জীবন যদি হতো নজরুল রবীন্দ্রনাথ জীবনানন্দের কবিতার পঙক্তির মতো সুন্দর, বাস্তবতা যদি হতো রুপকথার কাহিনির মতো যেখানে আছে শুধু শান্তি আর সুখ, নেই কোনো অশান্তির ছোঁয়া। সৌন্দর্য যদি হতো রংধনুর সপ্ত রঙের মতো যা জীবনকে রাঙিয়ে দেবে বর্ণিল রঙে। জীবন যেন না বসন্তের পাতা বিহীন বিটপীর মতো যেখানে শুধু বিরহের অনলে জ্বলে বিটপী। রচনাকালঃ ২৮/০২/২০২১
হে বিধাতা আর কত ভেসে বেড়াব ঐ মেঘের ভেলার মতো। ভালো লাগে না আর এই ভাবে ভাসতে কবে হবে আমাদের মতো যাযাবরের স্থায় জানি না, সুখের জন্য শুধুই কি বিপ্লব করতে হবে নাকি ললাটে নেই কোনো সুখ নাকি আছে শুধুই দুঃখ। এই যাযাবরের ললাট রাজ্যে জাগরিত হয়নি কভু সুখের উল্লাস। জন্ম জন্মান্তর শুধু ভোগ করতে [বিস্তারিত যাযাবর জীবনে দুখ]
অশ্রুসিক্ত দুই নয়নে বসে স্রোতস্বিনীর ধারে, আনমনা কবি হয়ে খুঁজি প্রিয় জনে, আসবে তবে বলেছিলে ফোনের এসএমএসে, সে তো এলে না, কেন? তোমার অপেক্ষায় বসে বসে তোমার স্কেচ মাটিতে একেঁ, তরুলতার পাতার রং বেরংয়ের কালার করে, করছি তোমায় মনে। পর দিবসে চেয়ে দেখি, এসেছে জোয়ার ভাটার টানে। স্রোতস্বিনীর মোহনায় পরিস্কার হয় আছে যত ময়লা আবর্জনা, [বিস্তারিত অপেক্ষা]
হে নারী, অদ্য আর তোমাদের ঘরে বসে বসে শুধু সন্তান লালনের দিন নয়, পুরুষশাসিত সমাজে পুরুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার দিন। হে নারী, সেই যুগে পুরুষকে যেমন ইন্ধন যোগায়েছ অদ্যও তোমার ইন্ধন দেয়া প্রয়োজন। তোমার ইন্ধন বিহীন পুরুষের কাজ অসমাপ্ত। হে নারী, এই ধরার যত বড় জয় অভিযান তোমাদের কারণে পুরুষ হয়েছে মহীয়ন, [বিস্তারিত নারী]
হে ক্ষণজন্মা সিংহ পুরুষ মুজিব তুমি বাংলায় জন্মে ছিলে বলে বাংলার মানুষ পেয়েছে স্বাধীনতা, পেয়েছে ফিরে সমগ্র অধিকার স্বাধীকার। তুমি ছিলে বলে বাঙালি পৃথিবীর বুকে পরিচয় দিতে পারছে স্বাধীন জাতি হিসেবে। তুমি কভু আপস করো নি অন্যায় অবিচারের কাছে মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে থেকেছ বাঙালির জন্য পাকিস্তানীসেনাবাহিনীর বুলেটর কাছে, তোমার অবদান কভু ভুলবার নয়, তাই তো [বিস্তারিত তুমি ছিলে বলে মুজিব]
হয়তো বা কোনো এক স্নিগ্ধ ভোরে ঐ জামরুল গাছের মগ ডালে পাখি বসে গাইবে, শিশিরে ভেজা ধানক্ষেতের পাশে ফিঙে তার মনের অভিলাষে নেচে যাবে। চারদিকে বাসন্তী ফুলের সৌরভ ছড়বে তরুলতার নব সাজে সজ্জিত হবে চারিদিক। ঐ পথের ধারে থাকা বুভুক্ষা মাছরাঙাটি অধীর আগ্রহে খাদ্যের প্রতীক্ষায় থাকবে। মাছরাঙাটির প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হবে কি হবে না তা [বিস্তারিত প্রতীক্ষিত প্রহর]
আমি তোমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছিলাম তা আমাকে ফিরিয়ে দাও।তুমি আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলসুখে দুঃখে থাকবে পাশে পাশেছলনা করে ছেড়ে গেলে তুমিবিরহ অনলে পুড়ছি আমি আমাকে ফিরিয়ে দাও,আমার ভালোবাসা। যে ভালোবাসা ছিল আমার হৃদয়ে সুপ্ততা কেন করলে জাগ্রত,ভালোবাসার জন্য ছোট্ট নীড়ে পাখিরা ঘুমায়ভালোবেসে কবি লেখেন কত শত কবিতাভালোবেসে শিল্প আঁকেন কত শত ছবিছলনার তরে নয়।ফিরিয়ে দাও – আমাকে ফিরিয়ে দাওআমার [বিস্তারিত অপূর্ণ জীবনের প্রহর গুলো]
ও গো প্রেয়সী, শুধু তোমায় ভালোবাসি বলে, অপেক্ষায় কাটিয়ে দিচ্ছি অজস্র প্রহর। কোনো ভাবে আমি ভুলতে পারি না, তোমার স্মৃতি বিস্মৃতি গুলো, কেন, তুমি কি জানো? তোমার তো জানার প্রয়োজন নেই শুধু আমার প্রয়োজন, কারণ আমি তোমায় ভালোবাসি ভালোবাসি বলে শুধুই তার জন্য। ওগো প্রেয়সী, তোমার সাথে কাটানো প্রহর গুলো আমায় নিশ্চুপ থাকতে দেয় না, [বিস্তারিত তোমায় ভালোবাসি]
বল না, মা, বল আর কত দিন, আমরা সহ্য করব পাকিস্তানীদের, শাসন নামক পাশবিক পৈশাচিক নির্যাতন । বল না,মা বল – আর কত দিন আমাদের বাক স্বাধীনতা হরিত থাকবে, আমরা কি কোনো কাজে কোনোদিন মতামত দিতে পারি না। বল মা, বল – এভাবে কি জীবন চলতে পারে, পারে না মা, পারে না, জীবন তো এভাবে [বিস্তারিত মুক্তির চেতনা]
ফুলে ফুলে ভরে গেছে ঐ পথের ধারের পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া গাছটা, সেই কবে থেকে কোকিল গাইছে প্রাণ খুলে ঐ জানালার পাশের স্রোতস্বিনীর ধারে গাছটায়। কথা ছিলে এই বসন্তে খোকা তুই আসবি ওহে খোকা আজ বসন্ত প্রায় শেষ, তুই কেন আসছিস না কেন? এই মা তো তোর প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছে দিবানিশি সতত, খোকা তুই কবে আসবি [বিস্তারিত প্রতীক্ষিত মা]
মা শব্দটি মধু মাখামায়া মমতায় জড়িয়ে থাকা,হৃদয়ের গহিন থেকে আসাএকটি মমতা মাখা শব্দ – মা। সাংবাদিক থেকে বড় সাংবাদিকসে হলো -মা, সন্তানের আপদ বিপদ হলোমায়ের অন্তরে আগে লাগে ঘা। মা হলো সন্তানের বড় বন্ধু এই জগতের হাই,সুসময়ের বন্ধু সবাইবিপদের বেলায় নাই। সন্তানের জন্য মাকরে অনেক কষ্ট,তার জীবনের সব সাধসন্তানের জন্য করে নষ্ট। মা শব্দ মধুর চেয়ে মিষ্টিমায়ের গর্ভের [বিস্তারিত মা]
এই যে শিশু ভাবছ কিছু বসে নদীর ধারে জলাঙ্গীর ঊর্মিতে কেন, ও পথিক ভাই ওই তরীটি নড়ে -জানিনে বাপু। ও পথিক ভাই, ঐ দেখ মাঝি ভাই নিয়ে যায় তরী, সে কি আর ফিরবে না ঐ তার বাড়ি, -জানিনে বাপু। শোন, শোন ও পথিক ভাই, বলি তোমারে নদীর ধারে বসে আমার কাটে সারাবেলা, যাকে আমি প্রশ্ন করি [বিস্তারিত নদীর তীরে]
হাজার বছরেরর শ্রেষ্ঠ বাঙালি তুমি মুজিব তোমার নাম, এই ধরাতে তোমার সমতুল নেই তো কারো দাম। বাঙালির সুখে হাসতে তুমি কাঁদতে বাঙালির দুখে, নিজের স্বার্থ তুচ্ছ করে তুমি দাঁড়াতে মৃত্যুর মুখে । লোভ লালসা দেখিয়ে তোমায় কিনতে পারেনি কেউ, তার জন্য তোমার জীবনে আসতো পাক শাসকদের ঢেউ। মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে তোমায় ওরা রুখতে চেয়েছিল [বিস্তারিত মুজিবের অবদান]
সেই দিনে এই মাঠ এরুপ ছিলো নাছিলো বিশাল জনাকীর্ণ,ছিলো জনসমাগম।সেই দিনই ছিলো বাংলার শ্রেষ্ঠ বিকেলএই বিকেল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে অদ্বিতীয়এ এক নতুন কাব্যের মেলা । নিস্তব্ধ নিরব ছিলো চারদিকের পরিবেশতরুলতায় বসে আছে ঝাকে ঝাকে সাদা পাখিকাব্য শুনবে-অধীর আগ্রহে বসে বন্ধুর মাটিতেদশ লাখ জনগণকাব্য শুনবে-কানাকানি করে বলে, কখন আসবে কাব্যিককখন শুনাবে তার অমৃত কাব্যখানিজনতা ব্যাকুল হয়ে বসে আছে কাব্যের [বিস্তারিত বাংলার শ্রেষ্ঠ বিকাল]
গাছের মগ ডালে পাখি বাঁধে নীড়শত্রুরা ভয়ে কাপে দেখে বীর। ফুলের জন্য মানবের আছে ভালোবাসাঅস্ত্রর খেল জীবকে করে নিরাশা। নিন্দা হলো নিন্দুকের কাজআছে কি তার চক্ষু লাজ। যে ব্যক্তি কর্মবিমুখকস্মিনকালে পাবে না সুখ। যে করবে সুখের আশসেই পড়বে দুখের ফাঁস। নবজাতকের জন্য মায়ের অন্তরে আছে মায়াঅন্নবিহীন উদর দুর্ভিক্ষে পড়ে আছে কায়া। ————–রচনাকালঃ২৯-০৬-২০২০