মুঠোয় রাখা কাঁচপোকা

 

বৃষ্টি-ভ্রমণ চালু রেখে ভাবি
আর কতটা ভিজলে কাক-ভেজা হতে পারি!

মৃত্যুপুরীর পাশ-ঘেঁসে ঢালু পথ বেয়ে
করোনা নিকটবর্তী হয়েও দিব্যি বুকে ফুঁ-দিয়ে
ইজেলে রঙের পর রঙ চড়াতে পারি!

আপনা-আপনি ধীরে-ধীরে গড়ে ওঠা
দীর্ঘতর ছায়া-প্রান্তরের মানুষগুলোকে
ক্রমান্বয়ে হারিয়ে-যাওয়া দেখতে থাকি!
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মতো;

স্পর্শ-অরণ্যে মিশে যাওয়ার আগে
গোধূলির শেষ আবির মেখে সচিত্র হৃদয়ের
ছাপ আঁকা চিত্রটি কী সোনেলা দেয়ালে
লেপ্টে রেখে যেতে পারি!

পুড়ে যাওয়া গ্রীষ্মকাল জুড়ে থেকে থেকে
ঝালাপালা হৃদয়ে, ঢেড় না-হক কথা শেষে,
বৃষ্টির আলোয় শান্ত-স্থির মুঠো-বন্দী চকচকে
কাঁচপোকাটি কী একটু দেখতে পারি!

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৮০০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. মানুষ গুলোর চলে যাওয়া দেখতে হচ্ছে, হুটহাট করে শুনতে হচ্ছে আজ এ কাল ও। কিন্তু শেষ দেখা দেখতে পারছিনা। সোনেলাতে আপনি আবির হয়েই লেপ্টে আছেন, রঙ ছড়িয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুভ সকাল

  2. প্রথম লাইনেই এ কারের বদলে আ কার বসিয়ে বিভ্রান্ত করার মানে কি মহারাজ? সকাল সকাল আমাদের চক্ষু পরীক্ষা করছেন না-কি?

  3. সবাইকেই চলে যেতে হবে, বেঁচে থাকবে আমাদের কর্ম। সোনেলার দেয়ালে আপনার নাম জ্বলজ্বল করবে সবসময়, তবে আপনাকে যেতে দিচ্ছিনা সহজেই।

  4. পুড়ে যাওয়া গ্রীষ্মকাল জুড়ে থেকে থেকে
    ঝালাপালা হৃদয়ে, ঢেড় না-হক কথা শেষে,
    বৃষ্টির আলোয় শান্ত-স্থির মুঠো-বন্দী চকচকে
    কাঁচপোকাটি কী একটু দেখেতে পারি!

    ঢেড় না হক কথা? এই না হক কথাগুলোই থেকে যাবে একসময় জুড়ে আমাদের কথা হয়ে। সোনেলার ধারক বাহকের একজন আপনি মহারাজ! যে যার মতো সবাই চলে যাবো,তখনো মুঠোয় রাখা কাঁচপোকা জ্বলবে নিজের ইচ্ছেয় এই সোনেলায়।
    যতক্ষন আছি, রেখে যাই যত আমাদের না হক কথামালা এই এখানে।

  5. ঢেড় না-হক কথা, অথবা ঢেড় না হোক কথা,
    তবুও থাকুক হাতের মুঠোয় আকড়ে ধরে
    সোনালী সেই কাঁচপোকা..
    ডানা মেলুক ধীরে – ছোট্ট অল্প পরিসরে,
    অস্থির চিত্তের একাকিত্ম স্পন্দনে ;

  6. সোনেলার আকাশে
    রামধনুর সাতরঙা হয়ে
    রঞ্জিত করেছেন সোনেলার উঠান
    এই করোনা কালেও তাই
    সোলেনা-বাসীদের মনে
    লেগেছে ফাল্গুনের আগুন হাওয়া
    সাতরঙা আবিরের রঙে সবাই দোলযাত্রা

    যখন তখন মরতে হবে
    এই কথাটি তাই একপাশে রেখে
    দেখতে থাকুন মুঠোয় রাখা কাঁচপোকা

  7. সোনেলার আকাশে
    রামধনুর সাতরঙ হয়ে
    রঞ্জিত করেছেন সোনেলার উঠান
    এই করোনা কালেও তাই
    সোলেনা-বাসীদের মনে
    লেগেছে ফাল্গুনের আগুন হাওয়া
    সাতরঙা আবিরের রঙে খেলছে সবাই দোলযাত্রা

    যখন তখন মরতে হবে
    এই কথাটি তাই একপাশে রেখে
    দেখতে থাকুন মুঠোয় রাখা কাঁচপোকা

    মন্তব্যে এডিটের অপশন দিলে খুব ভালো হতো।

    1. মন্তব্যের এডিট অপশন দিলে যেমন ভাল,
      তেমনি সমূহ অপব্যবহার হবার সম্ভবনা থেকেই সেটি বাদ দেয়া থাকে।
      ব্যাপার না, আমরা তো সবাইকে জানি, একটু এধার ওধার হলেও সমস্যা নেই।
      এখানে আমরা তো আমরাই।

      1. হুম তা বলেছেন
        আসলে একটা শব্দ লেখার পরে স্পেস দিলে
        অনেক সময় অটোমেটিক চেঞ্জ হয়ে যায়।
        আবার অনেক শব্দ বাদও পড়ে যায়।

  8. পুড়ে যাওয়া গ্রীষ্মকাল জুড়ে থেকে থেকে
    ঝালাপালা হৃদয়ে, ঢেড় না-হক কথা শেষে,
    বৃষ্টির আলোয় শান্ত-স্থির মুঠো-বন্দী চকচকে
    কাঁচপোকাটি কী একটু দেখতে পারি!

মন্তব্য করুন