শোষিত জনতা, মৃত মানবতা ক্ষমতা নীতির আশ্রয়ে কুক্ষিগত স্বাধীনতা ভাঙ্গো, ভেঙ্গে ফেলো এগিয়ে চলো ওহে বধির জনতা। শাষিত এ জনতন্ত্র মুখোশে গণতন্ত্র রাজ্যতন্ত্র কায়েমতন্ত্র ক্ষমতায় সে যেন পিশাচযন্ত্র! এসো, গর্জে এসো হে জনতা পিছুটান ফেলে তুলে ধরো বেঁচে থাকার সব আকুলতা… জাগো, জেগে উঠো চলো, মিছিলে এসো মন্ত্র, বেঁচে থাকার স্বাধীনতন্ত্র ছিড়ে ফেলো তথাকথিত শকুনির [বিস্তারিত ==গণজোয়ার-২==]
মেঘ পাহাড়ের চূড়োয় অপেক্ষায়; সূর্যের। ভাবছে, নাম আছে দু’টো- ছায়া আর চাঁদ। সূর্য এলেই মিটিয়ে নেবে, হবে সময়ের শোধ বোধ। সেই থেকে মেঘ একাই আসে; একাই থাকে, লাগে বিজলীর আঁচড়। একদিন ঠিক দেখা হলো; মেঘের বুকে মুখ লুকালো। তারপর! তারপর, সে কি কান্না মেঘের! এ’দিক ও’দিক ভাসিয়ে নেয় এমন। সূর্য তখন বলে ‘এ’কি মেঘ! কান্না [বিস্তারিত মেঘ পাহাড়ে সূর্য]
লঙ্ঘিত সীমানায় চর্চিত স্বাধীনতা অস্থির এ সময় হে, মুক্তি মিলিবে সীমানা ছাড়িয়ে, কণ্ঠে শাণিত মুক্তির বাণী থেকো তবে হুঁশিয়ার… হুঁশিয়ার… হুঁশিয়ার… দুর্গম এ স্বাধীনতা রক্ষা করো মুক্তির সীমানা এ স্বাধীনতা তব বেঁচে থাকার অঙ্গীকার, বজ্র নিণাদে মুক্তির সংগ্রামে তোল তব কলমের হাতিয়ার… হাতিয়ার… হাতিয়ার… হাতিয়ার জাগ্রত স্বাধীনতা আজ সংহত লড়ে যাক তব মুক্তি মিছিলে তোমার [বিস্তারিত গণ জোয়ার]
সেদিন বিরুদ্ধাচারীদের আগমন ঘটেছিল। মাঠে কিংবা রাজপথে বসন্তের সাথে শিমূল, বুনোহাঁসের নীড়ে ফেরার তড়িঘড়ি, যাযাবর মেঘের সূর্যের সাথে লুকোচুরি, বেলা অবেলায় রক্তিম গোধূলি আর ঝরা পাতার শীর্ণতা ছাড়িয়ে। সেদিন বিরুদ্ধাচারীদের আগমন ঘটেছিল। হতবুদ্ধি কিংবা তাৎপর্যপূর্ণ মূক ও বধির ইশারা, আবেগে চোখের জলকেলি, ভ্রষ্ট সন্ন্যাসীর মনমেহন, দিবারজনী চালুকলার পূর্ণ প্রদর্শন, হৃদয় মন্থনে অসুরতার স্থিরতা আর সরলতার [বিস্তারিত বিরুদ্ধাচারীদের আগমন]
তলানিতে পরে থাকা ক’টি দানার উপহাস- “পৃথিবীর শেষ ক’টি শস্য যেন আজ এই উদরের একমাত্র আশ্রয়” জাগতিক আকর্ষণ ভুলে এখানেই পরে রয়েছে, বাকি সব ভুলে যাক; এই ক’টি দানাতেই ভবিষ্যৎ। এ যেন অনাকাংখিত ভবিষ্যতের রুপরেখা- “যায় যাক জগৎ রসাতলে, এ’উদরের পরে” আঁতিপাতি করে খোঁজে শুরু নিকোটিনের ছাইয়ে, উচ্ছন্নে যায় তো যাক; যদি মেলে ফুসফুসের সুখ। [বিস্তারিত অন্তিম ভবিষ্যৎ]
গগনে মাতম ওঠে; চোখেতে বর্ষণ এ’ কিসের মায়ায়, মেঘেতে বিজলি নাচে; মুখেতে আঁধার এ’ কাহারো ছোঁয়ায়, নক্ষত্র আলোতে ডুবে; মনেতে রোদ্দুর আঁকা, চঞ্চলা কিশোরী লাজে; আঁকাবাঁকা হাসি ঠোঁটে, অধরা স্বপনের পানে; পলাশ ও বকুলের টানে। বুকেতে কাঁপন ওঠে; অভিমানে চৌচির এ’ কিসের ছায়ায়, ভাবনাতে প্লাবন নামে; করতল আকুল এ’ কেমন ধারায়, সাঁজের বাতাসে ভেসে; জোনাকিতে [বিস্তারিত কিশোরী]
আজ হতে তুলে রাখলাম; অধিকার নেই কারো আর, যে মনে অন্য ছোঁয়া গ্রহণ করে; সে মনের আরাধনাতে অপেক্ষার বেশ্যাবৃত্তিতে কাটবে কালের আঁধার। ‘যদি’ ‘মতো’ ‘জানতেম’ হয়ে যায় রোদেলা দিনে কুয়াশা, সব কিছুই ফুরোবে; শুধু অধিকারটুকু থেকে যাবে অসূয্যার্স্পশী ছায়া হয়ে, আড়ালে যে কায়া আছে অপেক্ষার বেশ্যাবৃত্তিতে অধিকারের এক চিকন সূতো নিয়ে।
একাকী জলভাঙা চাঁদে কিংবা ধুলো লাগা ঝরা পাতায় তুমিহীনতায় ভুগবো, ভুগবো সুন্দরতম কোন গানে অথবা কাকের কর্কশ ধ্বনিতে। কেন! কাক হয়ে ঘুরেছি তোমার ছায়াতে আর পৃথিবীর সুন্দরতম গানে তোমাকে না পেয়ে। ক্লান্ত মেঘাচ্ছন্ন স্যাঁতস্যাঁতে দুপুরে কিংবা বিনিদ্র রজনীর কালিমাখা দু’চোখ খুঁজবো, খুঁজবো কুয়াশাস্নাত এলোমেলো বাতাসে অথবা ভীড়ের মাঝে তোমাকে পিছনে রেখে তোমার পদধ্বনিতে। কি করে! [বিস্তারিত সুন্দরতম স্বপ্নের খোঁজে]
সোনেলা মিলন মেলা, ২০১৫- হবে কি?
বুক রিভিউঃ ” লেখকঃ Rajib Chowdhury প্রকাশকঃ প্রিয়মুখ স্টলঃ ২২৬ প্রাপ্তিস্থানঃ অমর একুশে বইমেলা, ২০১৫।” ভৌতিক উপন্যাস বলতে কি বুঝি আমরা! ক্যাঁ করে দরজা খুলে যাওয়া বা হঠাত জানালা খুলে যাওয়া অথবা অদ্ভূত সব কান্ড? প্রেতসাধক নিশি মিয়ার লেখক Rajib Chowdhury কিন্তু তার প্রথম ভৌতিক উপন্যাস সিরিজের এই প্রথমটি অর্থাৎ ‘প্রেতসাধক নিশি মিয়া’ তে তার [বিস্তারিত বুক রিভিউঃ প্রেতসাধক নিশিমিয়া]
০৬-০২-১৫। আজকে অমর একুশে বইমেলা, ২০১৫ তে আমার দ্বিতীয় দিন। রাজশাহী থেকে তী র্থ আসবে বইমেলায় তাই সকাল থেকেই তার সাথে ঘুরবো পরিকল্পনা করে হাজিরা দেই। ম্যারাথন আড্ডা শেষে নীলক্ষেতের মুরগি+পোলাউ আর তে+হারী শেষে ঢুঁ মারা শুরুঃ লেখক পাকড়াও অভিযানে আজকের লেখক ছিলেন ‘প্রেতসাধক নিশিমিয়া’র জন্মদাতা Rajib Chowdhury। প্রকাশকাল হিসেবে লেখনীতে তরুণ তুর্কী আদতে পুরান! [বিস্তারিত বইমেলা ঘুরে-২]
খুব আশা করছি গত বছরের চাইতেও আরো প্রাণবন্ত এবং আরো জমিয়ে মিলন মেলা হবে সোনেলা ব্লগ পরিবারের এই বইমেলাতে। তাই ব্লগ সঞ্চালক।মডু সহ সকলকে এক হয়ে আমাদের সোনেলা পরিবারের মিলনমেলার জন্যে দাবী জানাতে অনুরোধ করছি।
অমর একুশে বইমেলা, ২০১৫। আজ ১লা ফেব্রুয়ারি, বইমেলার প্রথম দিন। ঢুকতেই চমক- গত বছর হতেই মূল বইমেলা বাংলা একাডেমীর বাইরে অর্থাৎ সোহরায়োর্দী উদ্যানে হচ্ছে। গতবার স্থান সঙ্কুলান নিয়ে অনেক কথার পর চমক এই বছর-বেশ বিস্তৃত হয়েছে। অনেকটুকু জায়গাজুড়েই এবং অনেক খোলামেলা ও সাজানোটাই সুন্দর লেগেছে। বেশ কিছু বই নেওয়ার ইচ্ছে এবং প্রিয়জনদের নিয়মমাফিক বই প্রকাশ [বিস্তারিত বইমেলা ঘুরে-১]
ধুম লেগেছে; গুম হয়েছে, খুব বেড়েছে বোমাবাজ; পুড়ছে মানুষ, পোড়ায় মানুষ, ঘুম হচ্ছে আরামে। ধুম লেগেছে; খুন হয়েছে, খুব বেড়েছে চাপাবাজি; গাড়ি ভেঙ্গেছে, ঘর পুড়েছে, খাওয়া হচ্ছে আরামে। ধুম লেগেছে; ধুন লেগেছে, খুব বেড়েছে সন্ত্রাসী, বিবেক পুড়েছে, কিনছে মানুষ, গণতন্ত্রের ব্যারামে। খুব লেগেছে; অফ হয়েছে, খুব থেমেছে প্রেমালাপ; এপস্ বন্ধ, সব অন্ধ, বিবেক বুদ্ধি সর্বস্বান্ত। [বিস্তারিত খুন তাল]
মিটমিট করে জ্বলত থাকা সুদূরের কোন এক সূর্যের বুকে আজ ঘুনে ধরেছে। ইট পাটকেলের মতো ভগ্নাংশগুলো এদিক সেদিক ছোটাছুটি বাদ দিয়ে এখন এক হতে চায় গোড়ায়, সুদূরের সেই মিটমিটে সূর্যের জেগে থাকা চাঁদ আজ বিচ্ছিন্নভাবে ঝুলছে রাহুগ্রস্থ কপালকুন্ডলার মতো। টিকটিক করে সময় জানান দিচ্ছে সেই সূর্যকে-ফিনিক্স হওয়ার সময় ঘনিয়েছে। তারপর? তীব্র আবেগে সেই মিটমিটে সূর্য [বিস্তারিত সৃষ্টি]