ধারে পাওয়া এক চিমটি উষ্ণতা

 

কী-হতে-পারতো-র বাইরে গিয়ে, কী কী হয়নি/হবেও-না
ভাবতে মন্দ লাগছে না, এই শীতের বৃষ্টিতে;

আধো-বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্ধকারের আঁধার-হাতছানিতে,
দুপুর-সূর্য আলগোছে সরে সরে যাবার পায়তাঁরা সন্ধ্যা সূর্যতে,
তারাদের ইশারা-ভ্রুকুটি রক্তিম চিবুক বাড়িয়ে,
রহস্য চাঁদের উদ্ধত-উদ্যত-উন্মুক্ত বুকে,
কী কী হয়! কী কী হয়-না! কে জানে!

বিলম্ব-যাত্রায় দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে
এমন কী ই বা হতে পারে/পারতো এ অ-বেলায়!

হে আগত শৈত্য প্রবাহ, ‘প্রবেশ নিষেধ’ নিয়ে নয়!
অন্তত এবারে সামান্য একটু উষ্ণতার ধার নয়ে এসো;
দিও অগুণে-পিঠা!

ছবি……নেটের

মোট পড়েছেনঃ ৮৪৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪০টি মন্তব্য

  1. উষ্ণতা লাগবে উষ্ণতা। প্রথম তিনটি খুবই প্রিয়। কী কী হবে , হয়নি এসব ভাবতে ও এতো মজা লাগে , ছিলো না তো আগে জানা। শীত-বৃষ্টির শুভেচ্ছা

  2. বলি এটা কি ঠিক? আমি বছরের ১২ মাসি ডায়েটে থাকি। এতো সব লোভনীয় ছবি দিয়ে দিলেন তো ডায়েট চটকে।😋😋

    তারাদের ইশারা-ভ্রুকুটি রক্তিম চিবুক বাড়িয়ে,
    রহস্য চাঁদের উদ্ধত-উদ্যত-উন্মুক্ত বুকে,
    কী কী হয়! কী কী হয়-না! কে জানে!

    আমিও জানি না বাপু কী কী হয়,,,,কী কী হয় না!

    যা হোক লেখা সব ছবি দুর্দান্ত হয়েছে কবি ভাইয়া।

    1. মাত্র ১২ মাসি ডায়েট! আসলে বছরের ১৩/১৪ মাসে সমস্যা কী!
      আপনারা নরম-শরম আপনারা না জানলে কে জানবে কে জানে!
      পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  3. “হে আগত শৈত্য প্রবাহ, ‘প্রবেশ নিষেধ’ নিয়ে নয়!
    অন্তত এবারে সামান্য একটু উষ্ণতার ধার নয়ে এসো;
    দিও অগুনে-পিঠা!”

    অনবদ্য লেখা।

    (ভাই ভাপা পিঠা আমার খুব প্রিয়)

      1. ধন্যবাদ দাদা ইচ্ছে কাছে আমি পরাজিত হয়ে আই , আশীর্বাদ করবে ইচ্ছে আর সফলতা যেনো ফিরে আসে। আপনার জন্য ও অজস্র শুভ কামনা।

  4. আপনার পোস্টের লেখা এবং পৌষের পিঠাপুলির ছবি দেখে সেই ছোটবেলার স্মৃতিতে হারিয়ে পেলাম। মা বানাতেন। মনের আনন্দে খেতাম।
    আপনাকে পৌষ সংক্রান্তির প্রীতি ও শুভেচ্ছা। সাথে শুভকামনাও।

  5. অন্তত এবারে সামান্য একটু উষ্ণতার ধার নয়ে এসো;
    দিও অগুনে-পিঠা!…..

    হুহ! শীতের ঠ্যালায় ই-কার দিতে ভুলে গেছেন, আবার শৈত্যপ্রবাহকে ডাকেন! সাহসতো কম না!!!

মন্তব্য করুন