শুকাতে শুকাতে যখন তার চামড়া মাংস হবে কঙ্কালসার বোধে তার বাধিবে কি সাধে ? চারিদিকে শুধু হাহাকার ।। যুদ্ধ করে দেশটা করে স্বাধীন শিকল ছিঁড়ে পেলাম খাঁচার অধীন ইচ্ছে হলেই পাওয়া যায়না পার এই দেশ ছেড়ে বৈদেশ পালাবার।। আবার যখন করবে কোন কাজ ঠকবে নিত্য যেন দণ্ড রাজ মাইনে যাহা মিলবে তাতে নয় পর্যাপ্ত [বিস্তারিত জাগো -৪ ( চল যুদ্ধ করি )]
এই শহরে এখনো রাত্রি নামে সন্ধ্যা তারার মেলায়, জোনাকির ঠোঁটে লিপস্টিকের লালচে রেখা- নিভু নিভু আবছা আলোর নিয়ন বাতির ল্যাম্পপোস্টের আড়ালে – জোনাকিরা ভীড় করে রাত্রি গভীর হলে- নীল জোছনায় ।। সেদিন বনানীর ফ্ল্যাট থেকে যখন বেরিয়েছিস তুই – তোর দু-চোখে নিষিদ্ধ পরাগায়নের ছায়া দেখেছিলাম, অন্তঃদৃষ্টিতে দেখেছিলাম একটি দুর্ভেদ্য গোলাকার প্রকোষ্ঠ- যেখানে চল্লিশ লক্ষ প্রাণের [বিস্তারিত নিষিদ্ধ কাব্য -১]
শহরের ভাঙ্গা প্রাচীর ঘেঁষে সাঁটানো লাল পোস্টার তোর রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত শরীরের মতোই অগোছালো- সদ্য ঝড়ের শেষে এলোমেলো ঝাউ লতার মতোই চুলের বেনী তাতে এক দলা থুতু ছিটিয়ে যায় বাউন্ডুলে যুবক ।। অপ্সরী খুঁজে খুঁজে অবশেষে যে পথিক গন্তব্য হারায় লোনা জলের তলদেশে ঢেউহীন মৃত যমুনায়- সে কি কভু জানতে পেরেছিলো – কত সহস্র নাবিকের জলজ [বিস্তারিত নস্টালজিয়া]
তুই দেশ ছেড়েছিস বলে- শহরের কিছু অন্ধকার কুঠুরিতে এখন আর বাতি জ্বলেনা হাই তুলে আকাশ দেখি আমিও- কফির পেয়ালা হাতে, এখন আর তোকে খুঁজে বেড়াই না- নির্জন কোন কক্ষে।। এখন আর লেজ তুলে পায়চারী করে না – লঙ্কার নেড়ী কুত্তা কিংবা – অশোক সামন্তের ব্রহ্মচারী কোন প্রকৌশলী যুবক, সীসার ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ঘোলাটে হয় না আবছা [বিস্তারিত বেশ্যা ও বিলেতে যায়]
একদিন চলে যাবো বন্ধু নীল কষ্টের বীণা বাজিয়ে হৃদয়ের সব চাওয়া পাওয়া আর আনন্দ হাসি গান হারিয়ে । কত কথা কত হাসি কত সুর মান অভিমান লাগে সুমধুর সবকিছু স্মৃতি হবে একদিন হারিয়ে যাবো যেদিন বহুদূর। আমিতো পারিনি দিতে বন্ধু তোমায় এমন দামী উপহার রিক্ত হৃদয় ছাড়া কিছু নেই বিদায় বেলায় তোমাকে দেবার। জানি [বিস্তারিত মনে রেখ বন্ধু]
যদি মরিতে নাহি চাও তবে তোমার ঐ গগনচুম্বী স্বপ্নরাশির মাদুলি বানিয়ে বাঁধাই করিয়া গলায় পরিয়া লও।। যদি লড়িতে নাহি চাও তবে দাসত্বের ঐ কঠিন শিকল দু-পায়ে পরিয়া জীবন ভরিয়া গোলামি করিয়া যাও।। যদি জাগিতে নাহি চাও তবে দেখেও না দেখার ভান ধরিয়া ওপাশে ফিরিয়া উল্টো পথে সহসা চলিয়া যাও।। © অনন্য অর্ণব উত্তরা, ঢাকা
আমি ডিজিটাল হতে চাইনা আমি চাই ভাত ও বস্ত্রের যোগান সুশিক্ষা , চিকিৎসা আর সুনিশ্চিত রাত্রি যাপনের নিশ্চয়তা। তোমরা প্রযুক্তির কথা বলো, তাই না ? উন্নত জীবন আর নিরবচ্ছিন্ন বিলাসিতা ? আলিশান বাড়ি লাক্সারী গাড়ী, হাতের মুঠোয় বিশ্ব আরো কত কি ? এই…ই, একবার ভেবেছ কি তোমরা ? উৎপাদন বন্ধ থাকলে – প্রক্রিয়াজাত ও [বিস্তারিত জাগো- ২ ( অধিকার নয় কর্তৃত্ব চাই)]
ওরা কিসের পরিবর্তন চায় ? ডান হাতে পায়রা আর – বাম হাতে পিস্তল নিয়ে, পাশ্চাত্যের নগ্ন সভ্যতার উত্তাল বিচরণ, যাদের নিত্য চলার পথে পাথেয়, যারা বুঝেনা সংস্কৃতি কাকে বলে ? উৎকট দুর্গন্ধময় চরিত্রই যাদের সম্বল। ওরা কেমন বাংলাদেশ চায় ? যেখানে সম্পদের সুষম বন্টন নেই, উঁচু-নিচু আকাশ- পাতাল বিভেদ, কেউ গাড়ি চড়বে কেউ তাতে [বিস্তারিত জাগো – ১ (রুখে দাঁড়াও শোষণের বিরুদ্ধে)]
কত উত্থান কত পতন কত হাহাকার আর উল্লাস ঘন মুহূর্তের সমন্বয়ে সজ্জিত মানুষের জীবন। কখনো সফলতার চরম শিখরে কখনোবা পাহাড়সম সমস্যার অন্তরালে চাপা পড়ে মানুষ হারিয়ে যায় কালের অতল গভীরে। তবুও মানুষ বেঁচে থাকে, ভালো থাকার, ভালো রাখার- আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যায়। জীবনে চলার পথে একেকটা ধাপে মানুষ পরিচিত হয় সম্পূর্ণ অজানা অচেনা অন্য [বিস্তারিত অবন্তিকা- ৪]
জোসেফ ফার্নান্দেজ। আমেরিকার ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের উত্তরপূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত শিকাগো শহরের পশ্চিমাংশের একটি ছোট্ট ছিমছাম সাজানো গ্রাম ওক পার্কে যার জন্ম এবং বেড়ে উঠা। জন্মের আগেই তার আইরিস বাবা তার মাকে ছেড়ে স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। লেডি জেনিফার যখন জোসেফ কে জন্ম দিলেন তখন তিনি একটা এশিয়ান মালিকানাধীন রেস্টুরেন্টে অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দক্ষিণ [বিস্তারিত অবন্তিকা- ৩]
মাত্র ৭১৯ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এই সিঙ্গাপুর। মালয়েশিয়ার মালয় উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে ইন্দোনেশিয়ার বাতাম দ্বীপের সাথে সিঙ্গাপুর স্ট্রেইট দ্বারা বিভক্ত একটি বানিজ্য ও পর্যটন নগরী। সারা দুনিয়ার বাঘা বাঘা টাকাওয়ালা মানুষগুলো টাকার পেছনে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে যখন হাঁফিয়ে উঠে তখন একটু বিশ্রামের আশায় রেসের ঘোড়ার মতো ছুটে আসে এখানে। আর এখানকার শতকরা ৭৫% [বিস্তারিত অবন্তিকা -২]
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সন্ধ্যাটা যখন একঘেঁয়ে রাতের অন্ধকারে পদার্পণ করে তখনো দিনের আলোর কিছু লালচে আভা আকাশকে রাঙিয়ে রাখে। অনেকটা প্রৌঢ়া রমনীর ভাঁজ পড়া ঠোঁটে উজ্জ্বল লিপিস্টিকের মতো, যা কেবল পুরনো অভ্যাসের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে কিন্তু কোন সদ্য যৌবনে পদার্পণ করা তাগড়া যুবকের দৃষ্টি কাড়ে না। চল্লিশ ছুঁই ছুঁই অবন্তিকার বয়সটা যেনো তার চলমান সময়ের [বিস্তারিত অবন্তিকা – ১]
হয়তো একদিন ফিরে যাবো- তোর বুকের গভীরে প্রজ্জ্বলিত উন্মত্ত আগ্নেয়গিরির – দরজাটা খুলেই রাখিস, আমি তোর মুখপানে নিমগ্ন দৃষ্টি রেখে – হাসতে হাসতে ঝাঁপিয়ে পড়বো ঐ অগ্নিগর্ভে।। তুই শুধু তোর পাঁজরে জ্বলা লেলিহান অগ্নিকুন্ডের- দোপাট্টার দেরাজটা খুলে রাখিস ।। শুনেছি আজকাল নভেম্বরের বৃষ্টিতে ও নাকি- বিমগ্ন উঠতি বয়সের কাপলরা ভিজতে ভালোবাসে, আর জ্যৈষ্ঠের ভরা [বিস্তারিত কথা দিলাম]
রক্তের স্রোতে ভাসে দেশপ্রেমিকের লাশ চেতনার বীজতলাতে মীরজাফরের চাষ চলতে গেলে দিচ্ছে বাধা আগলে রেখে পথ বলতে গেলে কন্ঠ ছেঁড়ার করছে যে শপথ ।। স্বাধীনতা শূণ্য সেথা আমজনতার ভাগে চেতনার ঐ ঝান্ডাধারী রাক্ষস খাবে আগে কে তুমি আর কিইবা পেলে যায় আসে কি তার আমজনতার কেনইবা ঐ স্বাধীনতা দরকার ? রাষ্ট্র নাকি সরাইখানা যায় না [বিস্তারিত রক্তের স্রোতে ভাসে দেশপ্রেমিকের লাশ]
রক্ষিতা রাতের তৃতীয় প্রহরে নামে আশ্বিনী ঝড়, আমি কবিতার সুঢৌল উর্বর পাঁজরের পৃষ্ঠে পৃষ্ঠে খুঁজি – আদিমতার লেলিহান শিখা- জোড়া ধ্বংসস্তূপ।। সহস্র রজনী পেরিয়ে এসে কবিতার বাহুতলে আজ- মুখ গুঁজতেই নামে বৃষ্টি- আহা সে বদন খানি অপূর্ব কারুকাজ, অষ্টাদশী কবিতার শরীর জুড়ে- যেন আমিই রাজাধিরাজ।। গত জনমের ভৌতিক আল্পনা ভুলে- আমার আর কবিতার সংসার, আমিতো [বিস্তারিত হেমন্ত বন্দনা-কবিতার গর্ভে পরিপুষ্ট হৈমন্তী ফসল]