হে রাজন, হে ঋতু রাজন হে বসন্ত, এসেছ তুমি ধরায়, তোমার আগমনে দখিনা সমীরে দোর খুলে যায়, পত্র বিহীন বিটপীতে কি পুষ্প শোভা পায়। নির্মম রুষ্ঠ সমীরে ঝরে পড়ে তরুলতার সাকুল্য পত্র, বসন্তদূত গেয়ে যায় গান সকাল বিকাল রাত্র। হে বসন্ত, তুমি এলে প্রকৃতিতে আম কাঁঠাল পুষ্প মুঞ্জরিতে যায় ভরা, একই দেশে থেকে একই জাতির [বিস্তারিত বসন্ত]
আমার মাথা গোঁজানো ঠাঁই নেই, থাকতাম ঐ পথের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা শিমুল গাছের নিচে বসে। জন্মের পর আমার কাছে কেউ নেই আমার সব তো ছিল ঐ শিমুল গাছ খানি হঠাৎ এক ঝড় এসে আমার মাথা গোঁজানোর ঠাঁই টুকুও অনায়াসে কেড়ে আমার ঠাঁই টুকু। জীবনের সর্বস্ব দিয়ে আঁকড়িয়ে ছিলাম তাকে জানি না কেন বিধাতা এরূপ করে [বিস্তারিত ঠাঁই]
বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করার জন্য যারা, দিয়ে গেল প্রাণ, আজ সেই প্রাণ গুলো ইতিহাসের পাতায় স্মৃতিপটে অম্লান। নির্ভীক ছিলেন তারা পিছনে হাঁটেনি, বাংলার দামাল ছেলেরা সামনে ছিল তাই ভয় করেনি। মায়ের মুখের ভাষার জন্য ছেলের প্রাণ করল দান, এই ইতিহাস জগৎ জুড়ে হয়েছে অম্লান। রচনাকালঃ ১০/০২/২০২১
নীল আকাশের বুকে বিহগ মেলে পাখা, ও দিকে তার বন্ধু আছে, নদীর তীরে একা। শুধায় তারে? কই গেলি রে, আয় না কাছে, একটি কথা কই তোরে আমি ভালোবাসি, প্রাণের চেয়ে বেশি সই। মানব নই যে আমি, করব নতুনত্ব গ্রহণ, তোমার পাশে রইব আমি সহমরণ। মানব হল শ্রেষ্ঠ প্রাণী, নিকৃষ্ট তার কাজ, সেই জন্য তাদের জীবনে, [বিস্তারিত পাখি]
মাতৃস্নেহের কি তুলনা আছে?সেই স্নেহকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য নিন্দুক ঘোরে মায়ের পাছে পাছে। ওরে নিন্দুক একটু এগিয়ে এসে শোন যদি মাতৃস্নেহ মিথ্যা প্রমাণ করতে পারসস্বপ্নভরা পৃথিবী দেব আরো দেব রাজকুমারী বোন। এই পৃথিবীর সকল জিনিসে থাকিতে পারে ভেজালভেজাল দিয়ে পৃথিবী ভরাশুধু মাতৃস্নেহটা একমাত্র নির্মাল। অনেক সময় সন্তান মাকে করে প্রহারসন্তানেকে মা তো দেয় না অভিসম্পাত মাতৃস্নেহের জন্য [বিস্তারিত মাতৃস্নেহ]
বিষাদ বেদনায় ভরপুর ফাগুন প্রকৃতিকে নিঃস্ব করে দেয়, ফাগুনের আগুন হাওয়ায় ঝরে পড়ে সকল বৃক্ষের পাতা প্রকৃতিতে ফিরে আসে রিক্ততা। ফাগুন যে বেদনা বিধুর মাস ফাগুন আগমনে মা আর বোনের নয়নে অশ্রুর বারিধারা হয় বহমান, রফিক শফিক সালাম জব্বার বরকত আর কত নাম। ভাষার জন্য লড়লো ওরা বিষাক্ত হায়েনার বিরুদ্ধে, হায়েনা ছিল শক্তিশালী বলব কি [বিস্তারিত বিষাদ বেদনায় ভরা ফাগুন]
মাগো পুইয়ের মাচা পুরো খালি তুমি চারা লাগাবে বলে, আমি দুটো পুইয়ের চারা এনেছি চারাগুলো আজ নুয়ে পড়ছে, প্রখর রোদে। মাগো তুমি কোথায় তোমায় তো আমি সারাবেলা খুজলাম তুমি তো কোথাও নেই, মাগো তুমি কোথায়, তোমায় না পেয়ে আমি বসে আছি, হিজল অশ্বত্থ গাছের নিচে ভগ্ন হৃদয়ে পাশ দিয়ে যায় হাজার হাজার নারী পারি দেয় [বিস্তারিত বীরঙ্গনা]
আমরা বাংলার মানুষ আমরা স্বাধীনতা চাই, আমরা বাংলার নির্যাতিত নিপীড়িত কৃষক আমরা আমাদের অধিকার চাই স্বাধীনতা চাই, স্বাধীনতা। আমরা বাংলার শ্রমিক জনতা আমরা আমাদের স্বাধীনতা চাই, স্বাধীনতা। আমরা বাংলার মাসুম শিশু আমরা স্বাধীতা চাই। সমাবিষ্ট বাংলার মানুষের আজ একটাই চাওয়া স্বাধীনতা,স্বাধীনতা। শুধু স্বাধীনতা নেই বলে সমগ্র বাংলা পাকিস্তানিরা করেছে তোলপাড়, এই স্বাধীনতার জন্য বাংলার মানুষ [বিস্তারিত স্বাধীনতা চাই]
দৃপ্ত পায়ে যাচ্ছো কোথায় একটু দাঁড়াও ভাই, কে তুমি? কথাটির জবাব দিয়ে যাও। শোন তাহলে – কে আমি শুদ্ধ আমি, শান্ত আমি ভ্রান্ত আমি নয়। বেলি আমি, টগর আমি ফুুলের রাণী নয়। পদ্মা আমি, মেঘনা আমি গঙ্গা আমি নয়। তাঁরা আমি, জোনাকি আমি আঁধার আমি নয়। আকাশ আমি, বাতাস আমি পাতাল আমি নয়। দোয়েল আমি, [বিস্তারিত কে তুমি?]
একুশের রক্ত লেগে আছে বাংলার পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ায়, লেগে আছে রাজপথে আরো লেগে আছে দুঃখী মায়ের হৃদয়ে একুশের আগমনে মনে জাগে সেই দিনের কথা যে দিন আমার ভাইয়ের উপর পাকরা করছে কত পাশবিক পৈশাচিকভাবে নির্যাতন আজও মায়ের বুক কাঁদে আমার ভাই সালাম জব্বার রফিক শফিকের জন্য মা তো থালা দাঁড়িয়ে আছে খোকা আসবে বলে সেই প্রতীক্ষায় [বিস্তারিত রক্তে ভেজা একুশ]
মাতাপিতার সুদীর্ঘ পরিকল্পনার পর এই নদী নক্ষত্র দেশে এসেছি আমি অজস্র নদীর ভীড়ে আমার জীবনের সোনালী স্বপ্ন গুলো হারিয়ে গেছে খুঁজে পায় না সেই স্বপ্ন গুলোকে নক্ষত্রের বর্ণিল আলোর জন্য। জীবন তো নদীর ঢেউয়ের মতো দোল খায় নক্ষত্রের আলোর কাছে জীবন, আবার ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পায়, জীবন মান সংগ্রাম ঘাত প্রতিঘাত স্বপ্নের বাতিঘর যে খানে স্বপ্নের [বিস্তারিত নদী নক্ষত্রের দেশে]
ছোট্টা ছোট্টা শব্দে বসে আছি আমি অব্দের পর অব্দে, একাকি অমরত্বের লাভের সন্ধানে কেমনে আমি আমার নামকে ধরার বুকে করব অক্ষয় শুধু আমার জীবনে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা লিখব কীর্তিমানের সারিতে আমার নাম খানি। নেই আমার মনে সুখ শুধু আমার চিন্তা, কীভাবে রচিতে পারি অমর কীর্তি কাব্য যেমন রচিল নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ যদি আমি তেমন কিছু [বিস্তারিত অমরত্বের আশা]
ছোট্টা ছোট্টা ছন্দে মনের আনন্দে গেয়ে যায় জীবনের অন্তিম পর্বের নিরবতা গান, অন্তিম পর্বের কথা শুনলে আমার মনে শিহরণ জাগে ধরাকে ছেড়ে যাওয়ার অজস্র কষ্ট আমার প্রাণে। বর্ণিল স্বপ্ন দিয়ে সাজানো হয়েছে গেছে আমার জীবন বিচরণের মাঝখানে দাঁড়িয়ে যাবে শুধু মৃত্যুর জন্য, সেই চিন্তায় আমি তো কখনো হয়নি অবিরত চিন্তামুক্ত সদা বিভোর আমার চাওয়া আমার [বিস্তারিত মন ভালো না]
ছোট্টো ছোট্টো ছন্দে মনের আনন্দে গেয়ে যায় মানব জীবনের অমরত্বের লাভের গান, যে মানব গুলো কিছুই করে নাই তাদের জীবন পৃথিবীতে থেকে ম্লান। মানব মন থেকে গেছে সেই জীবন হারিয়ে কখনো কেউ নেই তা মনে করবার, অন্ধকারের মতোন সেই জীবন গুলো ডেকে আছে ধামাচাপায় বিদীর্ণ রাতের আধার রূপে। জনম জনম মানব মন বাঁচতে চাইলে মানবকে [বিস্তারিত অমরত্ব]
আমি দুর্বার, আমি দুর্বার আমি সব অন্যায় অবিচার ভেঙে করি চুরমার। আমি মানি তো না কারো কালো আইন যদি আমার সামনে থাকে ভয়ানক মাইন। আমি তো শূচি শুদ্ধ পাখি চাতক আমায় বলতে পারে না কেউ ঘাতক। আমি তো অশনি সংকেতের ঝংকার ধ্বনি নয় করি পদতলে নিষ্পেষিত অসুর দৈস্য হায়েনায়। রচনাকালঃ ২৭/১২/২০২০