“আমাকে নিয়ে কেউ দু’লাইন লেখে না”
কাহিল শীতে, এই গ্রহণ-কালে, শৈত্য-প্রবাহের সাথে হিম বৃষ্টি
ঠেলে ফেলে, হিমালয়ে সে যাবে, পণ ধরেছে,
শেরপা বিহীন চূড়োয় উঠে গিরি খাদের ভাঁজ-খাঁজ খুলে খুলে
বক-যন্ত্রে পরীক্ষা নেবে, গুহায় বসে খাবি খেতে খেতে
বাতাসের অক্সিজেন গুনবো, ভীতি/হাঁসফাঁস চেপে রেখে
‘ও কিছুনা’ ভঙ্গিতে আয়েসি ভাব নিয়ে মর্তের খোঁজ নেবে।
গর্জন মেঘের হুশিয়ারি অপেক্ষায় রেখে হিমের গুহায়
উত্তাপ-আত্মগোপনের নীলাভ আলোতে স্বপ্ন দেখে
এই উত্তাপ-ঘরেই থেকে যাবে অনন্ত কাল!
ভালোবাসা-বাসির নানান ঢঙে;
পা হড়কালেই অনন্ত গিরি খাদ,
কয়েক ডিগ্রি জ্বরের বাড়তি উত্তাপ নিয়ে ঐ হাসে;
ছবি…নেট থেকে।
মোট পড়েছেনঃ ৮৮১জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
আবার ও একটি সুন্দর কবিতা পেলাম। মুগ্ধতা রেখে গেলাম
আচ্ছা আচ্ছা, অনেক ধন্যবাদ।
তিনি যাই লিখেন অন্তর ছুঁয়ে যায়।
আরও বলেন, বারে বারে বলেন!
শীতে আবার মেঘের গর্জন এলো কোথা থেকে ভাইসাব!
হিমালয়ে শীত/গ্রীষ্মে গর্জন চালু থাকে।
বুঝতে হপে।
হু, বুঝলাম।
কবিতাখান পছন্দ হইছে।
তৌহিদ ভাইয়ের জন্য লেখা বলে কথা,
পছন্দ না হওয়ার কোন কারণ নেই।
কবিতা কিন্তু আমার নিজেরও খুব পছন্দ হয়েছে মহারাজ।
আলবাৎ, পছন্দ হতেই হবে। ভাঁজ খোলাখুলির ব্যাপার আছে না!
এই গর্জন হার্টবিটের ঝংকার, তাইনা মহারাজ?
সব কথা বলা যাবে না।
গর্জন মেঘের হুশিয়ারি অপেক্ষায় রেখে হিমের গুহায়
উত্তাপ-আত্মগোপনের নীলাভ আলোতে স্বপ্ন দেখে
এই উত্তাপ-ঘরেই থেকে যাবে অনন্ত কাল!
ভালোবাসা-বাসির নানান ঢঙে;
কবিতাটি পড়তে বেশ ভালো লাগলো ।
শুভকামনা।
পড়ার জন্য আপনাকেও শুভেচ্ছা।
শুভকামনা ভাই।
উফফ! এমনিই শীতে দফারফা অবস্থা তার উপর আবার হিম বৃষ্টি, মেঘের গর্জন ভাল্লাগে এগুলো?
আর কিছু কইবো না
দারুণ প্রকাশ
তৌহিদ ভাই শুধুই হিমালয় যেতে চায়, থেকেও যেতে চায়,
তাই তো লিখতেই হয়।
হিমালয় দেখলে নিজেকে শক্তিসামর্থ্যবান মনে হয় যে!!
অবশ্যই আপনি শক্তি-সামর্থবান! তা না হলে কাহিল-শীতে কেউ পর্বত-গুহা খুঁজতে বের হয়!
হিমালয়ে সাধনা করার ইচ্ছে হয়েছেতো তাই আর কি! হেলাল ভাই উৎসাহ যোগাচ্ছেন আপু।
আমি স্বচক্ষে হিমালয় দেখিনি। ইউটিউবে দেখেছি। হিমালয়ের কবিতা পড়েছি আপনার সুলেখিত লেখনী।
শুভেচ্ছা সহ শুভকামনা থাকলো দাদা।
আমিও প্রায় দেখি-নাই এর মতই, দার্জিলিং গিয়েও দেখতে পাইনি।
তবে মাশাল্লা ঘোল খেতে তো নিষেধ নেই, ইউ টিউব ই ভরসা।
ধন্যবাদ।
আপনিও ভালো থাকবেন দাদা।
পা হড়কালেই অনন্ত গিরি খাদ,
কয়েক ডিগ্রি জ্বরের বাড়তি উত্তাপ নিয়ে ঐ হাসে; কি যে বিপদ আইলরে ভাই। দুর্গম আবহাওয়া আবার শীতের হিম, কুয়াশা, ঝিরিঝিরি বাতাস, বৃষ্টির পড়ে কুয়াশা।
এই জন্যই তো পা হড়কানো চলবে না।
মজিবর ভাই, এই শীতে অবস্থা কাহিল কিন্তু!
হ্যা তৌহিদ খুব কাহিল
আপনাকে নিয়ে লিখব ?
নাকি হিমালয় নিয়ে ?
দুটোই সফল আপনার
লেখনি ঘিরে !
শুভ কামনা।
আরে অপেক্ষায় রাখার দরকার কী!
দুটো নিয়েই লিখে ফেলুন।
দুটো নিয়েই তো
লিখলাম দু কলম !
ধন্যবাদ ! শুভ কামনা !
ধন্যবাদ দিলাম।
মন্তব্যে দারুণ ভালোলাগা।
মহারাজ, সত্যি আমি অভিভূত, আনন্দিত। একজন কবি আমাকে নিয়ে বন্দনা করেছেন এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারেনা।
এই শীতে হিমহিম ঠান্ডায় চিরাচরিত সেই উষ্ণতা পেলে মেঘের তর্জন গর্জনকে আর ডরায় কে? সে পাশে থাকলে আমার শেরপা লাগবেনা। তবে পাশে আপনাকে নেব। আপনার কবিতার শেষ লাইন দিয়ে আমি নতুন কবিতা লিখবো।
আর পা হড়কাবে কেন? আপনি আছেন না?
একবুকভরা ভালোবাসা জানবেন প্রিয় ভাই।
আরে এ এমন কিচ্ছু না, আপনাকে ত ভাই জানি।
কথা দিয়েছি, কথা রাখলাম।
পা হড়কালে কেউ কাউকে রক্ষা করতে পারে না, তাই আগে ভাগেই সাবধান করলাম।
আপনার কবিতার অপেক্ষায় রইলাম।
আসেন কোলাকুলি করি ভাইজান। নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
আপনাকেও শুভেচ্ছা নূতন বছরের।
স্বপ্ন দেখা মানুষগুলোকে বড় ভালোলাগে।
চমৎকার কাব্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্য ও লেখা আমাদের সবার পছন্দ।
এত কম কম লিখলে হবে না, যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন!
কুট্টি কুট্টি লেখা হলেও, তা আমরা চাই।
হেলাল ভাইয়ের কবিতার তুলনা নেই। ভালো থাকবেন আপু।
সঞ্জিব চৌধুরীর তরজমাটা এই হিম শীতের শেষ রাতে কম্বলের ওমে শুয়ে শুয়ে শুনলাম, সত্যিই অসাধারণ লাগলো বড় ভাই।
অনেক ধন্যবাদ, সঞ্জিব চৌধুরী আমার খুব প্রিয়।
আর গানটি অনেক বার শোনার মত, শুনেছি-ও।
হুমম, আমারো খুবই ভালো লেগেছে
ধন্যবাদ দিচ্ছি।
লিংক দিনতো, আমারও প্রিয় গায়ক তিনি।