অপেক্ষার দিনক্ষণ

 

ব্যস্ত (অহেতুক) জীবনের বাজার-রাস্তায়
কোন এক অনুষঙ্গ ঠায় দাঁড়িয়ে থেকে
অথবা আলটপকা লাফিয়ে পড়ে
পথ আগলে দাঁড়ায়;
সমুখের বিস্তর কোলাহলের ভিড় ঠেলে,
অগুন্‌তি বিষাদ বিসম্বাদ ছুঁড়ে দ্যায়, নির্দয় ভাবে।
ঝানু শিকারীর মত নির্দয়তায় ছিঁড়ে-ফেড়ে
কেটে-কুটে টুকরো-টুকরো করে।

ভবিতব্যের লুকনো পৃষ্ঠা খুলে যায় অকস্মাৎ
তপ্ত কালো দীর্ঘস্থায়ী কণ্ঠস্বর, ঘর সন্দেহ বাতিকগ্রস্ততায়।

স্বর্নীল-উষ্ণ-শ্বাসের ঠাসবুনটের অলস-অপেক্ষারা
নিপাট শুয়ে আছে হিশেবের দিনক্ষণে।

মোট পড়েছেনঃ ১,০৬২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৬টি মন্তব্য

  1. সমুখের বিস্তর কোলাহলের ভিড় ঠেলে,
    অগুন্‌তি বিষাদ বিসম্বাদ ছুঁড়ে দ্যায়, নির্দয় ভাবে।
    ঝানু শিকারীর মত নির্দয়তায় ছিঁড়ে-ফেড়ে
    কেটে-কুটে টুকরো-টুকরো করে।

    হচ্ছেও এমন, ঘটছেও এমন। তবু জীবন কারোর থেমে নেই। চলছেই চলছে!

  2. আলটপকা কি?

    ভবিতব্যের লুকনো পৃষ্ঠা খুলে যায় অকস্মাৎ
    তপ্ত কালো দীর্ঘস্থায়ী কণ্ঠস্বর, ঘর সন্দেহ বাতিকগ্রস্ততায়।

    ঘর সমস্যাতো হবেই আর ইতিহাসতো স্বাক্ষী দিবেই।
    চমৎকার কবিতা। আবারো আসবো আর একটু মন্তব্য পইড়া বুইঝ্ঝা লই।

  3. সে আসে, আসবেই। হিসেবের দিনক্ষণ শেষে হওয়ার অপেক্ষায় সে থাকেনা মহারাজ। তার কাছে যাকে মনে ধরে, তাকেই শিকার করে নেয়।

    এই জায়গাটিতে কবে গেলেন? খুব সুন্দর, প্রাচীনতা ঘেরা।

    1. আপনি বলতে চাচ্ছে শিকারীর হাত থেকে নিস্তার নেই!
      কী আর করা , তথাস্তু বলে হাত উঁচু করে দিব।
      আমার গুটি কয়েক দেশ ভ্রমণের একটি, ম্যানিলার একটি অর্কিড পার্ক।
      কিছু বছর আগে গিয়েছিলাম।

  4. সন্দেহরা হুট করেই আসে, খাতা খোলার দরকার পড়েনা সবসময়। মনে ডাক দেয় তখন- কি বুঝলেন?

    অপেক্ষার প্রহরের অবসান ঘটুক কবি ভাইজান। আর হ্যা, ছবিতে ঐগুলি মাছ ছিলো বুঝতে পারিনি। প্রথমে ভেবেছি অন্যকিছু। 🙈🙈

    1. প্রায় দশ এমবি এর ছবি, কমাতে গিয়ে আর কিচ্ছু থাকে না।
      এটা ঠিক সন্দেহ বিষয়ে নয়, অনাকাঙ্খিত অনেক কিছু হামলে পড়ে আমাদের বিপর্যস্ত করে ফেলে।

  5. শব্দের ঠাস বুনটে মুগ্ধ!
    বুঝতে গিয়ে অন্ধকারে ঘোরটোপে জোনাকবতির মতো পিটপিটে আলোয়
    বোঝা না বোঝার আলোর নাচন।

    তারপরও আক্কেল দাঁত গায়েব!!

মন্তব্য করুন