হেমন্তের উৎকণ্ঠা

 

“বৃষ্টির জলের দাগ মুছে গেছে একদিন সকালের রোদে।” রুদ্র।
চকিতে দেখতে পাবে/শুনতে ও পাবে
নিস্তব্ধতার তীব্র দীর্ঘ নিঃশ্বাস,
প্রখর রৌদ্র-চঞ্চলতার শেষহীন ব্যাকুলতা
অচঞ্চল ফসলের মাঠ জুড়ে,
মৌন হৃদপিণ্ডের শেষ আক্ষেপে;

ইঁদুর এখন নিয়ে যাচ্ছে/নিয়ে নিচ্ছে
বুক জুড়ে মুড়ে রাখা/থাকা সোনা সোনা ফসল;
ছিল না এখানে কোন উদ্ধত যমদূত,
নীরবে নিরবধি কাল বয়ে যাওয়া
বাঁক-হীন একটি নদী ছিল,
ছিল, নীল-নির্জন সফেদ সমুদ্রের বালিয়াড়ি,
দিগন্ত প্লাবিত স্নিগ্ধ আবেগের তপ্ত ভালোবাসা;

কিন্তু আজ শুধুই নির্মম রৌদ্রের আসা-যাওয়া,
সারা মাঠ জুড়ে আলোড়িত অগ্নিরেখা;
নিস্তরঙ্গ কাল-স্রোতের উৎকণ্ঠিত হেমন্তে।

মোট পড়েছেনঃ ৯২০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৬টি মন্তব্য

  1. আরজু মুক্তা আপুর মতো আমিও বলবো- ছিলো যা ভালোই ছিলো।
    কিন্তু আজ-
    “হেমন্তের মন ভালো নেই”

    শেষ তিনটি লাইন কি তাই বলে না !!

  2. এ তো ভারী অন্যায়
    কখনো বৃষ্টিকে বাঁশ
    কখনো রৌদ্দুর কে
    প্রকৃতি তার খেয়াল খুশি মতো চলছে
    কবিও তার খেয়াল খুশি মতো বাঁশ দিচ্ছে
    বাহ্ দারুণ,,,👏👏

    ওহে কবি চমৎকার লিখেছেন

  3. ইঁদুর এখন নিয়ে যাচ্ছে/ নিয়ে নিচ্ছে বুক জুড়ে মুড়ে রাখা /থাকা সোনা সোনা ফসল;”

    বিরহী হেমন্ত কাঁদছে যেন কড়কড়া রোদের আঁচে।

  4. আপনার লেখার হেমন্তের আগমনী রুপ দেখেছি, হেমন্ত বন্দনা দেখেছি আর এখন হেমন্ত হাহাকার দেখলাম পড়লাম। আরো কত কিছু দেখাবেন আমাদের ভাইজান?

    এই না হলে কবি!!

  5. নীরবে নিরবধি কাল বয়ে যাওয়া
    বাঁক-হীন একটি নদী ছিল,
    ছিল, নীল-নির্জন সফেদ সমুদ্রের বালিয়াড়ি,
    দিগন্ত প্লাবিত স্নিগ্ধ আবেগের তপ্ত ভালোবাসা;

    ওয়াও…. চিত্তাকর্ষক কথার মালা বুনে বসে আছেন যে। ভালো লাগছে ভীষণ।

  6. “কিন্তু আজ শুধুই নির্মম রৌদ্রের আসা-যাওয়া,
    সারা মাঠ জুড়ে আলোড়িত অগ্নিরেখা;
    নিস্তরঙ্গ কাল-স্রোতের উৎকণ্ঠিত হেমন্তে।”

    বাহ চমৎকার লেখা। ভাল লাগলো।

মন্তব্য করুন