জীবনের গল্প-৪ এখানে☚ জীবনের গল্প-৪-এর শেষাংশ:☛ ওইদিন সবার খাওয়া-দাওয়া বন্ধ! বড়দাদা আর মা বাবাকে ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল থেকে প্রথমে চিত্তরঞ্জন কটন মিলে আনে। তারপর বাসায় আসলো রাত দশটার সময়। বাবার অবস্থা তখন বেশি ভালো ছিল না। ওইদিন বাসার সবাই মিলে সারারাত বাবার পাশে বসে রাত পার করেছিলাম। বাবার হাতের অবস্থা দিন-দিন খারাপ হতে লাগলো।একদিন পর-পর আমি [বিস্তারিত জীবনের গল্প-৫]
জীবনের গল্প-৩ ☚ জীবনের গল্প-৩ এর শেষাংশ:☛ বারবার মনে পড়ছে বই কেনার টাকা দিয়ে সিনেমা দেখার কথা। টাকার জন্য আমার তখন শোকে ধরে গেল। বই কেনা হলো না, অথচ টাকা খরচ করে ফেললাম! মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, এই টাকা যে করেই হোক জোগাড় করবোই। গেলাম বন্ধুদের সাথে টেলিভিশন দেখতে। বাসায় ফিরে সেদিন আর পড়তে বসিনি। [বিস্তারিত জীবনের গল্প-৪]
জীবনের গল্প-২ এখানে ☚ জীবনের গল্প-২ এর শেষাংশ:☛ কিন্তুক আমাদের সংসারে লেগে থাকা দুর্ভিক্ষ তখনও দূর হয়নি। বারোমাসি দুর্ভিক্ষ আমাদের সংসারের লেগেই থাকলো। সেসময় স্কুলে যাওয়ার মতো পোশাকও আমার ছিল না। বাবা ও বড়দাদা মিল থেকে পাওয়া রিজেক্ট কাপড় দিয়ে বড়দি’র হাতে বানানো জামা- হাফপ্যান্ট পরে স্কুলে যেতাম। পায়ের স্যান্ডেলও ছিল না। তারপরও একদিনের জন্যও [বিস্তারিত জীবনের গল্প-৩]
জীবনের গল্প-১ এখানে ☚ জীবনের গল্প-১-এর শেষাংশ:☛ থাকতাম মিলের শ্রমিক ফ্যামিলি কোয়ার্টারে। সময়টা তখন হতে পারে ১৯৭৩ সালের নভেম্বর নাহয় ডিসেম্বর মাস। গ্রামের বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জ আসার পর প্রায় মাসখানেক পর্যন্ত আমার কোনও বন্ধুবান্ধব ছিল না এবং মিলের ভেতরে থাকা শ্রমিক কোয়ার্টারের কোনও সমবয়সী ছেলে আমার সাথে কথাও বলতো না। আমিও মিলের ভেতরে থাকা [বিস্তারিত জীবনের গল্প–২]
নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানাধীন একটি ছোট গ্রামের নাম মাহাতাবপুর।মাহাতাবপুর গ্রামটি হলো নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানাধীন বজরা রেলস্টেশনের পশ্চিমে। সেই গ্রামের এক হিন্দু পরিবারে আমার জন্ম। আমার জন্ম ৮ই জুন, ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে। আমার বাবার বাপদাদার আমলটা নিজের চোখে না দেখলেও, তাঁদের সময়টা খুবই ভালো ছিল বলে মনে হয়। কারণ, মাহাতাবপুর গ্রামে আর কারোর বাড়িতে দালান ঘর [বিস্তারিত জীবনের গল্প–১]
আজ কোথায় যে যাই, ভেবে না পাই; যেদিকে তাকাই, শুধু করোনা’র গন্ধ পাই! শহর বন্দর গ্রামেও শুনেছি শান্তি নাই, যেখানে যাই, করোনা আক্রান্তের খবর পাই! আজ ভয় ভয় মনে, চলে জনে জনে, মুখে লাগায় মাস্ক, দেশের সব জনগণে। হঠাৎ সর্দি-জ্বর হলে, আতঙ্ক জাগে মনে; মনে হয় এই বুঝি, করোনায় ধরলো এক্ষণে! দেশে বিদেশে মরছে, মানুষ [বিস্তারিত শান্তি নাই]
এই মৃত্যুর মিছিলে আমিও আছি, আছে আমার বন্ধুবান্ধব আত্মীয়স্বজন। আমার পূর্বপুরুষেরাও ছিল মৃত্যুর মিছিলে, ছিল জ্ঞানীগুণী, ফকির, সাধু, অলিগণ। মৃত্যুর মিছিলে ছিল সন্যাসী, দরবেশ, ছিল রাজা, বাদশা, মন্ত্রী, মিনিস্টার; জীবের জীবন মৃত্যুতেই হবে শেষ! এটাই নিয়ম, কেউ করেনি অস্বীকার! মৃত্যুর মিছিলে ধ্বনিত হয় বাঁচতে চাই! এই মিছিলে শ্লোগান দেয়না মরতে চাই! বিধাতা বলে [বিস্তারিত আমি মৃত্যুর মিছিলে]
গত বছরের শেষদিকে গণচীনে উৎপত্তি হওয়া নতুন করোনাভাইরাসটি যখন ধীরে ধীরে সারাবিশ্বটাকে আক্রমণ করে ফেললো, তখন থেকেই বিশ্বের দেশগুলোর সরকার নিজ নিজ দেশের জনগণকে বাঁচাতে নানারকম পদক্ষেপ হাতে নিয়ে লকডাউন, শটডাউন, সন্ধ্যা আইনজারি ঘোষণা শুরু করলো। পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্যও প্রতিটি দেশের জনগণকে সতর্ক করতে লাগলো। আমাদের দেশেও একসময় লকডাউন, শাটডাউন [বিস্তারিত পৃথিবী নামক গ্রহটি নিয়ে ভিনগ্রহের প্রাণীর সাথে কথা]
আমার একজন বন্ধু আছে। বন্ধুর নামটা মা-বাবার মুখে অনেকবার শুনেছিলাম। নামটা নাহয় পরেই বলি! আগে আমাদের সুসম্পর্কের কথাগুলো একটু বেলে নিই! এই বন্ধুটির সাথে আমার সুসম্পর্ক জন্মসূত্রে। এই বন্ধু ছাড়া আমি আমার দৈনন্দিন জীবনের দিনে-রাতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে এক সেকেন্ডও থাকতে পারি না। সবসময়ই আমার বন্ধুকে আমি কাছে ডাকি। কিন্তু সে আসে না। দেখাও করে [বিস্তারিত মরণ বন্ধুর বাড়ি যাবো]
প্রতিদিনের মতো দুপুরবেলা খাওয়া-দাওয়া সেরে ভাবছি কিছু লিখবো! কিন্তু কী লিখবো ভেবে পাচ্ছিলাম না! তবুও ভাবছি কিছু লিখবো! একাল-সেকাল বর্তমান নিয়ে লিখবো লিখবো ভেবে ওঠার আগে, নিজের অজান্তেই লেখা হয়ে গেলো ‘করোনাভাইরাস’। মোবাইল কীবোর্ডে কীভাবে যে এই ‘করোনাভাইরাস’ লিখে ফেললাম, তা আমি নিজেই জানিনা। ‘করোনাভাইরাস’ হলো বর্তমান সময়ে সারাবিশ্ব কাঁপানো এক নতুন রোগ সংক্রমণ। যার [বিস্তারিত করোনা কালের কাহিনী]
ফেসবুক হলো– বিশ্বের সস্তা যোগাযোগ ব্যবস্থা, ফেসবুক হলো– দূর থেকে কাছে আসার রাস্তা। ফেসবুক হলো– ব্যক্তি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ফেসবুক হলো– কারোর কাছে হীনমন্যতা। ফেসবুক হলো– কারোর অনুভবে শূন্যতা, ফেসবুক হলো– কারোর কাছে উদারতা। ফেসবুক হলো– ব্যক্তিগত ডায়েরির পাতা, ফেসবুক হলো– অভিভাবকের মতো উপদেশদাতা। ফেসবুক হলো– পৃথিবীর মিথ্যাবাদীর জন্মদাতা, ফেসবুক হলো– গুজব সৃষ্টিকারীর সৃষ্টিকর্তা। ফেসবুক হলো– [বিস্তারিত ফেসবুক]
প্রতি বছরই বৈশাখ মাসের শেষদিকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মুখে শোনা যায় জামাই ষষ্ঠীর কথা। যাঁদের ছেলে অথবা মেয়ের কেবল বিয়ে হয়েছে, তাঁদের মুখেই জামাইষষ্ঠী শব্দটা বেশি শোনা যায়। এর কারণ হলো, ছেলে কেবল বিয়ে করে নতুন বউ ঘরে এনেছে। বিয়ের পর এই প্রথম জৈষ্ঠ্য মাসের আগমণ ঘটেছে। ছেলের শ্বশুরবাড়ি থেকে অর্থাৎ বেয়াই বাড়ি থেকে জামাই ষষ্ঠীর [বিস্তারিত জামাইষষ্ঠী ও এর মাহাত্ম্য]
আমি বিবাহ করেছি, ১ আষাঢ় ১৩৯৩ বঙ্গাব্দ। বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি, মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদি খাঁন থানাধীন তালতলার দক্ষিণে এবং সুবচনী বাজারের পশ্চিমে নয়াবাড়ি গ্রামের এক গরিব পরিবারের মেয়ের সাথে। বিবাহ করেছি নিজের ইচ্ছেতে। প্রথমে বছর দুয়েক প্রেম প্রেম খেলা। তারপর মা এবং বড়দা’র সম্মতি ক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে। বিয়ে করেছি বর্তমানে ৩৪ বছর গত হতে চললো। কিন্তু [বিস্তারিত আমাদের বিবাহবার্ষিকীতে হিন্দু বিয়ের নিয়ম ও সাত পাক ঘোরার মাহাত্ম্য]
জন্ম থেকেই আমরা স্রষ্টা বিশ্বাসী! কেউ আল্লাহ, কেউ ভগবান, কেউ ঈশ্বরে! যে যা-ই বলে ডাকুক-না-কেন, আমরা সকলে কিন্তু একজনকেই ডাকছি। তিনিই মহান স্রষ্টা! তিনি আল্লাহ! তিনি ভগবান! তিনিই ঈশ্বর! উপাসনা করি যাঁর যাঁর ধর্মীয় রীতিতে। কেউ মসজিদে। কেউ মন্দিরে। কেউ গির্জায়। কেউ প্যাগোডায়। কেউ মহান স্রষ্টার উপাসনা করে ধ্যানমগ্ন হয়ে বনেজঙ্গলে। কেউ নামায আদায় করে [বিস্তারিত সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের জন্য কিছু চাইতে নেই]
মহান স্রষ্টা তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ তোমার সৃষ্টি সৌরজগতের সব গ্রহ-নক্ষত্র, তুমি আকাশ-পাতাল তুমি সমুদ্রপৃষ্ঠ তুমি জলে, ফলে, জীবে বিরাজমান সর্বত্র। তুমি করুণাময় অসহায়ের সহায়ক তোমার কৃপায় গ্রহ-নক্ষত্র ঘুর্নায়মান, তুমি জীবের জীবন রোগের বাহক তুমি দয়াময়, তুমি ধনী গরিবে সমানসমান। তুমি দয়া করো করুণাময় তোমার কৃপায় ধ্বংস হোক “করোনা”, পৃথিবীতে যা হয়, তোমার ইচ্ছাতেই হয় [বিস্তারিত হে দয়াময়]