একটু যখন বড় হলাম, মুখটা একটু লাবণ্যময় তুইও যখন হাত পা ঝারা,গোঁফের উঁকি প্রেম করবো দু’জন মিলে ইচ্ছে ছিলো! বুকের মধ্যে কম বয়সের উনুন হৃদয় খুব জ্বলুনি; দেখা পেলেই বৃষ্টি হতো, বুকের ওমন জ্বলন্ত ছাদ শীতল হতো তোকে পেলেই পাল্টে যেত দৃশ্য সময়! তুই আমিতে এমন যখন ছটফটানি যখন এমন পাগল পারা ; ইচ্ছে ছিলো [বিস্তারিত ইচ্ছে ছিলো]
সেদিন আলোর রংটা ছিল ভারি অদ্ভুত, কেমন যেন ভালবাসা মাখামাখি ছিল। হঠাৎই বললে আয় দু’জন ভালবাসার বৃক্ষ হই। সব্বার চোখ ফাঁকি দিয়ে দু’জনে একসাথে থাকা যাবে। বেশ তাই হোক তবে। তারপর কতকাল গত হয়ে গেল। একাগ্র মৌনতায় একাকী বৃক্ষ হয়ে রইলাম,এতটা কাল; এমন নিমগ্নতার নামই তো ‘নারীর প্রেম’। কি আশ্চর্য তুমিতো থাকোনি। আমার পাতার উপরে [বিস্তারিত একাগ্র প্রতীক্ষা]
এই নাও, আমার হাত খানা তোমাকে দিলাম। একবার প্রেম জেনে ছুঁয়ে দিতে পার, একবার ছুঁয়ে দিলেই, এই পাংশুটে জীবন থেকে- স্বেচ্ছায় নির্বাসন নেবো মৃত্যু উপত্যকায়। এখানে জীবন বড় আঁশটে গন্ধ মাখা। বড় এক ঘেয়ে আর আটপৌঢ়ে জীবন। কোথাও এক চিলতে খোলা আকাশ নেই। বৃক্ষরা বিবর্ণ আর কষ্টে ফোটা ফুল গুলো রঙহীন! এখানে সূর্যের হাসি নেই ,পাখিরাও [বিস্তারিত তুমি এবং জীবন]
আমি জানিনা জানিনা কেন- কেন এমন মন ভোলা লাগে? কেন জাগে বুকের মধ্যে চৈতালি চর? কষ্টের নদী কেন উথলে ওঠে? হঠাৎ কারো জন্যে- কেন যে পুড়ে যেতে থাকে? কেমন অজানা আগুনে কেবল- পুড়ে পুড়ে ছাই হয়ে যায়? হঠাৎ ঘুমভাঙা রাতে, বুক মোচড়ানো ব্যথায়- কেন যে ছিঁড়ে যেতে চায়? প্রিয় কোনো মুখের জন্য। জানিনা জানিনা কেন [বিস্তারিত পুড়ে যায় কেন]
কতো হলো বয়স তোমার? তেইশে সাতাশে পন্ঞ্চাশ হলো শেষ! একটু কি মোটা হয়েছো? তুমি বেশ ছিপছিপে ছিলে চুলেও তো পাক ধরেছে! ভুড়িটাও এলিয়েছে বেশ। আহারে তুমি লজ্জা পাচ্ছো কেন? আমিও বুঝি সেই তন্বীটি আছি? দেখোনা কপালে রুপালি চুলের গাছি। আমারও কিন্তু কম হলোনা যেন! তেরোতে সাতাশে চল্লিশ পেরিয়েছি! বসোতো এখানে, এবার বলো, কেমন চলছে সংসার? [বিস্তারিত শেষ বেলার ট্রেন]
খুব শীত কিম্বা বর্ষার ঠান্ডা স্যাতস্যেতে রাতে মাকে দেখতাম বাবার লুঙ্গি আর ফতুয়াটা! আঁচলের নিচে লুকিয়ে শরীরের ওমে গরম করে রাখতো! ঠান্ডায় জড়সড় বাবা ঘরে ফিরতেই লাজুক হেসে মা ওগুলো এগিয়ে দিতো। বাবার অবাক চাহনির দিকে তাকিয়ে মা বলতো বাইরে কি যে ঠান্ডা! বিছানা বালিশ সব বরফ হয়ে আছে, তাই ভাবলাম ….. বাবাকে কি যে [বিস্তারিত দরকার কি বলো ভালবাসার একটা বিশেষ দিনের]
কতদিন দেখিনি তোমাকে ! কত শতাব্দী পার হয়ে গেলো। তুমিতো বলবে আরে ! এইতো মাত্র সেদিন,একসাথে খুনসুটিতে কেটে গেল দুপুর, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা! তারপর জোৎস্না চুঁইয়ে রাতও গেলো। তুমি কি জানো তোমাকে না দেখার প্রতিটা প্রহর এতোটাই দীর্ঘ এতোটা! যেন সমস্ত পৃথিবীটা বুকে হেঁটে পার- হচ্ছি আমি এক অভিশপ্ত শামুক!! তোমাকে না দেখার মুহুর্তগুলো এতো [বিস্তারিত অনুভবে পার্থক্য]
এইটুকুনই চেয়েছিলাম , বাড়িয়ে দিলে হাত । তোমার হাতটি পাবো থাকুক যতোই সংঘাত।, দিলে! কিন্তু নির্ভরতা পাইনি। একটু খানি আশা ছিলো, তোমার বুকের মদ্ধিটায়, ঝড় বাদল আর চৈত্র ঘামে শুধুই আমার হবে ঠায়। দিলে! কিন্তু হৃদয়টাতো পাইনি। এত্তটুকুই চাওয়া ছিলো, বেশি কিছু চাইনি। মাঘের শীতে তোমার ওমে রাত কাটাবো দিলে! কিন্তু উষ্ণতাটা পাইনি একটাইতো জীবন [বিস্তারিত অক্ষমতা]
কিছুই লিখতে পারছি না, কলমে কালি নেই তাজা রক্তের উল্লাস আমাকে উপহাস করে ওরা। নিদারুন বিষন্ন কিছু শব্দ, খাতার পাতা ছেড়ে, আমার চারিদিকে ভুতুড়ে নৃত্য করে। শব্দেরা চিৎকার করে বলে, কি লিখতে চাও তুমি? কার কথা? আমি উত্তর দিতে পারিনা। আমার মানুষ পরিচয়ই বড় বেশি লজ্জিত করে আমাকে। আমি ক্ষমা চাই ওই বিষন্ন শব্দের কাছে। [বিস্তারিত কবিতা পারেনা বদলাতে]
আজ বড় কষ্টের দিন ১৯৮৮ সালের ২২ আগষ্ট,অন্যান্য দিন গুলোর মতোই শুরু হয়েছিল দিনটি ৷ কে জানতো দুপুর না গড়াতেই আমার জীবনটা এক্কেবারে বদলে যাবে , লন্ডভন্ড হয়ে যাবে ৷ প্রতিদিনের মতোই মা ভোরে উঠে নামাজ পড়ে নিজের ফাইলপত্র নিয়ে বসেছিলেন ৷ আমরা ভাই বোনরা ঘুম থেকে উঠলে স্কুলে যাওয়ার আগে কেন জানি মা সেদিন [বিস্তারিত আমার মা]
কেউ দেখেনা , অষ্টপ্রহর বুকের মাঝে কিসের নাচন? কিসের বাজন বেঁজেই চলে সকাল সাঁজে? কেউ বোঝেনা। সেই যে কবে সাঁজের মায়ায়, তোমার দুচোখ মিলিয়েছিলে আমার দুটো চোখের তারায়! সেই থেকে এই বাজনা শুরু! ঘোর লাগা এক পুবের ভোরে সর্বনাশ যা ঘটিয়ে দিলে একটু খানি হাতের ছোঁয়ায় সেই থেকে এই নাচন শুরু! সেই থেকে এই বুকের [বিস্তারিত অনুভূতি]
অভিমান নয়, এসোনা .. আরও একবার ভালবাসার কথা বলি। দু ‘হাতে ধরে রাখি হাত, সংগে জাগুক -রাত, রাতের তারা আর কিছু নিশাচর পাখ -পাখালি। এসোনা আবারও কিছু কুড়াবো স্বপ্ন। স্বপ্নরা মরেনা কখনো। লাল নীল আর সোনালী স্বপ্নদের ভালবেসে তুলে দিই দু ‘চোখে তোমার। এসোনা আরও একবার একসাথে তাকাই বহুদু….রে , ঐ যে স্বর্নাভ ভবিষ্যৎ আকন্ঠ [বিস্তারিত জীবনবেদ]
দু’হাতে টিপে ধরে আছি কপালটা গত ক ‘দিন দপদপ করছে অসহ্য। হঠাৎ কি হলো পৃথিবীর? এত অস্হিরতা এত শঙ্কা! নিঃশ্বাসে রক্তের গন্ধ, মানুষের রক্ত। নাকি ওরা কেউ মানুষ নয়! ছিলোনা কখনো! মানুষ হলেতো এমন হওয়ার কথা না। কাক কি কখনো খায় কাকের মাংস???? একমুহুর্তও মনোনিবেশ করতে পারছি না কো………থা…………ও পৃথিবীর এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত সমস্ত সভ্যতা [বিস্তারিত বিক্ষিপ্ত ভাবনা]
তবে তাই হোক, আর কোন দ্বিধা না থাক, কেটে যাক সকল জড়তা, স্পষ্ট হোক কন্ঠস্বরে, বাধাহীন উচ্চারনে, উচ্চারিত হোক সেই- চিরায়ত শব্দমালা- ভালবাসি ভালবাসি। তবে তাই হোক আর নয় কবিতায় ইনিয়ে বিনিয়ে তিলকে তাল বানিয়ে বলতে চাওয়া। আর নয় অপেক্ষা চন্দ্রভূক অমাবশ্যা থেকে শুক্লপক্ষের পূর্নতিথি পর্যন্ত দিনগোনা। কি হবে সমগ্র ভিসুভিয়াস বুকে জ্বালিয়ে রেখে? কি [বিস্তারিত তবে তাই হোক]
সব কিছু কি যায়রে বলা তব মুখোপানে চেয়ে রই। শরীর দু ‘খানি মিলেছে কেবলি মনের পাইনি থই। মন চাই মন চাই বলে মেয়ে দুনিয়া উঠালি মাথায়, বুকে হাত দিয়ে বলতো দেখি মিলে ছিলো যখন দেহ দু ‘খানি সুখ কি ছিলো না সেথায়? প্রেমহীন সূখ চাইনাতো মেয়ে চোখ জুড়ে শুধুই স্বপন ভোরের বকুল হাতে তুলে দিয়ে [বিস্তারিত বিপরীত ভাবনা]