
আমন ধান
হেমন্তে আসে কৃষক গোলা
মিষ্ট সুস্বাদু লাল ভাত।
ওহ! স্বাদ
ক্ষির পিঠা পায়েস সুমিষ্ঠ
সকাল বিকাল ঠান্ডা গরম।
সকাল বিকেল
রোদ্র মিষ্টি অতি মিষ্ঠ
গায়ে দেয় দোলা।
সকলে বসে একই
সংগে আত্বজ প্রতিবেশি
পিঠাবুলি ভোজন।
মাঠ সোনেলা ধানে
উজ্জ্বল আর লালচে ধানে ভরি
উঠে প্রাণটা ঝলমলে।
আদুরি বায়ু
গায়ে লাগায় দোলা হিম
আলতো বাতাস তৃপ্ত।
হেমন্তীয় ফুলে
উঠোন গেছে ভরে বাগিচাও
ফুরফুরে মনটাও।
বাহারী ফুলের
হেমন্ত বুঝি ঠেলেই গন্ধ
প্রিয় ফুল দুলছে।
ছবি গুগল থেকে সংগৃহীত।
মোট পড়েছেনঃ ১,১১৭জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
হেমন্তে চারদিক মৌ মৌ করুক। প্রাণ ফিরুক সবখানে
এই ইচ্ছে আর বুঝি হবেনা পুরণ। সবাই শহরি হলে আশা জাগেনা। আর যারা গ্রামে আছে তারা আর এই স্বপ্ন দেখেনা সবাই।
তবুও গ্রামে হেমন্তই কৃষকের প্রাণ
তা ঠিকই আপু। তই এখন আমাদের এখানে আমন ধান তেমন হয় না।
বাহ্ চমৎকার হেমন্তের পুরো ছবিটা ফুটে উঠেছে। হেমন্তের শুভেচ্ছা রইল ভাইয়া। ভালো থাকবেন সবসময় শুভ কামনা রইলো
ধন্যবাদ দিদিভাই।
জয়তু সোনেলা।
মহী ভাই আপনার লিখা থেকে বঞ্চিত এটা কিন্তু ঠিক না।
শুভ ব্লগিং।
দাদা কি কবিতাই পাঠ করলাম ঘ্রাণটা মনে এখনি পাইলাম কিন্তু খুব কষ্ট লাগল কারণ
সেই সবদিনের কথা মনে পরে গেলো————-
আসল ঘ্রাণ ধানে, পিঠাই পায়েসে। কবিতায় আর ঘ্রাণ আসবে কোথা থেকে ভাই। সুন্দর মন্তব্য আপ্লুত।
পুরোনো হেমন্তকাল মনে করিয়ে দেয়া কবিতা।
এখন আর কৈ দেখা যায় এমন হেমন্তীয় আবহাওয়া? বদলে গেছে বৈশ্বিক আবহাওয়া। তবুও মনে পরা…..
মনে আসা ভাল লাগা
সবই উঠে আসুক মাথায়।
মনে পড়ার জন্য শুভেচ্ছা হোমন্তীয়।
হেমন্তের চমৎকার চিত্রায়ণ। হেমন্তের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো ভাইয়া। ভালো থাকুন সবসময়
হেমন্তীয় শুভেচ্ছা।
হেমন্তকে আমরা হারিয়ে যেতে দেব না কিছুতেই।
সোনেলার খেরোখাতায় থাকবে পরবর্তি প্রজন্ম পড়তে পারবে আবা র ভাববে এটা কি সত্য!
হেমন্ত মানেইকিষান কিষানীর মুখ ভরা পূর্নিমার হাসি।
শুধু হাসিই না ভাই এখানে ত্রিইপ্তির ঠেকুর উঠে।
পুরো হেমন্তের ছবি দেখতে পেলাম। তবে লাল চাল আর নেই ভাই। ওটাকে ছেটে কাটারীভোগ বানানো হয়।
শুভ কামনা।
এখনো অনেক এলাকায় নিজের খাওয়ার জন্য আবাদ করে। আমার ভাতিজি আমার জন্য মাঝে মাঝে তার শশুর বাড়ি থেকে পাঠায়।
আপনাকেও হেমন্তের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো ভাই। ভালো থাকুন সবসময়।
হেমন্তীয় শুভেচ্ছা।