শরৎ যন্ত্রণা

 

ঘুম-চোখ চেয়ে আছে কত রাত অব্দি!
চেয়ে-চেয়ে দ্যাখে, নক্ষত্র রাত, নক্ষত্রের রাত,
ঐ দূর পানে, যদি খসে পড়ে দু’একটি তারা;
টের পাই রাত-পাখির-ডানা;
ঘুমিয়ে থাকি চোখ মেলে, অবশ-বিবশ-ঘুম-চোখে।

মনে পড়ে, মনে পড়ে; এই তো সেদিন, সেদিন;
সুস্থ-সবল হৃদয়ে ঘুমেরা নোঙর ফ্যালে, নোঙর ফেলে রাখে,
দিনে, রাতে, স্নিগ্ধ রূপসী স্বাদে,
মিহি হিমের জাঁকালো কাশফুল শরতে,
যন্ত্রণার ঘুম-সমুদ্র মেলেছিল ডানা ঐ উঁচুর নীলাকাশে
ইটের ফাঁক গলে চুপিসারে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৬১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

    1. কুটি টাহার প্রশ্ন!
      ভয়ের কিচ্ছু নেই, আসলে ঘুমের সাথে চোখের সম্পর্ক একটু জটিল।
      যার চোখ নেই বা পাথর চোখ! সে কি ঘুমুবে না!

  1. আবহাওয়া টাই এমন। ঘুম ঘুম। সাথে বিবেকও হয়েছে শরৎ। চোখ মেলে ঘুম দেই। জাগুক সবার হিমায়িত মন।
    শরৎ কেমন জানেন ছেলেদের কাছে? হাফ প্যান্ট আর স্যান্ডো গেন্জি পরা ইংলিশ।

  2. মনের ভাবনাগুলো ডানা মেলে উড়ে যাক ঐ নক্ষত্ররাজির কাছে। একটি দুটি নক্ষত্র বুকে টেনে নিক, আশায় ভালোবাসায়। শান্তির ঘুম পায়রার ডানায় ভর করে শান্তি বয়ে আনুক কবির মনে এটাই কাম্য।

  3. লেখার মন্তব্যে পরে দিবো। আগে বলুন এত সুন্দর ছবি কই পেলেন? কিভাবে তুললেন? তোলার সময় ক্যামেরা কোন হাতে ছিলো? পাশে কে ছিলো? সব গুলো ডিটেইলস দিন মহারাজ 🙂

      1. বুঝেছি আসল রহস্য বলতে চাচ্ছেন না। তাজমহল বানানোর পর সম্রাট যদি কারিগরদের আঙুল কেটে নিতে পারে, তাহলে আপনি মহারাজ তথ্য ফাস বন্ধ করার জন্যে আপন মুখ বন্ধ রাখতেই পারেন। 😂😂

        শিক্ষানবীশ!! গুরু কে???

      2. এই স্থানে কুন রহস্য-টহস্য খুব-ই অনুপস্থিত। তবে প্রশ্ন খুব কঠিন কঠিন লাগতেছে।
        অগামগা ছাত্রকে কেউ কেয়ার করে/কেয়ার নিয়ে শিখাইতে চায় নাই/চায় না।
        সেহেতু ভালু কিছুই হেকতে পারলাম না। তবে মনোবল হারাই নাই/না। অটুট।

  4. স্মৃতির সেদিন ধরা থাক হদয় গহীনে। যন্ত্রণা উড়ে উড়ে চলে যাক নির্ঘুম রাতের ওপারে। হিম আসুক, টুপটাপ ঝরে পড়ুক শিশির, সোনাঝরা দিন সামনেই।

  5. এই শরতে আবহাওয়া সাজে ভিন্ন সাজে। আকাশও রূপ নেয় রূপালী সাজে। আর মানুষ রূপ বদলায় সকাল সাজে। শরৎ বলে কথা!
    কবি দাদার কবিতায় ভালোবাসা রেখে গেলাম। সাথে শরতের শুভেচ্ছাও থাকলো।

  6. শরৎকাল আমার প্রিয় ঋতু। আপনি এটাকে যন্ত্রণা বানিয়ে দিলেন?
    শরতের আগমনে নেশাতুর প্রত্যেক্ষদর্শীর বিবরণ দক্ষ হাতে অংকিত করলেন বলে মনে হল।
    আপনার মনের ব্যাকুলতা জানতে মুঞ্চায়…

    1. সরতে।আমার তো সব ঋতু পছন্দ!
      দক্ষ হতে পারলে তো যন্ত্রণার উপশম হয়েই যেত।
      মন ব্যাকুল হয় বলেই লিখতে পারি, লিখিও।
      ধন্যবাদ।

    1. উহ্‌,
      আগের লেখায়-ই শরৎ এসেছে, মন দিয়ে না পড়লে যা হয় আর-কী!!
      অবশ্য মনের-ই বা দোষ কী! যা চাপ-চুপ যাচ্ছে!
      দেখুন, একটু পরেই এবার বলে না বসেন, এর শরৎ আর কাশ বন নিয়ে
      ব্লগবাসী কী করিবে! কোথায় রাখিবে!!
      তৈরি থাকুন।

      1. আগের লেখা পড়াই হয়নি, তাই এই ভুল হয়েছে।
        যে চাপ চুপ যাচ্ছে।
        স্ক্রীন শট দিয়ে বুঝাতে হচ্ছে নতুন ব্লগারদের ঘন্টার পর ঘন্টা।
        পচ্চুর নতুন ব্লগার আসছে।

      2. কাউকে কেউ কিছু শিখিয়েছে এমন কোন ইতিহাস এখন ও জানতে পারি নাই।
        হয়ত ইতিহাসের নূতন অধ্যায় শুরু হবে!
        চাপ-চুপে কুল কুল থাকতে হবে।

  7. শরৎ বেলায়..
    কবির কবিতায় শরতের প্রতি প্রেম আর প্রেম ভাসে,
    উদাসীর চোখে নীল রঙ প্রকট হয়,
    বালিকার মুগ্ধ দৃষ্টি ঘন-মেঘ দিয়ে কাশফুলের মালা গাঁথে,

    শারদীয় যাতনায় কতযে মধু থাকে, তা কেবল পতঙ্গ জানে 😉

    আপনি কি পতঙ্গ হয়ে এই লেখা লিখেছেন মহারাজ 😉

মন্তব্য করুন