খরা কাব্য

ছোট খাটো অক্ষর কুড়িয়ে-টুকিয়ে নিয়ে খোড়া,ল্যাংড়া শব্দ সাজাতে বসি…..ভগ্নাংশের ছিটেফোঁটা  অক্ষরের দৈন্যতা ভোগাতে থাকে অবিরতঃ।  পঞ্চদশ পৃষ্ঠায় এসেই থমকে গ্যাছে আঙুলের যাবতীয় সাড়তা। অসাড়, নির্লিপ্ত চোখের দৃষ্টিতে শুধুই মৃত মাছের জমাট বাঁধা রক্তের ছোপ!

পূর্বাপর হাজারো অক্ষরের জমিনে চাপ চাপ ভুল বানান ; দাঁড়ি,কমা,সেমিকোলন,বিরাম চিহ্ন!

কেবলই হামাগুড়ি দেয়া শিশুর চার হাত পায়ের ছাপ-ছায়া, ছাড় পায়না কিছুতেই বিচারিক কাঠগড়ায়-।

কি যেন লিখতে এসেছিলাম?         ভুলে গিয়ে আবারো ফিরে যাই আলোহীন ল্যাম্পপোষ্টের নীচে, এখানে মাথার উপরে চিরস্থায়ী জায়গা নিয়েছে নিকস কালো মেঘ -, বৃষ্টিহীন পুঞ্জরাশি ভার বহন করে আছে অলিখিত ভোগান্তি………।

 

নোটঃ মহারাজ( ছাইরাস হেলাল) আপনার উস্কানিটুকু বজায় রাখবেন প্লিজ। আমিও খরা কাটিয়ে অক্ষরে ডুব সাঁতার দিতে চাই…. নইলে অস্তিত্ব হারিয়ে নিঃশ্বাস নেয়া যারপরনাই প্রহসন হয়ে যাচ্ছে বড্ড….

মোট পড়েছেনঃ ১,০৫৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. জরা, গ্রস্ত কাটিয়ে দন্যদুর্দশা হটিয়ে আসুক ভরা শুকনো মাঠে জল, আসুক , ফুটুক ফুল, হাসুক সকল প্রাণ উল্লাসে মাতুক প্রানীকুল।

  2. সিঁড়ি ভাঙার বিশ্বস্ত বিদ্ধস্ততা নেই এখানে কোন,
    নেই ডুবু ডুবু ফেরি, উছলে পড়া উপচে পড়া স্বপ্ন-সান্তনা নাই বা থাকলো,
    ঝাপসা জানলায় সামান্য একটু আলোক ঝলকানিতে
    চোখ রাখা যেতেই পারে, পার ও, পারে না?
    বিম্বিত বিষম্বিত চোখে ক্রন্দনের মুখোমুখি হলেই বা কী?
    বিরহী মন/চোখ লুকিয়ে কৃত্রিম হংসমুখ সেলফি! সেই বা কম কীসে!!

    ইস, ইসসিরে কী মন্তব্য করমু তা তো বেমালুম ভুলে বসে আছি!!

  3. লেগে থাকলে শব্দের খেলা
    আসা যাওয়া করেই অবিরাম,
    যেমন প্রকৃতি আছে বলেই
    বর্ষা খরা মানে পালাক্রম।
    মুগ্ধতায় শুভ কামনা রাখলাম পাতায় নিরন্তর।

    1. আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ….. ভুলটা বুঝতে পারছি না ঠিক। আমি দৈন্যতা* উপস্থাপন করেছি,,,দীনতা বোঝাতেই। আরেকটু বুঝিয়ে বলবেন কি?

  4. প্রথমাংশ টা যেন সবার মধ্যেই বিরাজমান, লেখার খরা কাটিয়ে পূর্ণাঙ্গ খরস্রোতা নদী বয়ে যাক এই সোনেলার উঠোন জুড়ে। শুভ কামনা রইলো ❤️❤️

    1. আমার এ খরা কাটবে কিনা ঠিক জানা নেই ছোটদি ভাই। আপনারা ফিরে আসুন স্বমহিমায়,,,আপনাদের অক্ষরের বাহারি স্রোতে ভাসি না হয়!!!
      শুভ কামনা আপনার জন্যেও।

  5. সময়ও তাঁর শতরুপা শতরঞ্জি পেতে দেয় জীবনের আঙিনায়,
    এই সব দিনরাত্রি নাটকের পটভূমি সবটাতেই কি সকলে থাকে?
    থাকে না। তবুও মহড়া চালু থাকে। মঞ্চস্থ হয় পূর্ণাঙ্গ নাটক।

    খরাকাব্যই বোধ হয় পৃথিবীর সায়রে সবচেয়ে সুন্দর কবিতার বেলাভূমি

    1. খরায় আর কাব্য জোটে কই
      কবিতা?
      সে তো আরো কিছু নয়!
      লোপাট শব্দের কাছে গুমরে কাঁদে প্রহরের পর প্রহর….. যাপিত যাপন ঠিকঠাক ঘর বদলায় নিয়মিক দেয়াল কাঁটায় ভর করে…….

      1. কেউ মস্তিষ্কের তাড়নায় নিপাট নাটু্কে চরিত্র করে যায় মঞ্চস্থ
        কেউ বুকের খাঁচা চাপড়ে ধরে করে কামনা, জীবনাবসান ঘটুক তবে এখন!
        কেউ বিছিয়ে রাখে দাবার ছকে হাতি ঘোড়ার চাল খুব গোপনে,
        এইসব দেখতে দেখতে/ সয়ে/ রয়ে
        কেউ ভুলে যায়…. আঙুলে হিসেব করার কড়া ছিলো কোনো এক কালে……

মন্তব্য করুন