জন্মিলে মরতে হয় জানি! জীব মাত্রই মরণশীল, তা-ও জানি! একদিন-না-একদিন মরতে হবে। এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে সবাইকে একদিন চলে যেতে হবে জানি। এই জানা শুধু আমিই জানি, তা নয়! এটা সব মানুষেই জানে। আমরা কেউ অমরত্ব জীবন নিয়ে এই সুন্দর পৃথিবীতে আসিনি। কেউ রোগে মরে। কেউ ভুগে মরে। কেউ রোড এক্সিডেন্টে মরে। কেউ মাতৃগর্ভে মরে। [বিস্তারিত মৃত্যুকে ভয় করি না– ভয় করি বর্তমান করোনাভাইরাসকে]
আমাদের সকলেরই জানা আছে যে, পৃথিবীতে অনেক বড় বড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। সেসব যুদ্ধের প্রধান কারণই ছিলো ক্ষমতা দখলের যুদ্ধ। গদি দখলের যুদ্ধ। নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ। প্রাচীন আমল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত হিসাব করলে দেখা যায়, সেসব রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রান হানি হয়েছে। অনেকে চিরো পঙ্গুত্ত বরণ করে ধুঁকে ধুঁকে [বিস্তারিত যদিও সৃষ্টিকর্তার ইশারায়-ই সবকিছু হয়–তবুও একটু সতর্ক থাকতে হয়]
নোয়াখালী জেলার মাহাতাবপুর গ্রামে ছিল আমার বাপদাদার ভিটেমাটি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টা আমরা সপরিবারে গ্রামের বাড়িতেই ছিলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি তখন ৮/৯ বছরের নাবালক শিশু। মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হবার আগে এবং পরের সময়েও এদেশে টাকার খুবই দাম ছিল। মানও ছিল। যাঁর-তার কাছে এতো এতো টাকা-পয়সা ছিলো না। কথায় আছে, “যাঁর কাছে হাজার টাকা ছিল, তাঁর [বিস্তারিত ধর্মীয় উৎসবে ছোটবেলার স্মৃতিময় আনন্দ বেদনার কথা]
আজকের এই লেখার শুরুতে আমি কৃতজ্ঞচিত্তে শ্রদ্ধা-সহকারে যাঁদের স্মরণ করছি, তাঁরা হলেন আমার লেখালেখির উৎসাহদাতা। আমার লেখালেখির শুরুতে প্রথম উৎসাহ ও সাহায্য সহযোগিতা করেছিলেন, যাঁদের চাকরি করি তাঁরই। একজন হলেন, মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন(মনা), তিনি একজন ফুটবল হিসেবে এলাকার সবার কাছে পরিচিত। আরেকজন হলেন, মোহাম্মদ ইসলাম মিয়া, তিনিও একজন ফুটবলার এবং টেইলার মাস্টার হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। [বিস্তারিত যাঁদের উৎসাহ অনুপ্রেরণায় আমার লেখালেখি শুরু হয়েছিল]
বর্তমান সময়ে সারাবিশ্ব কাঁপাচ্ছে প্রাণঘাতী নতুন করোনাভাইরাস। সংক্ষেপে যার নাম, Covid-19। এই রোগের সাথে যোগ হয়েছে, আরও দুটি রোগ। যথাক্রমে–ভয় ও দুঃশ্চিন্তা! এই রোগ বর্তমানে পৃথিবীর দুইশো দেশেরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এরমধ্যে বিশ্বের কয়েকটি উন্নত দেশেরও লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলাশহরেও ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে এই প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের আক্রমণের শিকার [বিস্তারিত লকডাউনে ঘরবন্দী দশা এবং আমার যতো দুঃশ্চিন্তা]
বর্তমান সময়ে এক আতঙ্কের নাম, নভেল করোনাভাইরাস। এই প্রাণঘাতী ভাইরাস ২০১৯ সালের শেষদিকে গণচীনে দেখা দেয়। গণচীনে এই প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস দেখা দেওয়ার পর চীনের কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে বর্তমানে পৃথিবীর দুইশো দেশেরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এরমধ্যে বিশ্বের কয়েকটি উন্নত দেশেরও লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা-সহ দেশের বিভিন্ন জেলাশহরেও [বিস্তারিত করোনাকালে অনেক জেলায় ত্রাণ চুরির কেলেঙ্কারিতে আমাদের নারায়ণগঞ্জ জেলা কেলেঙ্কার মুক্ত।]
অনেক সময় দেখা যায় একটা কুকুরের জলাতঙ্ক রোগ হলে, কুকুরটাকে পাড়া-মহল্লার রাস্তায় পড়ে থাকা আরও অন্যান্য কুকুরগুলো চেনে ফেলে। তখন পাড়া-মহল্লার রাস্তার কুকুরগুলো ঐ জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত কুকুরটাকে দেখে ঘেউ ঘেউ করতে করতে দৌড়ে পালায়। পাড়া-মহল্লার জলাতঙ্ক রোগ না হওয়া কুকুরের ওইরকম অবস্থা দেখে পাড়া-মহল্লার মানুষেও বুঝে ফেলে যে, কুকুরটার জলাতঙ্ক রোগ হয়েছে। তখন ঐ [বিস্তারিত এই সময়ে নিজে বাঁচুন–অপরকে বাঁচতে সাহায্য করুন]
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দুইজন। তাঁরা হলেন, সম্মানিত কাউন্সিলর হাজী মোহাম্মদ ইফতেখার আলম খোকন সাহেব এবং আলহাজ্ব মিনোয়ারা বেগম(মিনা)। সম্মানিত কাউন্সিলর হাজী মোহাম্মদ ইফতেখার আলম খোকন সাহেব ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের আগে থেকেই নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামিলীগ এর সংগ্রামী সহ-প্রচার [বিস্তারিত করোনাভাইরাস সংকটময় সময়ে নাসিক ১০নং ওয়ার্ডের জনগণের পাশে দুইজন কাউন্সিলর।]
২০১৯ সালের শেষদিকে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস এই পৃথিবীতে যমদূত হয়ে হাজির হয়েছে, আমাদের কিছু শিক্ষা দিতে। আবার একসময় হয়তো বেশকিছু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে এই প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস এই বিশ্ব থেকে বিদায় নিবে। কিন্তু এই সুন্দর পৃথিবীতে থেকে যাবে নভেল করোনাভাইরাস প্রতিহত করার কিছু শিক্ষা। যেই শিক্ষা দিকনির্দেশনা বিজ্ঞ চিকিৎসকরা আমাদের বারবার শেখাচ্ছে। আমরাও সেই [বিস্তারিত নভেল করোনাভাইরাস থেকে আমরা অনেককিছু শিখেছি]
সময় সময় দেশে যখন কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিতো, সেসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতো। তখন সরকার আন্তরিকতার সাথে সেসব ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিভিন্নরকম ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করতে দেখা যেতো। সরকারের ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে টিন, চাল, ডাল, তেল, লবণ-সহ নানারকম খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করতো। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন-সহ দেশের বিত্তবান, রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিভিন্ন [বিস্তারিত করোনা ভাইরাসের সাথে লড়াই করবে গরিব মানুষ–ঘরে বসে তামাশা দেখবে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ-সহ বিত্তবানরা]
বর্তমানে সারাবিশ্বে এক আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। সংক্ষেপে যার নাম কেভিড-১৯। শোনা যায়, দেখাও যায় যে এটি একটি প্রাণঘাতী মরণব্যাধি ছোঁয়াচে রোগ। মানুষ থেকে মানুষে, একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। এটি এখন সারাবিশ্বে মহামারি আকারে ছাড়িয়ে পড়েছে। এরকম ছোঁয়াচে রোগ গুটিবসন্ত, কলেরা এর আগেও এদেশে হয়েছিল, দেখা দিয়েছিল। তবে এই রোগের মতো এমন ভয়াবহ রূপধারণ কখনো করেনি। [বিস্তারিত করোনা ভাইরাসের চিন্তা নেই–আমার চিন্তা শুধু খাবারের]
বর্তমানে কেভিড–১৯ নভেল করোনা ভাইরাস সারাবিশ্ব ব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। এটি একটি প্রাণঘাতী রোগ সংক্রমণ। যার উৎপত্তিস্থল ছিল গণচীনের উহানে। সেখান থেকে পালাক্রমে সারাবিশ্ব ঘুরে এই প্রাণঘাতী রোগ এখন হানা দিয়েছে আমাদের দেশে। এই প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস থেকে দেশ ও দশকে বাঁচাতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা বিভিন্নরকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। এসব পদক্ষেপের মধ্যে নভেল করোনা ভাইরাস আক্রমণ [বিস্তারিত মরণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গৃহীত প্রাণঘাতী পদক্ষেপ]
নভেল করোনা ভাইরাসের ভয়ে সারা পৃথিবী এখন থরথর করে কাঁপছে। আক্রান্ত হচ্ছে লাখো মানুষ। মৃত্যুবরণ করছে হাজারে হাজার। যেটা ছিল বৈদেশে, সেটা এখন এসে পড়েছে আমাদের দেশে। এই প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে ঘরবন্দী কার্যক্রম শুরু করেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ রাস্তাঘাটে চলাফেরা বন্ধ করে ঘরে বসে দিন কাটাচ্ছে। এমনকি বিভিন্ন দেশের [বিস্তারিত নভেল করোনা ভাইরাস এবং আমাদের কিছু করনীয়]
কথায় আছে, “আহার নিদ্রা ভয়, যতো বাড়ায় ততই হয়!” আহার হলো, খাওয়া, ভোজন বা খাদ্য। যা জীবের জীবনধারণে পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য যা দরকার, তা-ই। একজন ব্যক্তি প্রতিদিন স্বাভাবিক খাবারের চেয়ে যদি প্রতিদিন প্রতি বেলার সাথে এক ছটাক করে বেশি খায়, তাহলে প্রতিদিন তাঁর স্বাভাবিক খাবারের চেয়ে তিন ছটাক খাবার বেশি প্রয়োজন হয়। এভাবে আজ [বিস্তারিত নভেল করোনা ভাইরাসে মানুষ মরছে না– মরছে মানুষের মনের ভয়ে]
হ্যালো মোদি! মুসলিম নিধন করতে কে দিয়েছে বুদ্ধি? আপনার কি নেই কোনও বুদ্ধি-সুদ্ধি? বুদ্ধি যদি না-ই থাকে মহাশয় মোদী, ক্ষমতা ছেড়ে বলুন, “আমি চা-ওয়ালা মোদী!” জিজ্ঞেস করতাম আপনাকে পেতাম যদি! হ্যালো মোদি! যেখানে যুগযুগ ধরে হিন্দু-মুসলমান মিলে, হাতে হাত রেখে মিলেমিশে একসাথে চলে। সেখানে কেন বিষের আগুন দিয়েছেন ঢেলে? আনন্দ উল্লাস করছেন মসজিদ ভেঙে ফেলে! [বিস্তারিত হ্যালো মোদি]