প্রত্যাশা

যদি হয়ে যায় দেখা
কোন একদিন,
কোন এক স্নিগ্ধ বিকেলে,
যখন সময়ের ভারে
সূয্যি মামা
পশ্চিমে গিয়েছে হেলে ।

যদি খুঁজে পাস তুই
ভেজা বালুতটে,
একেলা নদীর কূলে,
বসে আছি ঠায়
বুকের সীমানায়
দু’ – চারটা বোতাম খুলে ।

দৃষ্টির তীর
নদীর ওই পাড়ে,
কল্পনায় সখি মিশে,
গলাটা যেন
ঝেড়ে নিস তুই
খুব কাছে এসে বসে ।

চমকে যাব
উঠে দাড়াব,
অজানা সে কৌতুহল,
তুই কি সখি
হাত টেনে ধরে
পাশে বসাবি বল ___!!??
_____________হাহাহা – বলনা প্লিজ—

হবে না স্থীর
দু’ চোখের গতি,
ঘুড়বে ওখানে সেখানে,
তোর দু’ নয়ন
কোথায় রবে স্থীর
বিধাতাই তা জানে ।

হয়ত দেখব
অবনত চোখে,
ভয়ে ভয়ে একাকার,
বলিস কিছু
খুঁজে যেন পাই
তোকে দেখার অধিকার ।

পাগলা হাওয়ায়
করলে খেলা
ক’টা চুল, তোর মুখে;
উতলা সে চুল
সরিয়ে দিব
একটা ফুঁ দিয়ে দুই চোখে ॥

-০-
প্রথম প্রকাশ কাব্যগ্রন্থ- প্রেমারণ্য
–

মোট পড়েছেনঃ ৮৮৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. পাগলা হাওয়ায়
    করলে খেলা
    ক’টা চুল, তোর মুখে;
    উতলা সে চুল
    সরিয়ে দিব
    একটা ফুঁ দিয়ে দুই চোখে ॥

    বাহ….অপরূপ কাব্য! মুগ্ধ হলাম।

  2. ভাবনা-চোখে আজ নিবিড় আকাশ,
    জোড়া-স্মৃতিতে গেঁথে আছে,
    রাত্রি-জাগা স্নিগ্ধ-সিক্ত জ্যোৎস্না
    পালকের মত জড়িয়ে আছে,
    গায়ে গায়ে।

    1. অনেক খুশি হলাম ভাইজান।

      আপনি অনেক উচ্চমানের লিখেন, প্রায়ই দুই তিনবার পড়ে মন্তব্য করি। যতদুর বুঝতে পারি, অনেক ভাল লাগে।

      আপনার সুস্বাস্থ কামনায়।

      1. লজ্জা দিয়েন না ভাই, আপনারা গুরুজন- আমি আপনাদের থেকে শিখছি!!
        আমি কবিতায় কাঁচা,
        চোখের প্রবলেমের কারনে প্রবন্ধ লেখার সময় পাচ্ছিনা বা লিখছি না;
        তাই বলে তো বসে থাকা যায় না, অখাদ্য কবিতা টবিতা লেখি।
        না লিখলে না পড়লে আমার ভাল লাগেনা।

      2. আপনি ভাল লিখেন, আমার বিচার তাই বলে।
        অনেক ভাল লাগে পড়তে, বুঝতে, মিনিং বের করতে।

        আপনার চোখের সুস্থতা কামনা করছি।
        একদিন গল্পও পড়বো আমরা ইনশাআল্লাহ।

মন্তব্য করুন