়েছে আমার জন্য। বিশেষ দিনে পাওয়া বিশেষ উপহার বই। সাহিত্য প্রেমী বই প্রেমী আমার কাছে  বই এর চেয়ে দামি কিছু হয় না।

তরে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করতে চাই না প্রিয়। সব সময় ভালো থাকিস আর শক্তি, সাহস হয়ে আমার পাশে থাকিস় বন্ধু প্রিয়। তোর জন্য এক পৃথিবী শ্রদ্ধা মিশ্রিত ভালোবাসা রইলো।

সবাই দোয়া করবেন আমার বন্ধুটির জন্য। ও যেনো সুস্থ থাকে ভালো থাকে সারাজীবন আর আমাদের বন্ধুত্ব যেনো টিকে থাকে আমৃত্যু।

মোট পড়েছেনঃ ২৫,৯৪০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩১টি মন্তব্য

  1. আমিও উপহারের লোভে কমেন্ট করলাম, এতগুলো বই কিংবা উপহার সামগ্রী ভালোই লাগবে আমার।

    সত্যি সত্যি.. উপহারের অপেক্ষায় রইলাম।

    1. যদি চকলেট চান দিতে পারি। বাকি গুলো পৃথিবী উল্টে গেলেও দিতে পারবো না। তবে হ্যাঁ এ গুলো থেকে না দিলেও কিনে দিতেই পারি।
      আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ভাইয়া

  2. অর্ণব সত্যিই আপনার কাছের বন্ধু, নইলে কবিতা প্লাস গিফট্ এতো কিছু সাধারণত কেউ করে না…….দুই বন্ধুর জন্যই শুভ কামনা।

  3. উপহার পেতে এবং দিতে আমার খুব ভাল লাগে।
    আপনাদের নির্মল বন্ধুত্ব বেঁচে থাকুক যুগ যুগ ধরে।
    একই পোস্টে দুই জনার লেখা পেলাম।

    দুজনকেই শুভেচ্ছা।
    শুভ কামনা।

  4. হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা আজ তোমার জন্য-
    কষ্ট ব্যথা যন্ত্রণা- অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর হাতছানি,
    সব কিছু ছাপিয়ে আজ আমি হাসতে শিখেছি কেবল তোর জন্য,
    তুই ভালো থাকিস সবসময়- বন্ধু,
    আমি বেঁচে থাকবো তোর মনে মননে লেখনীতে- অনন্তকাল।
    তোর জন্মদিন যেনো ফিরে ফিরে আসে হাজার বছর।

    শুভ জন্মদিন বন্ধু 🌹🌹

    1. আমৃত্যু আমি তোর উপহারের আর কবিতার জন্য অপেক্ষা করবো প্রিয়
      তাই ভুলে যা তুই আমাকে ছেড়ে আগেই ওপারে যাবি।
      অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর হাতছানি সবারই জন্য প্রযোজ্য
      যে কেউ যেকোনো সময় চলে যেতে পারে।
      এতো ভেঙে পড়লে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হবে

  5. এখানে প্রত্যেকটা বই আমার পড়া। একেকটা অনেক জোস। প্রথমে সোনালী দুঃখ পড়েন। এই বইয়ের প্রথম তিন পৃষ্ঠা আমার কতোবার পড়েছি তার হিসাব নেই। অর্ধেক জীবন, আরেকটা সেরা বই। সুনীলের বই গুলোর একটা মজা হলো, তার বইতে গল্পের ছলে সে অনেক ইতিহাস বলে দেয়। অর্ধেক জীবনে দেশ বিভাগের সময়কার কথা পাবেন। হুমায়ূন আহমেদের ইস্টিশনও জোস। পড়ার সময় মনে হবে আপনি ইস্টিশনের পাশে কোন বাড়িতে থাকছেন। ট্রেণের হুইসেল বেজে উঠবে আপনার কানে।

    উপহার যে দিয়েছে তার রুচি ভালো। তার জন্য ভালোবাসা। আপনার জন্য শুভকামনা। বই গুলো পড়ে পাঠ অনুভূতি শেয়ার করবেন, সেই আশা রইল।

    1. অবশ্যই পাঠ রিভিউ দেবো
      যে পাঠিয়েছে সেও বলেছে আগে সোনালী পড়তে। সে নাকি কয়েকশ বার পড়েছে।
      হাতে একটু কাজ আছে।সেটা শেষ করেই পড়া শুরু করবো ইনশাআল্লাহ

      কৃতজ্ঞতা সহ আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ভাইয়া

মন্তব্য করুন