যখন আমি থাকবনা

যখন আমি থাকবনা পৃথিবীর চেনা মানুষগুলো যখন হয়ে যাবে অচেনা মমি নামে কেউ আর তখন ডাকবে না, ক্ষমা করে দিও আমি আর আসতে পারবনা। যখন আমি থাকবনা থাকার ইচ্ছের ইন্দ্রিয়গুলো হয়ে যাবে যখন অসার সুন্দর ধরণীতে আমাকে রাখে সাধ্য আছে কার হয়তো অপেক্ষমান অনন্তকালের ভিন্ন কোন জগৎ-সংসারের। যখন আমি থাকবনা চাইব না আর জম্মদাত্রীর মমতার [বিস্তারিত যখন আমি থাকবনা]

ঋণী(শেষ পর্বের শেষ অংশ)

–বাবা গো… আমার বাবা…..আমাকে ক্ষমা করে দিও আমি তোমার অবাধ্য সন্তান।তুমি বলেছিলে,এ দেশে যারা এ দেশের ক্ষতি করবে তারা এক দিন শাস্তি পাবেই…. এক দিন এই বাঙ্গালী জাতিই হিসাব চাইবে,বিচার করবে সব দেশদ্রোহী আর যুদ্ধাপরাধীদের। আমি… তোমার সে দিনের কোন কথাই রাখিনি অবশেষে সেই যে তুমি ঘর ছাড়লে আর এলে না….সারাটা জীবন টাকার নেশায় এতটাই [বিস্তারিত ঋণী(শেষ পর্বের শেষ অংশ)]

“জানি তুমি আসবে”

আমি জানি তুমি আসবে আমায় আরো কাছে ডাকবে বলবে কথা,শুনবে ব্যাথা বিস্বাসে করি যে বসবাস। আমি জানি তুমি আসবে আমায় আরো ভালবাসবে যত দিন রবো এ ধরণীতে তুমি আর আমি প্রেম ভালবাসার থাকবে না যেন কমতি। আমি জানি তুমি আসবে আমায় আরো সাজাঁবে রজনীগন্ধ্যা কিংবা বেলী ফুলের মালা কালো কেশেঁর খোপার মধ্যাকাশেঁ গুছবে। আমি জানি [বিস্তারিত “জানি তুমি আসবে”]

“মা”

‘মা’ ছোট্ট একটি শব্দ বিশাল তার মর্যাদা সারা পৃথিবীর সেরা সবার প্রিয় মা কখনও সে হয় জননী কখনও হয় জায়া কখনও কন্যা আবার কারো ছায়াঁ। মা’ নারী মাতৃত্ত্বের সাফল্যতা একটি জীবনের নতুন পৃথিবী একটি নারীর অসহীয় যন্ত্রনার চরম স্বার্থকতা মানুষ হিসাবে নস্বর দূনিয়ায় নিজেকে যাহির করা। মা’ আমার আত্ত্বার শান্তির পরশ বয়ে আনা আমার চলার [বিস্তারিত “মা”]

ঋণী(শেষ পর্বের ২য় অংশ)

ঋণী০১ ঋণী(শেষ পর্বের প্রথম অংশ) –আস সাআলাইমু আলাইকুম। কোন উত্তর নেই ।আবার বললেন তারপরও কোন উত্তর নেই।এবার আজিম সাহেব তার নাক বরাবর করে মাটিতেই বসে পড়লেন হঠাৎ বৃদ্ধ চেচিয়ে উঠেন। –এ কি করছেন মাটিতে কেন?ঐ তোরা কই সাহেবরে বইতে দে। এক লোক এসে তাদের বসতে দিল।বৃদ্ধ আবার খেলায় মগ্ন। –দাদু আমরা আপনার কাছে এসেছিলাম কিছু [বিস্তারিত ঋণী(শেষ পর্বের ২য় অংশ)]

মা আমার

ছেলের গালে চড়টা মেরেছিল একটু কষেই ছেলের ফর্সা গালে অঙুলীর স্পর্ট  স্পষ্টতর, চোখেরঁ জল গাল বেয়ে পড়ে জমিনে তাই দেখে মা ভাবে সে কতো যে কমিনে। মায়ের অসহনীয় যন্ত্রনার মাঝে যার জম্ম তার জন্যে আবার মায়ের মন কাদেঁ, শিশু কালে মা মাটিতে রাখেনি পিপিলিকায় কামড়াবে একা রেখে যায়নি কোথাও বাঘে খাবে। কৈশরে খেলার ছলে ঘর [বিস্তারিত মা আমার]

ঋণী (শেষ পর্বের প্রথম অংশ)

ঋণী০১ ব্রিফকেটস খুলে আজিম সাহেব তার দাদার ছবিটি বের করেন।বেশ স্বাস্হ্যবান এবং লম্বা ফর্সা তার দাদা।ছবিতেই অনুমান করা যায় বয়স কালে সে কতটা পালোয়ান ছিল।ছবিটা দেখে মেয়ে আবার প্রশ্ন করে। –এইটা কি আমার বড় আব্বু? –হ্যা…অজানা এক ব্যাথায় আজিম সাহেবের চোখের পানি টল টল করছে যে কোন সময় তা গড়িয়ে পড়তে পারে মাটিতে। –বড় আব্বু [বিস্তারিত ঋণী (শেষ পর্বের প্রথম অংশ)]

বড় ভয় হয়

বড় ভয় হয় তোমাকে বলতে  একটি অদৃশ্য স্পর্শকাতর শব্দ অন্তরে অন্তস্হলে বেড়ে উঠা নিঃশ্বাসে হৃদয়ের ভাষা ছোট্ট শব্দের ভয়ঙকর অনুভূতি তবুও সূখের ছন্দ আমি তোমায় ভালবাসি। বড় ভয় হয় যতই বলি মানুষই সেরা অর্থের দুনিয়ায় তবুও থেকে যায় সন্দেহের বিষ মানবের হৃদয়ে ভাবি এক বার বলব তোমায় ফের মন পিছু টানে আমি ভালবাসি তোমায়। বড় [বিস্তারিত বড় ভয় হয়]

ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৫

ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৪ অনেক খোজাঁ খুজির পর আমান সাহেব খুজেঁ পেল ছোটনকে ।এক সন্ধ্যায় একটি অপরিচিত স্হানে কেরাম বোড খেলার আড্ডায়।ধুমছে একটার পর একটা সিগারেট জ্বালাচ্ছে আর খেলায় মগ্ন।আমান সাহেব এসেছে বলে এক দূত ছোটনকে জানায় ছোটন দূতকে বসতে বলে। ছোটন ভেংচি কাটে আমান সাহেবকে উদ্দ্যেশ্য করে। -সালা শুয়োরের বাচ্চা আবার কোন ভেজালঁ নিয়ে [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৫]

ঋণী

তিন হাটুতে ভর করে চলাচল করতে হয় সমাজের অচেনা ব্যাক্তি নাছির সাহেবকে।জীবনে চলার পথে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে জীবন সংসার কিংবা রাষ্ট্রীয় কোন দেশপ্রেমের সংগ্রামে।সে আজ অসহায় নিঃস্ব, যে ছিল একদিন বীরের দর্পের দাপুটে সে আজ কাঙ্গাল ভালবাসায়,স্নেহে,মমতায়।নাছির সাহেব গভীর অন্ধকারে ঝড়া জীর্ণ একটি আশ্রীত বিল্ডিংয়ে দিন রাত অতিবাহিত করছেন কখন বিধাতার ডাক পরবে বলে।তারই [বিস্তারিত ঋণী]

আমরা কি স্বাধীন?

আমি এ কেমন স্বাধীন ভোরেঁ ফজরের আযানে শুনি কর্কটেলের তীব্র শব্দ ঘর হতে পা বাড়ালেই দেখি শাসকের শোষনের হিংস্রতা, শুনি,দুঃখি খেটে খাওয়া মানুষের পেটের তাগিদে কর্মে বাধা। আমি এ কেমন স্বাধীন বিয়াল্লিশটি বছর পেড়িয়েও পাইনি, বোনের ইজ্জত আর ভাইয়ে রক্তের বিচার, পারিনি আজও হায়নার বীজের, বীজ উপরে ফেলার অধিকার। আমি এ কেমন স্বাধীন হায়নারা অট্ট্রেলিকা [বিস্তারিত আমরা কি স্বাধীন?]

ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীরাঁ০৪

ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা-০৩ আজ ফুলীঁ খুব সকাল সকাল উঠে বাহিরে বের হলেন চাকরী খোজাঁর ধান্দায়।মেয়েদের চাকরী সাধারনতঃ এখন তেমন কোন সমস্যা না।গার্মেন্টস শিল্পের প্রসারে তা এখন সকাল সন্ধ্যা মাত্র।প্রথমে সে চেষ্টা করে একটি স্হানীয় গার্মেন্টস ফেক্টরীতে।প্রথম চেষ্টাতেই কাজ হয়ে যায় কিন্তু বেতন জীবন ধারনের জন্য তুলনামুলক হারে অনেক কম তবুও সে সেখানেই যোগ দেন।শুরু [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীরাঁ০৪]

এসো হে বন্ধু

যখন ইচ্ছে হয় এসো আমাদের গাঁ ভরে দিবো আদরঁ-সোহাগে খেতে দেবো লাল গরম চা। যখন ইচ্ছে হয় এসো আমাদের গাঁ নিয়ে যাবো দূর তেপান্তর ঝিঁলের জলে ভেসে  তুলে নেবো শাপলা শালুখ যা। যখন ইচ্ছে হয় এসো আমাদের গাঁ দু’জনে দু’বাহু বাড়িয়ে রেল লাইন ধরে হেটে যাবো গা ধূলিয়ে যেথায় মন ছুটে যায়। যখন ইচ্ছে হয় [বিস্তারিত এসো হে বন্ধু]

তবুও তুমি

ফুল!না তুমি চাদঁ নাহ!তুমি শাহ্ জাহানের তাজঁ মহল, তাও না তুমি এর চেয়েও বেশী কিছু তোমার তুলনায় তুমিই কেবল। গভীর অন্ধকারে তুমিই আলো হতাশার জীবনে তুমিই আশার আলো তুমি জীবনে তুমিই মরনে এ জীবনের প্রথম ভালবাসা। ভোরের আলোতে তুমি শিশির কণা ঝলমলে উজ্জ্বল বিদুৎতের ঝিলিক তুমি সুর তুমিই তাল ঢুলির বাজনায় নৃত্যে মাতাল। কথা দিলে,কথা [বিস্তারিত তবুও তুমি]

অতৃপ্ত জীবন…প্রবাসী-১১

হারানো পাসপোর্ট হাতে পেয়ে মাথার ঝামটা একটু হালকা হল।বিভিন্ন  স্হানে পার্ট টাইম কাজ করতে থাকি।এ দিকে পায়ের অ্যাকসিডেন্টের পর কোম্পানীর নামে ইনসুরেন্স মামলা করেছিলাম আজ সেই মামলার রায় বের হয়েছে।মামলার রায়ে এখন আমি মোটামুটি আশংকামুক্ত তবে ডাক্তার বলেছে এ পায়ের ক্ষত যন্ত্রনা মাঝে মাঝে অনুভব করব তবে ভয়ের কিছু নেই।কারন আঘাতটা ছিল পায়ের কবজিতে এখানকার [বিস্তারিত অতৃপ্ত জীবন…প্রবাসী-১১]