কী-হতে-পারতো-র বাইরে গিয়ে, কী কী হয়নি/হবেও-না
ভাবতে মন্দ লাগছে না, এই শীতের বৃষ্টিতে;
আধো-বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্ধকারের আঁধার-হাতছানিতে,
দুপুর-সূর্য আলগোছে সরে সরে যাবার পায়তাঁরা সন্ধ্যা সূর্যতে,
তারাদের ইশারা-ভ্রুকুটি রক্তিম চিবুক বাড়িয়ে,
রহস্য চাঁদের উদ্ধত-উদ্যত-উন্মুক্ত বুকে,
কী কী হয়! কী কী হয়-না! কে জানে!
বিলম্ব-যাত্রায় দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে
এমন কী ই বা হতে পারে/পারতো এ অ-বেলায়!
হে আগত শৈত্য প্রবাহ, ‘প্রবেশ নিষেধ’ নিয়ে নয়!
অন্তত এবারে সামান্য একটু উষ্ণতার ধার নয়ে এসো;
দিও অগুণে-পিঠা!
ছবি……নেটের
মোট পড়েছেনঃ ৮৪৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
কি ছবি দিলেন ভাই, এখন তো খেতে ইচ্ছে করছে, এই খাবারগুলোর কাছে কি উষ্ণতা ধার পাওয়া যাবে?
এই ত প্রায় কাছে চলে এসেছেন!
ধারে উষ্ণতা পেলেই এই পিঠে আপনার হয়ে উঠবে।
হে হে হে, কম খারাপ বলেননি 😀
তাই বুঝি!
উষ্ণতা লাগবে উষ্ণতা। প্রথম তিনটি খুবই প্রিয়। কী কী হবে , হয়নি এসব ভাবতে ও এতো মজা লাগে , ছিলো না তো আগে জানা। শীত-বৃষ্টির শুভেচ্ছা
আপনাকেও শীত-বৃষ্টি শুভেচ্ছা,
তা এবারে যখন জানলেন, আমাদের ও একটু জানিয়ে দিন।
ওকে জানাবো
ধন্যবাদ দিয়ে পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
বলি এটা কি ঠিক? আমি বছরের ১২ মাসি ডায়েটে থাকি। এতো সব লোভনীয় ছবি দিয়ে দিলেন তো ডায়েট চটকে।😋😋
তারাদের ইশারা-ভ্রুকুটি রক্তিম চিবুক বাড়িয়ে,
রহস্য চাঁদের উদ্ধত-উদ্যত-উন্মুক্ত বুকে,
কী কী হয়! কী কী হয়-না! কে জানে!
আমিও জানি না বাপু কী কী হয়,,,,কী কী হয় না!
যা হোক লেখা সব ছবি দুর্দান্ত হয়েছে কবি ভাইয়া।
মাসই
ও কিছু না।
মাত্র ১২ মাসি ডায়েট! আসলে বছরের ১৩/১৪ মাসে সমস্যা কী!
আপনারা নরম-শরম আপনারা না জানলে কে জানবে কে জানে!
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
এমা! বছরে ১৩/১৪ মাস হয় নাকি?
আপনি তো দেখছি কিছুই জানেন না ভাইয়া🙈🙈
বুঝছি, ১৮ মাসে বছরের কথা বলছেন!
শীত সকালে মজার পিঠা
সাথে মজার কবিতা
তা কিন্তু মন্দনা ।
বন্ধু তোমায় শুভ কামনা।
শীত অবশ্যই মজার, তবে এখনের বৃষ্টিটা মোটেই মজার না।
ভাল থাকবেন আপনিও।
“হে আগত শৈত্য প্রবাহ, ‘প্রবেশ নিষেধ’ নিয়ে নয়!
অন্তত এবারে সামান্য একটু উষ্ণতার ধার নয়ে এসো;
দিও অগুনে-পিঠা!”
অনবদ্য লেখা।
(ভাই ভাপা পিঠা আমার খুব প্রিয়)
ভাপা পিঠা অনেকের-ই প্রিয়, একটু গরমের মধ্যে!
মহারাজ বৃষ্টি হোক আর যাই হোক শীতের সৌন্দর্য বর্ণনা করা লেখায় সম্ভব কি? সাথে পিঠাপুলি হলে মন্দ নয় কি বলেন?
কী কী সম্ভব বা সম্ভব না, তাতো জানি না,
তবে উনুন পরশে পিঠে-পুলি মন্দ না!
এখন তো খেতে ইচ্ছে করছে, ১২ বর্ষর হয়ে গেলো শীতের পিঠা খাইনি।
ধন্যবাদ শ্রদ্ধে দাদা শুভ কামনা।
আল্লাহ নিশ্চয়ই আপনার ইচ্ছে পুরণ করবেন।
আপনিও ভাল থাকবেন।
ধন্যবাদ দাদা ইচ্ছে কাছে আমি পরাজিত হয়ে আই , আশীর্বাদ করবে ইচ্ছে আর সফলতা যেনো ফিরে আসে। আপনার জন্য ও অজস্র শুভ কামনা।
অবশ্য আশীর্বাদ আপনার জন্যই। সফল আপনি হবেন ই।
আমি তো ভাবলাম যাক একরা দাওয়াত পাওয়া গেলো। এখন দেখি ছবি ইন্টারনেট।
😞😞😞
আহারে!
আগে পাওনা দাওয়াত পরিশোধ করেন।
এ অ-বেলায় কিছুই হতে পারতো না,
শীতের গরম পিঠা কে খাওয়াবে?
লোভ জাগাইলেন কেন?
কেউ উষ্ণতা ধার দিলে পিডা-লাডা পাইবেন!
তবে সে গুড়ে বালি না, কাদা!
আপনার পোস্টের লেখা এবং পৌষের পিঠাপুলির ছবি দেখে সেই ছোটবেলার স্মৃতিতে হারিয়ে পেলাম। মা বানাতেন। মনের আনন্দে খেতাম।
আপনাকে পৌষ সংক্রান্তির প্রীতি ও শুভেচ্ছা। সাথে শুভকামনাও।
আসলেও সে সব দিন কোথায় যে হারিয়ে গেল!
আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
জিভে জল চলে এল যে! লেখা পড়ে ভাল লাগলো।
লেখা পড়েছেন সেটি-ই অনেক আনন্দের,
ধন্যবাদ আপনাকে।
অন্তত এবারে সামান্য একটু উষ্ণতার ধার নয়ে এসো;
দিও অগুনে-পিঠা!…..
হুহ! শীতের ঠ্যালায় ই-কার দিতে ভুলে গেছেন, আবার শৈত্যপ্রবাহকে ডাকেন! সাহসতো কম না!!!
কোথায় আবার কী কম হয়ে গেল!
আগুন খুঁজি শুধু আর কিচ্ছু না! শীত-পিঠে খেতে হলে একটি সাহস তো লাগেই, লাগে-না!
শুভ সকাল দাদা দিন শুরু শুভেচ্ছা নিবেন।
দাদা জ্বীবে জল আসেগেছে।
আপনাকেও শীতের শুভেচ্ছা!
একটু সামলাতে হবে, ও কিছু না।
কত সামলে রাখবো দাদা, সামলাতে সামলাতে বারটা বছর কেটে গেলো। ধন্যবাদ দাদা শুভ সন্ধ্যা।
অপেক্ষা আমাদের করতেই হবে।
পুলি আর ভাপা প্রিয় আর বাকি দুইটা প্রিয়ও না আবার অপ্রিয় ও না। ভালো লাগলো পিঠার মেলা।
সব কিছু কী সবার প্রিয় হয়!
দুটো তো প্রিয় তালিকায় পড়েছে।
ধন্যবাদ।