তা তা থৈ থৈ খুকু গেল কই সারাপাড়া কাঁদে যেন করে হইচই। থৈ থৈ তা রং করা গাঁ ফুল পাখি নদীমাখা তুলতুলে পা। তা থৈ তা থৈ খুকু নাচে ঐ সাথে নাচে মিউমিউ পায়রার সই চোখ পেতে রই আহা চোখ পেতে রই। তা তা ধিন তা ময়ুরের ছা’ খুকুদের সাথে সাথে [বিস্তারিত খুকুমনির নাচ]
নদী আর বন্যা আমাদের কন্যা মহারাণী সাজে নয়া শাড়িতে সকাল আর সন্ধ্যে নেচে ওঠে ছন্দে রং মাখে দাদাটার দাড়িতে দাদা বলে দিদিভাই লেখাপড়া করা চাই দুষ্টুমি ছেড়ে ধরো বই আজ গুরুজনে বলে যা মন দিয়ে শোনো তা তোমাদের মাথাতে চাই তাজ বন্যা তো রেগে লাল মনে হল পাঁকা ঝাল টগবগে ঠোঁটদুটো ফুলল। নদীটাও হেলে [বিস্তারিত দুই কন্যা]
সিটকিনিটা খোলার শব্দ কানে আসতেই তিড়িং করে লাফ দিয়ে উঠে পড়ল অনিক। চোখ মুছতে মুছতেই খাট থেকে নেমে দাঁড়াল। রাতে ঘুমাতে যাবার আগেই বাবার কাছে অঙ্গীকারনামা নিয়ে রেখেছে। আজ ভোরে হাঁটতে বেরুবার সময় তাকে নিয়ে যেতে হবে। সেই উত্তেজনায় সারারাত হয়তো ঠিকমতো ঘুমও হয়নি তার। অন্যান্য সময়ের মত গতরাতেও বাবা-মা’র সাথে খেতে বসে অনিকের [বিস্তারিত নদীদের সুখদুঃখ]
আজব এক খেলা এলো কবিদের ঘরে ফেসবুকে আজ তাই লেখা থরে থরে। আমি কাঁচা খেলোয়াড় খেলি না তো ভালো বিজলীর নীচে যেন হারিকেনের আলো। ফুটবল পায়ে পায়ে খেলে দলবল আমি শুধু খুঁজে ফিরি কেটে পড়া ছল। উতসবে মাতে সবে “গোল-গোল-গোল” আমি শুধু সুর মিলে বলি “হরিবোল”। ব্যাটহাতে টিকে থাকি, কাটে না তো ঘোর, রানের [বিস্তারিত পড়ি ধারাপাত]
ছোটবেলায় আম কুড়াবার সময়— কুড়িয়েছিলাম কিছু স্বপ্নবৈভব। কুড়িয়েছিলাম মালোপাড়া, কিশোরীর সংসার, কিংবা চৌধুরীকন্যার মনহরণী হাসি। বিদ্যালয়ে জ্ঞান কুড়ানোর ছলে— কুড়িয়েছি মালোতীর প্রেম, নুপুরের ঘ্রাণ। কলেজ ক্যাম্পাসের সে কি অর্বাচীন নেশা! অষ্টাদশীর হাসির আঁড়ালে কিনেছিলাম একবুক দুঃখ। বিশ্ববিদ্যালয়ে জোস্নাছোঁয়া দূরত্বে আমার বসবাস। প্রতিটি পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে— কুড়িয়েছিলাম কত শত স্বপ্নপ্রাসাদ! কবে যে হাওয়ায় মিলিয়েছে সেসব! এখন [বিস্তারিত চল জীবন কিংবা মৃত্যু কুড়াই]
***(একটি কল্পিত প্রেমকাব্য)*** একদা কৃষ্ণ সাজিয়া বিষ্ণু মগন মহান ধ্যানে, মনে জপে নাম রাম হরিরাম ভগবান শুধু জ্ঞানে। বনে যত সব পাখি করে রব কানেতে কিছু না ঢোকে, কাহার সাধ্যি ভাঙে আরাধ্যি কেবা সেবা তার রোখে। হেনকালে পরি গায়ে মেখে জরি নেমে এলো রাধিকাই, নেই তার সম অন্তর মম ধরাতে যে কোথাও নাই। কিযে [বিস্তারিত স্বর্গীয় বিষ]
উড়ে যাওয়া কাকের বিরতিহীন শোক সংবাদে বুড়িমার চোখ আওড়ায় গলিত মৃতদেহ। ভাগাড়ে শকুনের উলঙ্গ উচ্ছ্বাস, মধ্য দুপুরে সূর্য হারাবার শোক, গোলাপের বাগানে এমন দুর্গন্ধ কিসের ! নাহ! কোন লাশ নেই, কোন জীবাশ্ব নেই, কতগুলো মানুষের অমানুষ হবার গন্ধ প্রকট। দখল জয়ে দেখো কেমন শোক বিলায় অবলীলায়। হাটের পরে মাঠ, মাঠের পরে ঘাট, অতপর ওরা [বিস্তারিত পঁচনের সুখ]
“তাকদুম তাকদুম বাজে বাংলাদেশের ঢোল সব ভুলে যায় তাও ভোলেনা বাংলামায়ের বোল।।” বাজনার তালে তালে দারুণ উচ্ছ্বাসে গান গেয়ে চলেছেন শিল্পী। উল্লসিত দর্শক প্রাণ ভরে উপভোগ করছে সুন্দর সুন্দর গান। অপূর্ব সঙ্গীতের মুর্ছনায় সবাই যেন বুদ হয়ে গেছে। আবালবৃদ্ধবনিতা শুধু মন্ত্রমুগ্ধের মত গানই শুনছে না, অনেকেই গানের তালে তালে নেচেও উঠছে। আর সবার [বিস্তারিত লাবুর দেশপ্রেম]
অফিসের বড় বাবু ধরে শুধু কান্না, একটাই চাওয়া তার,মান-সম্মান না। মুখ ফুটে কারো কাছে সেটা তিনি চান না, যত পান তত চান, বলে না সে “আর না”। খাদ্যও এর মতো নিয়মিত খান না, ভ্রুক্ষেপ নেই বউ কি করেছে রান্না। ফাইলটা খোলা রেখে কোত্থাও যান না, আটকে তা লুফে নেন টাকা-হীরা-পান্না। বিনোদনও একটাই, কৌতুক – [বিস্তারিত বড় বাবুর খাদ্য]
“মানুষ কখনো ভুল করেনা।” না, এটি কোন বিখ্যাত মনীষীর কথা নয়। আমি নিজেই মাঝেমধ্যে কথাটা বলি। জানি অনেকেই একমত হবেন না। ঐক্যমতের বাধ্যবাধকতাও নেই। শুধুমাত্র দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যই অনেক ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। আমার মতে একজন পাগলও যখন যে কাজটি করেন, সেটি সঠিক মনে করেই করেন। কিন্তু ফলাফলের বৈপরীত্য প্রমাণ করে সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল। তেমনি পৃথিবীতে [বিস্তারিত যা দেওয়া সহজ, নেওয়া কঠিন]
ভালবাসা তুমি কোন সুদূরে থাকো? কোথায় বাড়ন, কোথায় চলন কার ছবি বুকে আঁকো? কোন কিশোরীর বুকের পাঁজরে কোন ললনার চোখের আদরে নিজেকে লুকিয়ে রাখো? ভালবাসা তুমি কোন সুদূরে থাকো? কোন ঠিকানায় পড়শী তোমার কার স্বপনের ঘুম? কিসের নেশায় মাতো তুমি ওঠাও সুখের ধুম? কোন বিধাতার জনম তোমার কার ছলনায় বাঁকো? ভালবাসা তুমি কোন সুদূরে [বিস্তারিত কোন সুদূরে থাকো]
***(ছাইরাছ হেলাল ভাইয়ের কল্যাণে “ছড়া বিভাগ” পাওয়ায় ছড়াটি উনার সম্মানে উৎসর্গঃ করলাম)*** একটা মানুষ খুব বাহাদুর রাজ্য চালান বিশখানা দুনিয়াজুড়ে খুব ক্ষমতা বছর ঊনত্রিশ টানা। জগৎখ্যাত বিজ্ঞানী সে! বানায় রকেট- বিষবোমা চান্দে’ পাঠান মানবশিশু তারার দেশে ডিশ-কোমা। তার ইশারায় হাকিম নড়ে হুকুম নড়ে সাতবেলা এদেশ দখল ওদেশ দখল অনিষ্টে তার হাত মেলা। সে যাই [বিস্তারিত রাজার রাজা]
একটা ছড়া দৌড়ে ছোটে একটা ছড়া হাঁটে একটা ছড়া মনের ঘরে আস্তে জাবর কাটে। একটা ছড়া স্বপ্ন দেখে একটা ছড়া ঘুমায় একটা ছড়া খাতার ভাঁজে আলতো করে চুমায়। একটা ছড়া ধর্ম শেখায় একটা কর্মে হাঁটা একটা ছড়া গান গায় আসার একটা জানায় টাটা। একটা ছড়া হাসায়-কাঁদায় একটা ছড়া রাগায় একটা ঘুমায় নদীর বুকে একটা [বিস্তারিত ছড়ার প্রকৃতি]
আজকে নিশান হাওয়ায় ওড়ে শান্ত ও শ্বেত; আজকে তুমি নীলাভ সাগর উর্বরা ক্ষেত। আজকে দেখি তোমার ছবি নতুন করে, আজ দেবে কি নতুন সুরুজ মিষ্টি ভোরে? আজকে তুমি নতুন করে— চোখের তারায় স্বপ্ন আঁকো , আজ বিরহ নদীর বুকে— বাঁধাই কর নিবিড় সাঁকো। আজকে হবে দুঃসাহসী অকুতোভয়! আজকে হবে শুধুই আমার; আর কারো নয়! [বিস্তারিত আজকে তোমায় বাজিয়ে নেব]
বেশ কিছুদিন অনুপস্থিতির পর আবার ফিরে এলাম আপনাদের মাঝে। বাবার অসুস্থতার কারণে এই করোনাক্রান্ত দিনেও সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরের বাড়িতে যেতে হয়েছিল। বাবার শরীরের অবস্থা ভাল নয়, তাই মনটাও ভাল না থাকাটাই স্বাভাবিক। তবুও মধ্যবিত্ত বাধ্যতার কারণে কর্মস্থলে ফিরতে হল অন্যদের মতোই। সাহিত্য- সংস্কৃতির মানুষ হিসাবে প্রকৃতির প্রতি দুর্বলতা আমার সেই ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু আজ [বিস্তারিত যমুনাপাড়ের প্রেম]