স্লেটে লিখে রাখা কবিতা

 

এখানে যখন উত্তুরে হিমেল বাতাস
অন্য কোথাও গনগনে চৈত্র-হলাহলে
চৌচির ভূত্বক!
সুখের-অসুখ গাত্রময় কোলাহলে ব্যস্ত
অন্য কোথাও নির্ঘুম নিঃশ্চুপ নিস্তব্ধতা,
পাওয়া থেকে না-পাওয়ার বেদনা-সুখ
ভাস্বর যেথায় সর্বত্র;
তৎক্ষণাৎ ফুঁড়ে ওঠা বৈঠকি অনুভূতি
বহুরূপী সেজে মুক্তির শ্লোক-স্রোত বইয়ে দেয়;

সময়ের গোধূলি বিছানো পথে
শুধুই চোর-পুলিশের খেলা,
অতৃপ্তির আবেশে।

বুকের স্লেটে লিখে রাখা অদৃশ্য কবিতার ঠিকানা
দুয়ো-দুয়ো দিয়ে শূন্যতায় বাজি রাখে।

ছবি………নেটের

মোট পড়েছেনঃ ৬০২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. কোথাও নিস্তব্ধতা, কোথাও ব্যস্ততা। কেউ সুখের প্লাবনে ভাসে , কেউবা নির্ঘুম রাত কাটায় বিছানায় এপাশ ওপাশ করে।স্লেটের লিখা অদৃশ্যই থেকে যায় । ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি কবিতা পেলাম আবারও। ভালো থাকবেন সবসময়

    1. বাহ্‌, সুন্দর করে বলেছেন, চির বৈপরীত্য বিদ্যমান সব কিছুতেই।
      ভাবনা আর প্রাপ্তি কিছুই মিলেঝুলে হয় না,
      অবশ্যই ধন্যবাদ।

  2. জবাব পোস্ট হিসেবে ভালো লিখেছেন। কিন্তু পাঠকদের কথাও মাথায় রাখতে হবে মহারাজ। আমি মুর্খ পাঠক এই লেখার তিনভাগই বুঝিনি। 🙁

    1. আপনি যখন ভাল লিখেছেন বলছেন (তা রাগ কারে হলেও) অবশ্যই ভাল লিখেছি ভাবব।
      অবশ্যই পাহকদের কথা মাথায় নিয়ে উচিৎ, মাথায় রাখি লক্ষ্মী পঠককুল কে।
      আমার সহৃদয় পাঠক এ ও বলে ‘এ লেখা আপনার না’, তুলা তুলা লিখলে(আসলে তুলা ছিল না, তুলার ভং ছিল)।
      জবাব পোস্ট না, ঐ লেখার বিষয়াদি অনেক ভিন্ন, ভিন্নতর।
      জবাব পোস্ট ছিল! ঐ লেখাটি পড়তে পড়তে তৎক্ষণাৎ লিখি, কৃতজ্ঞতার জন্য এ লেখার শুরুর দিকটি ওখানে রাখি।
      তা আপনার বুঝটুকু আমাদেরকে শেয়ার করলে আমরা একটু আনন্দিত হব, আগাম সে প্রতিশ্রুতি দিতে চাই।
      এবারে আপনার তরজমা চাই-ই।

  3. “এখানে যখন উত্তুরে হিমেল বাতাস
    অন্য কোথাও গনগনে চৈত্র-হলাহল”

    প্রকৃতির বৈচিত্র রূপের সাথে
    মানুষের মনে ও রূপ পরিবর্তন হয়।
    এটাই চীরন্তন। শ্বাশত।
    ভাল লাগলো। শুভ কামনা।

    1. একদম ঠিক, আপনি জ্ঞানী পাঠক তা মানি/জানি, প্রাণে-মনে।
      যা চাই তা পাই না। যা ভাবি অন্যদিকে তেমন না। নদীর এপার ওপারের মত।
      তবুও হৃদয়ে কিছু না কিছু মুছে যাওয়া কালিতে লেখা হয়ে থেকে যায়।
      ভাল থাকবেন আপনি, ভাই।

মন্তব্য করুন