- ***(একটি কল্পিত প্রেমকাব্য)***
একদা কৃষ্ণ সাজিয়া বিষ্ণু মগন মহান ধ্যানে,
মনে জপে নাম রাম হরিরাম ভগবান শুধু জ্ঞানে।
বনে যত সব পাখি করে রব কানেতে কিছু না ঢোকে,
কাহার সাধ্যি ভাঙে আরাধ্যি কেবা সেবা তার রোখে।
হেনকালে পরি গায়ে মেখে জরি নেমে এলো রাধিকাই,
নেই তার সম অন্তর মম ধরাতে যে কোথাও নাই।
কিযে চমকালো ঝলকানো আলো কি যে অনন্য রূপ,
সারাবন জুড়ে পূর্ণিমা মুড়ে জ্বলিয়া উঠিল ধুপ।
চমকিয়া ওঠে কৃষ্ণের ঠোঁটে জোছনামোড়ানো হাসি,
রাধিকার রূপে পিরিতি স্বরূপে যৌবন যায় ভাসি।
ভাঙে তার ধ্যান,প্রেমে অজ্ঞান সমুখে দাঁড়ায় গিয়ে,
হস্তেতে মালা কঙ্কনবালা “তোমারে করিনু বিয়ে।
তুমি মহারাণী কৃষ্ণঘরনী প্রেমসুধা ঢালো মনে,
রাজদরবার হোক ছারখার পিরিতি জ্বলুক বনে।
যত ফুল পাখি মুদিলেন আঁখি বাজিলো কৃষ্ণবাঁশি,
কি যে মহাসুখে রাধিকার মুখে ফুটিয়া উঠিল হাসি।
- তোমারে হেরিয়া কেমন করিয়া কাটিবে দিবসরাত,
এই লহ পানি অন্তরখানি তোমাতেই করি পাত।
কৃষ্ণের প্রেমে অন্তর ফ্রেমে উথলি উঠিল রাধা,
খুলিয়া ঘোমটা জ্বালিয়া মোমটা ভাঙিল সকল বাধা।
রূপে মহাসাজ জলসায় আজ নেচে ওঠে রাধিকায়,
কোথা গেল লাজ শরম দরাজ রাধা যেন চমকায়!
খাঁটি প্রেম হাতে সেই মহা প্রাতে নাচিয়া উঠিল যেই,
দেখে মহারাজ কোনখানে আজ দুঃখের লেশ নেই।
সতী সে বালিকা গাঁথিয়া মালিকা বলিতেছে মরিমরি,
কৃষ্ণবাঁশিতে মায়াবী হাসিতে জপে যেন হরিহরি।
প্রেমসুধা পানে অন্তরখানে বদল হইলা মালা,
যত দিন যায় পরাণ উতরায় বাড়ে দ্বিগুনের জ্বালা।
রাধা কহে স্বামী , অন্তর্যামী কি বিষ করিনু পান !
মনে আছে কেহ ভাঙে মোর দেহ করে যেন খানখান।
প্রাণ ভরিয়াছি আমি মরিয়াছি বিষেতে হয়েছি নীল, কোথায় আত্মা নাহিকো পাত্তা গেছে নিয়ে কোন চিল।
কৃষ্ণ কহিলো সকলি রহিল পান করো প্রেমমধু,
স্বর্গীয় তুমি উর্বর ভূমি মহিয়সী দেবী বধু।
হেমলোক দাও প্রেমলোক দাও জরজর কর বিষে,
মরনের শেষে স্বর্গের দেশে তুমি আমি রবো মিশে।
এই বিষে মাতো নাহি বিষ তা তো কৃষ্ণবাঁশির শিষ,
সে বিষে জরিলে রাধিকা মরিলে কৃষ্ণরে সাথে নিস।
******
জোছনামোড়ানো হাসি
রাধিকা উঠিল নাচি,
প্রেমের যৌবন উথলে উঠি্লে
লাজ শরমের কাঁথা-পুড়ে
পান করে প্রেমমধু দ্বিগুন জ্বালে;
আহা আহা মরি মরি হরি হরি।
কবি কবি!!
ওম শান্তি।
অসাধারণ লেখা । পড়ে ভালো লাগলো।
শুভকামনা সবসময়।
কৃষ্ণ কহিলো সকলি রহিল পান করো প্রেমমধু,
স্বর্গীয় তুমি উর্বর ভূমি মহিয়সী দেবী বধু।
হেমলোক দাও প্রেমলোক দাও জরজর কর বিষে,
মরনের শেষে স্বর্গের দেশে তুমি আমি রবো মিশে।
এই বিষে মাতো নাহি বিষ তা তো কৃষ্ণবাঁশির শিষ,
সে বিষে জরিলে রাধিকা মরিলে কৃষ্ণরে সাথে নিস। – মুগ্ধ, বিমোহিত সব্যসাচী লেখক। শুভ কামনা রইলো
আপনাদের মত উৎসাহদাতা থাকলে লেখা অনেক সহজ হয়ে যায়।
চমতকার, অনবদ্য। মুগ্ধতা ছুয়ে গেল। —হেমলোক দাও প্রেমলোক দাও জরজর কর বিষে,
মরনের শেষে স্বর্গের দেশে তুমি আমি রবো মিশে।
এই বিষে মাতো নাহি বিষ তা তো কৃষ্ণবাঁশির শিষ,
সে বিষে জরিলে রাধিকা মরিলে কৃষ্ণরে সাথে নিস। –👏 শুভ কামনা রইল ভাই।
এই চার লাইন আমার সবচেয়ে প্রিয়। ধন্যবাদ ভাই।
কৃষ্ণ কহিলো সকলি রহিল পান করো প্রেমমধু,
স্বর্গীয় তুমি উর্বর ভূমি মহিয়সী দেবী বধু।
..
দারুণ দারুণ। আপনার লেখার শব্দশৈলী মুগ্ধ করার মত। ভালো লাগলো ভাই।
আপনাদের দোয়ার অনেক শক্তি ভাই।
আহা্! আমি যেন হিন্দু ধর্মের কৃষ্ণকথা পাঠ করিলাম। মুগ্ধ হলাম শ্রদ্ধেয় কবি দাদা। সত্যি মুগ্ধ হলাম।
অন্তহীন ভালবাসা ও শ্রদ্ধা দাদা।
কৃষ্ণ কহিলো সকলি রহিল পান করো প্রেমমধু,
স্বর্গীয় তুমি উর্বর ভূমি মহিয়সী দেবী বধু। ———–চমৎকার
ধন্যবাদ ভাই।
একদা কৃষ্ণ সাজিয়া বিষ্ণু মগন মহান ধ্যানে,
মনে জপে নাম রাম হরিরাম ভগবান শুধু জ্ঞানে।
বনে যত সব পাখি করে রব কানেতে কিছু না ঢোকে,
কাহার সাধ্যি ভাঙে আরাধ্যি কেবা সেবা তার রোখে।
মন্ত্রমুগ্ধকর শব্দশৈলীতে হেরিলাম মন কবিতে।
অন্তহীন ভালবাসা ও শুভকামনা প্রিয় ভাই আমার।
চমৎকাল লিখছেন ভাইয়া, পড়ে মুগ্ধ হলাম।
আপনারাই আমার লেখার শক্তি আপু।
দাদা একরাশ মুগ্ধতা ছাড়া দিবার কিছু নেই।
সত্যিই অনেক ভালো লাগলো কবিতাটা।
একরাশ ভালবাসা দাদা।
“হেমলোক দাও প্রেমলোক দাও জরজর কর বিষে,
মরনের শেষে স্বর্গের দেশে তুমি আমি রবো মিশে।”
প্রেম কাব্য মন্দ নয়
মরনের পরে যদি থাকতে হয়।
ভাল লাগলো।
ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।
সবসময় ভাল থাকুন দাদা। শুভকামনা রইল।
নজরুল ভাই! চমৎকার অন্তমিলের কবিতা।
আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছেছে। তবে কবিতার শব্দচয়নে
বর্তমানে ছাপ থাকলে আরও ভাল হতো।
শুভেচ্ছা জানবেন।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই। আসলে এটি ইচ্ছা করেই পুরণো ধারায় লিখেছি। আমার নিজেকে যাচাই করবার একটি প্রয়াস বলতে পারেন। মাঝেমধ্যে অন্যধারা চেষ্টা করি। আপনাকে পাশে পেয়ে ভীষণ ভাল লাগে। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও পাব।
রাধা কৃষ্ণের প্রেম উপখ্যান ভিন্ন ভাবে পড়লাম।
শুভ কামনা ভাই।
ধন্যবাদ ভাই
কৃষ্ণের প্রেমে রাধা এম্নি এম্নি পাগল হয়নি। যা কিছু তার সবই করেছিলো দান রাধার রাঙা চরণে।
কবিতার ছন্দে, আকর্ষণে বিমোহিত হয়েছি। সত্যিই আপনি অনবদ্য লেখেন।
**তুমি মহারাণী কৃষ্ণঘরনী প্রেমসুধা ঢালো মনে,
রাজদরবার হোক ছারখার পিরিতি জ্বলুক বনে**
আপনারাই আমার শক্তি, সাহস, প্রেরণা। অব্যাহত থাকবে আশা করি।