কে হিন্দু, কে ক্রিশ্চান, কে বৌদ্ধ, কে মুসলমান জিগাও কেন ওরে? সদ্য প্রস্ফুটিত কোমলমতি শিশু জাত পাত জানে না কি ওরে – একই বৃক্ষের শাখা প্রশাখা ওরা হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলমান ক্রিশ্চান । মসজিদ এই, মন্দির এই, প্যাগোডা এই, গীর্জায় বলে সাম্য কুরআন,পুরান, ত্রিপিটক, বাইবেল বলে সাম্য তারা সন্তান মোর মার হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, ক্রিশ্চান কেউ [বিস্তারিত সাম্য]
আমরা বাংলার মানুষ বাঙালিবেঁচে আছি কিন্তু হয়ে কাঙালি,আমাদের নেই অন্ন, নেই বস্ত্র, নেই নয়নে নিদ্রানেই কোনো মৌল বা মানব হিসেবে অধিকার। আছি বেঁচে মরা- আধ মরা হয়েস্বাধীন হয়ে আমাদের জীবন গেছে আবার,পরাধীনতার কালো অধ্যায়ে ছেয়ে। আমাদের করুন পরিণতির কথা জানেঐ বাংলার জারুল জামরুল আর দূর্বাঘাস,আরো জানে ঐ মুক্ত আকাশের বিস্তর জোনাকিরা। পঁচিশ তারিখের নির্মম জেনোসাইডবাংলার [বিস্তারিত নরকের স্বাদ বাংলায়]
স্বাধীনতা তুমি বড় অবাধ্য শব্দশুধু তোমার জন্য,উজানচন্ডী বিলের ধারে পড়ে আছে কত লাশ,কত মা কত বোনের হলো সর্বনাশ। কাজল দিদির সিঁদুর বিহীন ললাট পড়ে আছে ধবল রঙের শাড়ি,পাক সেনারা তুলে নিয়েছে ওর স্বামী সন্তান ফেরেনি আর বাড়ি। দুখিনী মায়ের বিরহ পরান সোনা মুখ চাইস্বাধীনতা তুমি নেই তাইবাংলা ছেয়ে গেছে শকুন আর হায়েনায়স্বাধীনতা শুধু তুমি নেই তাই,বাংলা [বিস্তারিত স্বাধীনতা]
পিচ ঢালা এই পথের উপরকাটে সারাবেলা,যে যেমন কাজ দেয়করি না তো হেলা। রৌদ্রে পুড়ি নিত্যদিনভালো থাকার জন্য,কষ্টে আমার স্ত্রী সন্তানউদরে নেই অন্ন। হঠাৎ যখন ভুল করিবকে মালিকগণ,অনেক সময় প্রহার করেকাঁন্না করি তখন। দূর্ঘটনা নিত্য সাথীজীবনে অর্ধেক মরে আছি,গরিব ঘরে জন্ম আমারভস্ম স্বপ্ন নিয়ে এসেছি। হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রমেনিজেকে ভাবি ধন্য,ধর্ম বলে এমন উপার্জনপূণ্য আর পূণ্য। ————রচনাকালঃ২৮-০৭-২০২০
জীবন তো চলে তার নিজ গতিতে স্বপ্ন এসে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়, জীবন বিচরণের মাঝ পথেতে জীবনের উদ্দেশ্য তাই নয়, জীবনের কাজ স্বপ্ন দেখা তা বাস্তব রুপ দানে সাহায্য করা। জীবনের স্বল্প পরিসরে পৃথিবীতে রচিত হবে অমর কীর্তি, নয় হলে জীবনের নেই কোনো মূল্য থাকবে না এই ধরায়। জীবনকে চলতে হয় স্বপ্নকে সাথে নিয়ে, তাছাড়া জীবন [বিস্তারিত জীবনের গতি]
কবে শুনেছি সেই কোকিলের গান আজও মন পড়ে সেই দিনের কথা, ভাবতে গেলে মনে জাগে আমার ওগো প্রেয়সী, সত্যি দারুন বিরহ ব্যথা। সেই কবে বয়েছে দখিনা বাতাস খুলেছে গেছে দরজা, পত্রবিহীন বৃক্ষের শাখায়, পুষ্পের বিরহের কষ্ট, আজও আমার প্রাণে দোল খায়। রচনাকালঃ ১৪/০২/২০২১
জীবনের শুরু অকস্মাৎ নহে বাবা মার দীর্ঘ পরিকল্পনা পর, হয় একটি জীবনের শুরু, সকলের কাম্য সুখ, দুঃখ নহে কাম্য কারো। জীবনে সবাই তো সুখী হতে চাই, কিন্তুু বিধাতা যার ললাটে রাখেনি সুখ, সে কেমনে পাবে তার নাগাল, কখনো আসবে না তার কাছে সুখ। সত্যি দরিদ্র ঘরে জন্ম নিলে সকলকেই আজন্ম সুখের জন্য বিপ্লব করতে হয়। [বিস্তারিত কষ্টের জীবন]
ঐ দেখা যায় জারুল হিজলঐখানে মোদের গাঁওদুই ধারে দুই নদীর পাশেবাধাঁ আছে ডিঙি নাও। কাশবনের কাশফুল লেগে আছে তটেশরতকালের ফুলের মালায়ভরে গেছে পথ ঘাটে। কিলবিলকিল করছে মীন চেয়ে দেখি বসেশীতকালে স্নান করেনানান রকমে হাঁসে। মোদের গাঁয়ের সহজ মানুষকামার কুমার চাষানদীর জলে নাওয়া খাওয়ানদী তাদের ভরসা। মায়া মমতায় জড়াজড়ি করেআনন্দ উৎসবে গেহখানি রয়েছে ভরেমায়ের কোলে শুয়ে-বসে জুড়ায় প্রাণবর্ষাকালে [বিস্তারিত মোদের গাঁ]
আমি তো তোমাকে ভালোবাসতে চাইনি তুমি তো আমাকে সেই বিদীর্ণ প্রহরে, প্রপোজ করেছিলে। আমি তো তোমাকে ভালোবাসতে চাইনি সত্যি সত্যি আমি চাইনি, কারণ বর্তমান ভালোবাসা রিয়েল না, টাইম পাস। তুমি তো আমাকে স্বপ্ন দেখিয়ে হৃদয়ের গহিনের সুপ্ত ভালোবাসা জাগ্রত করেছিলে স্বার্থপরের মতো অন্যের হাত ধরে চলে গেলে। শুধু ধোঁকা পাব তার জন্য আমি কখনো ভালোবাসার [বিস্তারিত ভালোবাসি তোমায়]
কোমল কুলষমুক্ত মন যারসে আমার শিক্ষার্থী । পদ্মবনের প্রস্ফুটিত পদ্মের মত ব্যবহার যারসে আমার শিক্ষার্থী। দূদির্নে দুখী জনের পাশে থাকে যেসে আমার শিক্ষার্থী। দেশ মাতৃকা সেবায় নিজ জীবন ব্রত করে যেসে আমার শিক্ষার্থী। যে অন্যায়ে প্রতিবাদী বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর যারসে আমার শিক্ষার্থী। জ্ঞানের দীপ্ত আহরণের জন্যে চলে যেসে আমার শিক্ষার্থী। অজানাকে জানার জন্য অদম্য কৌতুহল আছে যারসে আমার [বিস্তারিত আমার শিক্ষার্থী]
ঊনচল্লিশ বছর পর, আজ শীতের হিমেল হাওয়ার স্পর্শে কাপড় গায়ে জড়িয়েছি, শুধু তুমি আসবে বলে। তোমার আগমনের বার্তায়, আমি শীতের পিঠাপুলি তৈরি করেছি, এনেছি তোমার প্রিয় খেজুরের রস। ওগো প্রিয়, শুধু তুমি ছিলে না তাই, আমি কোনো দিন শীতের পিঠাপুলি খায়নি, আনিনি কখনো আমার বাড়িতে খেজুরের রস। ঊনচল্লিশ বছর পর, আজ বসন্তদূতের গান শুনেছি, শুধু [বিস্তারিত ঊনচল্লিশ বছর পর -(পর্ব -৩)]
ঊনচল্লিশ বছর পর, আজ দেখছি গগনে শরতের শুভ্র মেঘের ভেলা, শুধু তুমি আসবে বলে। তোমার আগমনের বার্তায়, আমি শিউলি আর কাশফুল তুলে এনেছি, তুমি আমি একসাথে দেখব বলে। ওগো প্রিয়, শুধু তুমি ছিলে না তাই, আমি কোনো দিন শরতের শুভ্র মেঘের ভেলা দেখিনি, দেখিনি শিউলি আর কাশফুল। ঊনচল্লিশ বছর পর, আজ হেমন্তের ফসল বাড়িতে এনেছি, [বিস্তারিত ঊনচল্লিশ বছর পর -(পর্ব -২)]
ঊনচল্লিশ বছর পর, আজ গ্রীষ্মের রৌদ্রের তাপদাহে হাঁটছি, শুধু তুমি আসবে বলে। তোমার আগমনের বার্তায়, মধুমাসের সকল ফল বাড়িতে এনেছি, তুমি আমি একসাথে তা খাব বলে। ওগো প্রিয়, তুমি ছিলে না তাই আমি কোনো দিন গ্রীস্মের রৌদ্রর তাপদাহে হাঁটিনি, খায়নি কোনো ফল মধুমাসের। ঊনচল্লিশ বছর পর, আজ আমি আনন্দে বৃষ্টিতে ভিজছি, শুধু তুমি আসবে বলে। [বিস্তারিত ঊনচল্লিশ বছর পর-(পর্ব -১)]
দুই হাজার বিশ, তোমার আগমনে ধরা থেকে চলে গেছে সকল সুখ শান্তি আক্রমণ করেছে অজস্র জীবানু মানব জীবন গুলো তোলপাড় করেছে ভয়াল করোনা., নেই মানব মনে শান্তি, শুধু আতঙ্ক। শুধু ভয়। পঙ্গ পালের আক্রমনে বিপর্যস্ত হয়েছে বাংলার কৃষক ক্ষেতের পর ক্ষেত উজাড় হয়ে গেছে অন্নবিহীন উদর আর কৃষকের মলিন মুখ। দুই হাজার বিশ তোমার আগমনে [বিস্তারিত ২০২০ সাল]
ধরাতে বসন্তের আগমনে গায় কোকিল তার সুরে মিষ্টি মধুর গান, পত্র বিহীন বিটপী ভরে যায় পুষ্প মুঞ্জিরতে ফুরফুরে মিষ্টি দখিনা হাওয়া মন ছুয়ে যায়, বাসন্তী ফুলের সৌরভের কাছে, মৌমাছির গুঞ্জন অজস্র। পত্রবিহীন বিটপীর হৃদয়ে দারুণ কষ্ট, যখন কোকিল তার শাখে বসে গায়। বসন্তের আগমনে ধরা সাজে নব সাজে, রয়ে বিটপীর হৃদয়ে রিক্ত হাহাকার পত্রের শোকে। [বিস্তারিত বসন্তের আগমনে]