আদর-রৌদ্রের হেমন্ত

 

আড়ালের ছায়া-ডালে লুকোতে লুকোতে
দ্বন্দ-বিষাদের শরৎ শেষে,
নিস্তরঙ্গ খোলা হাওয়ায় টুপ করে বেড়িয়ে এসে
কেমন লাগছে এখন? হেমন্ত;
প্রত্যাশার চাঁদের মত
মুহুর্মুহু পূর্ণ ঝলমল নির্বিচার ভালোবাসায়;

নিমিষ-পলকে চোখ খুলে দেখি
রৌদ্র-আদরের হাসি ভরপুর অনিবার্য মুক্তির সদনে,
বছর ঘুরে সুগভীর হাইড আউট থেকে বেরিয়ে এলে
শরৎ যখন লুপ্ত-নির্গুণে।

নিকানো দাওয়ায় আঁচল মেলে সকাল-সূর্য
বসে থাকবে স্বজন সমবিভারে, বিপুল নম্রতায়;
নিষ্ঠুর ম্রিয়মাণ সবুজ বনানী ঘিরে
স্মৃতির মিছিল তুলে রেখে /ভুলে যেয়ে,
এসো হেমন্ত-পাখিদের সাথে গলা মেলাই,
এবারের এই সময়ে;

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৯৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. শুভ হেমন্তের শীতল সকাল। ঝিরঝির মিষ্টি হাওয়ায় মন ভেসে যায় দূরের শিশির ভেজা শিউলী তলায়। হেমন্ত এসেছে গাঁয়ের মেঠোপথটি ভিজিয়ে দিতে, সবুজ বনানী ফুলে ফুলে ভরে দিতে। দ্বমদ অর্থ টা জানিনা ভাইয়া যদি বলে দিতেন। শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকবেন সবসময়

    1. ধন্যবাদ দিচ্ছি, আসলে দ্বন্দ লিখতে গিয়ে অমন লিখে ফেলেছি, ঠিক করে দিলাম।
      এ তো এ লেখা থেকেও হেমন্ত অনেক অনেক বেশি করে – আপনি সদর-আদরে গ্রহণ করে নিচ্ছেন।
      ভাল থাকবেন অবশ্যই।

  2. আমিও তো আঁচল বিছিয়ে নিকোনো দাওয়ায় বসে অপেক্ষা করছি হেমন্তের শির শির বাতাসের শীতল স্পর্শে শিহরিত হতে। হেমন্ত বোধহয় আমার প্রতি বৈমুখ তাই দিচ্ছে না আমায় সৃষ্টির উল্লাসিত সুখ😰😰

  3. এসব শরত হেমন্ত শীত বসন্ত শুধু কবিদের দেখা দেয়। আমি কত আশায় থাকি একটা সুন্দর শীতের ভোরে চাদর জড়িয়ে রোদ পোহাবো, তা আর হলোনা বুঝি। গরম ঠাণ্ডা সব দেখি এক হয়ে যাচ্ছে বা গেছে এরই মধ্যে।
    জলবায়ু কিন্তু আমাদের উপরে অনেক রেগে আছে। সাবধানে থাকুন।

    1. আপনি কবি মানুষ, আপনাদের চাদর জড়াতে সুন্দর-শীত লাগে না, যখন তখন আপনারা তা পড়তে পারেন, জড়াতে পারেন,
      মাথায় ও বাঁধতে পারেন, চাইলে নিম্নাঙ্গেও লাগাতে পারেন।
      ও সব বায়ু-ফায়ু কিচ্ছু না। হেমন্ত হেমন্ত-ই।
      শীতের প্রস্তুতি নিন ভালু করে/ভাল ভাবে !! ধন্যবাদ, কবি সাব ।

      1. আচ্ছা। চাদর দিয়ে আর কি করা যাবে!
        যুগ পুরানো কিছু শীতবস্ত্র আছে। ভাবছি ওগুলোকে এবার রোদ পোহাতে দেবো। বলাতো যায় না, যদি সত্যি সত্যি এবার শীত এসে যায়!

  4. হেমন্ত আসুক ভালোবাসার বাতায়নবর্তিনী হয়ে। মুছে যাক সকল গ্লানি, নবউদ্যমে সাজুক পৃথিবী ভোরের শিশিরের সোনালি আভায়।

    ভালো থাকুন ভাইজান।

  5. প্রিয় ঋতু যদিও শরৎ। পুরো বছর অপেক্ষায় থাকি নীল আকাশে ডানা মেলার জন্য। তবুও এই নিরীহ হেমন্তকেও বড় বেশি ভালো লাগে। রোদের চোখ রাঙ্গানি নেই, বৃষ্টির বাড়াবাড়ি নেই, উপরন্তু মিষ্টি হিমেল হাওয়ার পরশ যেন আনমনা করে তুলবেই।
    শহরে আঁচ না লাগলেও গ্রামীণ জীবনে ঋতুগুলো এখনো সাজে নানা রঙে।

    খুব ভালো লেগেছে কবিতা।
    অনেক শুভেচ্ছা জানবেন।

    1. আসলে প্রতিটি ঋতুই ভিন্ন ভিন্ন ভিন্নতর বৈশিষ্ট নিয়েই আমাদের দরজায় হানা দে,
      হতে পারে আমাদের কারো কারো বিশেষ ঋতুর প্রতি আবেগময় ভালোলাগা ভালোবাসা থাকায় স্বাভাবিক।
      তবুও ঋতুর আসে আমাদের কাছে নব নব রূপে নব নব সাজে। আজ আমরা শহুরেরা কপট কিছুই না হারিয়ে ফেলেছি/ফেলছি।
      অনেক ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন